সিলেট ০২:০২ অপরাহ্ন, বুধবার, ০৩ জুন ২০২৬
News Title :
‎মাধবপুরে সালিশ বৈঠকে ভিডিও ধারণ নিয়ে  সংঘর্ষ, আহত ৩০ বানিয়াচং মডেল প্রেসক্লাবের ঈদ পুনর্মিলনী অনুষ্ঠিত ‎কালের কণ্ঠে যোগ দিলেন সাংবাদিক আবু বকর সিদ্দিক চৌধুরী রাষ্ট্রীয় সম্মানে বীর মুক্তিযোদ্ধা আব্দুল মতিনের জানাজা ও দাফন সম্পন্ন ‎চুনারুঘাটে অবৈধ সিলিকা বালু উত্তোলনের বিরুদ্ধে অভিযান ‎মাধবপুরে অবৈধ বালু ও মাটি উত্তোলনের বিরুদ্ধে অভিযান, ড্রেজার ও পাইপ ধ্বংস ‎ভোরের নীরবতা ভেঙে পুলিশের অভিযান, ৭.৫ কেজি গাঁজাসহ আটক মাদক কারবারি ‎হবিগঞ্জ প্রেসক্লাবে ‘আমার আব্বা’ গ্রন্থের প্রকাশনা অনুষ্ঠান অনুষ্ঠিত বানিয়াচং সাহিত্য পরিষদ পুনর্গঠন: সভাপতি জসিম, সম্পাদক শাহাব ‎মাধবপুরে পানির ফিল্টারে লুকিয়ে পাচারের সময় ১৯২ কেজি গাঁজাসহ কারবারি গ্রেপ্তার

‎লাখাইর ভাদিকারা সড়কে সরকারি জমি দখল করে অবৈধ স্থাপনা নির্মাণের অভিযোগ, প্রশাসনের নীরব ভূমিকা!

সরকারী জায়গায় স্থাপনা তৈরির অভিযোগ।

হবিগঞ্জের লাখাই উপজেলার ভাদিকারা সড়কের কালাউক বাজার থেকে ভাদিকারা যাওয়ার রাস্তার মুখে সরকারি জমি দখল করে নতুন টিনশেড ঘর নির্মাণের অভিযোগ উঠেছে। সরেজমিনে গিয়ে দেখা যায়, ভাদিকারা গ্রামের বাচ্চু মিয়া ও তার স্ত্রী সমরাজ বেগম এই ঘরটি নির্মাণ করছেন।
‎জানা গেছে, শুধু এই একটি ঘরই নয়, এর আশেপাশে আরও বেশ কিছু সরকারি জায়গা দখল করে টিনশেড ঘর নির্মাণ করে অনেকে ব্যবসা চালিয়ে যাচ্ছেন। স্থানীয়দের অভিযোগ, প্রশাসনের নাকের ডগায় এমন অবৈধ দখল চললেও কোনো নজরদারি নেই। অদৃশ্য কারণে এসব স্থাপনা দেখেও না দেখার ভান করা হচ্ছে।
‎হবিগঞ্জ-লাখাই সড়কের বেকিটেকা ব্রিজ থেকে বামৈ তিনপুল পর্যন্ত রোডস অ্যান্ড হাইওয়ের অনেক জায়গা প্রভাবশালী মহল ও ভূমি খেকোরা অবৈধভাবে দখল করে বিভিন্ন পাকা ও টিনশেড স্থাপনা তৈরি করেছে। ওয়ান-ইলেভেনের সময় এসব স্থাপনা ভেঙে ফেলা হলেও, সেগুলো আবারও গড়ে উঠেছে।
‎জনদুর্ভোগ ও পরিবেশের ক্ষতি
‎ভাদিকারা যাওয়ার রাস্তার পাশে এই অবৈধ স্থাপনাগুলোর কারণে রিকশা, অটোরিকশা, টমটমসহ বিভিন্ন যানবাহনের জট লেগে থাকে, যা নিত্যদিনের যানজটের কারণ। স্কুল-কলেজের শিক্ষার্থীসহ সাধারণ মানুষ এর ফলে চরম ভোগান্তির শিকার হচ্ছেন।
‎এছাড়াও, এই স্থাপনাগুলো খালের উপরে নির্মাণ করার ফলে বৃষ্টি-বাদলের সময় পয়ঃনিষ্কাশনে চরম অসুবিধা হয়, যার ফলে উজানের দিকে জলাবদ্ধতা সৃষ্টি হয়।
‎এ বিষয়ে সমরাজ বেগম জানান, উপজেলা চেয়ারম্যান তাদের এখানে ব্যবসা করার অনুমতি দিয়েছিলেন এবং উপজেলা প্রশাসনের পক্ষ থেকেও চা বিক্রির জন্য কিছু সরঞ্জাম দেওয়া হয়েছিল। তিনি বলেন, “আমি আমার পরিবার, স্বামী-সংসার নিয়ে কোনোমতে এখানে বসে ব্যবসা করে জীবিকা নির্বাহ করছি।”
‎উপজেলা নির্বাহী কর্মকর্তা অনুপ কুমার দাস অনুপের সাথে যোগাযোগ করা হলে তিনি বলেন, “আমি সরেজমিনে গিয়ে দেখে ব্যবস্থা নেব। সরকারি জায়গা যদি হয়ে থাকে, তাহলে ভেঙে ফেলা হবে।”

