সিলেট ০৭:১০ অপরাহ্ন, শনিবার, ১৩ জুন ২০২৬
News Title :
বানিয়াচংয়ে জমকালো আয়োজনে স্টার্টআপ, সায়েন্স প্রজেক্ট ও ইনোভেশন শোকেসিং প্রোগ্রাম অনুষ্ঠিত‎ ‎ক্লুলেস সংঘবদ্ধ ধর্ষণ মামলার রহস্য উদঘাটন, দুই আসামি গ্রেফতার ‎নবীগঞ্জের একমাত্র আসামি তুহিন সিলেট থেকে গ্রেফতার ‎লাখাইয়ে কর্মকর্তা সাংবাদিক  মুক্তিযোদ্ধা সহ সুশীল সমাজের সাথে মতবিনিময় করেন জেলা প্রশাসক। ‎জামালপুরের দিগপাইতে ব্যবসায়ীর ঝুলন্ত মরদেহ উদ্ধার: হত্যা নাকি আত্মহত্যা এ নিয়ে রহস্য!‎ ‎জামালপুরে গ্রাম আদালত সম্পর্কে জনসচেতনতা বৃদ্ধিতে  পরিকল্পনা প্রণয়ন বিষয়ক কর্মশালা  ২৪ ঘণ্টার মধ্যেই রামু থেকে নিখোঁজ কলেজছাত্রী টাঙ্গাইলে উদ্ধার চুনারুঘাটে মাদকবিরোধী যৌথ অভিযান: নারীকে ৬ মাসের কারাদণ্ড, জরিমানা ‎সখিপুর পৌরসভায় ৩নং ওয়ার্ডে টানা বিদ্যুৎ বিপর্যয়: চরম ভোগান্তিতে হাজারো মানুষ জামালপুর সদর উপজেলা নির্বাহী অফিসারের মাঠ পর্যায়ের কৃষি উন্নয়নমূলক ও মানবিক কার্যক্রম পরিদর্শন

‎দোয়ারাবাজারে চাঞ্চল্যকর গণধর্ষণ: প্রধান আসামি ‘আঙ্গুর মিয়া’ সিলেটে গ্রেফতার



‎সুনামগঞ্জের দোয়ারাবাজারে গৃহবধূকে গণধর্ষণের ঘটনায় দায়ের করা মামলার প্রধান পলাতক আসামি আঙ্গুর মিয়াকে (৩৮) গ্রেফতার করেছে র‍্যাপিড অ্যাকশন ব্যাটালিয়ন (র‍্যাব-৯)। রবিবার (২৯ মার্চ) দিবাগত রাত ১২টা ৪৫ মিনিটে সিলেট জেলার কোম্পানীগঞ্জ থানাধীন ভোলাগঞ্জ এলাকা থেকে তাকে গ্রেফতার করা হয়।

‎গ্রেফতারকৃত আঙ্গুর মিয়া দোয়ারাবাজার থানার উলুকান্দি গ্রামের মৃত আহাদ আলীর ছেলে। সে ওই মামলার এজাহারভুক্ত ২ নম্বর আসামি।

‎র‍্যাব জানায়, ভিকটিম নারী সুনামগঞ্জ সদর থানার জানিগাঁও এলাকার বাসিন্দা। পারিবারিক কলহের জেরে গত ৪ বছর ধরে তিনি স্বামীর থেকে আলাদা হয়ে বাবার বাড়িতে বসবাস করছিলেন। গত ১৮ মার্চ ২০২৬ তারিখ সন্ধ্যায় ১ নম্বর আসামি অমল দাস ভিকটিমকে ফোন করে মামার বাড়িতে পৌঁছে দেওয়ার কথা বলে ‘ওয়েজখালী পেট্রোল পাম্প’ এলাকায় ডেকে নেয়।

পরবর্তীতে সেখান থেকে সিএনজিতে করে মান্নারগাঁও ইউনিয়নের বিভিন্ন নির্জন স্থানে নিয়ে ভিকটিমকে রাতভর পালাক্রমে গণধর্ষণ করা হয়। ধর্ষণের পর তাকে একটি খড়ের ঘরে ফেলে রেখে আসামিরা পালিয়ে যায়। পরদিন সকালে অসুস্থ অবস্থায় ভিকটিম সুনামগঞ্জ সদর হাসপাতালে ভর্তি হন। এবং পরবর্তীতে ভিকটিম নিজে বাদী হয়ে ২৫ মার্চ ২০২৬ তারিখে সুনামগঞ্জের দোয়ারাবাজার থানায় একটি মামলা দায়ের করেন। মামলা নং-২২, ধারা- নারী ও শিশু নির্যাতন দমন আইন ২০০০ (সংশোধিত/২০২০) এর ৯ (৩)।

‎ঘটনাটি এলাকায় ব্যাপক চাঞ্চল্যের সৃষ্টি করলে র‍্যাব-৯ ছায়া তদন্ত শুরু করে। এরই ধারাবাহিকতায় গোপন সংবাদের ভিত্তিতে সদর কোম্পানি (সিলেট)-এর একটি আভিযানিক দল আজ ভোলাগঞ্জ এলাকায় অভিযান চালিয়ে আত্মগোপনে থাকা আঙ্গুর মিয়াকে গ্রেফতার করতে সক্ষম হয়।

