সিলেট ১২:৪৭ পূর্বাহ্ন, শনিবার, ০৪ জুলাই ২০২৬
News Title :
‎জামালপুরে রাস্তা উন্নয়ন ও বৃক্ষরোপণ কর্মসূচির উদ্বোধন করলেন এমপি নিলুফার চৌধুরী মণি ‎টাঙ্গাইলে র‍্যাবের অভিযানে ১২৫ বোতল এসকাফ সিরাপসহ দুই মাদক কারবারি গ্রেপ্তার ‎জামালপুরে রাস্তার দুই পাশে ফলজ ও ঔষধি গাছের চারা রোপণ, অংশ নিলেন ড. নিলোফার চৌধুরী মনি এমপি।‎ শান্তিগঞ্জের চন্দপুর গ্রামের সড়ক সংস্কার কাজের উদ্বোধন ‎ভুল প্রশ্নপত্র বিতরণ মির্জাপুরে এইচএসসি কেন্দ্রের দুই শিক্ষককে দায়িত্ব থেকে অব্যাহতি ‎ফেঞ্চুগঞ্জে সর্বস্তরের মুসলিম জনতার বিক্ষোভ মিছিল: মিথ্যা মামলা প্রত্যাহারের দাবি ‎শেরপুরের গজনী অবকাশে ‘ডিজিএসএস’ এর শিক্ষা সফর ও বৃক্ষরোপণ কর্মসূচি অনুষ্ঠিত পাকা নিজস্ব ভবনে শান্তিগঞ্জ প্রেসক্লাবের অনানুষ্ঠানিক যাত্রা শুরু : অচিরেই আনুষ্ঠানিক উদ্বোধন ‎লাখাইয়ে কৃষি প্রযুক্তি মেলার সমাপনী ও পুর বিতরনী অনুষ্ঠিত। ‎বিজিবির প্রবল বাঁধার মুখে  ফিরে গেল অবৈধ অনুপ্রবেশকারীরা
ইউএনও বদলি, সহকারী কমিশনার (ভূমি) প্রশিক্ষণে..

‎অতিরিক্ত দায়িত্বে চলছে প্রশাসনিক কার্যক্রম, কাঙ্ক্ষিত সেবা থেকে বঞ্চিত উপজেলাবাসী



সুনামগঞ্জের শান্তিগঞ্জ উপজেলায় উপজেলা নির্বাহী কর্মকর্তা (ইউএনও) মোহাম্মদ শাহজাহান বদলি হওয়া এবং সহকারী কমিশনার (ভূমি) ফাতেমা তুজ জোহরা দীর্ঘমেয়াদি প্রশিক্ষণে থাকায় উপজেলা প্রশাসনের গুরুত্বপূর্ণ দুটি পদে নিয়মিত কর্মকর্তা না থাকায় প্রশাসনিক কার্যক্রমে ধীরগতি দেখা দিয়েছে। অতিরিক্ত দায়িত্বে পরিচালিত হচ্ছে উপজেলার প্রশাসন। এতে ব্যাহত হচ্ছে নাগরিক সেবা, ধীরগতির হয়ে পড়েছে উন্নয়ন কর্মকাণ্ড এবং চরম ভোগান্তিতে পড়েছেন সাধারণ সেবাগ্রহীতারা।

সংশ্লিষ্ট সূত্রে জানা যায়, গত ১০ জুন শান্তিগঞ্জ উপজেলার উপজেলা নির্বাহী কর্মকর্তা মোহাম্মদ শাহজাহান বদলি হওয়ার পর থেকে পদটি শূন্য রয়েছে। এরপর জেলা প্রশাসনের পক্ষ থেকে পার্শ্ববর্তী জগন্নাথপুর উপজেলার উপজেলা নির্বাহী কর্মকর্তা মো. ইসলাম উদ্দিনকে শান্তিগঞ্জের অতিরিক্ত দায়িত্ব দেওয়া হয়। তবে অতিরিক্ত দায়িত্ব পালনের কারণে তিনি মূলত প্রয়োজনীয় রুটিন কার্যক্রম পরিচালনা করছেন। সপ্তাহে মাত্র দু-একদিন কিংবা বিশেষ প্রয়োজনে শান্তিগঞ্জে আসতে পারায় অধিকাংশ সময়ই উপজেলা প্রশাসন কার্যত স্থায়ী নেতৃত্বহীন অবস্থায় রয়েছে।

