সিলেট ০৩:১৯ অপরাহ্ন, শনিবার, ১৭ অক্টোবর ২০২৬
News Title :
নেত্রকোনায় সাংবাদিক লুৎফুজ্জামান আলিফ ফকিরকে গুলি করে হত্যা: শেরপুর প্রেসক্লাবের তীব্র নিন্দা ও প্রতিবাদ ‎জৈন্তাপুরে জমি দখলকে কেন্দ্র করে সংঘর্ষ: আহত একই পরিবারের ৩  ভাইসহ একাধিক সদস্য। ‎প্রতিবন্ধী নাতনির দায়িত্ব বৃদ্ধ দাদির কাঁধে লাখাই মুড়িয়াউক ইউনিয়ন নির্বাচনকে সামনে রেখে জমে উঠেছে প্রচার-প্রচারণা ‎সিলেটে বাস টমটম সংঘর্ষে মা-মেয়ে নিহতের ঘটনায় ঘাতক বাস চালক গ্রেপ্তার কুলাউড়ায় নতুন আঙ্গিকে গোবিন্দাস রেস্টুরেন্ট, সাশ্রয়ী মূল্যে মিলবে তিন বেলার খাবার নিউইয়র্ক পুলিশ কর্মকর্তা জুয়েল মাহবুবের সঙ্গে স্রোত সাহিত্য পর্ষদের শুভেচ্ছা বিনিময় ‎হবিগঞ্জে পূজামণ্ডপের নিরাপত্তায় ১২ প্লাটুন বিজিবি মোতায়েন ‎লাখাইয়ে শান্তিপূর্ণ, নির্বিঘ্নে দুর্গাপূজাঁ‎ উদযাপনের লক্ষ্যে মতবিনিময় সভা অনুষ্ঠিত।    ঢাকা-সিলেট মহাসড়কে অলিপুরে ট্রাকের ধাক্কায় মোটরসাইকেল আরোহী মৃত্যু

‎কক্সবাজারে স্ত্রী ও দুলাভাইয়ের পরকীয়ার জেরে স্বামী খুনের আসামি গ্রেফতার

‎কক্সবাজারের রামুতে পরকীয়া প্রেমের জেরে ছৈয়দ হোসেন নামে এক প্রবাসীকে হত্যার ঘটনায় এজাহারনামীয় দুই নম্বর পলাতক আসামি আকতার কামালকে (৪২) গ্রেফতার করেছে র‍্যাপিড এ্যাকশন ব্যাটালিয়ন (র‍্যাব)। গত বুধবার (০৮ জুলাই) সন্ধ্যা পৌনে আটটার দিকে সিলেটের কোতোয়ালী থানাধীন শাহী ঈদগাহ মাঠ এলাকা থেকে তাকে গ্রেফতার করা হয়।

‎গ্রেফতারকৃত আকতার কামাল কক্সবাজার জেলার রামু থানার কালারপাড়া এলাকার হামজা আলীর ছেলে। তিনি নিহত ছৈয়দ হোসেনের বোনের স্বামী (দুলাভাই)।

‎র‍্যাব-৯ এর মিডিয়া অফিসার অতিরিক্ত পুলিশ সুপার কে, এম, শহিদুল ইসলাম সোহাগ গণমাধ্যমে পাঠানো এক সংবাদ বিজ্ঞপ্তিতে এই তথ্য নিশ্চিত করেছেন।

‎র‍্যাব জানায়, ভিকটিম ছৈয়দ হোসেন কক্সবাজারের রামু থানার কালারপাড়া এলাকার বাসিন্দা ছিলেন। ২০১৯ সাল থেকে তিনি প্রবাসে থাকাকালীন তার দুলাভাই আকতার কামাল (২ নং আসামি) তার সংসারের নিত্যপ্রয়োজনীয় জিনিসপত্র কিনে বাড়িতে পৌঁছে দিতেন। এই সুযোগে ছৈয়দ হোসেনের স্ত্রী আনোয়ারা বেগমের (১ নং আসামি) সাথে আকতার কামালের পরকীয়া প্রেমের সম্পর্ক গড়ে ওঠে