‎র‍্যাব-৯-এর মিডিয়া অফিসার ও অতিরিক্ত পুলিশ সুপার কে. এম. শহিদুল ইসলাম সোহাগ বিষয়টি নিশ্চিত করে জানান, গ্রেফতারকৃত আসামিকে আইনি ব্যবস্থা গ্রহণের জন্য সংশ্লিষ্ট থানায় হস্তান্তর করা হয়েছে। এছাড়া মামলার অন্যান্য আসামিদের ধরতেও গোয়েন্দা তৎপরতা অব্যাহত রয়েছে।

ট্যাগস :
আপলোডকারীর তথ্য

জনপ্রিয় সংবাদ

বানিয়াচংয়ে জমকালো আয়োজনে স্টার্টআপ, সায়েন্স প্রজেক্ট ও ইনোভেশন শোকেসিং প্রোগ্রাম অনুষ্ঠিত‎

‎দোয়ারাবাজারে চাঞ্চল্যকর গণধর্ষণ: প্রধান আসামি ‘আঙ্গুর মিয়া’ সিলেটে গ্রেফতার

সময় ০৭:২৪:০৮ অপরাহ্ন, রবিবার, ২৯ মার্চ ২০২৬



‎সুনামগঞ্জের দোয়ারাবাজারে গৃহবধূকে গণধর্ষণের ঘটনায় দায়ের করা মামলার প্রধান পলাতক আসামি আঙ্গুর মিয়াকে (৩৮) গ্রেফতার করেছে র‍্যাপিড অ্যাকশন ব্যাটালিয়ন (র‍্যাব-৯)। রবিবার (২৯ মার্চ) দিবাগত রাত ১২টা ৪৫ মিনিটে সিলেট জেলার কোম্পানীগঞ্জ থানাধীন ভোলাগঞ্জ এলাকা থেকে তাকে গ্রেফতার করা হয়।

‎গ্রেফতারকৃত আঙ্গুর মিয়া দোয়ারাবাজার থানার উলুকান্দি গ্রামের মৃত আহাদ আলীর ছেলে। সে ওই মামলার এজাহারভুক্ত ২ নম্বর আসামি।

‎র‍্যাব জানায়, ভিকটিম নারী সুনামগঞ্জ সদর থানার জানিগাঁও এলাকার বাসিন্দা। পারিবারিক কলহের জেরে গত ৪ বছর ধরে তিনি স্বামীর থেকে আলাদা হয়ে বাবার বাড়িতে বসবাস করছিলেন। গত ১৮ মার্চ ২০২৬ তারিখ সন্ধ্যায় ১ নম্বর আসামি অমল দাস ভিকটিমকে ফোন করে মামার বাড়িতে পৌঁছে দেওয়ার কথা বলে ‘ওয়েজখালী পেট্রোল পাম্প’ এলাকায় ডেকে নেয়।

পরবর্তীতে সেখান থেকে সিএনজিতে করে মান্নারগাঁও ইউনিয়নের বিভিন্ন নির্জন স্থানে নিয়ে ভিকটিমকে রাতভর পালাক্রমে গণধর্ষণ করা হয়। ধর্ষণের পর তাকে একটি খড়ের ঘরে ফেলে রেখে আসামিরা পালিয়ে যায়। পরদিন সকালে অসুস্থ অবস্থায় ভিকটিম সুনামগঞ্জ সদর হাসপাতালে ভর্তি হন। এবং পরবর্তীতে ভিকটিম নিজে বাদী হয়ে ২৫ মার্চ ২০২৬ তারিখে সুনামগঞ্জের দোয়ারাবাজার থানায় একটি মামলা দায়ের করেন। মামলা নং-২২, ধারা- নারী ও শিশু নির্যাতন দমন আইন ২০০০ (সংশোধিত/২০২০) এর ৯ (৩)।

‎ঘটনাটি এলাকায় ব্যাপক চাঞ্চল্যের সৃষ্টি করলে র‍্যাব-৯ ছায়া তদন্ত শুরু করে। এরই ধারাবাহিকতায় গোপন সংবাদের ভিত্তিতে সদর কোম্পানি (সিলেট)-এর একটি আভিযানিক দল আজ ভোলাগঞ্জ এলাকায় অভিযান চালিয়ে আত্মগোপনে থাকা আঙ্গুর মিয়াকে গ্রেফতার করতে সক্ষম হয়।

‎র‍্যাব-৯-এর মিডিয়া অফিসার ও অতিরিক্ত পুলিশ সুপার কে. এম. শহিদুল ইসলাম সোহাগ বিষয়টি নিশ্চিত করে জানান, গ্রেফতারকৃত আসামিকে আইনি ব্যবস্থা গ্রহণের জন্য সংশ্লিষ্ট থানায় হস্তান্তর করা হয়েছে। এছাড়া মামলার অন্যান্য আসামিদের ধরতেও গোয়েন্দা তৎপরতা অব্যাহত রয়েছে।