সিলেট ০৫:২০ অপরাহ্ন, মঙ্গলবার, ২৭ অক্টোবর ২০২৬
News Title :
‎মিষ্টির আসনে বিনা প্রতিদ্বন্দ্বিতায় এমপি হতে যাচ্ছেন এলিজা জামান পদ্ম হাতে “তুমি আসবে বলেই তো অপেক্ষাটা এত সুন্দর” প্রধান শিক্ষক তন্নী রহমানের ফেসবুক পোস্ট ঘিরে আলোচনা-সমালোচনা‎ গোয়াইনঘাট প্রেসক্লাব সম্পাদক কে.এম. লিমনকে গ্রাম পুলিশের সংবর্ধনা ‎সিলেটের গোয়াইনঘাটে যুবদল নেতা বদরুল হত্যা: দিরাই থেকে ২ আসামি গ্রেফতার মহানগর এক্সপ্রেস ট্রেনের রুট কক্সবাজার পর্যন্ত বর্ধিতকরণের শুভ উদ্বোধন ‎সিলেট মেট্রোপলিটন পুলিশের ২০তম প্রতিষ্ঠাবার্ষিকী উদযাপিত: জনবান্ধব পুলিশিংয়ের অঙ্গীকার লাখাইর করাব ইউনিয়ন নির্বাচনে বিএনপির মনোনয়ন প্রত্যাশী ছাত্রদল নেতা জাকারিয়া চৌধুরী রতন বড়লেখায় জেলা লিগ্যাল এইড কমিটির মাসিক সভা অনুষ্ঠিত। ‎বালাগঞ্জে পাওনা টাকা চাওয়ায় ভাতিজার হাতে খুন হয়েছেন চাচা হবিগঞ্জে মধুমতি ডায়াগনস্টিক সেন্টারে অভিযান, ভুয়া চিকিৎসক আরিফ আটক
‎নদী ভাঙনে বিপর্যস্ত কালিহাতীর মহেলা গ্রাম...