এ অবস্থায় সাধারণ মানুষকে বিভিন্ন প্রশাসনিক সেবা পেতে চরম দুর্ভোগ পোহাতে হচ্ছে। দূর-দূরান্ত থেকে এসে অনেক সেবাগ্রহীতা প্রয়োজনীয় স্বাক্ষর, অনুমোদন বা প্রশাসনিক সিদ্ধান্তের জন্য দিনের পর দিন অপেক্ষা করেও কাজ সম্পন্ন করতে পারছেন না।বিশেষ করে জরুরি প্রশাসনিক অনুমোদন, আইন-শৃঙ্খলা সংক্রান্ত তাৎক্ষণিক সিদ্ধান্ত গ্রহণ এবং বিভিন্ন দাপ্তরিক ফাইল নিষ্পত্তির ক্ষেত্রে জটিলতা, ‍ভূমি অফিসের কার্যক্রম, জন্ম নিবন্ধন ত্রুটি বিচ্যুতি সংশোধনেও বিলম্বের অভিযোগ উঠেছে।

‎অন্যদিকে, শান্তিগঞ্জ উপজেলার সহকারী কমিশনার (ভূমি) ফাতেমা তুজ জোহরা চলতি বছরের ১০ মে থেকে পাঁচ মাসব্যাপী প্রশিক্ষণে অংশগ্রহণ করেছেন। দীর্ঘদিন ধরে উপজেলার এ দুটি গুরুত্বপূর্ণ পদে নিয়মিত কর্মকর্তা না থাকায় প্রশাসনের বিভিন্ন দাপ্তরিক কার্যক্রমে বিলম্ব হচ্ছে বলে জানা গেছে। বিশেষ করে নির্বাহী ম্যাজিস্ট্রেটের এখতিয়ারভুক্ত কার্যক্রম, বিভিন্ন প্রশাসনিক অনুমোদন, ভূমি-সংক্রান্ত সেবা এবং অন্যান্য জরুরি দাপ্তরিক কাজে কাঙ্ক্ষিত গতি নেই।

‎স্থানীয় জনপ্রতিনিধি, গণমাধ্যকর্মী সহ সচেতন মহলের মতে, অতিরিক্ত দায়িত্বপ্রাপ্ত কর্মকর্তার নিজ উপজেলার পাশাপাশি অন্য উপজেলার দায়িত্বও পালনে সব সময় উপজেলায় উপস্থিত থাকা সম্ভব হচ্ছে না। “ইউএনও একটি উপজেলার প্রশাসনিক কর্মকাণ্ডের প্রধান সমন্বয়কারী। অতিরিক্ত দায়িত্বে থাকা একজন কর্মকর্তার পক্ষে নিজের কর্মস্থলের পাশাপাশি অন্য উপজেলার সার্বিক কার্যক্রম কার্যকর ভাবে পরিচালনা করা খুবই কঠিন। ফলে প্রশাসনে সমন্বয়হীনতা ও শূন্যতা তৈরি হয়েছে।”

‎এদিকে স্থায়ী ইউএনও না থাকায় উপজেলার বিভিন্ন উন্নয়ন প্রকল্পের কাজও ক্ষতিগ্রস্ত হচ্ছে বলে সংশ্লিষ্ট সূত্র জানিয়েছে। নিয়মিত তদারকির অভাবে প্রকল্প বাস্তবায়নের গতি কমে গেছে। অনেক ক্ষেত্রে ফাইল অনুমোদনে বিলম্ব এবং প্রশাসনিক জটিলতার কারণে নতুন প্রকল্প ও বরাদ্দের কাজও আটকে রয়েছে।
‎শান্তিগঞ্জ উপজেলায় দ্রুত উপজেলা নির্বাহী কর্মকর্তা ও সহকারী কমিশনার (ভূমি) পদে নিয়মিত কর্মকর্তা পদায়নের দাবি জানিয়েছেন উপজেলাবাসী। তাদের মতে, গুরুত্বপূর্ণ এই দুটি পদে স্থায়ী কর্মকর্তা যোগদান করলে প্রশাসনিক কার্যক্রমে গতি ফিরবে এবং সাধারণ মানুষ সময়মতো কাঙ্ক্ষিত সরকারি সেবা পাবেন।

