সিলেট ০৫:১৯ পূর্বাহ্ন, শনিবার, ১৮ জুলাই ২০২৬
News Title :
‎আফগানিস্তানে জাতিসংঘের বিশেষ প্রতিনিধি হলেন মাধবপুরের রাবাব ফাতিমা ‎হবিগঞ্জে বন্যাদুর্গত চার শতাধিক মানুষের পাশে জেলা পুলিশ মেডিকেল ক্যাম্পে বিনামূল্যে চিকিৎসাসেবা‎ রুস্তম হত্যাকারীদের গ্রেফতারের দাবিতে মানববন্ধন ও বিক্ষোভ মিছিল, ১২ ঘণ্টার আল্টিমেটাম ‎লাখাইয়ে কৃষক স্মার্ট কার্ড বিতরণ শুরু ‎টাকার অভাবে থমকে গেছে উস্তার মিয়ার চিকিৎসা, পরিবার নিয়ে মানবতর জীবন যাপন হবিগঞ্জে ঘাস কাটতে গিয়ে সাপের কামড়ে যুবকের মৃত্যু সাবেক প্রয়াত মন্ত্রী সিরাজুল হোসেন খান শততম বর্ষে পদার্পণ আজ‎‎। জামালপুর অর্থনৈতিক অঞ্চলে বন্দি ‘পশ্চিমপাড়া গ্রাম’: পুনর্বাসনের জোর দাবি সচেতন মহলের ‎শান্তিগঞ্জে উচ্চ ফলনশীল আগাম জাতের আমন ধান চাষে কৃষকদের মৌলিক প্রশিক্ষণ সমাপ্ত শান্তিগঞ্জে জুলাই শহিদ দিবস উপলক্ষ্যে আলোচনা সভা

‎মাধবপুরের আবুল বাশারের টমেটো চাষে দৃষ্টান্ত স্থাপন, ৫০ বিঘা জমিতে টমেটো চাষ!‎



‎মাধবপুরের কমলপুর এলাকায় টমেটো চাষে এক অনন্য দৃষ্টান্ত স্থাপন করেছেন মোহাম্মদ আবুল বাশার। আধুনিক কৃষি প্রযুক্তি ও নিজের কঠোর পরিশ্রমকে সম্বল করে ৫০ বিঘা জমিতে তিনি গড়ে তুলেছেন ব্যাপক টমেটো চাষ। যা স্থানীয় কৃষিতে এনে দিয়েছে এক নতুন সম্ভাবনার বাতাস।

‎এই বিশাল আকারের টমেটো চাষে শতাধিক শ্রমিকের কর্মসংস্থান হয়েছে। গ্রামীণ অর্থনীতিতে প্রাণচাঞ্চল্য ফিরেছে, বাড়ছে আয়—এতে উপকৃত হচ্ছেন স্থানীয় অসংখ্য পরিবার।

‎এলাকাবাসীর পুষ্টির চাহিদা পূরণের পাশাপাশি উৎপাদিত টমেটো দেশের বিভিন্ন জেলায় পাঠানো হচ্ছে অল্প খরচে। ফলে ক্রেতারা সুলভ দামে টমেটো পেয়ে অত্যন্ত সন্তুষ্ট।

‎নিজের অভিজ্ঞতা ও ভবিষ্যৎ পরিকল্পনা সম্পর্কে আবুল বাশার বলেন, সরকারি সহযোগিতা পেলে কৃষিকে আমি বিশ্ব দরবারে তুলে ধরতে চাই। কৃষি সংশ্লিষ্ট সকলের পরামর্শ ও সহায়তা পেলে আরও বড় পরিসরে কাজ করা সম্ভব।

‎তিনি আরও জানান, টমেটো চাষে সফলতা দেখিয়ে তিনি যুব সমাজকে কৃষিতে উৎসাহিত করতে চান, যেন সবাই নিজেদের শক্তিতে আত্মসম্বলিত হয়ে দেশের অগ্রযাত্রায় ভূমিকা রাখতে পারে।

‎টমেটো চাষে আবুল বাশারের এমন সাফল্যে স্থানীয়দের মধ্যেও দেখা দিয়েছে ব্যাপক উৎসাহ ও গর্বের অনুভূতি। তারা জানান, আগে এলাকায় এমন বড় আকারে সবজি চাষ ছিল না। এখন কমলপুর গ্রাম যেন নতুন পরিচয়ে পরিচিত হচ্ছে ‘টমেটো গ্রাম’ নামে।

‎এলাকার প্রবীণরা বলেন,একজন মানুষের উদ্যোগ পুরো গ্রামকে বদলে দিতে পারে—এটার বাস্তব উদাহরণ আবুল বাশার। স্থানীয় যুবকরা জানিয়েছেন, তার সাফল্য দেখে তারাও কৃষিতে নতুনভাবে আগ্রহী হয়ে উঠেছেন।
‎তাদের ভাষায় আগে ভাবতাম কৃষি দিয়ে বড় কিছু করা যায় না। এখন দেখছি ইচ্ছা থাকলে কৃষিই হতে পারে সবচেয়ে ভালো সম্ভাবনার জায়গা।

