সিলেট ০৬:০৮ পূর্বাহ্ন, শনিবার, ১৭ অক্টোবর ২০২৬
News Title :
লাখাই মুড়িয়াউক ইউনিয়ন নির্বাচনকে সামনে রেখে জমে উঠেছে প্রচার-প্রচারণা ‎সিলেটে বাস টমটম সংঘর্ষে মা-মেয়ে নিহতের ঘটনায় ঘাতক বাস চালক গ্রেপ্তার কুলাউড়ায় নতুন আঙ্গিকে গোবিন্দাস রেস্টুরেন্ট, সাশ্রয়ী মূল্যে মিলবে তিন বেলার খাবার নিউইয়র্ক পুলিশ কর্মকর্তা জুয়েল মাহবুবের সঙ্গে স্রোত সাহিত্য পর্ষদের শুভেচ্ছা বিনিময় ‎হবিগঞ্জে পূজামণ্ডপের নিরাপত্তায় ১২ প্লাটুন বিজিবি মোতায়েন ‎লাখাইয়ে শান্তিপূর্ণ, নির্বিঘ্নে দুর্গাপূজাঁ‎ উদযাপনের লক্ষ্যে মতবিনিময় সভা অনুষ্ঠিত।    ঢাকা-সিলেট মহাসড়কে অলিপুরে ট্রাকের ধাক্কায় মোটরসাইকেল আরোহী মৃত্যু হবিগঞ্জ কারাগারে মাদক মামলার এক বন্দির মৃত্যু ‎লাখাইয়ে পুলিশের উদ্যোগে মাদক ও অপরাধবিরোধী উঠান বৈঠক অনুষ্ঠিত শান্তিগঞ্জে প্রধান শিক্ষক সমিতির ত্রি-বার্ষিক সম্মেলনে সভাপতি মানিক,সম্পাদক সুধা রঞ্জন

“সাত দিনেও শয্যা পাইনি’-স্বাস্থ্যমন্ত্রীর সামনে রোগীর ক্ষোভ! অনুপস্থিত ফার্মাসিস্টকে বদলির নির্দেশ‎


‎হবিগঞ্জ ২৫০ শয্যা জেলা সদর হাসপাতালে আকস্মিক পরিদর্শনে গিয়ে রোগী ও স্বজনদের নানা অভিযোগ শুনেছেন স্বাস্থ্য ও পরিবার কল্যাণমন্ত্রী সরদার মো.সাখাওয়াত হোসেন। চিকিৎসাসেবার মান, জনবলসংকট ও হাসপাতালের পরিবেশ নিয়ে অভিযোগের পর সংশ্লিষ্টদের প্রয়োজনীয় ব্যবস্থা নেওয়ার নির্দেশ দেন তিনি। দায়িত্বে অনুপস্থিত থাকায় রিগান হোসেন নামের এক ফার্মাসিস্টকে তাৎক্ষণিক বদলির নির্দেশও দেন মন্ত্রী।
‎
‎শনিবার দুপুর সাড়ে ১২টার দিকে হাসপাতালে গিয়ে সার্জারি বিভাগ, বর্হিবিভাগসহ বিভিন্ন ইউনিট পরিদর্শন করেন স্বাস্থ্যমন্ত্রী। এ সময় তিনি রোগীদের সঙ্গে কথা বলেন এবং চিকিৎসক ও স্বাস্থ্যকর্মীদের উপস্থিতি ও হাসপাতালের কার্যক্রম সম্পর্কে খোঁজ নেন।


‎
‎পরিদর্শনের সময় এক শিশুর মা মন্ত্রীর কাছে হাসপাতালের সেবা নিয়ে ক্ষোভ প্রকাশ করেন। তিনি অভিযোগ করেন, হাসপাতালে ভর্তি থাকার পরও স্যালাইন ও প্রয়োজনীয় ওষুধ বাইরে থেকে কিনে আনতে হচ্ছে। সাত দিন ভর্তি থাকলেও শয্যা না পাওয়ার অভিযোগও করেন তিনি।
‎রোগীদের অভিযোগ শুনে হাসপাতালের চিকিৎসক ও জনবলসংকট, অপরিচ্ছন্ন পরিবেশ এবং সেবার বিভিন্ন সীমাবদ্ধতার বিষয়ে সংশ্লিষ্ট কর্মকর্তাদের সঙ্গে কথা বলেন মন্ত্রী। তিনি সাধারণ মানুষের চিকিৎসাসেবা নিশ্চিত করতে অবহেলা ও অনিয়মের বিরুদ্ধে কঠোর অবস্থানের কথা জানান।
‎
‎হাসপাতালের সেবার মান দ্রুত উন্নত করার পাশাপাশি দালাল চক্রের বিরুদ্ধে ব্যবস্থা নিতে স্থানীয় প্রশাসনকে প্রয়োজনীয় পদক্ষেপ নেওয়ার নির্দেশ দেন তিনি।
‎এ সময় হাম প্রতিরোধে আগামী তিন সপ্তাহ পর সারা দেশে আবারও টিকাদান কর্মসূচি পরিচালনার কথা জানান স্বাস্থ্যমন্ত্রী। শিশুদের টিকার আওতায় আনার পাশাপাশি অভিভাবকদের সচেতন করার ওপর গুরুত্ব দেন তিনি।
‎
‎পরিদর্শনকালে জেলা প্রশাসক জিএম সরফরাজ, জেলা পরিষদের প্রশাসক আহমেদ আলী মুকিব, ২৫০ শয্যা জেলা সদর হাসপাতালের তত্ত্বাবধায়ক আমিনুল হক সরকারসহ সংশ্লিষ্ট কর্মকর্তারা উপস্থিত ছিলেন।

