সিলেট ০৮:৩৩ অপরাহ্ন, বুধবার, ২৯ জুলাই ২০২৬
News Title :
নিখোঁজের ১২ ঘণ্টা পর হাওর থেকে সাবেক পুলিশ সদস্যের মরদেহ উদ্ধার ‎হবিগঞ্জে ১৪৪ ধারা: শ্রীমঙ্গলে এনসিপির গাড়িবহর আটকাল পুলিশ, উত্তেজনা ও ধাক্কাধাক্কি‎ ‎জামতলীতে ভুয়া ডাক্তার আলমের প্রতারণা, ধার-দেনা নিয়ে চম্পট‎ ‎সিলেট নগরীর বালুচর থেকে ৮৮২ বোতল বিদেশী মদসহ ২ মাদক কারবারি গ্রেফততার। ‎বাহুবলে ইয়াবা ও গাঁজাসহ যুবক আটক, ভ্রাম্যমাণ আদালতে ৭ মাসের কারাদণ্ড ‎হরষপুর (তেলিয়াপাড়া) পুলিশ ফাঁড়ির অভিযানে ২৪ কেজি গাঁজা উদ্ধার ‎নালিতাবাড়ীতে বন্যাদুর্গত ২০০ পরিবারের পাশে দাঁড়ালেন দোস্ত এইড বাংলাদেশ সোসাইটি এনসিপি-বিএনপির পাল্টাপাল্টি কর্মসূচিকে ঘিরে হবিগঞ্জ পৌর এলাকায় ১৪৪ ধারা বালাগঞ্জে ছাত্রীকে অপহরণের অভিযোগ, অভিযুক্তদের পুলিশে সোপর্দ হবিগঞ্জে বিয়ের প্রলোভনে কিশোরীকে ধর্ষণ: পলাতক আসামি সিলেট থেকে গ্রেফতার করল র‍্যাব।

‎লাখাইয়ে লুটপাট মামলা সত্ত্বেও হামলা অব্যাহত, বিচার চেয়ে প্রশাসনের দ্বারস্থ বাদী

একটি সাজানো বসতঘরের টিন সহ সব কিছু খুলে নেয় প্রতিপক্ষের লোকজন।




‎হবিগঞ্জের লাখাই উপজেলার জিরুন্ডা গ্রামে একটি হত্যাকাণ্ডকে কেন্দ্র করে সৃষ্ট উত্তেজনা এখনও থামেনি। সম্প্রতি, মামলার তদন্ত চলাকালীন সময়েও প্রতিপক্ষের ক্রমাগত হামলা, ভাঙচুর ও লুটপাটের শিকার হচ্ছেন ভুক্তভোগী পরিবার। সর্বশেষ, গত ১৫ জুন আব্দুল জলিল নামে এক ব্যক্তির বাড়িতে ব্যাপক হামলা ও লুটপাটের ঘটনা ঘটেছে।


‎এই ঘটনায় ভুক্তভোগী আব্দুল জলিল দ্রুত বিচার ট্রাইব্যুনাল আদালত, হবিগঞ্জে একটি মামলা দায়ের করেছেন। মামলায় তিনি জিয়াদ আলী, সোহেল মিয়া, জুয়েল মিয়া, আসাব উদ্দিন, আব্দুল হাকিম, সোহেল মিয়া, চান মিয়া, রাজু মিয়া, নুর আহমেদ, মোস্তাক মিয়া-সহ আরও পাঁচজন অজ্ঞাতনামা ব্যক্তিকে আসামি করেছেন।

এই ঘরটি এখন কেবলই স্মৃতি। দূর্বৃত্তরা টিনের ঘরটির সব কিছু খুলে নিয়ে যায়।


‎আব্দুল জলিল অভিযোগ করেন, মামলা দায়ের করার পরও আসামিরা তাদের ওপর হামলা ও লুটপাট চালিয়ে যাচ্ছে। তিনি বলেন, “তারা আমার বাড়ি থেকে প্রায় ৫ লাখ টাকার জিনিসপত্র লুট করে নিয়ে গেছে এবং এখন ঘরের খুঁটিগুলোও খুলে নিচ্ছে।” এছাড়া, তাকে নিয়মিত মামলা তুলে নেওয়ার জন্য হুমকি দেওয়া হচ্ছে বলেও তিনি জানান।


‎আব্দুল জলিল তার পরিবারের নিরাপত্তা নিয়ে চরম উদ্বেগ প্রকাশ করেছেন। তিনি বলেন, “আমি মামলার সঠিক তদন্ত এবং প্রশাসনের কাছে দ্রুত হস্তক্ষেপ কামনা করছি, যাতে আমি ন্যায়বিচার পাই এবং আমার পরিবার নিরাপদে থাকতে পারে।”