অতিরিক্ত দায়িত্বে শান্তিগঞ্জ উপজেলার উপজেলা নির্বাহী কর্মকর্তা হিসেবে দায়িত্ব পালন করা জগন্নাথপুর উপজেলার উপজেলা নির্বাহী কর্মকর্তা মো. ইসলাম উদ্দিন বলেছেন, তাঁর মূল কর্মস্থল জগন্নাথপুর উপজেলা হলেও অতিরিক্ত দায়িত্ব হিসেবে শান্তিগঞ্জ উপজেলার দাপ্তরিক কার্যক্রম নিয়মিত পরিচালনা করছেন।
‎তিনি বলেন, মূল দায়িত্বে জগন্নাথপুর উপজেলায় রয়েছি। অতিরিক্ত দায়িত্ব হিসেবে শান্তিগঞ্জ উপজেলার প্রশাসনিক কার্যক্রমও পরিচালনা করছি। অতিরিক্ত দায়িত্ব পালনের পরও দুই উপজেলায় প্রয়োজনীয় সময় দিচ্ছি।

তিনি আরও জানান, জুন মাস সরকারি দাপ্তরিক কার্যক্রমের জন্য অত্যন্ত গুরুত্বপূর্ণ একটি মাস। এ মাসের সকল গুরুত্বপূর্ণ কাজ যথাযথ গুরুত্বের সঙ্গে সম্পন্ন করা হয়েছে। অতিরিক্ত দায়িত্ব পালনের কারণে কোনো ধরনের প্রশাসনিক কার্যক্রমে ব্যাঘাত ঘটেনি। বর্তমানে শান্তিগঞ্জ উপজেলায় নিয়মিত উপজেলা নির্বাহী কর্মকর্তা পদায়নের অপেক্ষায় রয়েছি।

‎সুনামগঞ্জে জেলা প্রশাসক মোহাম্মদ মিনহাজুর রহমান (ডিসি) বলেন, বর্তমানে সুনামগঞ্জ জেলার ৩টি উপজেলায় উপজেলা নির্বাহী কর্মকর্তা (ইউএনও) পদ শূন্য রয়েছে। জনপ্রশাসন মন্ত্রণালয় কর্তৃক বিভাগীয় কমিশনারের কার্যালয়, সিলেট বিভাগে প্রয়োজনীয় সংখ্যক উপজেলা নির্বাহী কর্মকর্তা (ইউএনও) ও সহকারী কমিশনার (ভূমি) পদ ন্যস্ত করা হলে, বিভাগীয় কমিশনার মহোদয় প্রশাসনিক প্রয়োজন ও বিধি-বিধান অনুসরণ করে সুনামগঞ্জ জেলার শূন্য পদগুলোতে ইউএনও ও সহকারী কমিশনার (ভূমি) পদায়নের উদ্যোগ গ্রহণ করবেন। শ্রীঘ্রই শুন্য পদে পদায়ন করা হবে।

ট্যাগস :
আপলোডকারীর তথ্য

জনপ্রিয় সংবাদ

‎জামালপুরে রাস্তা উন্নয়ন ও বৃক্ষরোপণ কর্মসূচির উদ্বোধন করলেন এমপি নিলুফার চৌধুরী মণি

ইউএনও বদলি, সহকারী কমিশনার (ভূমি) প্রশিক্ষণে..

‎অতিরিক্ত দায়িত্বে চলছে প্রশাসনিক কার্যক্রম, কাঙ্ক্ষিত সেবা থেকে বঞ্চিত উপজেলাবাসী

সময় ০২:৩৩:৫৭ অপরাহ্ন, শুক্রবার, ৩ জুলাই ২০২৬



সুনামগঞ্জের শান্তিগঞ্জ উপজেলায় উপজেলা নির্বাহী কর্মকর্তা (ইউএনও) মোহাম্মদ শাহজাহান বদলি হওয়া এবং সহকারী কমিশনার (ভূমি) ফাতেমা তুজ জোহরা দীর্ঘমেয়াদি প্রশিক্ষণে থাকায় উপজেলা প্রশাসনের গুরুত্বপূর্ণ দুটি পদে নিয়মিত কর্মকর্তা না থাকায় প্রশাসনিক কার্যক্রমে ধীরগতি দেখা দিয়েছে। অতিরিক্ত দায়িত্বে পরিচালিত হচ্ছে উপজেলার প্রশাসন। এতে ব্যাহত হচ্ছে নাগরিক সেবা, ধীরগতির হয়ে পড়েছে উন্নয়ন কর্মকাণ্ড এবং চরম ভোগান্তিতে পড়েছেন সাধারণ সেবাগ্রহীতারা।

