সিলেট ০৮:১২ অপরাহ্ন, মঙ্গলবার, ০৪ অগাস্ট ২০২৬
News Title :
‎জেলা সেরা থেকে রেঞ্জসেরা: শেরপুর ফাঁড়ির এসআই ওবায়দুল্লাহর সাফল্য ‎জামালপুরের মেলান্দহে ব্র্যাকের স্বাস্থ্য কর্মসূচি পরিদর্শন করলেন ইউএনও জিন্নাতুল আরা ‎নগরীর আম্বরখানা থেকে ১০ কেজি গঁজাসহ ৪ মাদক ব্যবসায়ী কে গ্রেপ্তার করল র‌্যাব। ‎শান্তিগঞ্জে গ্রামীণ সড়কের কোর নেটওয়ার্ক ও ‘রাইট অব ওয়ে’ সংরক্ষণে কর্মশালা‎ র‌্যাবের অভিযানে অনলাইন জুয়া চক্রের ৭ সদস্য গ্রেফতার, মোবাইল ও টোকেন উদ্ধার গোয়াইনঘাটে অবৈধ পাথর উত্তোলনের অভিযোগে টাস্কফোর্সের অভিযান, আটক ৮ ‎কিশোরগঞ্জের কুলিয়ারচরে হাইওয়ে উদ্ধার অভিযানে প্রাণ হারালেন হবিগঞ্জের পুলিশ কনস্টেবল পারভেজ হবিগঞ্জে সুরমা চা বাগানে বিজিবির অভিযানে কাভার্ডভ্যান থেকে ৬২ লাখ টাকার ভারতীয় পণ্য জব্দ ‘অনলাইন সিলেট’র ১ম প্রতিষ্ঠাবার্ষিকী পালিত: বস্তুনিষ্ঠ ও দায়িত্বশীল সাংবাদিকতার আহ্বান স্ত্রীর কাছে ১০ লাখ টাকা যৌতুক দাবির অভিযোগে হবিগঞ্জে স্কুলশিক্ষক গ্রেপ্তার

‎ওসমানী হাসপাতালে র‍্যাব-জেলা প্রশাসনের যৌথ অভিযান: ৪ দালালকে কারাদণ্ড

‎সিলেটের এমএজি ওসমানী মেডিকেল কলেজ হাসপাতালে চিকিৎসা নিতে আসা সাধারণ মানুষকে হয়রানি, প্রতারণা এবং সরকারি দায়িত্ব পালনে বাধা দেওয়ার অপরাধে দালালচক্রের ৪ সদস্যকে বিভিন্ন মেয়াদে কারাদণ্ড দেওয়া হয়েছে। র‍্যাপিড এ্যাকশন ব্যাটালিয়ন (র‍্যাব)-৯ এবং সিলেট জেলা প্রশাসনের যৌথ অভিযানে পরিচালিত এক ভ্রাম্যমাণ আদালত এই দণ্ডাদেশ প্রদান করেন।

‎র‍্যাব-৯ এর মিডিয়া অফিসার অতিরিক্ত পুলিশ সুপার কে, এম, শহিদুল ইসলাম সোহাগ এক সংবাদ বিজ্ঞপ্তিতে এই তথ্য নিশ্চিত করেছেন।

সাজাপ্রাপ্ত ব্যক্তিরা হল, সিলেট নগরীর শামীমাবাদ আবাসিক এলাকার শাহজাহান আহমেদের ছেলে তানভীর আহমেদ সুমন (৩০), সুনামগঞ্জ জেলার শান্তিগঞ্জ উপজেলার পাগলা পশ্চিম পাড়া গ্রামের বাচ্চু মিয়ার ছেলে সায়েম আহমেদ (৩৪) তাদের দুজনকে ৩ মাস করে বিনাশ্রম কারাদণ্ড দেয়া হয়। ও মৌলভীবাজার সদরের হেলালপুর গ্রামের মৃত কনা মিয়া ছেলে বকুল মিয়া (৫৬) এবং সিলেট নগরীর কানিশাইল এলাকাট  মৃত বসির আহমেদের ছেলে সুমন আহমেদ (২৮)। ‎তাদের দুইজন কে ১ মাসের বিনাশ্রম কারাদণ্ড দেয়া হয়।

‎র‍্যাব জানায়, সম্প্রতি সিলেট এমএজি ওসমানী মেডিকেল কলেজ হাসপাতালে প্রতারণাকারী দালাল চক্রের দৌরাত্ম্য আশঙ্কাজনকভাবে বেড়ে যায়। এর পরিপ্রেক্ষিতে গোয়েন্দা তৎপরতা জোরদার করার পর গত ২৬ জুন আনুমানিক ১০:১০ থেকে ১০:২৫ মিনিট পর্যন্ত হাসপাতাল এলাকায় যৌথ অভিযান পরিচালনা করা হয়।

‎অভিযানকালে সাধারণ মানুষকে হয়রানি ও সরকারি কাজে বাধা দেওয়ার অপরাধ হাতেনাতে স্বীকার করায় বিজ্ঞ ম্যাজিস্ট্রেট পেনাল কোড, ১৮৬০-এর ১৮৬ ধারা অনুযায়ী আসামিদের এই দণ্ড প্রদান করেন।

