সিলেট ০৪:৫১ অপরাহ্ন, বুধবার, ০৪ নভেম্বর ২০২৬
News Title :
‎বানিয়াচংয়ে শিক্ষা প্রতিষ্ঠান ও ক্লাবে ক্রীড়া সামগ্রী বিতরণ মাধবপুরে স্কুল পরিদর্শনে গিয়ে নিজেই ক্লাস নিলেন প্রতিমন্ত্রী ববি হাজ্জাজ মুসলিম নগর উচ্চ বিদ্যালয়ে সচেতনতা বৃদ্ধি ও আইডি কার্ড বিতরণ অনুষ্ঠান সম্পন্ন ‎জাতীয় উশু প্রতিযোগিতায় চ্যাম্পিয়ন হবিগঞ্জের আনাছ বিকেএসপিতে প্রশিক্ষণের সুযোগ ‘লন্ডনে জাঁকজমকপূর্ণভাবে মর্যাদাপূর্ণ বিসিএ’র‎ ১৯তম বার্ষিক এওয়ার্ডস ও গালা ডিনার অনুষ্ঠিত ‎বাংলাদেশ জাতীয়তাবাদী পেশাজীবী দল সিলেট জেলার (আংশিক) কমিটি অনুমোদন ‘বাংলাদেশের শিক্ষাব্যবস্থা বহু জ্ঞানী পণ্ডিতদের জন্ম দিয়েছে, এখন উদ্ভাবকদেরকেও জন্ম দিতে হবে।’ জিনবিজ্ঞানী ড. আবেদ চৌধুরী সুনামগঞ্জ বিজ্ঞান ও প্রযুক্তি বিশ্ববিদ্যালয়ে বিশ্ববিদ্যালয় দিবস ও ওরিয়েন্টেশন উদযাপন ‎মৌলভীবাজারে মহিষ ডাকাতির ঘটনায় ডাকাত সর্দারসহ গ্রেপ্তার ৫ ‎মাধবপুরে কাভার্ড ভ্যানসহ ১ কোটি ৮ লাখ টাকার ভারতীয় জিরা ও মেহেদি জব্দ

বাউল সম্রাট শাহ আবদুল করিমের ১১০তম জন্মবার্ষিকী: বিনম্র শ্রদ্ধা

শাহ আবদুল করিম (১৯১৬-২০০৯)। ছবি- সংগৃহীত।


‎

‎

‎ভাটি বাংলার প্রাণপুরুষ, কিংবদন্তি বাউল সম্রাট এবং একুশে পদকপ্রাপ্ত শাহ আবদুল করিমের ১১০তম জন্মবার্ষিকী আজ।

‎কালজয়ী এই মরমী সাধকের জন্মদিনে অনলাইন সিলেট নিউজ পোর্টালের পক্ষ থেকে জানানো হচ্ছে গভীর শ্রদ্ধা ও ভালোবাসা।

‎শাহ আবদুল করিম কেবল একজন শিল্পী ছিলেন না, তিনি ছিলেন মনে-প্রাণে এক অসাম্প্রদায়িক ও উদার সমাজব্যবস্থার স্বপ্নদ্রষ্টা। তার গানে বারবার উঠে এসেছে গ্রামবাংলার চিরায়ত সম্প্রীতির কথা। তিনি বিশ্বাস করতেন মানুষের ঐক্যে এবং গেয়েছেন সাম্যের গান।


‎তার সেই চিরচেনা সুর আজও আমাদের কাঁদায়,

‎”গ্রামের নওজোয়ান হিন্দু-মুসলমান,

‎মিলিয়া বাউলা গান আর ঘাটুগান গাইতাম,

‎আগে কী সুন্দর দিন কাটাইতাম।”

‎শোষণহীন সমাজের আকুতি ছিল তার রচনার অন্যতম প্রধান দিক। তিনি যেমন স্রষ্টার কাছে আত্মসমর্পণ করেছেন, তেমনি স্রষ্টার কাছেই মানুষের দুঃখ-দুর্দশার প্রতিকার চেয়ে সওয়াল করেছেন। দরিদ্র মানুষের হাহাকার তার গানে মূর্ত হয়ে উঠেছে পরম মমতায়,

‎”জিজ্ঞেস করি তোমার কাছে বল ওগো সাই

‎এ জীবনে যত দুঃখ কে দিয়েছে বল তাই,

‎একি তোমার বিবেচনা, কেউরে দিলায় মাখন ছানা

‎কারও মুখে অন্ন জোটেনা ভাঙা ঘরে ছানি নাই…”

‎শাহ আবদুল করিম,১৯১৬ সালের ১৫ ফেব্রুয়ারি, দিরাই, সুনামগঞ্জ ধলআশ্রম গ্রামে জন্ম গ্রহণ করেন। তিনি মানবতাবাদ,অসাম্প্রদায়িকতা ও শ্রেণিহীন সমাজব্যবস্থা স্বপ্ন সব সময় দেখে আসছেন।

