সিলেট ০৬:৪৯ অপরাহ্ন, শনিবার, ১৭ অক্টোবর ২০২৬
News Title :
শান্তিগঞ্জে জোরপূর্বক জায়গা দখলের অভিযোগ ‎রক্তাক্ত গণমাধ্যম: সাগর-রুনি থেকে আলিফ ফকিরের বিয়োগান্তক সুর‎ নেত্রকোনায় সাংবাদিক লুৎফুজ্জামান আলিফ ফকিরকে গুলি করে হত্যা: শেরপুর প্রেসক্লাবের তীব্র নিন্দা ও প্রতিবাদ ‎জৈন্তাপুরে জমি দখলকে কেন্দ্র করে সংঘর্ষ: আহত একই পরিবারের ৩  ভাইসহ একাধিক সদস্য। ‎প্রতিবন্ধী নাতনির দায়িত্ব বৃদ্ধ দাদির কাঁধে লাখাই মুড়িয়াউক ইউনিয়ন নির্বাচনকে সামনে রেখে জমে উঠেছে প্রচার-প্রচারণা ‎সিলেটে বাস টমটম সংঘর্ষে মা-মেয়ে নিহতের ঘটনায় ঘাতক বাস চালক গ্রেপ্তার কুলাউড়ায় নতুন আঙ্গিকে গোবিন্দাস রেস্টুরেন্ট, সাশ্রয়ী মূল্যে মিলবে তিন বেলার খাবার নিউইয়র্ক পুলিশ কর্মকর্তা জুয়েল মাহবুবের সঙ্গে স্রোত সাহিত্য পর্ষদের শুভেচ্ছা বিনিময় ‎হবিগঞ্জে পূজামণ্ডপের নিরাপত্তায় ১২ প্লাটুন বিজিবি মোতায়েন

‎সিলেটে এসএমপির মাসব্যাপী মাদকবিরোধী র‍্যালি ও সমাবেশ অনুষ্ঠিত


‎
‎সিলেট মহানগরীকে মাদকমুক্ত, নিরাপদ ও সচেতন হিসেবে গড়ে তোলার লক্ষ্যে মাসব্যাপী বিশেষ কর্মসূচি হাতে নিয়েছে সিলেট মেট্রোপলিটন পুলিশ (এসএমপি)। এরই ধারাবাহিকতায় মহানগরীর বিভিন্ন এলাকায় মাদকবিরোধী র‍্যালি ও সমাবেশ অনুষ্ঠিত হয়েছে।
‎
‎এসএমপি পুলিশ কমিশনার আবদুল কুদ্দুছ চৌধুরী, পিপিএম-এর নির্দেশনায় এই ধারাবাহিক কর্মসূচি বাস্তবায়ন করা হচ্ছে।
‎
‎১৬ জুলাই (বৃহস্পতিবার) নগরীর কোতোয়ালী মডেল থানাধীন ৩ নং ওয়ার্ডের রিকাবিবাজার এলাকায় এবং মোগলাবাজার থানাধীন ৪১ নং ওয়ার্ডের চারমাইল এলাকায় পৃথকভাবে এই মাদকবিরোধী র‍্যালি ও সমাবেশ অনুষ্ঠিত হয়।


‎
কর্মসূচিতে স্থানীয় জনপ্রতিনিধি, গণ্যমান্য ব্যক্তিবর্গ, শিক্ষক-শিক্ষার্থী, ধর্মীয় ও রাজনৈতিক নেতৃবৃন্দ, প্রিন্ট ও ইলেকট্রনিক মিডিয়ার সাংবাদিকবৃন্দ, সুশীল সমাজের প্রতিনিধি এবং সর্বস্তরের জনগণ স্বতঃস্ফূর্তভাবে অংশ নেন। এছাড়াও সিলেট মেট্রোপলিটন পুলিশের বিভিন্ন পর্যায়ের ঊর্ধ্বতন কর্মকর্তাবৃন্দ উপস্থিত ছিলেন।
‎বক্তাদের আহ্বান: “মাদক রুখতে প্রয়োজন সম্মিলিত সামাজিক প্রতিরোধ” সমাবেশে আগত বক্তারা মাদকের ভয়াবহ কুফল সম্পর্কে সর্বস্তরের মানুষের মাঝে ব্যাপক জনসচেতনতা বৃদ্ধি এবং সম্মিলিত সামাজিক প্রতিরোধ গড়ে তোলার ওপর বিশেষ গুরুত্বারোপ করেন।
‎
বক্তারা বলেন,ব্যক্তি ও সমাজ ধ্বংসের হাতিয়ার, মাদক শুধু একজন ব্যক্তির জীবনকেই ধ্বংস করে না, বরং একটি পরিবারের শান্তি ও সমাজের স্থিতিশীলতা নষ্ট করে। এটি রাষ্ট্রের উন্নয়ন ও অগ্রগতির জন্যও বড় একটি হুমকি।


