সিলেট ০৩:১১ পূর্বাহ্ন, বুধবার, ০৩ জুন ২০২৬
News Title :
বানিয়াচং মডেল প্রেসক্লাবের ঈদ পুনর্মিলনী অনুষ্ঠিত ‎কালের কণ্ঠে যোগ দিলেন সাংবাদিক আবু বকর সিদ্দিক চৌধুরী রাষ্ট্রীয় সম্মানে বীর মুক্তিযোদ্ধা আব্দুল মতিনের জানাজা ও দাফন সম্পন্ন ‎চুনারুঘাটে অবৈধ সিলিকা বালু উত্তোলনের বিরুদ্ধে অভিযান ‎মাধবপুরে অবৈধ বালু ও মাটি উত্তোলনের বিরুদ্ধে অভিযান, ড্রেজার ও পাইপ ধ্বংস ‎ভোরের নীরবতা ভেঙে পুলিশের অভিযান, ৭.৫ কেজি গাঁজাসহ আটক মাদক কারবারি ‎হবিগঞ্জ প্রেসক্লাবে ‘আমার আব্বা’ গ্রন্থের প্রকাশনা অনুষ্ঠান অনুষ্ঠিত বানিয়াচং সাহিত্য পরিষদ পুনর্গঠন: সভাপতি জসিম, সম্পাদক শাহাব ‎মাধবপুরে পানির ফিল্টারে লুকিয়ে পাচারের সময় ১৯২ কেজি গাঁজাসহ কারবারি গ্রেপ্তার ‎সাবেক সংসদ সদস্য ও বীর মুক্তিযোদ্ধা আব্দুল মতিন আর নেই
বোরো ধান কাটার ধুম…..‎

ভরা মৌসুমেও কৃষকের মুখে হাসি নেই: খরচ উঠছে না, বর্গা চাষীরা বিপাকে




‎সারাদেশে এখন বোরো ধান কাটার ধুম লেগেছে। চারদিকে সোনালী ধানের সমারোহ থাকলেও কৃষকের মনে কোনো আনন্দ নেই। উৎপাদন খরচের তুলনায় বাজারে ধানের দাম কম হওয়ায় এবং প্রাকৃতিক দুর্যোগের কারণে চরম লোকসানের মুখে পড়েছেন চাষীরা।

‎চলতি মৌসুমে সার, তেল, বীজ, বপন ও রোপণসহ প্রতিটি ধাপে চাষীদের খরচ বেড়েছে কয়েক গুণ। অথচ খোলা বাজারে প্রতি মণ ধান বিক্রি হচ্ছে মাত্র ৭৫০ থেকে ৮০০ টাকায়। বিপরীতে ধান কাটার জন্য প্রতি শ্রমিকের দৈনিক মজুরি (হাজিরা) দিতে হচ্ছে প্রায় ১২০০ থেকে ১৪০০ টাকা। ফলে ধান বিক্রি করে উৎপাদন খরচ তুলতেই হিমশিম খাচ্ছেন সাধারণ কৃষকরা।

‎চলতি বৈশাখ মাসের শুরু থেকেই প্রতিদিন ঝড়-বৃষ্টি লেগেই রয়েছে। বৈরী আবহাওয়ার কারণে অনেক জায়গায় পাকা ধান জমিতেই হেলে পড়েছে, কোথাও আবার ধান তলিয়ে গেছে পানির নিচে। বৃষ্টির কারণে কৃষকরা ধান কাটতে ও শুকাতে পারছেন না। ভেজা ধান নিয়ে মাড়াইয়ের কাজে চরম ভোগান্তিতে পড়েছেন তারা।


‎বাজারের এই মন্দা পরিস্থিতি এবং ক্রমাগত লোকসানের কারণে বর্গা চাষীরা সবচেয়ে বেশি বিপাকে পড়েছেন। আগামীতে বর্গা চাষ করার আগ্রহ হারাচ্ছেন অনেকেই। একজন হতাশ কৃষক ক্ষোভ প্রকাশ করে বলেন,আল্লাহ জানেন আগামী মৌসুমে নিজের জমিটুকু কার নিকট বর্গা দেব! খরচের চড়া দামের কারণে কেউ আর বর্গা জমি নিতে চাচ্ছে না।