ট্যাগস :
আপলোডকারীর তথ্য

জনপ্রিয় সংবাদ

‎মাধবপুরে সালিশ বৈঠকে ভিডিও ধারণ নিয়ে  সংঘর্ষ, আহত ৩০

‎লাখাইর ভাদিকারা সড়কে সরকারি জমি দখল করে অবৈধ স্থাপনা নির্মাণের অভিযোগ, প্রশাসনের নীরব ভূমিকা!

সময় ০১:১২:২৮ অপরাহ্ন, শনিবার, ২৬ জুলাই ২০২৫

সরকারী জায়গায় স্থাপনা তৈরির অভিযোগ।

হবিগঞ্জের লাখাই উপজেলার ভাদিকারা সড়কের কালাউক বাজার থেকে ভাদিকারা যাওয়ার রাস্তার মুখে সরকারি জমি দখল করে নতুন টিনশেড ঘর নির্মাণের অভিযোগ উঠেছে। সরেজমিনে গিয়ে দেখা যায়, ভাদিকারা গ্রামের বাচ্চু মিয়া ও তার স্ত্রী সমরাজ বেগম এই ঘরটি নির্মাণ করছেন।
‎জানা গেছে, শুধু এই একটি ঘরই নয়, এর আশেপাশে আরও বেশ কিছু সরকারি জায়গা দখল করে টিনশেড ঘর নির্মাণ করে অনেকে ব্যবসা চালিয়ে যাচ্ছেন। স্থানীয়দের অভিযোগ, প্রশাসনের নাকের ডগায় এমন অবৈধ দখল চললেও কোনো নজরদারি নেই। অদৃশ্য কারণে এসব স্থাপনা দেখেও না দেখার ভান করা হচ্ছে।
‎হবিগঞ্জ-লাখাই সড়কের বেকিটেকা ব্রিজ থেকে বামৈ তিনপুল পর্যন্ত রোডস অ্যান্ড হাইওয়ের অনেক জায়গা প্রভাবশালী মহল ও ভূমি খেকোরা অবৈধভাবে দখল করে বিভিন্ন পাকা ও টিনশেড স্থাপনা তৈরি করেছে। ওয়ান-ইলেভেনের সময় এসব স্থাপনা ভেঙে ফেলা হলেও, সেগুলো আবারও গড়ে উঠেছে।
‎জনদুর্ভোগ ও পরিবেশের ক্ষতি
‎ভাদিকারা যাওয়ার রাস্তার পাশে এই অবৈধ স্থাপনাগুলোর কারণে রিকশা, অটোরিকশা, টমটমসহ বিভিন্ন যানবাহনের জট লেগে থাকে, যা নিত্যদিনের যানজটের কারণ। স্কুল-কলেজের শিক্ষার্থীসহ সাধারণ মানুষ এর ফলে চরম ভোগান্তির শিকার হচ্ছেন।
‎এছাড়াও, এই স্থাপনাগুলো খালের উপরে নির্মাণ করার ফলে বৃষ্টি-বাদলের সময় পয়ঃনিষ্কাশনে চরম অসুবিধা হয়, যার ফলে উজানের দিকে জলাবদ্ধতা সৃষ্টি হয়।
‎এ বিষয়ে সমরাজ বেগম জানান, উপজেলা চেয়ারম্যান তাদের এখানে ব্যবসা করার অনুমতি দিয়েছিলেন এবং উপজেলা প্রশাসনের পক্ষ থেকেও চা বিক্রির জন্য কিছু সরঞ্জাম দেওয়া হয়েছিল। তিনি বলেন, “আমি আমার পরিবার, স্বামী-সংসার নিয়ে কোনোমতে এখানে বসে ব্যবসা করে জীবিকা নির্বাহ করছি।”
‎উপজেলা নির্বাহী কর্মকর্তা অনুপ কুমার দাস অনুপের সাথে যোগাযোগ করা হলে তিনি বলেন, “আমি সরেজমিনে গিয়ে দেখে ব্যবস্থা নেব। সরকারি জায়গা যদি হয়ে থাকে, তাহলে ভেঙে ফেলা হবে।”