সিলেট ০১:০৯ অপরাহ্ন, শনিবার, ১৩ জুন ২০২৬
News Title :
বানিয়াচংয়ে জমকালো আয়োজনে স্টার্টআপ, সায়েন্স প্রজেক্ট ও ইনোভেশন শোকেসিং প্রোগ্রাম অনুষ্ঠিত‎ ‎ক্লুলেস সংঘবদ্ধ ধর্ষণ মামলার রহস্য উদঘাটন, দুই আসামি গ্রেফতার ‎নবীগঞ্জের একমাত্র আসামি তুহিন সিলেট থেকে গ্রেফতার ‎লাখাইয়ে কর্মকর্তা সাংবাদিক  মুক্তিযোদ্ধা সহ সুশীল সমাজের সাথে মতবিনিময় করেন জেলা প্রশাসক। ‎জামালপুরের দিগপাইতে ব্যবসায়ীর ঝুলন্ত মরদেহ উদ্ধার: হত্যা নাকি আত্মহত্যা এ নিয়ে রহস্য!‎ ‎জামালপুরে গ্রাম আদালত সম্পর্কে জনসচেতনতা বৃদ্ধিতে  পরিকল্পনা প্রণয়ন বিষয়ক কর্মশালা  ২৪ ঘণ্টার মধ্যেই রামু থেকে নিখোঁজ কলেজছাত্রী টাঙ্গাইলে উদ্ধার চুনারুঘাটে মাদকবিরোধী যৌথ অভিযান: নারীকে ৬ মাসের কারাদণ্ড, জরিমানা ‎সখিপুর পৌরসভায় ৩নং ওয়ার্ডে টানা বিদ্যুৎ বিপর্যয়: চরম ভোগান্তিতে হাজারো মানুষ জামালপুর সদর উপজেলা নির্বাহী অফিসারের মাঠ পর্যায়ের কৃষি উন্নয়নমূলক ও মানবিক কার্যক্রম পরিদর্শন

‎হবিগঞ্জের বানিয়াচংয়ে হাত-পায়ের রগ কেটে ব্যক্তিকে নৃশংস হত্যা; এলাকায় টানটান উত্তেজনা‎


‎হবিগঞ্জের বানিয়াচংয়ে রাতের আঁধারে হাওরের মধ্যে মাহফুজ মিয়া (৪৫) নামের এক ব্যক্তিকে হাত-পায়ের রগ কেটে নৃশংসভাবে হত্যার ঘটনা ঘটেছে। এই নির্মম হত্যাকাণ্ডের জেরে এলাকায় টানটান উত্তেজনা বিরাজ করছে।

‎জানা যায়, গত ২২ নভেম্বর শনিবার রাত আনুমানিক ১১টার দিকে বানিয়াচং উপজেলার ১৫নং পৈলারকান্দি ইউনিয়নে এই ঘটনাটি ঘটে। নিহত মাহফুজ মিয়া পৈলারকান্দী গ্রামের লিবাস মিয়ার পুত্র।

‎পরিবার ও স্থানীয় সূত্রে জানা যায়, ঘটনার দিন রাতে মাহফুজ মিয়া তার ভাই তবারক মিয়াকে নিয়ে হাওরে জমির ‘পাটিবাইন’ (বাঁধ) দিতে যান। একপর্যায়ে মাহফুজ মিয়াকে দায়িত্বে রেখে তার ভাই তবারক মিয়া বাড়িতে ফিরে আসেন।
‎ভাই ফিরে আসার পরপরই পূর্বশত্রুতার জেরে একই গ্রামের সিরাজ মিয়ার ছেলে এহিয়া ও মারুফ দেশীয় অস্ত্রশস্ত্র নিয়ে মাহফুজ মিয়ার ওপর অতর্কিত হামলা চালায়। হামলাকারীরা ধারালো অস্ত্র দিয়ে তার হাত ও পায়ের রগ কেটে ফেলে।

‎গুরুতর আহত অবস্থায় মাহফুজ মিয়া হাওরের মধ্যে পড়ে থাকলে স্থানীয় লোকজন খবর পেয়ে দ্রুত ঘটনাস্থলে ছুটে যান। তারা আহত মাহফুজ মিয়াকে উদ্ধার করে হবিগঞ্জ সদর আধুনিক হাসপাতালে নিয়ে যান। তবে, হাসপাতালের কর্তব্যরত চিকিৎসক তাকে মৃত ঘোষণা করেন।

‎খবর পেয়ে ২৩ নভেম্বর (রবিবার) সকালে হবিগঞ্জ সদর থানার এসআই ওয়াহেদ গাজীর নেতৃত্বে একদল পুলিশ ঘটনাস্থল পরিদর্শন করেন এবং লাশের সুরতহাল প্রতিবেদন তৈরি করেন।

