
মেট্রোপলিটন ইউনিভার্সিটির ভাইস চ্যান্সেলর প্রফেসর ড. মোহাম্মদ জহিরুল হক বলেছেন, সমাজে নৈতিকতা ও সৌন্দর্যবোধ জাগ্রত করতে শুদ্ধ সংস্কৃতি চর্চা প্রয়োজন। সারা বিশ্ব আজ বিভাজন, হিংসা, অসহিষ্ণুতায় নিমজ্জিত। মানবিকতা ও মানবতাবোধ আমাদের সমাজে শান্তি প্রতিষ্ঠা করতে পারে। আমাদের সমাজের সবচেয়ে বড় সংকট হচ্ছে শুদ্ধ মানুষের অভাব। চারুবাক সিলেট সেই শুদ্ধ মানুষ তৈরীতে বিগত ৩০ বছর যাবত নিরলস কাজ করে যাচ্ছে।
১০ এপ্রিল শুক্রবার বিকেলে সিলেট জেলা শিল্পকলা একাডেমি অডিটোরিয়ামে চারুবাক সিলেট এর ৩০ বছর পূর্তি উপলক্ষ্যে আয়োজিত অনুষ্ঠানে প্রধান অতিথির বক্তব্যে তিনি একথাগুলো বলেন।

চারুবাক সিলেট এর সভাপতি জ্যোতি ভট্টাচার্য এর সভাপতিত্বে অনুষ্ঠিত অনুষ্ঠানে উদ্বোধক হিসেবে উপস্থিত ছিলেন সিলেটস্থ ভারতীয় সহকারী হাইকমিশনের সেকেন্ড সেক্রেটারি (প্রেস, ইনফরমেশন, কালচার ও এডুকেশন) রাজেশ ভাটিয়া। বিশেষ অতিথি হিসেবে উপস্থিত ছিলেন যুক্তরাজ্যের কাউন্সিলর ও নারী নেত্রী সাবিনা খান, শাহজালাল বিজ্ঞান ও প্রযুক্তি বিশ্ববিদ্যালয়ের প্রফেসর ড. হিমাদ্রী শেখর রায়, সিলেট জেলা কালচারাল অফিসার আল মামুন বিন সালেহ, কবি, প্রাবন্ধিক ও বাচিক শিল্পী সালেহ আহমেদ খসরু, সমাজসেবী জ্যোতির্ময় সিংহ মজুমদার, দৈনিক যুগভেরীর ভারপ্রাপ্ত সম্পাদক লেখক গবেষক অপূর্ব শর্মা। স্বাগত বক্তব্য রাখেন চারুবাকের সাধারন
সম্পাদক নিরঞ্জন দে যাদু।

বক্তারা বলেন, মানবিক, উদার ও আলোকিত সমাজ গঠনে সংস্কৃতিচর্চার বিকল্প নেই। চারুবাক দীর্ঘ তিন দশক ধরে সেই লক্ষ্যেই কাজ করে যাচ্ছে, যা নতুন প্রজন্মকে অনুপ্রাণিত করবে।
আয়োজকেরা জানান, নানা চড়াই-উতরাই পেরিয়ে চারুবাকের ৩০ বছরের পথচলা আজকের এই অবস্থানে পৌঁছেছে এবং ভবিষ্যতেও সমাজে ইতিবাচক পরিবর্তন আনার লক্ষ্যে সংগঠনটি কাজ করে যাবে।
ফাইজা কোরেশী ও তিতাস দাসের সঞ্চালনায় অনুষ্ঠানজুড়ে ছিল উৎসবমুখর পরিবেশ ও প্রাণবন্ত সাংস্কৃতিক পরিবেশনা। সবশেষে দর্শক, অতিথি ও শিল্পীরা মিলে ধামাইল নৃত্যে আনন্দ উপভোগ করেন।
উপস্থিত সকল অতিথিদের কৃতজ্ঞতা জানান সংগঠনের প্রতিষ্ঠাতা বাচিকশিল্পী ও প্রশিক্ষক জয়তি ভট্টাচার্য এবং লেখক ও প্রামাণ্যকার নিরঞ্জন দে।
স্টাফ রিপোর্টার 



