‎বর্ষার আগেই শুরু তীব্র ভাঙন, চরম আতঙ্কে এলাকাবাসী

নদী ভাঙনের শিকার মহেলা গ্রাম



‎
‎

‎
‎
‎টাঙ্গাইলের কালিহাতীর এলেঙ্গা পৌরসভার ৯নং ওয়ার্ডের মহেলা গ্রামটি বর্তমানে মারাত্মক নদী ভাঙনের মুখে পড়ে এক অনিশ্চিত ভবিষ্যতের দিকে ধাবিত হচ্ছে। প্রতিবছর বর্ষা এলেই এ গ্রামের মানুষের জীবনে নেমে আসে দুর্ভোগ আর আতঙ্কের ছায়া। নদীর অব্যাহত আগ্রাসনে একের পর এক বসতবাড়ি ফসলি জমি, গাছপালা এবং এলাকার গুরুত্বপূর্ণ পাকা সড়ক নদীগর্ভে বিলীন হয়ে যাচ্ছে।
‎স্থানীয় সূত্রে জানা যায়, গত কয়েক বছর ধরে ভাঙনের তীব্রতা আশঙ্কাজনক হারে বৃদ্ধি পেয়েছে। অনেক পরিবার ইতোমধ্যে তাদের ভিটেমাটি হারিয়ে নিঃস্ব হয়ে পড়েছে এবং অন্যত্র আশ্রয় নিতে বাধ্য হয়েছে। কেউ কেউ আবার নদীর পাড়ে অস্থায়ীভাবে বসবাস করছেন প্রতিনিয়ত ভাঙনের আতঙ্ক নিয়ে দিন কাটাচ্ছেন।সবচেয়ে উদ্বেগজনক বিষয় হলো চলতি বছর এখনো পূর্ণমাত্রায় বর্ষা শুরু না হলেও এরই মধ্যে নদী ভাঙন ব্যাপক আকার ধারণ করেছে।
‎
‎প্রতিদিনই নতুন নতুন এলাকা ভেঙে পড়ছে নদীতে। এতে করে স্থানীয় কৃষকরা তাদের আবাদি জমি হারিয়ে আর্থিকভাবে ক্ষতিগ্রস্ত হচ্ছেন এবং খাদ্য উৎপাদনেও নেতিবাচক প্রভাব পড়ছে। একই সঙ্গে ভেঙে যাচ্ছে গুরুত্বপূর্ণ সড়ক যোগাযোগ ব্যবস্থা, ফলে এলাকাবাসীর যাতায়াত ও দৈনন্দিন জীবনযাত্রা মারাত্মকভাবে ব্যাহত হচ্ছে।
‎
‎এলাকাবাসীর অভিযোগ দীর্ঘদিন ধরে এই সমস্যা থাকলেও এখনো পর্যন্ত স্থায়ী কোনো সমাধান গ্রহণ করা হয়নি। মাঝে মাঝে অস্থায়ীভাবে কিছু জিও ব্যাগ ফেলা বা ছোটখাটো উদ্যোগ নেওয়া হলেও তা ভাঙন রোধে কার্যকর ভূমিকা রাখতে পারছে না। ফলে প্রতি বছরই একই চিত্রের পুনরাবৃত্তি ঘটছে। এ অবস্থায় মহেলা গ্রামের সচেতন মহল ও সাধারণ জনগণ সংশ্লিষ্ট কর্তৃপক্ষের প্রতি জোর দাবি জানিয়েছেন—
‎জরুরি ভিত্তিতে নদী ভাঙন প্রতিরোধে কার্যকর ও স্থায়ী বাঁধ নির্মাণ,ঝুঁকিপূর্ণ এলাকায় দ্রুত জিও ব্যাগ ও বালুভর্তি বস্তা ফেলা,ক্ষতিগ্রস্ত পরিবারগুলোর পুনর্বাসন ও আর্থিক সহায়তা প্রদান,এবং দীর্ঘমেয়াদি পরিকল্পনার মাধ্যমে নদী শাসন প্রকল্প বাস্তবায়ন।
‎
‎এলাকাবাসী আরও জানান সময়মতো কার্যকর ব্যবস্থা গ্রহণ না করলে মহেলা গ্রামের অস্তিত্বই হুমকির মুখে পড়বে এবং হাজারো মানুষ বাস্তুচ্যুত হয়ে মানবেতর জীবনযাপন করতে বাধ্য হবে।তাই,জনস্বার্থে এবং মানবিক দৃষ্টিকোণ থেকে সংশ্লিষ্ট প্রশাসন ও জনপ্রতিনিধিদের দ্রুত হস্তক্ষেপ কামনা করেছেন ভুক্তভোগী এলাকাবাসী।
‎তাদের একটাই প্রত্যাশা—দীর্ঘদিনের এই দুর্ভোগ থেকে মুক্তি পেতে কার্যকর ও টেকসই সমাধান নিশ্চিত করা হোক।

ট্যাগস :
আপলোডকারীর তথ্য

জনপ্রিয় সংবাদ

‎মিষ্টির আসনে বিনা প্রতিদ্বন্দ্বিতায় এমপি হতে যাচ্ছেন এলিজা জামান

‎নদী ভাঙনে বিপর্যস্ত কালিহাতীর মহেলা গ্রাম...

