সিলেট ০২:৫২ পূর্বাহ্ন, শুক্রবার, ১৭ জুলাই ২০২৬
News Title :
জামালপুর অর্থনৈতিক অঞ্চলে বন্দি ‘পশ্চিমপাড়া গ্রাম’: পুনর্বাসনের জোর দাবি সচেতন মহলের ‎শান্তিগঞ্জে উচ্চ ফলনশীল আগাম জাতের আমন ধান চাষে কৃষকদের মৌলিক প্রশিক্ষণ সমাপ্ত শান্তিগঞ্জে জুলাই শহিদ দিবস উপলক্ষ্যে আলোচনা সভা ‎আজমিরীগঞ্জে মোটরসাইকেলের সংঘর্ষে ৩ যুবক নিহত, আহত ২ ‎লাখাইয়ে সনাতন ধর্মাবলম্বীদের  উদ্যোগে রথযাত্রা র ্যালি জুলাই শহীদ দিবসে ছাতকে আলোচনা সভা, শহীদদের আদর্শ ধারণের আহ্বান ‎জামালপুরে পানিবন্দি ৪০০ পরিবারের পাশে এমপি ওয়ারেছ আলী মামুন ‎সিলেটে এসএমপির মাসব্যাপী মাদকবিরোধী র‍্যালি ও সমাবেশ অনুষ্ঠিত হবিগঞ্জে যৌথ অভিযানে উদ্ধার ২৪ বন্যপাখি, প্রাকৃতিক আবাসে অবমুক্ত ‎হবিগঞ্জে জুলাই শহীদ দিবস পালন, স্মৃতিস্তম্ভে শ্রদ্ধা নিবেদন‎

‎শান্তিগঞ্জে উচ্চ ফলনশীল আগাম জাতের আমন ধান চাষে কৃষকদের মৌলিক প্রশিক্ষণ সমাপ্ত



‎সুনামগঞ্জের শান্তিগঞ্জ উপজেলার শিমুলবাঁক ইউনিয়নের আমড়িয়া ও কান্দাগাঁও গ্রামের নির্বাচিত কৃষকদের নিয়ে জলবায়ু সহনশীল উচ্চ ফলনশীল আগাম জাতের আমন ধান চাষাবাদ বিষয়ে দুই দিনব্যাপী মৌলিক প্রশিক্ষণ সম্পন্ন হয়েছে।

‎বৃহস্পতিবার (১৬ জুলাই) সকাল ১০টায় উপজেলার শিমুলবাঁক ইউনিয়নের ধনপুর গ্রামে বেসরকারি উন্নয়ন সংস্থা এসেড হবিগঞ্জের উদ্যোগে এ প্রশিক্ষণের সমাপনী আয়োজন অনুষ্ঠিত হয়। জাপান ফান্ড ফর গ্লোবাল এনভায়রনমেন্ট ( JFGE) এবং শেয়ার দ্য প্ল্যানেট অ্যাসোসিয়েশন, জাপানের আর্থিক সহযোগিতায় প্রশিক্ষণটি বাস্তবায়িত হয়।

‎প্রশিক্ষণে জলবায়ু পরিবর্তনের প্রভাব মোকাবিলায় উচ্চ ফলনশীল আগাম জাতের আমন ধানের আধুনিক চাষাবাদ, বীজ নির্বাচন, জমি প্রস্তুত, পরিচর্যা, রোগবালাই দমন এবং উৎপাদন বৃদ্ধির বিভিন্ন কৌশল বিষয়ে কৃষকদের হাতে-কলমে ধারণা দেওয়া হয়।
‎প্রশিক্ষণে সহায়ক হিসেবে উপস্থিত ছিলেন এসেড হবিগঞ্জের এনরিচ প্রকল্পের প্রকল্প কর্মকর্তা এ. এইচ. এম. আনিসুজ্জামান। প্রশিক্ষণ সমন্বয় করেন ডিআরসিসিএএ প্রকল্পের সহকারী প্রকল্প কর্মকর্তা সাজ্জাদুর রহমান।

‎এ সময় উপস্থিত ছিলেন, শিমুলবাঁক ইউনিয়নের সংরক্ষিত ওয়ার্ডের ইউপি সদস্য মো. মোছাব্বির, স্থানীয় গণ্যমান্য ব্যক্তি মো. আব্দুস সালাম, এনরিচ প্রকল্পের শিমুলবাঁক ইউনিয়নের ফিল্ড অ্যাসিস্ট্যান্ট জামিল হক, ডিআরসিসিএএ প্রকল্পের জয়কলস ইউনিয়নের ফিল্ড অ্যাসিস্ট্যান্ট জাকারিয়া এবং পূর্ব বীরগাঁও ইউনিয়নের ফিল্ড অ্যাসিস্ট্যান্ট মোসাদ্দিক হোসেন সাকিব।

