
টাঙ্গাইলের গোপালপুর উপজেলায় এক কলেজ পড়ুয়া ছাত্রের মর্মান্তিক মৃত্যুতে পুরো এলাকায় নেমে এসেছে শোকের ছায়া।
রবিবার (২৯ মার্চ ২০২৬) বিকেল আনুমানিক সাড়ে ৩টার দিকে উপজেলার ঝাওয়াইল ইউনিয়নের সোনামুই এলাকায় এই হৃদয়বিদারক ঘটনাটি ঘটে।
অকাল প্রয়াত ছাত্র মো.মেহেদী হাসান (২২) স্থানীয় একটি কলেজের শিক্ষার্থী ছিলেন। তাঁর পিতা মো.লাল মাহমুদ। পরিবারের একমাত্র ভরসা হিসেবে পরিচিত মেহেদীর অকাল মৃত্যুতে পরিবার-পরিজন ও স্বজনদের মাঝে চলছে শোকের মাতম।
স্থানীয় ও পুলিশ সূত্রে জানা যায়, রবিবার বিকেলে নিজ বাড়িতে মেহেদী হাসানকে অচেতন অবস্থায় পড়ে থাকতে দেখেন পরিবারের সদস্যরা। এ সময় দ্রুত তাকে উদ্ধার করে প্রাথমিকভাবে সেবা দেওয়ার চেষ্টা করা হয় এবং স্থানীয়ভাবে চিকিৎসার উদ্যোগ নেওয়া হলেও ততক্ষণে তার মৃত্যু ঘটে। আকস্মিক এ ঘটনায় পরিবারে নেমে আসে কান্নার রোল এবং পুরো এলাকায় ছড়িয়ে পড়ে শোকের আবহ।
ঘটনাস্থল থেকে মেহেদীর নিজ হাতে লেখা একটি চিঠি উদ্ধার করা হয়েছে বলে জানা গেছে। ওই চিঠিতে মেহেদী তার মৃত্যুর জন্য অন্য কাউকে দায়ী না করার কথা উল্লেখ করেছেন। বিষয়টি ঘিরে আইনশৃঙ্খলা বাহিনী গুরুত্বসহকারে তদন্ত কার্যক্রম শুরু করেছে।
প্রতিবেশী ও স্থানীয়দের ভাষ্যমতে মেহেদী হাসান কিছুদিন ধরে মানসিকভাবে অস্থির ছিলেন। ব্যক্তিগত কোনো কারণে তিনি মানসিক চাপের মধ্যে ছিলেন বলে ধারণা করা হচ্ছে। তবে তার মৃত্যুর সুনির্দিষ্ট কারণ জানতে পুলিশের পক্ষ থেকে বিস্তারিত অনুসন্ধান চলছে।
খবর পেয়ে পুলিশ দ্রুত ঘটনাস্থলে পৌঁছে পরিস্থিতি পর্যবেক্ষণ করেন এবং প্রয়োজনীয় আইনগত কার্যক্রম গ্রহণ করেন। সংশ্লিষ্ট সূত্রে জানা গেছে আইনি প্রক্রিয়া সম্পন্ন করে মরদেহ পরিবারের কাছে হস্তান্তরের প্রস্তুতি নেওয়া হচ্ছে।
এদিকে একজন মেধাবী ও সম্ভাবনাময় শিক্ষার্থীর অকাল মৃত্যুতে গভীর শোক প্রকাশ করেছেন এলাকাবাসী। তারা এ ঘটনায় শোকসন্তপ্ত পরিবারের প্রতি সমবেদনা জানিয়ে এমন মর্মান্তিক ঘটনার পুনরাবৃত্তি না হওয়ার প্রত্যাশা ব্যক্ত করেছেন।
মো: সাজিদ পিয়াল টাঙ্গাইল থেকে 



