‎বর্ষার আগেই শুরু তীব্র ভাঙন, চরম আতঙ্কে এলাকাবাসী

সময় ০২:১৮:৩১ অপরাহ্ন, মঙ্গলবার, ৩১ মার্চ ২০২৬

নদী ভাঙনের শিকার মহেলা গ্রাম



‎
‎

‎
‎
‎টাঙ্গাইলের কালিহাতীর এলেঙ্গা পৌরসভার ৯নং ওয়ার্ডের মহেলা গ্রামটি বর্তমানে মারাত্মক নদী ভাঙনের মুখে পড়ে এক অনিশ্চিত ভবিষ্যতের দিকে ধাবিত হচ্ছে। প্রতিবছর বর্ষা এলেই এ গ্রামের মানুষের জীবনে নেমে আসে দুর্ভোগ আর আতঙ্কের ছায়া। নদীর অব্যাহত আগ্রাসনে একের পর এক বসতবাড়ি ফসলি জমি, গাছপালা এবং এলাকার গুরুত্বপূর্ণ পাকা সড়ক নদীগর্ভে বিলীন হয়ে যাচ্ছে।
‎স্থানীয় সূত্রে জানা যায়, গত কয়েক বছর ধরে ভাঙনের তীব্রতা আশঙ্কাজনক হারে বৃদ্ধি পেয়েছে। অনেক পরিবার ইতোমধ্যে তাদের ভিটেমাটি হারিয়ে নিঃস্ব হয়ে পড়েছে এবং অন্যত্র আশ্রয় নিতে বাধ্য হয়েছে। কেউ কেউ আবার নদীর পাড়ে অস্থায়ীভাবে বসবাস করছেন প্রতিনিয়ত ভাঙনের আতঙ্ক নিয়ে দিন কাটাচ্ছেন।সবচেয়ে উদ্বেগজনক বিষয় হলো চলতি বছর এখনো পূর্ণমাত্রায় বর্ষা শুরু না হলেও এরই মধ্যে নদী ভাঙন ব্যাপক আকার ধারণ করেছে।
‎
‎প্রতিদিনই নতুন নতুন এলাকা ভেঙে পড়ছে নদীতে। এতে করে স্থানীয় কৃষকরা তাদের আবাদি জমি হারিয়ে আর্থিকভাবে ক্ষতিগ্রস্ত হচ্ছেন এবং খাদ্য উৎপাদনেও নেতিবাচক প্রভাব পড়ছে। একই সঙ্গে ভেঙে যাচ্ছে গুরুত্বপূর্ণ সড়ক যোগাযোগ ব্যবস্থা, ফলে এলাকাবাসীর যাতায়াত ও দৈনন্দিন জীবনযাত্রা মারাত্মকভাবে ব্যাহত হচ্ছে।
‎
‎এলাকাবাসীর অভিযোগ দীর্ঘদিন ধরে এই সমস্যা থাকলেও এখনো পর্যন্ত স্থায়ী কোনো সমাধান গ্রহণ করা হয়নি। মাঝে মাঝে অস্থায়ীভাবে কিছু জিও ব্যাগ ফেলা বা ছোটখাটো উদ্যোগ নেওয়া হলেও তা ভাঙন রোধে কার্যকর ভূমিকা রাখতে পারছে না। ফলে প্রতি বছরই একই চিত্রের পুনরাবৃত্তি ঘটছে। এ অবস্থায় মহেলা গ্রামের সচেতন মহল ও সাধারণ জনগণ সংশ্লিষ্ট কর্তৃপক্ষের প্রতি জোর দাবি জানিয়েছেন—
‎জরুরি ভিত্তিতে নদী ভাঙন প্রতিরোধে কার্যকর ও স্থায়ী বাঁধ নির্মাণ,ঝুঁকিপূর্ণ এলাকায় দ্রুত জিও ব্যাগ ও বালুভর্তি বস্তা ফেলা,ক্ষতিগ্রস্ত পরিবারগুলোর পুনর্বাসন ও আর্থিক সহায়তা প্রদান,এবং দীর্ঘমেয়াদি পরিকল্পনার মাধ্যমে নদী শাসন প্রকল্প বাস্তবায়ন।
‎
‎এলাকাবাসী আরও জানান সময়মতো কার্যকর ব্যবস্থা গ্রহণ না করলে মহেলা গ্রামের অস্তিত্বই হুমকির মুখে পড়বে এবং হাজারো মানুষ বাস্তুচ্যুত হয়ে মানবেতর জীবনযাপন করতে বাধ্য হবে।তাই,জনস্বার্থে এবং মানবিক দৃষ্টিকোণ থেকে সংশ্লিষ্ট প্রশাসন ও জনপ্রতিনিধিদের দ্রুত হস্তক্ষেপ কামনা করেছেন ভুক্তভোগী এলাকাবাসী।
‎তাদের একটাই প্রত্যাশা—দীর্ঘদিনের এই দুর্ভোগ থেকে মুক্তি পেতে কার্যকর ও টেকসই সমাধান নিশ্চিত করা হোক।