‎
‎সমাজকে মাদকের অভিশাপ থেকে মুক্ত রাখতে হলে পারিবারিক মূল্যবোধ সুদৃঢ় করা এবং তরুণ প্রজন্মকে এর ক্ষতিকর প্রভাব সম্পর্কে সচেতন করা অত্যন্ত জরুরি। মাদক নির্মূলে কেবল আইন প্রয়োগকারী সংস্থার ওপর নির্ভর করলেই চলবে না। অভিভাবক, শিক্ষক, ধর্মীয় নেতা, জনপ্রতিনিধি ও গণমাধ্যমকর্মীসহ সচেতন নাগরিকদের সমন্বিত ও দায়িত্বশীল ভূমিকা পালন করতে হবে।
‎
একটি মাদকমুক্ত, নিরাপদ ও সুস্থ সমাজ বিনির্মাণের লক্ষ্যে সবাইকে নিজ নিজ অবস্থান থেকে মাদকের বিরুদ্ধে ঐক্যবদ্ধভাবে কাজ করার আহ্বান জানিয়ে সমাবেশ সমাপ্ত করা হয়।
‎

ট্যাগস :
আপলোডকারীর তথ্য

জনপ্রিয় সংবাদ

শান্তিগঞ্জে জোরপূর্বক জায়গা দখলের অভিযোগ

‎সিলেটে এসএমপির মাসব্যাপী মাদকবিরোধী র‍্যালি ও সমাবেশ অনুষ্ঠিত

সময় ০৭:৩৩:১৭ অপরাহ্ন, বৃহস্পতিবার, ১৬ জুলাই ২০২৬


‎
‎সিলেট মহানগরীকে মাদকমুক্ত, নিরাপদ ও সচেতন হিসেবে গড়ে তোলার লক্ষ্যে মাসব্যাপী বিশেষ কর্মসূচি হাতে নিয়েছে সিলেট মেট্রোপলিটন পুলিশ (এসএমপি)। এরই ধারাবাহিকতায় মহানগরীর বিভিন্ন এলাকায় মাদকবিরোধী র‍্যালি ও সমাবেশ অনুষ্ঠিত হয়েছে।
‎
‎এসএমপি পুলিশ কমিশনার আবদুল কুদ্দুছ চৌধুরী, পিপিএম-এর নির্দেশনায় এই ধারাবাহিক কর্মসূচি বাস্তবায়ন করা হচ্ছে।
‎
‎১৬ জুলাই (বৃহস্পতিবার) নগরীর কোতোয়ালী মডেল থানাধীন ৩ নং ওয়ার্ডের রিকাবিবাজার এলাকায় এবং মোগলাবাজার থানাধীন ৪১ নং ওয়ার্ডের চারমাইল এলাকায় পৃথকভাবে এই মাদকবিরোধী র‍্যালি ও সমাবেশ অনুষ্ঠিত হয়।


‎
কর্মসূচিতে স্থানীয় জনপ্রতিনিধি, গণ্যমান্য ব্যক্তিবর্গ, শিক্ষক-শিক্ষার্থী, ধর্মীয় ও রাজনৈতিক নেতৃবৃন্দ, প্রিন্ট ও ইলেকট্রনিক মিডিয়ার সাংবাদিকবৃন্দ, সুশীল সমাজের প্রতিনিধি এবং সর্বস্তরের জনগণ স্বতঃস্ফূর্তভাবে অংশ নেন। এছাড়াও সিলেট মেট্রোপলিটন পুলিশের বিভিন্ন পর্যায়ের ঊর্ধ্বতন কর্মকর্তাবৃন্দ উপস্থিত ছিলেন।
‎বক্তাদের আহ্বান: “মাদক রুখতে প্রয়োজন সম্মিলিত সামাজিক প্রতিরোধ” সমাবেশে আগত বক্তারা মাদকের ভয়াবহ কুফল সম্পর্কে সর্বস্তরের মানুষের মাঝে ব্যাপক জনসচেতনতা বৃদ্ধি এবং সম্মিলিত সামাজিক প্রতিরোধ গড়ে তোলার ওপর বিশেষ গুরুত্বারোপ করেন।
‎
বক্তারা বলেন,ব্যক্তি ও সমাজ ধ্বংসের হাতিয়ার, মাদক শুধু একজন ব্যক্তির জীবনকেই ধ্বংস করে না, বরং একটি পরিবারের শান্তি ও সমাজের স্থিতিশীলতা নষ্ট করে। এটি রাষ্ট্রের উন্নয়ন ও অগ্রগতির জন্যও বড় একটি হুমকি।


‎
‎সমাজকে মাদকের অভিশাপ থেকে মুক্ত রাখতে হলে পারিবারিক মূল্যবোধ সুদৃঢ় করা এবং তরুণ প্রজন্মকে এর ক্ষতিকর প্রভাব সম্পর্কে সচেতন করা অত্যন্ত জরুরি। মাদক নির্মূলে কেবল আইন প্রয়োগকারী সংস্থার ওপর নির্ভর করলেই চলবে না। অভিভাবক, শিক্ষক, ধর্মীয় নেতা, জনপ্রতিনিধি ও গণমাধ্যমকর্মীসহ সচেতন নাগরিকদের সমন্বিত ও দায়িত্বশীল ভূমিকা পালন করতে হবে।
‎
একটি মাদকমুক্ত, নিরাপদ ও সুস্থ সমাজ বিনির্মাণের লক্ষ্যে সবাইকে নিজ নিজ অবস্থান থেকে মাদকের বিরুদ্ধে ঐক্যবদ্ধভাবে কাজ করার আহ্বান জানিয়ে সমাবেশ সমাপ্ত করা হয়।
‎