
হবিগঞ্জ-বানিয়াচং সড়কের গুরুত্বপূর্ণ রত্না ব্রীজের একটি অংশ পাথর বোঝাই ট্রাক উঠায় আকস্মিকভাবে ভেঙে দেবে গেছে। এর ফলে বানিয়াচং এবং আজমিরীগঞ্জ সহ ভাটি এলাকার সঙ্গে হবিগঞ্জ জেলা সদর সহ সারাদেশে সাথে সড়ক যোগাযোগ বন্ধ রয়েছে। এই দুই উপজেলার সাথে যোগাযোগ সম্পূর্ণ বিচ্ছিন্ন হয়ে পড়েছে। বিকল্প ব্যবস্থা না থাকায় ঝুঁকি নিয়ে নৌকা দিয়ে নদী পাড়াপাড় হচ্ছেন।
স্থানীয় সূত্রে জানা গেছে, আজ ৫ ডিসেম্বর সকাল ৮ টায় একটি অতিরিক্ত পাথর বোঝাই ট্রাক রত্মা ব্রিজের উপর দিয়ে যাওয়ার সময় ব্রিজের কাঠামো এই ভার সহ্য করতে পারেনি। ফলস্বরূপ, ব্রিজের একটি গুরুত্বপূর্ণ অংশ ধসে গিয়ে ট্রাকটি দেবে যায়। এতে যোগাযোগ বন্ধ হয়ে যায়।
এই আকস্মিক দুর্ঘটনার জেরে সড়কের দুই পাশে শত শত যানবাহন আটকা পড়েছে। পণ্যবাহী ট্রাক, যাত্রীবাহী বাস, এবং ব্যক্তিগত ছোট গাড়িগুলো দীর্ঘ লাইনে দাঁড়িয়ে থাকায় তীব্র যানজটের সৃষ্টি হয়েছে। বিশেষত, বানিয়াচং ও আজমিরীগঞ্জ থেকে হবিগঞ্জগামী এবং হবিগঞ্জ থেকে এই দুই উপজেলাগামী সাধারণ যাত্রী ও ব্যবসায়ীরা চরম দুর্ভোগের শিকার হচ্ছেন। জরুরি সেবা ক্ষেত্রেও বড় ধরনের প্রতিবন্ধাকতা সৃষ্টি হচ্ছে। এম্বুলেন্স সহ জরুরি সেবার গাড়ীগুলো পাড়াপাড়ে চরম ভোগান্তি শিকার হবে। জরুরি গাড়িগুলো বানিয়াচং নবীগঞ্জ হয়ে হবিগঞ্জ শহরে আসতে হবে। এতে সময় ও টাকা দুটোই বেশি লাগবে।
আটকে পড়া যাত্রীরা ক্ষোভ প্রকাশ করে দ্রুত এই জনদুর্ভোগ নিরসনের দাবি জানিয়েছেন তারা। তাদের মতে, এটি কেবল একটি সড়ক দুর্ঘটনা নয়, দুই উপজেলার হাজার হাজার মানুষের দৈনন্দিন জীবনযাত্রার উপর বড় প্রভাব ফেলবে।
বানিয়াচং ও আজমিরীগঞ্জের লোকজন ডাক্তার দেখাতে শুক্রবার সকাল থেকে যাতায়াত শুরু হয়।
আজ হঠাৎ ব্রিজ টি একাংশ ভেঙে যাওয়ায় মানুষ জন চরমভাবে বিপাকে পড়েন। বাদ্য হয় ঝুঁকি নিয়ে নৌকা দিয়ে নদী পাড়াপাড় হচ্ছে।
এক যাত্রী বলেন, সকাল থেকে এখানে আটকে আছি। আমাদের জরুরি কাজ থাকা সত্ত্বেও গন্তব্যে পৌঁছাতে পারছি না। সংশ্লিষ্ট কর্তৃপক্ষের দ্রুত অস্থায়ী বিকল্প ব্যবস্থা নেওয়া উচিত।
বানিয়াচং ও আজমিরীগঞ্জ সহ ভাটি অঞ্চলের বাসিন্দারা দ্রুততম সময়ে এই ক্ষতিগ্রস্ত ব্রিজটি মেরামত অথবা একটি বিকল্প যোগাযোগ ব্যবস্থা স্থাপনের জন্য সংশ্লিষ্ট সড়ক ও জনপথ বিভাগ (সওজ) এবং স্থানীয় প্রশাসনের জরুরি দৃষ্টি আকর্ষণ করছেন সাধারণ মানুষ।
বানিয়াচং প্রতিনিধি 



