‎এই ধরনের ঘটনা স্থানীয়দের মধ্যে আতঙ্ক সৃষ্টি করেছে এবং এলাকার আইনশৃঙ্খলা পরিস্থিতি অবনতি ঘটাচ্ছে বলে এলাকাবাসী মনে করছেন। তারা দ্রুত এই সমস্যার সমাধান চান।


‎এ বিষয়ে লাখাই থানার ভারপ্রাপ্ত কর্মকর্তা (ওসি) বন্দে আলী জানান, এই ঘটনা সম্পর্কে তিনি অবগত নন। তবে তিনি বলেন, “যদি এমন কোনো ঘটনা ঘটে থাকে এবং অভিযোগের কপি পাওয়া যায়, তাহলে যাচাই-বাছাই করে প্রয়োজনীয় ব্যবস্থা নেওয়া হবে।”

ট্যাগস :
আপলোডকারীর তথ্য

জনপ্রিয় সংবাদ

নিখোঁজের ১২ ঘণ্টা পর হাওর থেকে সাবেক পুলিশ সদস্যের মরদেহ উদ্ধার

‎লাখাইয়ে লুটপাট মামলা সত্ত্বেও হামলা অব্যাহত, বিচার চেয়ে প্রশাসনের দ্বারস্থ বাদী

সময় ১০:১৫:৪৭ অপরাহ্ন, মঙ্গলবার, ৯ সেপ্টেম্বর ২০২৫
একটি সাজানো বসতঘরের টিন সহ সব কিছু খুলে নেয় প্রতিপক্ষের লোকজন।




‎হবিগঞ্জের লাখাই উপজেলার জিরুন্ডা গ্রামে একটি হত্যাকাণ্ডকে কেন্দ্র করে সৃষ্ট উত্তেজনা এখনও থামেনি। সম্প্রতি, মামলার তদন্ত চলাকালীন সময়েও প্রতিপক্ষের ক্রমাগত হামলা, ভাঙচুর ও লুটপাটের শিকার হচ্ছেন ভুক্তভোগী পরিবার। সর্বশেষ, গত ১৫ জুন আব্দুল জলিল নামে এক ব্যক্তির বাড়িতে ব্যাপক হামলা ও লুটপাটের ঘটনা ঘটেছে।


‎এই ঘটনায় ভুক্তভোগী আব্দুল জলিল দ্রুত বিচার ট্রাইব্যুনাল আদালত, হবিগঞ্জে একটি মামলা দায়ের করেছেন। মামলায় তিনি জিয়াদ আলী, সোহেল মিয়া, জুয়েল মিয়া, আসাব উদ্দিন, আব্দুল হাকিম, সোহেল মিয়া, চান মিয়া, রাজু মিয়া, নুর আহমেদ, মোস্তাক মিয়া-সহ আরও পাঁচজন অজ্ঞাতনামা ব্যক্তিকে আসামি করেছেন।

এই ঘরটি এখন কেবলই স্মৃতি। দূর্বৃত্তরা টিনের ঘরটির সব কিছু খুলে নিয়ে যায়।


‎আব্দুল জলিল অভিযোগ করেন, মামলা দায়ের করার পরও আসামিরা তাদের ওপর হামলা ও লুটপাট চালিয়ে যাচ্ছে। তিনি বলেন, “তারা আমার বাড়ি থেকে প্রায় ৫ লাখ টাকার জিনিসপত্র লুট করে নিয়ে গেছে এবং এখন ঘরের খুঁটিগুলোও খুলে নিচ্ছে।” এছাড়া, তাকে নিয়মিত মামলা তুলে নেওয়ার জন্য হুমকি দেওয়া হচ্ছে বলেও তিনি জানান।


‎আব্দুল জলিল তার পরিবারের নিরাপত্তা নিয়ে চরম উদ্বেগ প্রকাশ করেছেন। তিনি বলেন, “আমি মামলার সঠিক তদন্ত এবং প্রশাসনের কাছে দ্রুত হস্তক্ষেপ কামনা করছি, যাতে আমি ন্যায়বিচার পাই এবং আমার পরিবার নিরাপদে থাকতে পারে।”

‎এই ধরনের ঘটনা স্থানীয়দের মধ্যে আতঙ্ক সৃষ্টি করেছে এবং এলাকার আইনশৃঙ্খলা পরিস্থিতি অবনতি ঘটাচ্ছে বলে এলাকাবাসী মনে করছেন। তারা দ্রুত এই সমস্যার সমাধান চান।


‎এ বিষয়ে লাখাই থানার ভারপ্রাপ্ত কর্মকর্তা (ওসি) বন্দে আলী জানান, এই ঘটনা সম্পর্কে তিনি অবগত নন। তবে তিনি বলেন, “যদি এমন কোনো ঘটনা ঘটে থাকে এবং অভিযোগের কপি পাওয়া যায়, তাহলে যাচাই-বাছাই করে প্রয়োজনীয় ব্যবস্থা নেওয়া হবে।”