
হবিগঞ্জ জেলার বানিয়াচংয়ে মহান বিজয় দিবস উপলক্ষে ইউএনও’র বাসভবন আলোকসজ্জা করে স্মৃতিসৌধ আলোকসজ্জা না করায় ক্ষুব্ধ হয়ে তাৎক্ষনিক সংগ্রাম কমিটি গঠন করা হয়েছে। সিনিয়র সাংবাদিক ও উপজেলা নাগরিক কমিটির সভাপতি মোতাব্বির হোসেনকে আহবায়ক, হবিগঞ্জ জেলা এনসিপির সদস্য জীবন আহমেদকে লিটনকে মুখমাত্র, কেন্দ্রীয় যুব অধিকার পরিষদ নেতা তাওহিদ হাসানকে মুখ্য সংগঠক, হবিগঞ্জ জেলা যুব অধিকার পরিষদের সভাপতিকে সদস্য সচিব, আহত জুলাই যোদ্ধা শেখ সফিকুল ইসলাম সফিককে যুগ্ম সদস্য সচিব করে ৭ সদস্য বিশিষ্ট বানিয়াচং শহীদ স্মৃতিফলক লালন ও ঐতিহ্য রক্ষা সংগ্রাম কমিটির আত্ম প্রকাশ ঘটেছে।

মঙ্গলবার (১৬ ডিসেম্বর) দুপুর আড়াইটায় স্থানীয় মডেল প্রেসক্লাব কার্যালয় থেকে উক্ত কমিটি ঘোষণা করেন সংগঠনের নব নির্বাচিত মুখপাত্র যুগান্তর পত্রিকার প্রতিনিধি জীবন আহমেদ লিটন। কমিটির সংগঠক হিসেবে মনোনীত হয়েছেন জাসাস নেতা আলা হোসেন ও এনসিপি সমর্থক এস এন এস টিভির স্বত্বাধিকারী মোঃ সুজন মিয়া।
উল্লেখ্য ১৫ ডিসেম্বর রাতে ইউএনও মাহমুদা বেগম সাথীর সরকারী বাসভবন আলোকসজ্জা করে অন্ধকারে রাখা হয় মহান মুক্তিযুদ্ধের ফলক স্মৃতিসৌধ। এ নিয়ে সর্বত্র সমালোচনা ও তীব্র ক্ষোভের সঞ্চার হয়। বানিয়াচং উপজেলা বিএনপির সেক্রেটারী নকিব ফজলে রকিব মাখন বলেন, বিজয় দিবসের অনুষ্ঠান ঘিরে বিএনপির সঙ্গে কোনোরকম যোগাযোগ হয়নি, যদি আমাদের পরামর্শ নেওয়া হতো তাহলে এরকম গ্রেট মিস্টেক হতো না।
জুলাই গণ অভ্যূত্থানে গুরুতর আহত বিপ্লবী সাদ্দাম হোসেন বলেন, ইউএনও নিজের বাসা আলোকসজ্জা করার সময় পেলেন অথচ স্মৃতিসৌধ আলোকিত করার জন্য একটি এলইডি লাইট লাগালেন না কেন? আপনারাই এর বিচার করবেন। এরপরদিন ১৬ ডিসেম্বরের অনুষ্ঠানে ইউএনও মাহমুদা বেগম সাথী লিখিত বক্তব্যে মহান বিজয় দিবসেক “স্বাধীনতা” ও বিজয় দিবস আখ্যা দেন!
সংগঠনের আহবায়ক মোতাব্বির হোসেন, মুখ্য সংগঠক তাওহিদ হাসান ও সদস্য সচিব আনসার আলী বলেন, ইউএনও তার ভুলের জন্য জাতির কাছে প্রকাশ্যে ক্ষমা চেয়ে নিজ উদ্যোগে বানিয়াচং থেকে বিতারিত হতে হবে, অন্যথায় নবগঠিত কমিটির ব্যনারে তীব্র আন্দোলন গড়ে তোলা হবে।
বানিয়াচং প্রতিনিধি 



















