সিলেট ০৬:৩২ অপরাহ্ন, শনিবার, ১৩ জুন ২০২৬
News Title :
বানিয়াচংয়ে জমকালো আয়োজনে স্টার্টআপ, সায়েন্স প্রজেক্ট ও ইনোভেশন শোকেসিং প্রোগ্রাম অনুষ্ঠিত‎ ‎ক্লুলেস সংঘবদ্ধ ধর্ষণ মামলার রহস্য উদঘাটন, দুই আসামি গ্রেফতার ‎নবীগঞ্জের একমাত্র আসামি তুহিন সিলেট থেকে গ্রেফতার ‎লাখাইয়ে কর্মকর্তা সাংবাদিক  মুক্তিযোদ্ধা সহ সুশীল সমাজের সাথে মতবিনিময় করেন জেলা প্রশাসক। ‎জামালপুরের দিগপাইতে ব্যবসায়ীর ঝুলন্ত মরদেহ উদ্ধার: হত্যা নাকি আত্মহত্যা এ নিয়ে রহস্য!‎ ‎জামালপুরে গ্রাম আদালত সম্পর্কে জনসচেতনতা বৃদ্ধিতে  পরিকল্পনা প্রণয়ন বিষয়ক কর্মশালা  ২৪ ঘণ্টার মধ্যেই রামু থেকে নিখোঁজ কলেজছাত্রী টাঙ্গাইলে উদ্ধার চুনারুঘাটে মাদকবিরোধী যৌথ অভিযান: নারীকে ৬ মাসের কারাদণ্ড, জরিমানা ‎সখিপুর পৌরসভায় ৩নং ওয়ার্ডে টানা বিদ্যুৎ বিপর্যয়: চরম ভোগান্তিতে হাজারো মানুষ জামালপুর সদর উপজেলা নির্বাহী অফিসারের মাঠ পর্যায়ের কৃষি উন্নয়নমূলক ও মানবিক কার্যক্রম পরিদর্শন

‎দাড়ি রাখা প্রসঙ্গে হবিগঞ্জ পুলিশ সুপারের অবস্থান স্পষ্ট করেছেন।‎

শহরের বিভিন্ন মসজিদের ইমাম ও খতিবদের সঙ্গে কথা বলেন পুলিশ সুপার।



‎হবিগঞ্জ জেলা পুলিশ সুপার কার্যালয়ের কনফারেন্স হলে আজ সোমবার (২৫ আগস্ট) দুপুর ১১টায় এক সংবাদ সম্মেলনে হবিগঞ্জের পুলিশ সুপার (এসপি) দাড়ি রাখা নিয়ে চলমান বিতর্কের বিষয়ে তার অবস্থান স্পষ্ট করেছেন। এ সময় তিনি শহরের বিভিন্ন মসজিদের ইমাম ও খতিবদের সঙ্গে কথা বলেন।

পুলিশ সুপার জানান, তিনি নিজে একজন ধার্মিক মুসলিম এবং দাড়ি রাখেন। তার অধীনস্থ অনেক কর্মকর্তা দাড়ি রেখেছেন এবং মহিলা কর্মকর্তারা হিজাবও পালন করেন। এর আগে যারা দাড়ি রাখা বা হিজাব পরার অনুমতি চেয়েছেন, তিনি তাদের অনুমতি দিয়েছেন। সম্প্রতি আরও তিনজন কর্মকর্তা দাড়ি রাখার অনুমতি চাইলে তিনি তা মঞ্জুর করেন।

তিনি জোর দিয়ে বলেন যে, ওই তিনজনকে দাড়ি রাখার জন্য কোনো শাস্তি দেওয়া হয়নি। তাদের হালকা শাস্তি দেওয়া হয়েছে মূলত ডিপার্টমেন্টের নিয়মশৃঙ্খলা ভঙ্গের কারণে, যা দাড়ি রাখার আবেদনের সঙ্গে সম্পর্কিত নয়। তিনি উপস্থিত ইমাম ও খতিবদের সামনে এই অনুমোদনের ডকুমেন্টগুলো পেশ করেন এবং আবেদনকারী তিন কর্মকর্তাকেও হাজির করেন। কর্মকর্তারা নিজেরাই স্বীকার করেন যে,তাদের শাস্তি দাড়ি রাখার জন্য নয়, বরং নিয়ম ভঙ্গের জন্য হয়েছে।
‎পুলিশ সুপার বলেন, ডিপার্টমেন্টের অভ্যন্তরীণ কাগজপত্র জনসম্মুখে প্রকাশ করে কিছু লোক তার বিরুদ্ধে প্রোপাগান্ডা চালাচ্ছে এবং সমাজে বিশৃঙ্খলা সৃষ্টির চেষ্টা করছে।

