সিলেট ০৮:৩৩ অপরাহ্ন, মঙ্গলবার, ০১ সেপ্টেম্বর ২০২৬
News Title :
‎জৈন্তাপুর সীমান্তে ওয়াচ টাওয়ারে বিজিবি সদস্যের ঝুলন্ত মরদেহ উদ্ধার ‎জামালপুরে বর্ণাঢ্য র‍্যালি ও আলোচনা সভার মাধ্যমে বিএনপির ৪৮ তম প্রতিষ্ঠাবার্ষিকী পালিত লাখাইয়ে নতুন ইউএনও তারেক হাসান, এর যোগদান ‎বিএনপির ৪৮তম প্রতিষ্ঠাবার্ষিকী উপলক্ষে বানিয়াচংয়ে বর্ণাঢ্য র‌্যালী। ইয়াবা সেবনের দায়ে বাহুবলে এক ব্যক্তির ৬ মাসের কারাদণ্ড ‎স্পেনে বাইসাইকেল গ্যারেজে ভয়াবহ অগ্নিকাণ্ডে এক বাংলাদেশীর তরুণে মৃত্যু বানিয়াচং জনাব আলী সরকারি কলেজের সহকারী অধ্যাপক অনুপ রায় এর অবসরজনিত বিদায় সংবর্ধনা ‎মাধ্যমিক শিক্ষক সমিতি আনুষ্ঠানিক কার্যক্রম শুরু: বানিয়াচংয়ের বিদায়ী ইউএনও কে সংবর্ধনা প্রদান। ‎গোয়াইনঘাটে নজরুল বিষয়ক জাতীয় সাংস্কৃতিক প্রতিযোগিতার উদ্বোধন হবিগঞ্জে সংরক্ষিত বন থেকে বাঁশ পাচার, মিনি ট্রাক জব্দ

‎লাখাইর ভাদিকারা সড়কে সরকারি জমি দখল করে অবৈধ স্থাপনা নির্মাণের অভিযোগ, প্রশাসনের নীরব ভূমিকা!

সরকারী জায়গায় স্থাপনা তৈরির অভিযোগ।

হবিগঞ্জের লাখাই উপজেলার ভাদিকারা সড়কের কালাউক বাজার থেকে ভাদিকারা যাওয়ার রাস্তার মুখে সরকারি জমি দখল করে নতুন টিনশেড ঘর নির্মাণের অভিযোগ উঠেছে। সরেজমিনে গিয়ে দেখা যায়, ভাদিকারা গ্রামের বাচ্চু মিয়া ও তার স্ত্রী সমরাজ বেগম এই ঘরটি নির্মাণ করছেন।
‎জানা গেছে, শুধু এই একটি ঘরই নয়, এর আশেপাশে আরও বেশ কিছু সরকারি জায়গা দখল করে টিনশেড ঘর নির্মাণ করে অনেকে ব্যবসা চালিয়ে যাচ্ছেন। স্থানীয়দের অভিযোগ, প্রশাসনের নাকের ডগায় এমন অবৈধ দখল চললেও কোনো নজরদারি নেই। অদৃশ্য কারণে এসব স্থাপনা দেখেও না দেখার ভান করা হচ্ছে।
‎হবিগঞ্জ-লাখাই সড়কের বেকিটেকা ব্রিজ থেকে বামৈ তিনপুল পর্যন্ত রোডস অ্যান্ড হাইওয়ের অনেক জায়গা প্রভাবশালী মহল ও ভূমি খেকোরা অবৈধভাবে দখল করে বিভিন্ন পাকা ও টিনশেড স্থাপনা তৈরি করেছে। ওয়ান-ইলেভেনের সময় এসব স্থাপনা ভেঙে ফেলা হলেও, সেগুলো আবারও গড়ে উঠেছে।
‎জনদুর্ভোগ ও পরিবেশের ক্ষতি
‎ভাদিকারা যাওয়ার রাস্তার পাশে এই অবৈধ স্থাপনাগুলোর কারণে রিকশা, অটোরিকশা, টমটমসহ বিভিন্ন যানবাহনের জট লেগে থাকে, যা নিত্যদিনের যানজটের কারণ। স্কুল-কলেজের শিক্ষার্থীসহ সাধারণ মানুষ এর ফলে চরম ভোগান্তির শিকার হচ্ছেন।
‎এছাড়াও, এই স্থাপনাগুলো খালের উপরে নির্মাণ করার ফলে বৃষ্টি-বাদলের সময় পয়ঃনিষ্কাশনে চরম অসুবিধা হয়, যার ফলে উজানের দিকে জলাবদ্ধতা সৃষ্টি হয়।
‎এ বিষয়ে সমরাজ বেগম জানান, উপজেলা চেয়ারম্যান তাদের এখানে ব্যবসা করার অনুমতি দিয়েছিলেন এবং উপজেলা প্রশাসনের পক্ষ থেকেও চা বিক্রির জন্য কিছু সরঞ্জাম দেওয়া হয়েছিল। তিনি বলেন, “আমি আমার পরিবার, স্বামী-সংসার নিয়ে কোনোমতে এখানে বসে ব্যবসা করে জীবিকা নির্বাহ করছি।”
‎উপজেলা নির্বাহী কর্মকর্তা অনুপ কুমার দাস অনুপের সাথে যোগাযোগ করা হলে তিনি বলেন, “আমি সরেজমিনে গিয়ে দেখে ব্যবস্থা নেব। সরকারি জায়গা যদি হয়ে থাকে, তাহলে ভেঙে ফেলা হবে।”

