
র্যাব-১৪ সিপিসি-৩ টাঙ্গাইল ক্যাম্প গতকাল ২৭ এপ্রিল এক অভিযান চালিয়ে ধর্ষণ মামলার আসামী মোঃ খাইরুল ইসলাম (২৩) গ্রেফতার করা হয়।
অভিযোগে জানা যায়, দিনাজপুরের জনৈক এক নারী গ্রেফতারকৃত খাইরুল ইসলামের বিরুদ্ধে একটি ধর্ষণ মামলা করেন। উক্ত নারী অভিযোগ করেন,খাইরুল ঐ নারীর সাথে প্রেমের সম্পর্কের কারণে নিয়মিত দেখা সাক্ষাৎ করত। ভুক্তভোগীর পরিবার অন্যত্র বেড়াতে যাওয়ার সুযোগে আসামি গত ৩১ জানুয়ারি ২০২৫ খ্রিঃ রাত অনুমান ৮ টায় সময় তার বাড়িতে আসে এবং বিয়ের প্রলোভন দেখিয়ে তার ইচ্ছার বিরুদ্ধে জোরপূর্বক একাধিকবার ধর্ষণ করার অভিযোগ করেন তিনি।
আসামির ধর্ষণের ফলে ভুক্তভোগী নারী অন্তঃসত্ত্বা হয়ে পড়লে তার পরিবার কে জানায় সে।
পরবর্তীতে তাকে বিয়ের জন্য চাপ দিলে, আসামি খায়রুল ভুয়া কাবিনমূলে বিয়ে সম্পন্ন করেন। ইতোমধ্যে ভুক্তভোগী নারী কন্যা সন্তানের মা হন। সন্তান জন্মলাভের পর আসামি ঐ নারীর সাথে একেবারে যোগাযোগ বিচ্ছিন্ন করে এবং সন্তানকে অস্বীকার করার অভিযোগ করে খায়রুলের বিরুদ্ধে। যার প্রেক্ষিতে ভুক্তভোগী আইনগত প্রতিকার চেয়ে দিনাজপুর নারী ও শিশু নির্যাতন দমন ট্রাইব্যুনালে পিটিশন মামলা দায়ের করেন। বিজ্ঞ আদালতের আদেশের প্রেক্ষিতে দিনাজপুর খানসামা থানায় মামলা নং-০২, তারিখ-০৩ মার্চ ২০২৬খ্রিঃ, ধারা- ৯(১) নারী ও শিশু নির্যাতন দমন আইন ২০০০ (সংশোধিত/২০২০) রুজু হয়। মামলা দায়েরের পর থেকে আসামি আত্মগোপনে ছিল বলে জানা যায়।
দিনাজপুর খানসামা থানার তদন্তকারী কর্মকর্তার অধিযাচনের প্রেক্ষিতে র্যাব-১৪, সিপিসি-৩ টাঙ্গাইল ক্যাম্পের আভিযানিক দল গোপন তথ্যের ভিত্তিতে ২৭ এপ্রিল ২০২৬ খ্রি. রাত অনুমান ১০ টার সময় টাঙ্গাইলের কালিহাতি থানাধীন বর্গা বাজার এলাকায় অভিযান পরিচালনা করে উক্ত ধর্ষণ মামলার প্রধান আসামি মোঃ খাইরুল ইসলাম (২৩) কে গ্রেফতার করতে সক্ষম হয়।
ধৃত আসামির বিরুদ্ধে পরবর্তী আইনগত ব্যবস্থা গ্রহণের জন্য তদন্তকারী কর্মকর্তার নিকট হস্তান্তর করা হয়েছে ।
মো: সাজিদ পিয়াল, টাঙ্গাইল থেকে 


















