সিলেট ০৭:২৩ পূর্বাহ্ন, শনিবার, ১৮ জুলাই ২০২৬
News Title :
‎আফগানিস্তানে জাতিসংঘের বিশেষ প্রতিনিধি হলেন মাধবপুরের রাবাব ফাতিমা ‎হবিগঞ্জে বন্যাদুর্গত চার শতাধিক মানুষের পাশে জেলা পুলিশ মেডিকেল ক্যাম্পে বিনামূল্যে চিকিৎসাসেবা‎ রুস্তম হত্যাকারীদের গ্রেফতারের দাবিতে মানববন্ধন ও বিক্ষোভ মিছিল, ১২ ঘণ্টার আল্টিমেটাম ‎লাখাইয়ে কৃষক স্মার্ট কার্ড বিতরণ শুরু ‎টাকার অভাবে থমকে গেছে উস্তার মিয়ার চিকিৎসা, পরিবার নিয়ে মানবতর জীবন যাপন হবিগঞ্জে ঘাস কাটতে গিয়ে সাপের কামড়ে যুবকের মৃত্যু সাবেক প্রয়াত মন্ত্রী সিরাজুল হোসেন খান শততম বর্ষে পদার্পণ আজ‎‎। জামালপুর অর্থনৈতিক অঞ্চলে বন্দি ‘পশ্চিমপাড়া গ্রাম’: পুনর্বাসনের জোর দাবি সচেতন মহলের ‎শান্তিগঞ্জে উচ্চ ফলনশীল আগাম জাতের আমন ধান চাষে কৃষকদের মৌলিক প্রশিক্ষণ সমাপ্ত শান্তিগঞ্জে জুলাই শহিদ দিবস উপলক্ষ্যে আলোচনা সভা
বোরো ধান কাটার ধুম…..‎

ভরা মৌসুমেও কৃষকের মুখে হাসি নেই: খরচ উঠছে না, বর্গা চাষীরা বিপাকে




‎সারাদেশে এখন বোরো ধান কাটার ধুম লেগেছে। চারদিকে সোনালী ধানের সমারোহ থাকলেও কৃষকের মনে কোনো আনন্দ নেই। উৎপাদন খরচের তুলনায় বাজারে ধানের দাম কম হওয়ায় এবং প্রাকৃতিক দুর্যোগের কারণে চরম লোকসানের মুখে পড়েছেন চাষীরা।

‎চলতি মৌসুমে সার, তেল, বীজ, বপন ও রোপণসহ প্রতিটি ধাপে চাষীদের খরচ বেড়েছে কয়েক গুণ। অথচ খোলা বাজারে প্রতি মণ ধান বিক্রি হচ্ছে মাত্র ৭৫০ থেকে ৮০০ টাকায়। বিপরীতে ধান কাটার জন্য প্রতি শ্রমিকের দৈনিক মজুরি (হাজিরা) দিতে হচ্ছে প্রায় ১২০০ থেকে ১৪০০ টাকা। ফলে ধান বিক্রি করে উৎপাদন খরচ তুলতেই হিমশিম খাচ্ছেন সাধারণ কৃষকরা।

‎চলতি বৈশাখ মাসের শুরু থেকেই প্রতিদিন ঝড়-বৃষ্টি লেগেই রয়েছে। বৈরী আবহাওয়ার কারণে অনেক জায়গায় পাকা ধান জমিতেই হেলে পড়েছে, কোথাও আবার ধান তলিয়ে গেছে পানির নিচে। বৃষ্টির কারণে কৃষকরা ধান কাটতে ও শুকাতে পারছেন না। ভেজা ধান নিয়ে মাড়াইয়ের কাজে চরম ভোগান্তিতে পড়েছেন তারা।


‎বাজারের এই মন্দা পরিস্থিতি এবং ক্রমাগত লোকসানের কারণে বর্গা চাষীরা সবচেয়ে বেশি বিপাকে পড়েছেন। আগামীতে বর্গা চাষ করার আগ্রহ হারাচ্ছেন অনেকেই। একজন হতাশ কৃষক ক্ষোভ প্রকাশ করে বলেন,আল্লাহ জানেন আগামী মৌসুমে নিজের জমিটুকু কার নিকট বর্গা দেব! খরচের চড়া দামের কারণে কেউ আর বর্গা জমি নিতে চাচ্ছে না।