‎প্রশিক্ষণে আমড়িয়া ও কান্দাগাঁও গ্রামের ২০ জন নির্বাচিত কৃষক অংশগ্রহণ করেন। আয়োজকরা জানান, এ ধরনের প্রশিক্ষণের মাধ্যমে কৃষকরা আধুনিক ও জলবায়ু সহনশীল প্রযুক্তি ব্যবহার করে আগাম জাতের আমন ধান চাষে আরও দক্ষ হয়ে উঠবেন, যা ভবিষ্যতে উৎপাদন বৃদ্ধি ও খাদ্য নিরাপত্তা নিশ্চিত করতে গুরুত্বপূর্ণ ভূমিকা রাখবে।

ট্যাগস :
আপলোডকারীর তথ্য

জনপ্রিয় সংবাদ

জামালপুর অর্থনৈতিক অঞ্চলে বন্দি ‘পশ্চিমপাড়া গ্রাম’: পুনর্বাসনের জোর দাবি সচেতন মহলের

‎শান্তিগঞ্জে উচ্চ ফলনশীল আগাম জাতের আমন ধান চাষে কৃষকদের মৌলিক প্রশিক্ষণ সমাপ্ত

সময় ১০:৫৮:০৬ অপরাহ্ন, বৃহস্পতিবার, ১৬ জুলাই ২০২৬



‎সুনামগঞ্জের শান্তিগঞ্জ উপজেলার শিমুলবাঁক ইউনিয়নের আমড়িয়া ও কান্দাগাঁও গ্রামের নির্বাচিত কৃষকদের নিয়ে জলবায়ু সহনশীল উচ্চ ফলনশীল আগাম জাতের আমন ধান চাষাবাদ বিষয়ে দুই দিনব্যাপী মৌলিক প্রশিক্ষণ সম্পন্ন হয়েছে।

‎বৃহস্পতিবার (১৬ জুলাই) সকাল ১০টায় উপজেলার শিমুলবাঁক ইউনিয়নের ধনপুর গ্রামে বেসরকারি উন্নয়ন সংস্থা এসেড হবিগঞ্জের উদ্যোগে এ প্রশিক্ষণের সমাপনী আয়োজন অনুষ্ঠিত হয়। জাপান ফান্ড ফর গ্লোবাল এনভায়রনমেন্ট ( JFGE) এবং শেয়ার দ্য প্ল্যানেট অ্যাসোসিয়েশন, জাপানের আর্থিক সহযোগিতায় প্রশিক্ষণটি বাস্তবায়িত হয়।

‎প্রশিক্ষণে জলবায়ু পরিবর্তনের প্রভাব মোকাবিলায় উচ্চ ফলনশীল আগাম জাতের আমন ধানের আধুনিক চাষাবাদ, বীজ নির্বাচন, জমি প্রস্তুত, পরিচর্যা, রোগবালাই দমন এবং উৎপাদন বৃদ্ধির বিভিন্ন কৌশল বিষয়ে কৃষকদের হাতে-কলমে ধারণা দেওয়া হয়।
‎প্রশিক্ষণে সহায়ক হিসেবে উপস্থিত ছিলেন এসেড হবিগঞ্জের এনরিচ প্রকল্পের প্রকল্প কর্মকর্তা এ. এইচ. এম. আনিসুজ্জামান। প্রশিক্ষণ সমন্বয় করেন ডিআরসিসিএএ প্রকল্পের সহকারী প্রকল্প কর্মকর্তা সাজ্জাদুর রহমান।

‎এ সময় উপস্থিত ছিলেন, শিমুলবাঁক ইউনিয়নের সংরক্ষিত ওয়ার্ডের ইউপি সদস্য মো. মোছাব্বির, স্থানীয় গণ্যমান্য ব্যক্তি মো. আব্দুস সালাম, এনরিচ প্রকল্পের শিমুলবাঁক ইউনিয়নের ফিল্ড অ্যাসিস্ট্যান্ট জামিল হক, ডিআরসিসিএএ প্রকল্পের জয়কলস ইউনিয়নের ফিল্ড অ্যাসিস্ট্যান্ট জাকারিয়া এবং পূর্ব বীরগাঁও ইউনিয়নের ফিল্ড অ্যাসিস্ট্যান্ট মোসাদ্দিক হোসেন সাকিব।

‎প্রশিক্ষণে আমড়িয়া ও কান্দাগাঁও গ্রামের ২০ জন নির্বাচিত কৃষক অংশগ্রহণ করেন। আয়োজকরা জানান, এ ধরনের প্রশিক্ষণের মাধ্যমে কৃষকরা আধুনিক ও জলবায়ু সহনশীল প্রযুক্তি ব্যবহার করে আগাম জাতের আমন ধান চাষে আরও দক্ষ হয়ে উঠবেন, যা ভবিষ্যতে উৎপাদন বৃদ্ধি ও খাদ্য নিরাপত্তা নিশ্চিত করতে গুরুত্বপূর্ণ ভূমিকা রাখবে।