সংশ্লিষ্ট সূত্রে জানা যায়, গত ১০ জুন শান্তিগঞ্জ উপজেলার উপজেলা নির্বাহী কর্মকর্তা মোহাম্মদ শাহজাহান বদলি হওয়ার পর থেকে পদটি শূন্য রয়েছে। এরপর জেলা প্রশাসনের পক্ষ থেকে পার্শ্ববর্তী জগন্নাথপুর উপজেলার উপজেলা নির্বাহী কর্মকর্তা মো. ইসলাম উদ্দিনকে শান্তিগঞ্জের অতিরিক্ত দায়িত্ব দেওয়া হয়। তবে অতিরিক্ত দায়িত্ব পালনের কারণে তিনি মূলত প্রয়োজনীয় রুটিন কার্যক্রম পরিচালনা করছেন। সপ্তাহে মাত্র দু-একদিন কিংবা বিশেষ প্রয়োজনে শান্তিগঞ্জে আসতে পারায় অধিকাংশ সময়ই উপজেলা প্রশাসন কার্যত স্থায়ী নেতৃত্বহীন অবস্থায় রয়েছে।

এ অবস্থায় সাধারণ মানুষকে বিভিন্ন প্রশাসনিক সেবা পেতে চরম দুর্ভোগ পোহাতে হচ্ছে। দূর-দূরান্ত থেকে এসে অনেক সেবাগ্রহীতা প্রয়োজনীয় স্বাক্ষর, অনুমোদন বা প্রশাসনিক সিদ্ধান্তের জন্য দিনের পর দিন অপেক্ষা করেও কাজ সম্পন্ন করতে পারছেন না।বিশেষ করে জরুরি প্রশাসনিক অনুমোদন, আইন-শৃঙ্খলা সংক্রান্ত তাৎক্ষণিক সিদ্ধান্ত গ্রহণ এবং বিভিন্ন দাপ্তরিক ফাইল নিষ্পত্তির ক্ষেত্রে জটিলতা, ‍ভূমি অফিসের কার্যক্রম, জন্ম নিবন্ধন ত্রুটি বিচ্যুতি সংশোধনেও বিলম্বের অভিযোগ উঠেছে।

‎অন্যদিকে, শান্তিগঞ্জ উপজেলার সহকারী কমিশনার (ভূমি) ফাতেমা তুজ জোহরা চলতি বছরের ১০ মে থেকে পাঁচ মাসব্যাপী প্রশিক্ষণে অংশগ্রহণ করেছেন। দীর্ঘদিন ধরে উপজেলার এ দুটি গুরুত্বপূর্ণ পদে নিয়মিত কর্মকর্তা না থাকায় প্রশাসনের বিভিন্ন দাপ্তরিক কার্যক্রমে বিলম্ব হচ্ছে বলে জানা গেছে। বিশেষ করে নির্বাহী ম্যাজিস্ট্রেটের এখতিয়ারভুক্ত কার্যক্রম, বিভিন্ন প্রশাসনিক অনুমোদন, ভূমি-সংক্রান্ত সেবা এবং অন্যান্য জরুরি দাপ্তরিক কাজে কাঙ্ক্ষিত গতি নেই।

‎স্থানীয় জনপ্রতিনিধি, গণমাধ্যকর্মী সহ সচেতন মহলের মতে, অতিরিক্ত দায়িত্বপ্রাপ্ত কর্মকর্তার নিজ উপজেলার পাশাপাশি অন্য উপজেলার দায়িত্বও পালনে সব সময় উপজেলায় উপস্থিত থাকা সম্ভব হচ্ছে না। “ইউএনও একটি উপজেলার প্রশাসনিক কর্মকাণ্ডের প্রধান সমন্বয়কারী। অতিরিক্ত দায়িত্বে থাকা একজন কর্মকর্তার পক্ষে নিজের কর্মস্থলের পাশাপাশি অন্য উপজেলার সার্বিক কার্যক্রম কার্যকর ভাবে পরিচালনা করা খুবই কঠিন। ফলে প্রশাসনে সমন্বয়হীনতা ও শূন্যতা তৈরি হয়েছে।”