‎বাজারের ব্যবসায়ীরাও জানান, তার চাষ করা টমেটো মানসম্পন্ন, তাজা এবং সুলভ মূল্যে পাওয়া যায়। এতে স্থানীয় বাজার যেমন স্বস্তি পেয়েছে, তেমনি এলাকার মানুষের মধ্যেও কৃষিকে কেন্দ্র করে নতুন ভাবনা তৈরি হয়েছে।

ট্যাগস :
আপলোডকারীর তথ্য

জনপ্রিয় সংবাদ

‎আফগানিস্তানে জাতিসংঘের বিশেষ প্রতিনিধি হলেন মাধবপুরের রাবাব ফাতিমা

‎মাধবপুরের আবুল বাশারের টমেটো চাষে দৃষ্টান্ত স্থাপন, ৫০ বিঘা জমিতে টমেটো চাষ!‎

সময় ০৮:৫২:০০ অপরাহ্ন, শনিবার, ২৯ নভেম্বর ২০২৫



‎মাধবপুরের কমলপুর এলাকায় টমেটো চাষে এক অনন্য দৃষ্টান্ত স্থাপন করেছেন মোহাম্মদ আবুল বাশার। আধুনিক কৃষি প্রযুক্তি ও নিজের কঠোর পরিশ্রমকে সম্বল করে ৫০ বিঘা জমিতে তিনি গড়ে তুলেছেন ব্যাপক টমেটো চাষ। যা স্থানীয় কৃষিতে এনে দিয়েছে এক নতুন সম্ভাবনার বাতাস।

‎এই বিশাল আকারের টমেটো চাষে শতাধিক শ্রমিকের কর্মসংস্থান হয়েছে। গ্রামীণ অর্থনীতিতে প্রাণচাঞ্চল্য ফিরেছে, বাড়ছে আয়—এতে উপকৃত হচ্ছেন স্থানীয় অসংখ্য পরিবার।

‎এলাকাবাসীর পুষ্টির চাহিদা পূরণের পাশাপাশি উৎপাদিত টমেটো দেশের বিভিন্ন জেলায় পাঠানো হচ্ছে অল্প খরচে। ফলে ক্রেতারা সুলভ দামে টমেটো পেয়ে অত্যন্ত সন্তুষ্ট।

‎নিজের অভিজ্ঞতা ও ভবিষ্যৎ পরিকল্পনা সম্পর্কে আবুল বাশার বলেন, সরকারি সহযোগিতা পেলে কৃষিকে আমি বিশ্ব দরবারে তুলে ধরতে চাই। কৃষি সংশ্লিষ্ট সকলের পরামর্শ ও সহায়তা পেলে আরও বড় পরিসরে কাজ করা সম্ভব।

‎তিনি আরও জানান, টমেটো চাষে সফলতা দেখিয়ে তিনি যুব সমাজকে কৃষিতে উৎসাহিত করতে চান, যেন সবাই নিজেদের শক্তিতে আত্মসম্বলিত হয়ে দেশের অগ্রযাত্রায় ভূমিকা রাখতে পারে।

‎টমেটো চাষে আবুল বাশারের এমন সাফল্যে স্থানীয়দের মধ্যেও দেখা দিয়েছে ব্যাপক উৎসাহ ও গর্বের অনুভূতি। তারা জানান, আগে এলাকায় এমন বড় আকারে সবজি চাষ ছিল না। এখন কমলপুর গ্রাম যেন নতুন পরিচয়ে পরিচিত হচ্ছে ‘টমেটো গ্রাম’ নামে।

‎এলাকার প্রবীণরা বলেন,একজন মানুষের উদ্যোগ পুরো গ্রামকে বদলে দিতে পারে—এটার বাস্তব উদাহরণ আবুল বাশার। স্থানীয় যুবকরা জানিয়েছেন, তার সাফল্য দেখে তারাও কৃষিতে নতুনভাবে আগ্রহী হয়ে উঠেছেন।
‎তাদের ভাষায় আগে ভাবতাম কৃষি দিয়ে বড় কিছু করা যায় না। এখন দেখছি ইচ্ছা থাকলে কৃষিই হতে পারে সবচেয়ে ভালো সম্ভাবনার জায়গা।

‎বাজারের ব্যবসায়ীরাও জানান, তার চাষ করা টমেটো মানসম্পন্ন, তাজা এবং সুলভ মূল্যে পাওয়া যায়। এতে স্থানীয় বাজার যেমন স্বস্তি পেয়েছে, তেমনি এলাকার মানুষের মধ্যেও কৃষিকে কেন্দ্র করে নতুন ভাবনা তৈরি হয়েছে।