
সিলেটের এমএজি ওসমানী মেডিকেল কলেজ হাসপাতালে চিকিৎসা নিতে আসা সাধারণ মানুষকে হয়রানি, প্রতারণা এবং সরকারি দায়িত্ব পালনে বাধা দেওয়ার অপরাধে দালালচক্রের ৪ সদস্যকে বিভিন্ন মেয়াদে কারাদণ্ড দেওয়া হয়েছে। র্যাপিড এ্যাকশন ব্যাটালিয়ন (র্যাব)-৯ এবং সিলেট জেলা প্রশাসনের যৌথ অভিযানে পরিচালিত এক ভ্রাম্যমাণ আদালত এই দণ্ডাদেশ প্রদান করেন।
র্যাব-৯ এর মিডিয়া অফিসার অতিরিক্ত পুলিশ সুপার কে, এম, শহিদুল ইসলাম সোহাগ এক সংবাদ বিজ্ঞপ্তিতে এই তথ্য নিশ্চিত করেছেন।
সাজাপ্রাপ্ত ব্যক্তিরা হল, সিলেট নগরীর শামীমাবাদ আবাসিক এলাকার শাহজাহান আহমেদের ছেলে তানভীর আহমেদ সুমন (৩০), সুনামগঞ্জ জেলার শান্তিগঞ্জ উপজেলার পাগলা পশ্চিম পাড়া গ্রামের বাচ্চু মিয়ার ছেলে সায়েম আহমেদ (৩৪) তাদের দুজনকে ৩ মাস করে বিনাশ্রম কারাদণ্ড দেয়া হয়। ও মৌলভীবাজার সদরের হেলালপুর গ্রামের মৃত কনা মিয়া ছেলে বকুল মিয়া (৫৬) এবং সিলেট নগরীর কানিশাইল এলাকাট মৃত বসির আহমেদের ছেলে সুমন আহমেদ (২৮)। তাদের দুইজন কে ১ মাসের বিনাশ্রম কারাদণ্ড দেয়া হয়।
র্যাব জানায়, সম্প্রতি সিলেট এমএজি ওসমানী মেডিকেল কলেজ হাসপাতালে প্রতারণাকারী দালাল চক্রের দৌরাত্ম্য আশঙ্কাজনকভাবে বেড়ে যায়। এর পরিপ্রেক্ষিতে গোয়েন্দা তৎপরতা জোরদার করার পর গত ২৬ জুন আনুমানিক ১০:১০ থেকে ১০:২৫ মিনিট পর্যন্ত হাসপাতাল এলাকায় যৌথ অভিযান পরিচালনা করা হয়।
অভিযানকালে সাধারণ মানুষকে হয়রানি ও সরকারি কাজে বাধা দেওয়ার অপরাধ হাতেনাতে স্বীকার করায় বিজ্ঞ ম্যাজিস্ট্রেট পেনাল কোড, ১৮৬০-এর ১৮৬ ধারা অনুযায়ী আসামিদের এই দণ্ড প্রদান করেন।
উল্লেখ্য, ১৮৬০ সনের দণ্ডবিধির ১৮৬ ধারা অনুযায়ী কোনো সরকারি কর্মচারীকে তাঁর সরকারি দায়িত্ব পালনে ইচ্ছাকৃতভাবে বাধা প্রদান করা একটি দণ্ডনীয় অপরাধ।
র্যাব-৯ এর পক্ষ থেকে জানানো হয়েছে, দেশের আইন-শৃঙ্খলা পরিস্থিতি স্বাভাবিক রাখার লক্ষ্যে এবং জনস্বার্থে এই ধরনের অপরাধবিরোধী অভিযান ও গোয়েন্দা তৎপরতা ভবিষ্যতেও অব্যাহত থাকবে।
স্টাফ রিপোর্টার 


















