
আজ ১১ ডিসেম্বর, টাঙ্গাইলের ইতিহাসে এক অবিস্মরণীয় ও গৌরবের দিন। ১৯৭১ সালের এই দিনে দীর্ঘ নয় মাসের রক্তক্ষয়ী সংগ্রামের পর বাংলার অকুতোভয় সূর্যসেনারা পাকিস্তানি হানাদার বাহিনীর কবল থেকে টাঙ্গাইলকে মুক্ত করে উত্তোলন করেন স্বাধীন বাংলাদেশের বিজয় পতাকা। দিনটিকে স্মরণ করে টাঙ্গাইলবাসী আজও গভীর শ্রদ্ধা ও বাঁধভাঙা আনন্দের স্রোতে উদ্বেলিত হয়।
মহান মুক্তিযুদ্ধে টাঙ্গাইলের বীর মুক্তিযোদ্ধাদের সাহসিকতার কাহিনী দেশের সীমানা ছাড়িয়ে ছড়িয়ে পড়েছিল বিশ্বজুড়ে। বিশেষ করে বাঘা সিদ্দিকী খ্যাত কাদের সিদ্দিকীর নেতৃত্বে গঠিত কাদেরিয়া বাহিনী গেরিলা আক্রমণ ও সম্মুখ সমরে পাকিস্তানি হানাদার বাহিনীকে দিশাহারা করে তোলে। তাদের দুর্বার প্রতিরোধের মুখে পাকিস্তানি বাহিনী কোণঠাসা হয়ে পড়ে।
একাত্তরের ১১ ডিসেম্বর ভোর থেকে বিজয়ী মুক্তিযোদ্ধারা দলে দলে শহরে প্রবেশ করতে শুরু করেন। পাকিস্তানি বাহিনীর আত্মসমর্পণের মাধ্যমে টাঙ্গাইল শহর সম্পূর্ণরূপে শত্রুমুক্ত হয় এবং স্বাধীনতার পরিপূর্ণ স্বাদ অনুভব করে টাঙ্গাইলের মুক্তিকামী মানুষ।
দিনব্যাপী কর্মসূচিতে ‘মুক্ত দিবস’ উদযাপন
টাঙ্গাইলবাসী প্রতি বছর এই দিনটিকে টাঙ্গাইল মুক্ত দিবস হিসেবে অত্যন্ত গুরুত্ব সহকারে পালন করে। এই উপলক্ষে বিভিন্ন রাজনৈতিক, সামাজিক ও সাংস্কৃতিক সংগঠনগুলো দিনব্যাপী নানা কর্মসূচি হাতে নিয়েছে।
দিবসটি উপলক্ষে বিভিন্ন রাজনৈতিক, সামাজিক ও সাংস্কৃতিক সংগঠন টাঙ্গাইলমুক্ত দিবস পালন করে থাকে।
হ্যাপি আক্তার, টাঙ্গাইল জেলা প্রতিনিধি 


















