সিলেট ০৯:২৬ অপরাহ্ন, বৃহস্পতিবার, ২৩ এপ্রিল ২০২৬
News Title :
‎লাখাইয়ে মাসিক আইনশৃঙ্খলা কমিটির সভা অনুষ্ঠিত। নবীগঞ্জে জাতীয় পুষ্টি সপ্তাহ উপলক্ষে র‍্যালি ও আলোচনা সভা অনুষ্ঠিত ‎হবিগঞ্জের জেলা প্রশাসকের সঙ্গে নবীগঞ্জ উপজেলার সুধীজন ও কর্মকর্তাদের মতবিনিময় সভা ‎টাঙ্গাইলে ‘নতুন কুঁড়ি স্পোর্টস–২০২৬’ প্রস্তুতিমূলক সভা অনুষ্ঠিত ‎জুড়ীতে শান্তিপূর্ণ পরিবেশে এসএসসি ও সমমানের পরীক্ষা শুরু ‎গোয়াইনঘাটে ৭১ বোতল বিদেশি মদসহ বাবা-ছেলে গ্রেফতার হবিগঞ্জে ভুল প্রশ্নে দাখিল পরীক্ষা, পরে ধরা পড়ল ১০০ খাতা জব্দ, দায়িত্ব হারালেন ৩ কর্মকর্তা ‎মাধবপুরে ডিবি পুলিশের অভিযানে ১২৯ কেজি গাঁজা উদ্ধার, নারী গ্রেপ্তার ‎শেরপুর সেতুতে ৩৬ ঘণ্টা যান চলাচল নিয়ন্ত্রণ, ভোগান্তির আশঙ্কা ‎বিয়ানীবাজার থেকে ৩ এসএসসি-দাখিল পরীক্ষার্থী ছাত্রী উধাও

‎মৌলভীবাজারে মসজিদ উদ্বোধনকে কেন্দ্র করে উত্তেজনা,অতীতে দুই পক্ষের বিরোধের জেরেই সংঘাতের আশঙ্কা!




‎মৌলভীবাজার সদর উপজেলার খলিলপুর ইউনিয়নের কেশবচর গ্রামে আহলে হাদিসপন্থিদের একটি নতুন মসজিদ উদ্বোধনকে কেন্দ্র করে আজ শনিবার ৬ ডিসেম্বর উত্তেজনা ছড়িয়ে পড়ে।

‎উদ্বোধনী অনুষ্ঠানের সময় আহলে হাদিস ও সুন্নি জামায়াতপন্থি স্থানীয়দের মধ্যে দাওয়া–পাল্টা দাওয়ার ঘটনা ঘটে। দ্রুত সেনাবাহিনী ও অতিরিক্ত পুলিশ সুপার ঘটনাস্থলে গিয়ে পরিস্থিতি নিয়ন্ত্রণে আনেন।


‎স্থানীয়দের বরাতে জানা যায়,কেশবচর গ্রামের  লন্ডন প্রবাসী জগলু মিয়ার একটি মসজিদ নির্মানকে কেন্দ্র করে এলাকায় দীর্ঘদিন ধরে দুটি ধর্মীয় মতাদর্শের অনুসারীদের মধ্যে দ্বন্দ্ব চলছিল। বিশেষত মসজিদের নামকরণ, ইমাম নিয়োগ ও ধর্মীয় রীতিনীতি পালনের ভিন্নতা,নিয়ে দুই পক্ষের মধ্যে পূর্ব থেকেই মতবিরোধ ছিল।


‎নতুন মসজিদ নির্মাণের সিদ্ধান্ত নেওয়ার পর থেকেই দুই দলের মধ্যে উত্তেজনা ধীরে ধীরে বাড়তে থাকে। তবে শনিবার উদ্বোধনকে কেন্দ্র করে উত্তেজনা চরমে পৌঁছে যায়।


‎গ্রামের  বাসিন্দাদের  মুহিদ মিয়ার সঙ্গে কথা বলে জানা যায়,বেশ কিছুদিন ধরে  এ এলাকায় একাধিকবার ধর্মীয় মতবিরোধ থেকে ছোটখাটো বিবাদ ও বাকবিতণ্ডার ঘটনা ঘটেছে।

‎বিশেষ করে, আহলে হাদিসদের আলাদা জুমার জামায়াত পরিচালনা,এবং সুন্নিপন্থিদের তার বিরোধিতা এ দু’পক্ষের মধ্যে দূরত্ব বাড়িয়ে তোলে।


‎গ্রামের এক প্রবীণ ব্যক্তি বলেন, এটা হঠাৎ তৈরি হওয়া সমস্যা নয়। আগেও দুই পক্ষের মধ্যে উত্তেজনা দেখা দিয়েছে, তবে এবার উদ্বোধনকে কেন্দ্র করে পরিস্থিতি বেশি উত্তপ্ত হয়ে ওঠে।


‎ঘটনার পরপরই সেনাবাহিনী ও পুলিশের টহল বাড়ানো হয়। অতিরিক্ত পুলিশ সুপার দ্রুত ঘটনাস্থল পরিদর্শন করে উভয় পক্ষের সঙ্গে কথা বলেন।

‎এব্যাপারে মৌলভীবাজার মডেল থানার নিয়ন্ত্রণাধীন শেরপুর পুলিশ ফাঁড়ির এস আই শিপু কুমার দাস বলেন যে কোনো ধরনের ধর্মীয় সংঘাত ঠেকাতে আমরা কঠোর অবস্থানে আছি। কাউকে আইন হাতে তুলে নিতে দেওয়া হবে না।