‎তবে এই সংকটকালীন পরিস্থিতিতে সরকারিভাবে একটি ইতিবাচক উদ্যোগ নেওয়া হয়েছে। জানা গেছে, কৃষকদের লোকসান থেকে বাঁচাতে সরকার সরাসরি তাদের কাছ থেকে ধান ক্রয় করবে। সাধারণ চাষীদের দাবি, সরকারি এই ধান ক্রয় প্রক্রিয়া যেন দ্রুত এবং মধ্যস্বত্বভোগীদের প্রভাবমুক্ত উপায়ে সরাসরি প্রকৃত কৃষকদের মাধ্যমে সম্পন্ন করা হয়, যাতে তারা ধানের সঠিক মূল্য পান।

ট্যাগস :
আপলোডকারীর তথ্য

জনপ্রিয় সংবাদ

‎আফগানিস্তানে জাতিসংঘের বিশেষ প্রতিনিধি হলেন মাধবপুরের রাবাব ফাতিমা

বোরো ধান কাটার ধুম…..‎

ভরা মৌসুমেও কৃষকের মুখে হাসি নেই: খরচ উঠছে না, বর্গা চাষীরা বিপাকে

সময় ১০:০৮:৩২ অপরাহ্ন, শনিবার, ১৬ মে ২০২৬




‎সারাদেশে এখন বোরো ধান কাটার ধুম লেগেছে। চারদিকে সোনালী ধানের সমারোহ থাকলেও কৃষকের মনে কোনো আনন্দ নেই। উৎপাদন খরচের তুলনায় বাজারে ধানের দাম কম হওয়ায় এবং প্রাকৃতিক দুর্যোগের কারণে চরম লোকসানের মুখে পড়েছেন চাষীরা।

‎চলতি মৌসুমে সার, তেল, বীজ, বপন ও রোপণসহ প্রতিটি ধাপে চাষীদের খরচ বেড়েছে কয়েক গুণ। অথচ খোলা বাজারে প্রতি মণ ধান বিক্রি হচ্ছে মাত্র ৭৫০ থেকে ৮০০ টাকায়। বিপরীতে ধান কাটার জন্য প্রতি শ্রমিকের দৈনিক মজুরি (হাজিরা) দিতে হচ্ছে প্রায় ১২০০ থেকে ১৪০০ টাকা। ফলে ধান বিক্রি করে উৎপাদন খরচ তুলতেই হিমশিম খাচ্ছেন সাধারণ কৃষকরা।

‎চলতি বৈশাখ মাসের শুরু থেকেই প্রতিদিন ঝড়-বৃষ্টি লেগেই রয়েছে। বৈরী আবহাওয়ার কারণে অনেক জায়গায় পাকা ধান জমিতেই হেলে পড়েছে, কোথাও আবার ধান তলিয়ে গেছে পানির নিচে। বৃষ্টির কারণে কৃষকরা ধান কাটতে ও শুকাতে পারছেন না। ভেজা ধান নিয়ে মাড়াইয়ের কাজে চরম ভোগান্তিতে পড়েছেন তারা।


‎বাজারের এই মন্দা পরিস্থিতি এবং ক্রমাগত লোকসানের কারণে বর্গা চাষীরা সবচেয়ে বেশি বিপাকে পড়েছেন। আগামীতে বর্গা চাষ করার আগ্রহ হারাচ্ছেন অনেকেই। একজন হতাশ কৃষক ক্ষোভ প্রকাশ করে বলেন,আল্লাহ জানেন আগামী মৌসুমে নিজের জমিটুকু কার নিকট বর্গা দেব! খরচের চড়া দামের কারণে কেউ আর বর্গা জমি নিতে চাচ্ছে না।

‎তবে এই সংকটকালীন পরিস্থিতিতে সরকারিভাবে একটি ইতিবাচক উদ্যোগ নেওয়া হয়েছে। জানা গেছে, কৃষকদের লোকসান থেকে বাঁচাতে সরকার সরাসরি তাদের কাছ থেকে ধান ক্রয় করবে। সাধারণ চাষীদের দাবি, সরকারি এই ধান ক্রয় প্রক্রিয়া যেন দ্রুত এবং মধ্যস্বত্বভোগীদের প্রভাবমুক্ত উপায়ে সরাসরি প্রকৃত কৃষকদের মাধ্যমে সম্পন্ন করা হয়, যাতে তারা ধানের সঠিক মূল্য পান।