তিনি ইমাম, খতিব এবং রাজনীতিবিদদের প্রতি অনুরোধ জানান, যাতে এই ঘটনাকে কেন্দ্র করে সমাজে কোনো ভুল বার্তা বা বিশৃঙ্খলা সৃষ্টি না হয়। তিনি সবাইকে সঠিক তথ্য তুলে ধরার জন্য আহ্বান জানান।

ট্যাগস :
আপলোডকারীর তথ্য

জনপ্রিয় সংবাদ

বানিয়াচংয়ে জমকালো আয়োজনে স্টার্টআপ, সায়েন্স প্রজেক্ট ও ইনোভেশন শোকেসিং প্রোগ্রাম অনুষ্ঠিত‎

‎দাড়ি রাখা প্রসঙ্গে হবিগঞ্জ পুলিশ সুপারের অবস্থান স্পষ্ট করেছেন।‎

সময় ০৯:২৮:২৮ অপরাহ্ন, সোমবার, ২৫ অগাস্ট ২০২৫
শহরের বিভিন্ন মসজিদের ইমাম ও খতিবদের সঙ্গে কথা বলেন পুলিশ সুপার।



‎হবিগঞ্জ জেলা পুলিশ সুপার কার্যালয়ের কনফারেন্স হলে আজ সোমবার (২৫ আগস্ট) দুপুর ১১টায় এক সংবাদ সম্মেলনে হবিগঞ্জের পুলিশ সুপার (এসপি) দাড়ি রাখা নিয়ে চলমান বিতর্কের বিষয়ে তার অবস্থান স্পষ্ট করেছেন। এ সময় তিনি শহরের বিভিন্ন মসজিদের ইমাম ও খতিবদের সঙ্গে কথা বলেন।

পুলিশ সুপার জানান, তিনি নিজে একজন ধার্মিক মুসলিম এবং দাড়ি রাখেন। তার অধীনস্থ অনেক কর্মকর্তা দাড়ি রেখেছেন এবং মহিলা কর্মকর্তারা হিজাবও পালন করেন। এর আগে যারা দাড়ি রাখা বা হিজাব পরার অনুমতি চেয়েছেন, তিনি তাদের অনুমতি দিয়েছেন। সম্প্রতি আরও তিনজন কর্মকর্তা দাড়ি রাখার অনুমতি চাইলে তিনি তা মঞ্জুর করেন।

তিনি জোর দিয়ে বলেন যে, ওই তিনজনকে দাড়ি রাখার জন্য কোনো শাস্তি দেওয়া হয়নি। তাদের হালকা শাস্তি দেওয়া হয়েছে মূলত ডিপার্টমেন্টের নিয়মশৃঙ্খলা ভঙ্গের কারণে, যা দাড়ি রাখার আবেদনের সঙ্গে সম্পর্কিত নয়। তিনি উপস্থিত ইমাম ও খতিবদের সামনে এই অনুমোদনের ডকুমেন্টগুলো পেশ করেন এবং আবেদনকারী তিন কর্মকর্তাকেও হাজির করেন। কর্মকর্তারা নিজেরাই স্বীকার করেন যে,তাদের শাস্তি দাড়ি রাখার জন্য নয়, বরং নিয়ম ভঙ্গের জন্য হয়েছে।
‎পুলিশ সুপার বলেন, ডিপার্টমেন্টের অভ্যন্তরীণ কাগজপত্র জনসম্মুখে প্রকাশ করে কিছু লোক তার বিরুদ্ধে প্রোপাগান্ডা চালাচ্ছে এবং সমাজে বিশৃঙ্খলা সৃষ্টির চেষ্টা করছে।

তিনি ইমাম, খতিব এবং রাজনীতিবিদদের প্রতি অনুরোধ জানান, যাতে এই ঘটনাকে কেন্দ্র করে সমাজে কোনো ভুল বার্তা বা বিশৃঙ্খলা সৃষ্টি না হয়। তিনি সবাইকে সঠিক তথ্য তুলে ধরার জন্য আহ্বান জানান।