সিলেট ০৬:১৩ পূর্বাহ্ন, শনিবার, ১৭ অক্টোবর ২০২৬
News Title :
লাখাই মুড়িয়াউক ইউনিয়ন নির্বাচনকে সামনে রেখে জমে উঠেছে প্রচার-প্রচারণা ‎সিলেটে বাস টমটম সংঘর্ষে মা-মেয়ে নিহতের ঘটনায় ঘাতক বাস চালক গ্রেপ্তার কুলাউড়ায় নতুন আঙ্গিকে গোবিন্দাস রেস্টুরেন্ট, সাশ্রয়ী মূল্যে মিলবে তিন বেলার খাবার নিউইয়র্ক পুলিশ কর্মকর্তা জুয়েল মাহবুবের সঙ্গে স্রোত সাহিত্য পর্ষদের শুভেচ্ছা বিনিময় ‎হবিগঞ্জে পূজামণ্ডপের নিরাপত্তায় ১২ প্লাটুন বিজিবি মোতায়েন ‎লাখাইয়ে শান্তিপূর্ণ, নির্বিঘ্নে দুর্গাপূজাঁ‎ উদযাপনের লক্ষ্যে মতবিনিময় সভা অনুষ্ঠিত।    ঢাকা-সিলেট মহাসড়কে অলিপুরে ট্রাকের ধাক্কায় মোটরসাইকেল আরোহী মৃত্যু হবিগঞ্জ কারাগারে মাদক মামলার এক বন্দির মৃত্যু ‎লাখাইয়ে পুলিশের উদ্যোগে মাদক ও অপরাধবিরোধী উঠান বৈঠক অনুষ্ঠিত শান্তিগঞ্জে প্রধান শিক্ষক সমিতির ত্রি-বার্ষিক সম্মেলনে সভাপতি মানিক,সম্পাদক সুধা রঞ্জন
বোরো ধান কাটার ধুম…..‎

ভরা মৌসুমেও কৃষকের মুখে হাসি নেই: খরচ উঠছে না, বর্গা চাষীরা বিপাকে



‎
‎সারাদেশে এখন বোরো ধান কাটার ধুম লেগেছে। চারদিকে সোনালী ধানের সমারোহ থাকলেও কৃষকের মনে কোনো আনন্দ নেই। উৎপাদন খরচের তুলনায় বাজারে ধানের দাম কম হওয়ায় এবং প্রাকৃতিক দুর্যোগের কারণে চরম লোকসানের মুখে পড়েছেন চাষীরা।
‎
‎চলতি মৌসুমে সার, তেল, বীজ, বপন ও রোপণসহ প্রতিটি ধাপে চাষীদের খরচ বেড়েছে কয়েক গুণ। অথচ খোলা বাজারে প্রতি মণ ধান বিক্রি হচ্ছে মাত্র ৭৫০ থেকে ৮০০ টাকায়। বিপরীতে ধান কাটার জন্য প্রতি শ্রমিকের দৈনিক মজুরি (হাজিরা) দিতে হচ্ছে প্রায় ১২০০ থেকে ১৪০০ টাকা। ফলে ধান বিক্রি করে উৎপাদন খরচ তুলতেই হিমশিম খাচ্ছেন সাধারণ কৃষকরা।
‎
‎চলতি বৈশাখ মাসের শুরু থেকেই প্রতিদিন ঝড়-বৃষ্টি লেগেই রয়েছে। বৈরী আবহাওয়ার কারণে অনেক জায়গায় পাকা ধান জমিতেই হেলে পড়েছে, কোথাও আবার ধান তলিয়ে গেছে পানির নিচে। বৃষ্টির কারণে কৃষকরা ধান কাটতে ও শুকাতে পারছেন না। ভেজা ধান নিয়ে মাড়াইয়ের কাজে চরম ভোগান্তিতে পড়েছেন তারা।
‎