ট্যাগস :
আপলোডকারীর তথ্য

‎জৈন্তাপুর সীমান্তে ওয়াচ টাওয়ারে বিজিবি সদস্যের ঝুলন্ত মরদেহ উদ্ধার

‎লাখাইর ভাদিকারা সড়কে সরকারি জমি দখল করে অবৈধ স্থাপনা নির্মাণের অভিযোগ, প্রশাসনের নীরব ভূমিকা!

সময় ০১:১২:২৮ অপরাহ্ন, শনিবার, ২৬ জুলাই ২০২৫

সরকারী জায়গায় স্থাপনা তৈরির অভিযোগ।

হবিগঞ্জের লাখাই উপজেলার ভাদিকারা সড়কের কালাউক বাজার থেকে ভাদিকারা যাওয়ার রাস্তার মুখে সরকারি জমি দখল করে নতুন টিনশেড ঘর নির্মাণের অভিযোগ উঠেছে। সরেজমিনে গিয়ে দেখা যায়, ভাদিকারা গ্রামের বাচ্চু মিয়া ও তার স্ত্রী সমরাজ বেগম এই ঘরটি নির্মাণ করছেন।
‎জানা গেছে, শুধু এই একটি ঘরই নয়, এর আশেপাশে আরও বেশ কিছু সরকারি জায়গা দখল করে টিনশেড ঘর নির্মাণ করে অনেকে ব্যবসা চালিয়ে যাচ্ছেন। স্থানীয়দের অভিযোগ, প্রশাসনের নাকের ডগায় এমন অবৈধ দখল চললেও কোনো নজরদারি নেই। অদৃশ্য কারণে এসব স্থাপনা দেখেও না দেখার ভান করা হচ্ছে।
‎হবিগঞ্জ-লাখাই সড়কের বেকিটেকা ব্রিজ থেকে বামৈ তিনপুল পর্যন্ত রোডস অ্যান্ড হাইওয়ের অনেক জায়গা প্রভাবশালী মহল ও ভূমি খেকোরা অবৈধভাবে দখল করে বিভিন্ন পাকা ও টিনশেড স্থাপনা তৈরি করেছে। ওয়ান-ইলেভেনের সময় এসব স্থাপনা ভেঙে ফেলা হলেও, সেগুলো আবারও গড়ে উঠেছে।
‎জনদুর্ভোগ ও পরিবেশের ক্ষতি
‎ভাদিকারা যাওয়ার রাস্তার পাশে এই অবৈধ স্থাপনাগুলোর কারণে রিকশা, অটোরিকশা, টমটমসহ বিভিন্ন যানবাহনের জট লেগে থাকে, যা নিত্যদিনের যানজটের কারণ। স্কুল-কলেজের শিক্ষার্থীসহ সাধারণ মানুষ এর ফলে চরম ভোগান্তির শিকার হচ্ছেন।
‎এছাড়াও, এই স্থাপনাগুলো খালের উপরে নির্মাণ করার ফলে বৃষ্টি-বাদলের সময় পয়ঃনিষ্কাশনে চরম অসুবিধা হয়, যার ফলে উজানের দিকে জলাবদ্ধতা সৃষ্টি হয়।
‎এ বিষয়ে সমরাজ বেগম জানান, উপজেলা চেয়ারম্যান তাদের এখানে ব্যবসা করার অনুমতি দিয়েছিলেন এবং উপজেলা প্রশাসনের পক্ষ থেকেও চা বিক্রির জন্য কিছু সরঞ্জাম দেওয়া হয়েছিল। তিনি বলেন, “আমি আমার পরিবার, স্বামী-সংসার নিয়ে কোনোমতে এখানে বসে ব্যবসা করে জীবিকা নির্বাহ করছি।”
‎উপজেলা নির্বাহী কর্মকর্তা অনুপ কুমার দাস অনুপের সাথে যোগাযোগ করা হলে তিনি বলেন, “আমি সরেজমিনে গিয়ে দেখে ব্যবস্থা নেব। সরকারি জায়গা যদি হয়ে থাকে, তাহলে ভেঙে ফেলা হবে।”