
জামালপুর সদর উপজেলার শাহবাজপুর ইউনিয়নের উৎপাদক দলের সদস্য রুমানা বেগমের বাড়িতে উৎপাদক দলের অংশগ্রহণে জীবনমান উন্নয়নে ১৫ এপ্রিল-২০২৬ রোজ বুধবার উৎপাদক দলের অংশ গ্রহণে মাঠ দিবস-২০২৬ ক্লাইমেট স্মার্ট কৃষি এর আওতায় ভুট্টার সাথে আন্ত:ফসল হিসেবে মটরশুঁটি চাষের চাষ পদ্ধতি প্রদর্শন এর মাঠ দিবস করা হয়।
জামালপুরে কৃষকদের উৎসাহিত করতে কাজ করছে অস্ট্রেলিয়া সরকারের সহায়তায় এবং অস্ট্রেলিয়ান এনজিও কো-অপারেশন প্রোগ্রামের (এএনসিপি) অর্থায়নে ওয়ার্ল্ড ভিশন বাংলাদেশ -এর ‘জেন্ডার ইনক্লুসিভ মার্কেট সিস্টেমস ফর ইম্প্রুভড নিউট্রিশন (জেসমিন)’ প্রকল্প।
উক্ত সভায় উপস্থিত ছিলেন ওয়ার্ল্ড ভিশন বাংলাদেশ এর কর্মকর্তা, স্থানীয় জনপ্রতিনিধি, গণমাধ্যম কর্মী, এলাকার গণ্যমান্য ব্যক্তি এবং উৎপাদক দলের সদস্যবৃন্দ।
অনুষ্ঠান সঞ্চালনায়ে ছিলেন ওয়ার্ল্ড ভিশন বাংলাদেশ GESMIN প্রকল্পের বিজনেস ডেভেলপমেন্ট অফিসার- নূর-ই-জান্নাত।
মাঠ দিবসে উপস্থিত ছিলেন জামালপুর সদর উপজেলার কৃষি সম্প্রসারণ অধিদপ্তরের, কৃষি সম্প্রসারণ কর্মকর্তা, মো: সারওয়ার পারভেজ। তিনি বলেন, ভুট্টার সাথে মটরশুঁটি চাষ নতুন প্রযুক্তি। এটাতে মাটির সর্বোচ্চ ব্যবহার হয়, মাটি ভালো থাকে, এই হিসেবে আন্ত ফসল করলে মাটি ভালো থাকবে।
ওয়ার্ল্ড ভিশন বাংলাদেশ অনেক ভালো কাজ করছে, তারা কৃষকদের কাছে এরকম প্রযুক্তি হস্তান্তর নিয়ে কাজ করছে। কৃষি সম্প্রসারণ অধিদপ্তর ও আপনাদের (কৃষকদের) জন্য সবসময় সেবায় নিয়োজিত। যেকোন সমস্যায় আপনারা আমাদের কে জানাবেন।
এছাড়াও উপস্থিত ছিলেন উপসহকারী কৃষি কর্মকর্তা বকুল নাহার ও মো: হাবিল উদ্দিন শাহবাজপুর ইউনিয়ন পরিষদের ইউপি, সূর্য তোরণ সমাজ সেবা সংস্থার নির্বাহী পরিচালক, গনমাধ্যম ও মানবাধিকার কর্মী মোঃ খোরশেদ আলম।

উপস্থিত বক্তারা বলেন, ২০২৬ সালে ক্লাইমেট স্মার্ট কৃষি প্রযুক্তির আওতায় মটরশুঁটির এর সাথে ভুট্টার চাষ সফল হয়েছে। মাটির স্বাস্থ্য রক্ষা করে, এবং আগাছা ও রোগবালাই কমিয়ে ফলন বৃদ্ধি করে, জমির উর্বরতা বৃদ্ধি করে, ফসলের নিবিড়তা বৃদ্ধি করে।
মাঠ দিবসে শ্যামলী উৎপাদক দলের একজন সদস্য বলেন, আমরা আজ জানলাম ভুট্টার, চাষাবাদ সম্পর্কে, পাশাপাশি এর সাথে সাথী ফসল করা যায় এটাও আজ জানলাম। সঠিক পদ্ধতিতে চাষ করার ফলে ভুট্টার ফলন ভালো হয়েছে, পাশাপাশি সাথী ফসল হিসেবে মটরশুঁটি করে লাভবান হয়েছে। আমরা আগে এসব জানতাম না। ওয়ার্ল্ড ভিশনের সদস্য হওয়ায় এরকম তথ্য আমরা এখন জানতে পারি।
এস আলম, জামালপুর 

