‎২০২৩ সালে ছৈয়দ হোসেন প্রবাস থেকে দেশে ফিরে বিষয়টি জানতে পারেন এবং আকতার কামালকে তার বাড়িতে আসতে নিষেধ করেন। কিন্তু আকতার কামাল তা অমান্য করে গোপনে সম্পর্ক চালিয়ে যান। এ নিয়ে ছৈয়দ হোসেনের সাথে তার স্ত্রীর প্রায়ই ঝগড়া ও মনোমালিন্য হতো।

‎গত ২৫ জুন ভোর সাড়ে ৫টার দিকে ছৈয়দ হোসেনের মেয়ে তার চাচাকে ফোন করে বাবার মৃত্যুর খবর দেয়। পরিবারের সদস্যরা এসে ছৈয়দ হোসেনের শরীরে বিভিন্ন জখমসহ মরদেহ দেখতে পান। পরিবারের ধারণা, পরকীয়া সম্পর্কের বাধা দেওয়ায় গত ২৪ জুন রাত সাড়ে ১১টা থেকে ২৫ জুন ভোর সাড়ে ৫টার মধ্যবর্তী সময়ে স্ত্রী আনোয়ারা বেগম ও দুলাভাই আকতার কামাল অজ্ঞাতনামা সহযোগীদের নিয়ে ছৈয়দ হোসেনকে হত্যা করেন। এ ঘটনায় নিহতের ভাই বাদী হয়ে কক্সবাজারের রামু থানায় একটি হত্যা মামলা দায়ের করেন।

‎হত্যাকাণ্ডের পর আসামিরা আত্মগোপনে চলে গেলে র‍্যাব এই ঘটনার ছায়া তদন্ত শুরু করে। এরই ধারাবাহিকতায় গোপন সংবাদের ভিত্তিতে র‍্যাব-৯ (সদর কোম্পানী, সিলেট) এবং র‍্যাব-১৫ (সদর কোম্পানী, কক্সবাজার) এর একটি যৌথ আভিযানিক দল সিলেট শহরের শাহী ঈদগাহ মাঠ এলাকায় অভিযান চালিয়ে পলাতক আসামি আকতার কামালকে গ্রেফতার করতে সক্ষম হয়।

র‍্যাব জানিয়েছে, পরবর্তী আইনি ব্যবস্থা গ্রহণের জন্য গ্রেফতারকৃত আসামিকে সংশ্লিষ্ট থানায় হস্তান্তর করা হয়েছে। এছাড়া এলাকার আইন-শৃঙ্খলা পরিস্থিতি স্বাভাবিক রাখতে র‍্যাবের গোয়েন্দা তৎপরতা ও অভিযান অব্যাহত রয়েছে।

‎

ট্যাগস :
আপলোডকারীর তথ্য

জনপ্রিয় সংবাদ

নেত্রকোনায় সাংবাদিক লুৎফুজ্জামান আলিফ ফকিরকে গুলি করে হত্যা: শেরপুর প্রেসক্লাবের তীব্র নিন্দা ও প্রতিবাদ

‎কক্সবাজারে স্ত্রী ও দুলাভাইয়ের পরকীয়ার জেরে স্বামী খুনের আসামি গ্রেফতার

সময় ০৩:২৩:৪৬ অপরাহ্ন, বৃহস্পতিবার, ৯ জুলাই ২০২৬

‎কক্সবাজারের রামুতে পরকীয়া প্রেমের জেরে ছৈয়দ হোসেন নামে এক প্রবাসীকে হত্যার ঘটনায় এজাহারনামীয় দুই নম্বর পলাতক আসামি আকতার কামালকে (৪২) গ্রেফতার করেছে র‍্যাপিড এ্যাকশন ব্যাটালিয়ন (র‍্যাব)। গত বুধবার (০৮ জুলাই) সন্ধ্যা পৌনে আটটার দিকে সিলেটের কোতোয়ালী থানাধীন শাহী ঈদগাহ মাঠ এলাকা থেকে তাকে গ্রেফতার করা হয়।