‎২০০১ সালে সংগীতে অবদানের জন্য পেয়েছেন রাষ্ট্রীয় ‘একুশে পদক’,

তার জনপ্রিয় সৃষ্টি: ‘বন্দে মায়া লাগাইছে’, ‘আগে কী সুন্দর দিন কাটাইতাম’, ‘গাড়ি চলে না’, ‘বসন্ত বাতাসে’ ইত্যাদি কালজয়ী গানের রচয়িতা শাহ আবদুল করিম। এছাড়াও বহু গ্রন্থের রচয়িতা বাউল শাহ আবদুল করিম।

‎

‎শাহ আবদুল করিম তার গানের মধ্য দিয়ে বেঁচে থাকবেন অনন্তকাল। তার দেখানো অসাম্প্রদায়িক ও বৈষম্যহীন সমাজ গঠনের পথই হোক আজকের দিনে আমাদের অঙ্গীকার।

‎কালজয়ী এই মরমী কবির জন্মবার্ষিকীতে আমরা আবারও জানাই বিনম্র শ্রদ্ধা।

ট্যাগস :
আপলোডকারীর তথ্য

জনপ্রিয় সংবাদ

‎বানিয়াচংয়ে শিক্ষা প্রতিষ্ঠান ও ক্লাবে ক্রীড়া সামগ্রী বিতরণ

বাউল সম্রাট শাহ আবদুল করিমের ১১০তম জন্মবার্ষিকী: বিনম্র শ্রদ্ধা

সময় ০২:৪৩:৩৮ অপরাহ্ন, রবিবার, ১৫ ফেব্রুয়ারী ২০২৬
শাহ আবদুল করিম (১৯১৬-২০০৯)। ছবি- সংগৃহীত।


‎

‎

‎ভাটি বাংলার প্রাণপুরুষ, কিংবদন্তি বাউল সম্রাট এবং একুশে পদকপ্রাপ্ত শাহ আবদুল করিমের ১১০তম জন্মবার্ষিকী আজ।

‎কালজয়ী এই মরমী সাধকের জন্মদিনে অনলাইন সিলেট নিউজ পোর্টালের পক্ষ থেকে জানানো হচ্ছে গভীর শ্রদ্ধা ও ভালোবাসা।

‎শাহ আবদুল করিম কেবল একজন শিল্পী ছিলেন না, তিনি ছিলেন মনে-প্রাণে এক অসাম্প্রদায়িক ও উদার সমাজব্যবস্থার স্বপ্নদ্রষ্টা। তার গানে বারবার উঠে এসেছে গ্রামবাংলার চিরায়ত সম্প্রীতির কথা। তিনি বিশ্বাস করতেন মানুষের ঐক্যে এবং গেয়েছেন সাম্যের গান।


‎তার সেই চিরচেনা সুর আজও আমাদের কাঁদায়,

‎”গ্রামের নওজোয়ান হিন্দু-মুসলমান,

‎মিলিয়া বাউলা গান আর ঘাটুগান গাইতাম,

‎আগে কী সুন্দর দিন কাটাইতাম।”

‎শোষণহীন সমাজের আকুতি ছিল তার রচনার অন্যতম প্রধান দিক। তিনি যেমন স্রষ্টার কাছে আত্মসমর্পণ করেছেন, তেমনি স্রষ্টার কাছেই মানুষের দুঃখ-দুর্দশার প্রতিকার চেয়ে সওয়াল করেছেন। দরিদ্র মানুষের হাহাকার তার গানে মূর্ত হয়ে উঠেছে পরম মমতায়,

‎”জিজ্ঞেস করি তোমার কাছে বল ওগো সাই

‎এ জীবনে যত দুঃখ কে দিয়েছে বল তাই,

‎একি তোমার বিবেচনা, কেউরে দিলায় মাখন ছানা

‎কারও মুখে অন্ন জোটেনা ভাঙা ঘরে ছানি নাই…”

‎শাহ আবদুল করিম,১৯১৬ সালের ১৫ ফেব্রুয়ারি, দিরাই, সুনামগঞ্জ ধলআশ্রম গ্রামে জন্ম গ্রহণ করেন। তিনি মানবতাবাদ,অসাম্প্রদায়িকতা ও শ্রেণিহীন সমাজব্যবস্থা স্বপ্ন সব সময় দেখে আসছেন।

‎২০০১ সালে সংগীতে অবদানের জন্য পেয়েছেন রাষ্ট্রীয় ‘একুশে পদক’,

তার জনপ্রিয় সৃষ্টি: ‘বন্দে মায়া লাগাইছে’, ‘আগে কী সুন্দর দিন কাটাইতাম’, ‘গাড়ি চলে না’, ‘বসন্ত বাতাসে’ ইত্যাদি কালজয়ী গানের রচয়িতা শাহ আবদুল করিম। এছাড়াও বহু গ্রন্থের রচয়িতা বাউল শাহ আবদুল করিম।

‎

‎শাহ আবদুল করিম তার গানের মধ্য দিয়ে বেঁচে থাকবেন অনন্তকাল। তার দেখানো অসাম্প্রদায়িক ও বৈষম্যহীন সমাজ গঠনের পথই হোক আজকের দিনে আমাদের অঙ্গীকার।

‎কালজয়ী এই মরমী কবির জন্মবার্ষিকীতে আমরা আবারও জানাই বিনম্র শ্রদ্ধা।