‎বাজারের এই মন্দা পরিস্থিতি এবং ক্রমাগত লোকসানের কারণে বর্গা চাষীরা সবচেয়ে বেশি বিপাকে পড়েছেন। আগামীতে বর্গা চাষ করার আগ্রহ হারাচ্ছেন অনেকেই। একজন হতাশ কৃষক ক্ষোভ প্রকাশ করে বলেন,আল্লাহ জানেন আগামী মৌসুমে নিজের জমিটুকু কার নিকট বর্গা দেব! খরচের চড়া দামের কারণে কেউ আর বর্গা জমি নিতে চাচ্ছে না।
‎
‎তবে এই সংকটকালীন পরিস্থিতিতে সরকারিভাবে একটি ইতিবাচক উদ্যোগ নেওয়া হয়েছে। জানা গেছে, কৃষকদের লোকসান থেকে বাঁচাতে সরকার সরাসরি তাদের কাছ থেকে ধান ক্রয় করবে। সাধারণ চাষীদের দাবি, সরকারি এই ধান ক্রয় প্রক্রিয়া যেন দ্রুত এবং মধ্যস্বত্বভোগীদের প্রভাবমুক্ত উপায়ে সরাসরি প্রকৃত কৃষকদের মাধ্যমে সম্পন্ন করা হয়, যাতে তারা ধানের সঠিক মূল্য পান।

ট্যাগস :
আপলোডকারীর তথ্য

জনপ্রিয় সংবাদ

লাখাই মুড়িয়াউক ইউনিয়ন নির্বাচনকে সামনে রেখে জমে উঠেছে প্রচার-প্রচারণা

বোরো ধান কাটার ধুম…..‎

ভরা মৌসুমেও কৃষকের মুখে হাসি নেই: খরচ উঠছে না, বর্গা চাষীরা বিপাকে

সময় ১০:০৮:৩২ অপরাহ্ন, শনিবার, ১৬ মে ২০২৬



‎
‎সারাদেশে এখন বোরো ধান কাটার ধুম লেগেছে। চারদিকে সোনালী ধানের সমারোহ থাকলেও কৃষকের মনে কোনো আনন্দ নেই। উৎপাদন খরচের তুলনায় বাজারে ধানের দাম কম হওয়ায় এবং প্রাকৃতিক দুর্যোগের কারণে চরম লোকসানের মুখে পড়েছেন চাষীরা।
‎
‎চলতি মৌসুমে সার, তেল, বীজ, বপন ও রোপণসহ প্রতিটি ধাপে চাষীদের খরচ বেড়েছে কয়েক গুণ। অথচ খোলা বাজারে প্রতি মণ ধান বিক্রি হচ্ছে মাত্র ৭৫০ থেকে ৮০০ টাকায়। বিপরীতে ধান কাটার জন্য প্রতি শ্রমিকের দৈনিক মজুরি (হাজিরা) দিতে হচ্ছে প্রায় ১২০০ থেকে ১৪০০ টাকা। ফলে ধান বিক্রি করে উৎপাদন খরচ তুলতেই হিমশিম খাচ্ছেন সাধারণ কৃষকরা।
‎
‎চলতি বৈশাখ মাসের শুরু থেকেই প্রতিদিন ঝড়-বৃষ্টি লেগেই রয়েছে। বৈরী আবহাওয়ার কারণে অনেক জায়গায় পাকা ধান জমিতেই হেলে পড়েছে, কোথাও আবার ধান তলিয়ে গেছে পানির নিচে। বৃষ্টির কারণে কৃষকরা ধান কাটতে ও শুকাতে পারছেন না। ভেজা ধান নিয়ে মাড়াইয়ের কাজে চরম ভোগান্তিতে পড়েছেন তারা।
‎


‎বাজারের এই মন্দা পরিস্থিতি এবং ক্রমাগত লোকসানের কারণে বর্গা চাষীরা সবচেয়ে বেশি বিপাকে পড়েছেন। আগামীতে বর্গা চাষ করার আগ্রহ হারাচ্ছেন অনেকেই। একজন হতাশ কৃষক ক্ষোভ প্রকাশ করে বলেন,আল্লাহ জানেন আগামী মৌসুমে নিজের জমিটুকু কার নিকট বর্গা দেব! খরচের চড়া দামের কারণে কেউ আর বর্গা জমি নিতে চাচ্ছে না।
‎
‎তবে এই সংকটকালীন পরিস্থিতিতে সরকারিভাবে একটি ইতিবাচক উদ্যোগ নেওয়া হয়েছে। জানা গেছে, কৃষকদের লোকসান থেকে বাঁচাতে সরকার সরাসরি তাদের কাছ থেকে ধান ক্রয় করবে। সাধারণ চাষীদের দাবি, সরকারি এই ধান ক্রয় প্রক্রিয়া যেন দ্রুত এবং মধ্যস্বত্বভোগীদের প্রভাবমুক্ত উপায়ে সরাসরি প্রকৃত কৃষকদের মাধ্যমে সম্পন্ন করা হয়, যাতে তারা ধানের সঠিক মূল্য পান।