‎গ্রেফতারকৃত আকতার কামাল কক্সবাজার জেলার রামু থানার কালারপাড়া এলাকার হামজা আলীর ছেলে। তিনি নিহত ছৈয়দ হোসেনের বোনের স্বামী (দুলাভাই)।

‎র‍্যাব-৯ এর মিডিয়া অফিসার অতিরিক্ত পুলিশ সুপার কে, এম, শহিদুল ইসলাম সোহাগ গণমাধ্যমে পাঠানো এক সংবাদ বিজ্ঞপ্তিতে এই তথ্য নিশ্চিত করেছেন।

‎র‍্যাব জানায়, ভিকটিম ছৈয়দ হোসেন কক্সবাজারের রামু থানার কালারপাড়া এলাকার বাসিন্দা ছিলেন। ২০১৯ সাল থেকে তিনি প্রবাসে থাকাকালীন তার দুলাভাই আকতার কামাল (২ নং আসামি) তার সংসারের নিত্যপ্রয়োজনীয় জিনিসপত্র কিনে বাড়িতে পৌঁছে দিতেন। এই সুযোগে ছৈয়দ হোসেনের স্ত্রী আনোয়ারা বেগমের (১ নং আসামি) সাথে আকতার কামালের পরকীয়া প্রেমের সম্পর্ক গড়ে ওঠে

‎২০২৩ সালে ছৈয়দ হোসেন প্রবাস থেকে দেশে ফিরে বিষয়টি জানতে পারেন এবং আকতার কামালকে তার বাড়িতে আসতে নিষেধ করেন। কিন্তু আকতার কামাল তা অমান্য করে গোপনে সম্পর্ক চালিয়ে যান। এ নিয়ে ছৈয়দ হোসেনের সাথে তার স্ত্রীর প্রায়ই ঝগড়া ও মনোমালিন্য হতো।

‎গত ২৫ জুন ভোর সাড়ে ৫টার দিকে ছৈয়দ হোসেনের মেয়ে তার চাচাকে ফোন করে বাবার মৃত্যুর খবর দেয়। পরিবারের সদস্যরা এসে ছৈয়দ হোসেনের শরীরে বিভিন্ন জখমসহ মরদেহ দেখতে পান। পরিবারের ধারণা, পরকীয়া সম্পর্কের বাধা দেওয়ায় গত ২৪ জুন রাত সাড়ে ১১টা থেকে ২৫ জুন ভোর সাড়ে ৫টার মধ্যবর্তী সময়ে স্ত্রী আনোয়ারা বেগম ও দুলাভাই আকতার কামাল অজ্ঞাতনামা সহযোগীদের নিয়ে ছৈয়দ হোসেনকে হত্যা করেন। এ ঘটনায় নিহতের ভাই বাদী হয়ে কক্সবাজারের রামু থানায় একটি হত্যা মামলা দায়ের করেন।

‎হত্যাকাণ্ডের পর আসামিরা আত্মগোপনে চলে গেলে র‍্যাব এই ঘটনার ছায়া তদন্ত শুরু করে। এরই ধারাবাহিকতায় গোপন সংবাদের ভিত্তিতে র‍্যাব-৯ (সদর কোম্পানী, সিলেট) এবং র‍্যাব-১৫ (সদর কোম্পানী, কক্সবাজার) এর একটি যৌথ আভিযানিক দল সিলেট শহরের শাহী ঈদগাহ মাঠ এলাকায় অভিযান চালিয়ে পলাতক আসামি আকতার কামালকে গ্রেফতার করতে সক্ষম হয়।

র‍্যাব জানিয়েছে, পরবর্তী আইনি ব্যবস্থা গ্রহণের জন্য গ্রেফতারকৃত আসামিকে সংশ্লিষ্ট থানায় হস্তান্তর করা হয়েছে। এছাড়া এলাকার আইন-শৃঙ্খলা পরিস্থিতি স্বাভাবিক রাখতে র‍্যাবের গোয়েন্দা তৎপরতা ও অভিযান অব্যাহত রয়েছে।

‎