ট্যাগস :
আপলোডকারীর তথ্য

জনপ্রিয় সংবাদ

লাখাই মুড়িয়াউক ইউনিয়ন নির্বাচনকে সামনে রেখে জমে উঠেছে প্রচার-প্রচারণা

“সাত দিনেও শয্যা পাইনি’-স্বাস্থ্যমন্ত্রীর সামনে রোগীর ক্ষোভ! অনুপস্থিত ফার্মাসিস্টকে বদলির নির্দেশ‎

সময় ১০:৩০:৫৮ অপরাহ্ন, শনিবার, ২৯ অগাস্ট ২০২৬


‎হবিগঞ্জ ২৫০ শয্যা জেলা সদর হাসপাতালে আকস্মিক পরিদর্শনে গিয়ে রোগী ও স্বজনদের নানা অভিযোগ শুনেছেন স্বাস্থ্য ও পরিবার কল্যাণমন্ত্রী সরদার মো.সাখাওয়াত হোসেন। চিকিৎসাসেবার মান, জনবলসংকট ও হাসপাতালের পরিবেশ নিয়ে অভিযোগের পর সংশ্লিষ্টদের প্রয়োজনীয় ব্যবস্থা নেওয়ার নির্দেশ দেন তিনি। দায়িত্বে অনুপস্থিত থাকায় রিগান হোসেন নামের এক ফার্মাসিস্টকে তাৎক্ষণিক বদলির নির্দেশও দেন মন্ত্রী।
‎
‎শনিবার দুপুর সাড়ে ১২টার দিকে হাসপাতালে গিয়ে সার্জারি বিভাগ, বর্হিবিভাগসহ বিভিন্ন ইউনিট পরিদর্শন করেন স্বাস্থ্যমন্ত্রী। এ সময় তিনি রোগীদের সঙ্গে কথা বলেন এবং চিকিৎসক ও স্বাস্থ্যকর্মীদের উপস্থিতি ও হাসপাতালের কার্যক্রম সম্পর্কে খোঁজ নেন।


‎
‎পরিদর্শনের সময় এক শিশুর মা মন্ত্রীর কাছে হাসপাতালের সেবা নিয়ে ক্ষোভ প্রকাশ করেন। তিনি অভিযোগ করেন, হাসপাতালে ভর্তি থাকার পরও স্যালাইন ও প্রয়োজনীয় ওষুধ বাইরে থেকে কিনে আনতে হচ্ছে। সাত দিন ভর্তি থাকলেও শয্যা না পাওয়ার অভিযোগও করেন তিনি।
‎রোগীদের অভিযোগ শুনে হাসপাতালের চিকিৎসক ও জনবলসংকট, অপরিচ্ছন্ন পরিবেশ এবং সেবার বিভিন্ন সীমাবদ্ধতার বিষয়ে সংশ্লিষ্ট কর্মকর্তাদের সঙ্গে কথা বলেন মন্ত্রী। তিনি সাধারণ মানুষের চিকিৎসাসেবা নিশ্চিত করতে অবহেলা ও অনিয়মের বিরুদ্ধে কঠোর অবস্থানের কথা জানান।
‎
‎হাসপাতালের সেবার মান দ্রুত উন্নত করার পাশাপাশি দালাল চক্রের বিরুদ্ধে ব্যবস্থা নিতে স্থানীয় প্রশাসনকে প্রয়োজনীয় পদক্ষেপ নেওয়ার নির্দেশ দেন তিনি।
‎এ সময় হাম প্রতিরোধে আগামী তিন সপ্তাহ পর সারা দেশে আবারও টিকাদান কর্মসূচি পরিচালনার কথা জানান স্বাস্থ্যমন্ত্রী। শিশুদের টিকার আওতায় আনার পাশাপাশি অভিভাবকদের সচেতন করার ওপর গুরুত্ব দেন তিনি।
‎
‎পরিদর্শনকালে জেলা প্রশাসক জিএম সরফরাজ, জেলা পরিষদের প্রশাসক আহমেদ আলী মুকিব, ২৫০ শয্যা জেলা সদর হাসপাতালের তত্ত্বাবধায়ক আমিনুল হক সরকারসহ সংশ্লিষ্ট কর্মকর্তারা উপস্থিত ছিলেন।