‎এদিকে স্থানীয় প্রশাসন এলাকাবাসীকে শান্ত থাকার আহ্বান জানিয়েছে এবং গুজব ছড়ানোর বিরুদ্ধে সতর্ক করেছে।

‎এ রিপোর্ট লিখা  পর্যন্ত গ্রামে থমথমে পরিস্থিতি বিরাজ করছে। সংঘাতের পুনরাবৃত্তি ঠেকাতে এলাকায় অতিরিক্ত পুলিশ মোতায়েন রয়েছে এবং নিয়মিত টহল পরিচালনা করা হচ্ছে।


ট্যাগস :
আপলোডকারীর তথ্য

জনপ্রিয় সংবাদ

‎লাখাইয়ে মাসিক আইনশৃঙ্খলা কমিটির সভা অনুষ্ঠিত।

‎মৌলভীবাজারে মসজিদ উদ্বোধনকে কেন্দ্র করে উত্তেজনা,অতীতে দুই পক্ষের বিরোধের জেরেই সংঘাতের আশঙ্কা!

সময় ০৬:৫৯:৫৯ অপরাহ্ন, শনিবার, ৬ ডিসেম্বর ২০২৫




‎মৌলভীবাজার সদর উপজেলার খলিলপুর ইউনিয়নের কেশবচর গ্রামে আহলে হাদিসপন্থিদের একটি নতুন মসজিদ উদ্বোধনকে কেন্দ্র করে আজ শনিবার ৬ ডিসেম্বর উত্তেজনা ছড়িয়ে পড়ে।

‎উদ্বোধনী অনুষ্ঠানের সময় আহলে হাদিস ও সুন্নি জামায়াতপন্থি স্থানীয়দের মধ্যে দাওয়া–পাল্টা দাওয়ার ঘটনা ঘটে। দ্রুত সেনাবাহিনী ও অতিরিক্ত পুলিশ সুপার ঘটনাস্থলে গিয়ে পরিস্থিতি নিয়ন্ত্রণে আনেন।


‎স্থানীয়দের বরাতে জানা যায়,কেশবচর গ্রামের  লন্ডন প্রবাসী জগলু মিয়ার একটি মসজিদ নির্মানকে কেন্দ্র করে এলাকায় দীর্ঘদিন ধরে দুটি ধর্মীয় মতাদর্শের অনুসারীদের মধ্যে দ্বন্দ্ব চলছিল। বিশেষত মসজিদের নামকরণ, ইমাম নিয়োগ ও ধর্মীয় রীতিনীতি পালনের ভিন্নতা,নিয়ে দুই পক্ষের মধ্যে পূর্ব থেকেই মতবিরোধ ছিল।


‎নতুন মসজিদ নির্মাণের সিদ্ধান্ত নেওয়ার পর থেকেই দুই দলের মধ্যে উত্তেজনা ধীরে ধীরে বাড়তে থাকে। তবে শনিবার উদ্বোধনকে কেন্দ্র করে উত্তেজনা চরমে পৌঁছে যায়।


‎গ্রামের  বাসিন্দাদের  মুহিদ মিয়ার সঙ্গে কথা বলে জানা যায়,বেশ কিছুদিন ধরে  এ এলাকায় একাধিকবার ধর্মীয় মতবিরোধ থেকে ছোটখাটো বিবাদ ও বাকবিতণ্ডার ঘটনা ঘটেছে।

‎বিশেষ করে, আহলে হাদিসদের আলাদা জুমার জামায়াত পরিচালনা,এবং সুন্নিপন্থিদের তার বিরোধিতা এ দু’পক্ষের মধ্যে দূরত্ব বাড়িয়ে তোলে।


‎গ্রামের এক প্রবীণ ব্যক্তি বলেন, এটা হঠাৎ তৈরি হওয়া সমস্যা নয়। আগেও দুই পক্ষের মধ্যে উত্তেজনা দেখা দিয়েছে, তবে এবার উদ্বোধনকে কেন্দ্র করে পরিস্থিতি বেশি উত্তপ্ত হয়ে ওঠে।


‎ঘটনার পরপরই সেনাবাহিনী ও পুলিশের টহল বাড়ানো হয়। অতিরিক্ত পুলিশ সুপার দ্রুত ঘটনাস্থল পরিদর্শন করে উভয় পক্ষের সঙ্গে কথা বলেন।

‎এব্যাপারে মৌলভীবাজার মডেল থানার নিয়ন্ত্রণাধীন শেরপুর পুলিশ ফাঁড়ির এস আই শিপু কুমার দাস বলেন যে কোনো ধরনের ধর্মীয় সংঘাত ঠেকাতে আমরা কঠোর অবস্থানে আছি। কাউকে আইন হাতে তুলে নিতে দেওয়া হবে না।

‎এদিকে স্থানীয় প্রশাসন এলাকাবাসীকে শান্ত থাকার আহ্বান জানিয়েছে এবং গুজব ছড়ানোর বিরুদ্ধে সতর্ক করেছে।

‎এ রিপোর্ট লিখা  পর্যন্ত গ্রামে থমথমে পরিস্থিতি বিরাজ করছে। সংঘাতের পুনরাবৃত্তি ঠেকাতে এলাকায় অতিরিক্ত পুলিশ মোতায়েন রয়েছে এবং নিয়মিত টহল পরিচালনা করা হচ্ছে।