‎তবে এই সংকটকালীন পরিস্থিতিতে সরকারিভাবে একটি ইতিবাচক উদ্যোগ নেওয়া হয়েছে। জানা গেছে, কৃষকদের লোকসান থেকে বাঁচাতে সরকার সরাসরি তাদের কাছ থেকে ধান ক্রয় করবে। সাধারণ চাষীদের দাবি, সরকারি এই ধান ক্রয় প্রক্রিয়া যেন দ্রুত এবং মধ্যস্বত্বভোগীদের প্রভাবমুক্ত উপায়ে সরাসরি প্রকৃত কৃষকদের মাধ্যমে সম্পন্ন করা হয়, যাতে তারা ধানের সঠিক মূল্য পান।

ট্যাগস :
আপলোডকারীর তথ্য

জনপ্রিয় সংবাদ

বানিয়াচং মডেল প্রেসক্লাবের ঈদ পুনর্মিলনী অনুষ্ঠিত

বোরো ধান কাটার ধুম…..‎

ভরা মৌসুমেও কৃষকের মুখে হাসি নেই: খরচ উঠছে না, বর্গা চাষীরা বিপাকে

সময় ১০:০৮:৩২ অপরাহ্ন, শনিবার, ১৬ মে ২০২৬




‎সারাদেশে এখন বোরো ধান কাটার ধুম লেগেছে। চারদিকে সোনালী ধানের সমারোহ থাকলেও কৃষকের মনে কোনো আনন্দ নেই। উৎপাদন খরচের তুলনায় বাজারে ধানের দাম কম হওয়ায় এবং প্রাকৃতিক দুর্যোগের কারণে চরম লোকসানের মুখে পড়েছেন চাষীরা।

‎চলতি মৌসুমে সার, তেল, বীজ, বপন ও রোপণসহ প্রতিটি ধাপে চাষীদের খরচ বেড়েছে কয়েক গুণ। অথচ খোলা বাজারে প্রতি মণ ধান বিক্রি হচ্ছে মাত্র ৭৫০ থেকে ৮০০ টাকায়। বিপরীতে ধান কাটার জন্য প্রতি শ্রমিকের দৈনিক মজুরি (হাজিরা) দিতে হচ্ছে প্রায় ১২০০ থেকে ১৪০০ টাকা। ফলে ধান বিক্রি করে উৎপাদন খরচ তুলতেই হিমশিম খাচ্ছেন সাধারণ কৃষকরা।

‎চলতি বৈশাখ মাসের শুরু থেকেই প্রতিদিন ঝড়-বৃষ্টি লেগেই রয়েছে। বৈরী আবহাওয়ার কারণে অনেক জায়গায় পাকা ধান জমিতেই হেলে পড়েছে, কোথাও আবার ধান তলিয়ে গেছে পানির নিচে। বৃষ্টির কারণে কৃষকরা ধান কাটতে ও শুকাতে পারছেন না। ভেজা ধান নিয়ে মাড়াইয়ের কাজে চরম ভোগান্তিতে পড়েছেন তারা।


‎বাজারের এই মন্দা পরিস্থিতি এবং ক্রমাগত লোকসানের কারণে বর্গা চাষীরা সবচেয়ে বেশি বিপাকে পড়েছেন। আগামীতে বর্গা চাষ করার আগ্রহ হারাচ্ছেন অনেকেই। একজন হতাশ কৃষক ক্ষোভ প্রকাশ করে বলেন,আল্লাহ জানেন আগামী মৌসুমে নিজের জমিটুকু কার নিকট বর্গা দেব! খরচের চড়া দামের কারণে কেউ আর বর্গা জমি নিতে চাচ্ছে না।

‎তবে এই সংকটকালীন পরিস্থিতিতে সরকারিভাবে একটি ইতিবাচক উদ্যোগ নেওয়া হয়েছে। জানা গেছে, কৃষকদের লোকসান থেকে বাঁচাতে সরকার সরাসরি তাদের কাছ থেকে ধান ক্রয় করবে। সাধারণ চাষীদের দাবি, সরকারি এই ধান ক্রয় প্রক্রিয়া যেন দ্রুত এবং মধ্যস্বত্বভোগীদের প্রভাবমুক্ত উপায়ে সরাসরি প্রকৃত কৃষকদের মাধ্যমে সম্পন্ন করা হয়, যাতে তারা ধানের সঠিক মূল্য পান।