‎উল্লেখ্য, ১৮৬০ সনের দণ্ডবিধির ১৮৬ ধারা অনুযায়ী কোনো সরকারি কর্মচারীকে তাঁর সরকারি দায়িত্ব পালনে ইচ্ছাকৃতভাবে বাধা প্রদান করা একটি দণ্ডনীয় অপরাধ।

‎র‍্যাব-৯ এর পক্ষ থেকে জানানো হয়েছে, দেশের আইন-শৃঙ্খলা পরিস্থিতি স্বাভাবিক রাখার লক্ষ্যে এবং জনস্বার্থে এই ধরনের অপরাধবিরোধী অভিযান ও গোয়েন্দা তৎপরতা ভবিষ্যতেও অব্যাহত থাকবে।

ট্যাগস :
আপলোডকারীর তথ্য

জনপ্রিয় সংবাদ

‎জেলা সেরা থেকে রেঞ্জসেরা: শেরপুর ফাঁড়ির এসআই ওবায়দুল্লাহর সাফল্য

‎ওসমানী হাসপাতালে র‍্যাব-জেলা প্রশাসনের যৌথ অভিযান: ৪ দালালকে কারাদণ্ড

সময় ০৭:৪৩:২৯ অপরাহ্ন, বুধবার, ১৭ জুন ২০২৬

‎সিলেটের এমএজি ওসমানী মেডিকেল কলেজ হাসপাতালে চিকিৎসা নিতে আসা সাধারণ মানুষকে হয়রানি, প্রতারণা এবং সরকারি দায়িত্ব পালনে বাধা দেওয়ার অপরাধে দালালচক্রের ৪ সদস্যকে বিভিন্ন মেয়াদে কারাদণ্ড দেওয়া হয়েছে। র‍্যাপিড এ্যাকশন ব্যাটালিয়ন (র‍্যাব)-৯ এবং সিলেট জেলা প্রশাসনের যৌথ অভিযানে পরিচালিত এক ভ্রাম্যমাণ আদালত এই দণ্ডাদেশ প্রদান করেন।

‎র‍্যাব-৯ এর মিডিয়া অফিসার অতিরিক্ত পুলিশ সুপার কে, এম, শহিদুল ইসলাম সোহাগ এক সংবাদ বিজ্ঞপ্তিতে এই তথ্য নিশ্চিত করেছেন।

সাজাপ্রাপ্ত ব্যক্তিরা হল, সিলেট নগরীর শামীমাবাদ আবাসিক এলাকার শাহজাহান আহমেদের ছেলে তানভীর আহমেদ সুমন (৩০), সুনামগঞ্জ জেলার শান্তিগঞ্জ উপজেলার পাগলা পশ্চিম পাড়া গ্রামের বাচ্চু মিয়ার ছেলে সায়েম আহমেদ (৩৪) তাদের দুজনকে ৩ মাস করে বিনাশ্রম কারাদণ্ড দেয়া হয়। ও মৌলভীবাজার সদরের হেলালপুর গ্রামের মৃত কনা মিয়া ছেলে বকুল মিয়া (৫৬) এবং সিলেট নগরীর কানিশাইল এলাকাট  মৃত বসির আহমেদের ছেলে সুমন আহমেদ (২৮)। ‎তাদের দুইজন কে ১ মাসের বিনাশ্রম কারাদণ্ড দেয়া হয়।

‎র‍্যাব জানায়, সম্প্রতি সিলেট এমএজি ওসমানী মেডিকেল কলেজ হাসপাতালে প্রতারণাকারী দালাল চক্রের দৌরাত্ম্য আশঙ্কাজনকভাবে বেড়ে যায়। এর পরিপ্রেক্ষিতে গোয়েন্দা তৎপরতা জোরদার করার পর গত ২৬ জুন আনুমানিক ১০:১০ থেকে ১০:২৫ মিনিট পর্যন্ত হাসপাতাল এলাকায় যৌথ অভিযান পরিচালনা করা হয়।

‎অভিযানকালে সাধারণ মানুষকে হয়রানি ও সরকারি কাজে বাধা দেওয়ার অপরাধ হাতেনাতে স্বীকার করায় বিজ্ঞ ম্যাজিস্ট্রেট পেনাল কোড, ১৮৬০-এর ১৮৬ ধারা অনুযায়ী আসামিদের এই দণ্ড প্রদান করেন।

‎উল্লেখ্য, ১৮৬০ সনের দণ্ডবিধির ১৮৬ ধারা অনুযায়ী কোনো সরকারি কর্মচারীকে তাঁর সরকারি দায়িত্ব পালনে ইচ্ছাকৃতভাবে বাধা প্রদান করা একটি দণ্ডনীয় অপরাধ।

‎র‍্যাব-৯ এর পক্ষ থেকে জানানো হয়েছে, দেশের আইন-শৃঙ্খলা পরিস্থিতি স্বাভাবিক রাখার লক্ষ্যে এবং জনস্বার্থে এই ধরনের অপরাধবিরোধী অভিযান ও গোয়েন্দা তৎপরতা ভবিষ্যতেও অব্যাহত থাকবে।