‎এদিকে স্থায়ী ইউএনও না থাকায় উপজেলার বিভিন্ন উন্নয়ন প্রকল্পের কাজও ক্ষতিগ্রস্ত হচ্ছে বলে সংশ্লিষ্ট সূত্র জানিয়েছে। নিয়মিত তদারকির অভাবে প্রকল্প বাস্তবায়নের গতি কমে গেছে। অনেক ক্ষেত্রে ফাইল অনুমোদনে বিলম্ব এবং প্রশাসনিক জটিলতার কারণে নতুন প্রকল্প ও বরাদ্দের কাজও আটকে রয়েছে।
‎শান্তিগঞ্জ উপজেলায় দ্রুত উপজেলা নির্বাহী কর্মকর্তা ও সহকারী কমিশনার (ভূমি) পদে নিয়মিত কর্মকর্তা পদায়নের দাবি জানিয়েছেন উপজেলাবাসী। তাদের মতে, গুরুত্বপূর্ণ এই দুটি পদে স্থায়ী কর্মকর্তা যোগদান করলে প্রশাসনিক কার্যক্রমে গতি ফিরবে এবং সাধারণ মানুষ সময়মতো কাঙ্ক্ষিত সরকারি সেবা পাবেন।

অতিরিক্ত দায়িত্বে শান্তিগঞ্জ উপজেলার উপজেলা নির্বাহী কর্মকর্তা হিসেবে দায়িত্ব পালন করা জগন্নাথপুর উপজেলার উপজেলা নির্বাহী কর্মকর্তা মো. ইসলাম উদ্দিন বলেছেন, তাঁর মূল কর্মস্থল জগন্নাথপুর উপজেলা হলেও অতিরিক্ত দায়িত্ব হিসেবে শান্তিগঞ্জ উপজেলার দাপ্তরিক কার্যক্রম নিয়মিত পরিচালনা করছেন।
‎তিনি বলেন, মূল দায়িত্বে জগন্নাথপুর উপজেলায় রয়েছি। অতিরিক্ত দায়িত্ব হিসেবে শান্তিগঞ্জ উপজেলার প্রশাসনিক কার্যক্রমও পরিচালনা করছি। অতিরিক্ত দায়িত্ব পালনের পরও দুই উপজেলায় প্রয়োজনীয় সময় দিচ্ছি।

তিনি আরও জানান, জুন মাস সরকারি দাপ্তরিক কার্যক্রমের জন্য অত্যন্ত গুরুত্বপূর্ণ একটি মাস। এ মাসের সকল গুরুত্বপূর্ণ কাজ যথাযথ গুরুত্বের সঙ্গে সম্পন্ন করা হয়েছে। অতিরিক্ত দায়িত্ব পালনের কারণে কোনো ধরনের প্রশাসনিক কার্যক্রমে ব্যাঘাত ঘটেনি। বর্তমানে শান্তিগঞ্জ উপজেলায় নিয়মিত উপজেলা নির্বাহী কর্মকর্তা পদায়নের অপেক্ষায় রয়েছি।

‎সুনামগঞ্জে জেলা প্রশাসক মোহাম্মদ মিনহাজুর রহমান (ডিসি) বলেন, বর্তমানে সুনামগঞ্জ জেলার ৩টি উপজেলায় উপজেলা নির্বাহী কর্মকর্তা (ইউএনও) পদ শূন্য রয়েছে। জনপ্রশাসন মন্ত্রণালয় কর্তৃক বিভাগীয় কমিশনারের কার্যালয়, সিলেট বিভাগে প্রয়োজনীয় সংখ্যক উপজেলা নির্বাহী কর্মকর্তা (ইউএনও) ও সহকারী কমিশনার (ভূমি) পদ ন্যস্ত করা হলে, বিভাগীয় কমিশনার মহোদয় প্রশাসনিক প্রয়োজন ও বিধি-বিধান অনুসরণ করে সুনামগঞ্জ জেলার শূন্য পদগুলোতে ইউএনও ও সহকারী কমিশনার (ভূমি) পদায়নের উদ্যোগ গ্রহণ করবেন। শ্রীঘ্রই শুন্য পদে পদায়ন করা হবে।