এদিকে, এই ঘটনা সম্পর্কে পুলিশ জানিয়েছে, হত্যাকাণ্ডের সঙ্গে জড়িতদের শনাক্ত করা হয়েছে এবং তাদের গ্রেপ্তারে অভিযান চলছে।
‎এই ঘটনার পর থেকে এলাকায় থমথমে অবস্থা ও উত্তেজনা বিরাজ করছে।
‎তবে, বানিয়াচং থানার অফিসার ইনচার্জ (ওসি) মিজানুর রহমানের সাথে যোগাযোগ করেও তার বক্তব্য জানা সম্ভব হয়নি।

ট্যাগস :
আপলোডকারীর তথ্য

জনপ্রিয় সংবাদ

বানিয়াচংয়ে জমকালো আয়োজনে স্টার্টআপ, সায়েন্স প্রজেক্ট ও ইনোভেশন শোকেসিং প্রোগ্রাম অনুষ্ঠিত‎

‎হবিগঞ্জের বানিয়াচংয়ে হাত-পায়ের রগ কেটে ব্যক্তিকে নৃশংস হত্যা; এলাকায় টানটান উত্তেজনা‎

সময় ০৩:৩৯:১৪ অপরাহ্ন, রবিবার, ২৩ নভেম্বর ২০২৫


‎হবিগঞ্জের বানিয়াচংয়ে রাতের আঁধারে হাওরের মধ্যে মাহফুজ মিয়া (৪৫) নামের এক ব্যক্তিকে হাত-পায়ের রগ কেটে নৃশংসভাবে হত্যার ঘটনা ঘটেছে। এই নির্মম হত্যাকাণ্ডের জেরে এলাকায় টানটান উত্তেজনা বিরাজ করছে।

‎জানা যায়, গত ২২ নভেম্বর শনিবার রাত আনুমানিক ১১টার দিকে বানিয়াচং উপজেলার ১৫নং পৈলারকান্দি ইউনিয়নে এই ঘটনাটি ঘটে। নিহত মাহফুজ মিয়া পৈলারকান্দী গ্রামের লিবাস মিয়ার পুত্র।

‎পরিবার ও স্থানীয় সূত্রে জানা যায়, ঘটনার দিন রাতে মাহফুজ মিয়া তার ভাই তবারক মিয়াকে নিয়ে হাওরে জমির ‘পাটিবাইন’ (বাঁধ) দিতে যান। একপর্যায়ে মাহফুজ মিয়াকে দায়িত্বে রেখে তার ভাই তবারক মিয়া বাড়িতে ফিরে আসেন।
‎ভাই ফিরে আসার পরপরই পূর্বশত্রুতার জেরে একই গ্রামের সিরাজ মিয়ার ছেলে এহিয়া ও মারুফ দেশীয় অস্ত্রশস্ত্র নিয়ে মাহফুজ মিয়ার ওপর অতর্কিত হামলা চালায়। হামলাকারীরা ধারালো অস্ত্র দিয়ে তার হাত ও পায়ের রগ কেটে ফেলে।

‎গুরুতর আহত অবস্থায় মাহফুজ মিয়া হাওরের মধ্যে পড়ে থাকলে স্থানীয় লোকজন খবর পেয়ে দ্রুত ঘটনাস্থলে ছুটে যান। তারা আহত মাহফুজ মিয়াকে উদ্ধার করে হবিগঞ্জ সদর আধুনিক হাসপাতালে নিয়ে যান। তবে, হাসপাতালের কর্তব্যরত চিকিৎসক তাকে মৃত ঘোষণা করেন।

‎খবর পেয়ে ২৩ নভেম্বর (রবিবার) সকালে হবিগঞ্জ সদর থানার এসআই ওয়াহেদ গাজীর নেতৃত্বে একদল পুলিশ ঘটনাস্থল পরিদর্শন করেন এবং লাশের সুরতহাল প্রতিবেদন তৈরি করেন।

এদিকে, এই ঘটনা সম্পর্কে পুলিশ জানিয়েছে, হত্যাকাণ্ডের সঙ্গে জড়িতদের শনাক্ত করা হয়েছে এবং তাদের গ্রেপ্তারে অভিযান চলছে।
‎এই ঘটনার পর থেকে এলাকায় থমথমে অবস্থা ও উত্তেজনা বিরাজ করছে।
‎তবে, বানিয়াচং থানার অফিসার ইনচার্জ (ওসি) মিজানুর রহমানের সাথে যোগাযোগ করেও তার বক্তব্য জানা সম্ভব হয়নি।