সিলেট ০৬:০০ পূর্বাহ্ন, শনিবার, ১৭ অক্টোবর ২০২৬
News Title :
লাখাই মুড়িয়াউক ইউনিয়ন নির্বাচনকে সামনে রেখে জমে উঠেছে প্রচার-প্রচারণা ‎সিলেটে বাস টমটম সংঘর্ষে মা-মেয়ে নিহতের ঘটনায় ঘাতক বাস চালক গ্রেপ্তার কুলাউড়ায় নতুন আঙ্গিকে গোবিন্দাস রেস্টুরেন্ট, সাশ্রয়ী মূল্যে মিলবে তিন বেলার খাবার নিউইয়র্ক পুলিশ কর্মকর্তা জুয়েল মাহবুবের সঙ্গে স্রোত সাহিত্য পর্ষদের শুভেচ্ছা বিনিময় ‎হবিগঞ্জে পূজামণ্ডপের নিরাপত্তায় ১২ প্লাটুন বিজিবি মোতায়েন ‎লাখাইয়ে শান্তিপূর্ণ, নির্বিঘ্নে দুর্গাপূজাঁ‎ উদযাপনের লক্ষ্যে মতবিনিময় সভা অনুষ্ঠিত।    ঢাকা-সিলেট মহাসড়কে অলিপুরে ট্রাকের ধাক্কায় মোটরসাইকেল আরোহী মৃত্যু হবিগঞ্জ কারাগারে মাদক মামলার এক বন্দির মৃত্যু ‎লাখাইয়ে পুলিশের উদ্যোগে মাদক ও অপরাধবিরোধী উঠান বৈঠক অনুষ্ঠিত শান্তিগঞ্জে প্রধান শিক্ষক সমিতির ত্রি-বার্ষিক সম্মেলনে সভাপতি মানিক,সম্পাদক সুধা রঞ্জন

‎লাখাইর ভাদিকারা সড়কে সরকারি জমি দখল করে অবৈধ স্থাপনা নির্মাণের অভিযোগ, প্রশাসনের নীরব ভূমিকা!

সরকারী জায়গায় স্থাপনা তৈরির অভিযোগ।

হবিগঞ্জের লাখাই উপজেলার ভাদিকারা সড়কের কালাউক বাজার থেকে ভাদিকারা যাওয়ার রাস্তার মুখে সরকারি জমি দখল করে নতুন টিনশেড ঘর নির্মাণের অভিযোগ উঠেছে। সরেজমিনে গিয়ে দেখা যায়, ভাদিকারা গ্রামের বাচ্চু মিয়া ও তার স্ত্রী সমরাজ বেগম এই ঘরটি নির্মাণ করছেন।
‎জানা গেছে, শুধু এই একটি ঘরই নয়, এর আশেপাশে আরও বেশ কিছু সরকারি জায়গা দখল করে টিনশেড ঘর নির্মাণ করে অনেকে ব্যবসা চালিয়ে যাচ্ছেন। স্থানীয়দের অভিযোগ, প্রশাসনের নাকের ডগায় এমন অবৈধ দখল চললেও কোনো নজরদারি নেই। অদৃশ্য কারণে এসব স্থাপনা দেখেও না দেখার ভান করা হচ্ছে।
‎হবিগঞ্জ-লাখাই সড়কের বেকিটেকা ব্রিজ থেকে বামৈ তিনপুল পর্যন্ত রোডস অ্যান্ড হাইওয়ের অনেক জায়গা প্রভাবশালী মহল ও ভূমি খেকোরা অবৈধভাবে দখল করে বিভিন্ন পাকা ও টিনশেড স্থাপনা তৈরি করেছে। ওয়ান-ইলেভেনের সময় এসব স্থাপনা ভেঙে ফেলা হলেও, সেগুলো আবারও গড়ে উঠেছে।
‎জনদুর্ভোগ ও পরিবেশের ক্ষতি
‎ভাদিকারা যাওয়ার রাস্তার পাশে এই অবৈধ স্থাপনাগুলোর কারণে রিকশা, অটোরিকশা, টমটমসহ বিভিন্ন যানবাহনের জট লেগে থাকে, যা নিত্যদিনের যানজটের কারণ। স্কুল-কলেজের শিক্ষার্থীসহ সাধারণ মানুষ এর ফলে চরম ভোগান্তির শিকার হচ্ছেন।
‎এছাড়াও, এই স্থাপনাগুলো খালের উপরে নির্মাণ করার ফলে বৃষ্টি-বাদলের সময় পয়ঃনিষ্কাশনে চরম অসুবিধা হয়, যার ফলে উজানের দিকে জলাবদ্ধতা সৃষ্টি হয়।
‎এ বিষয়ে সমরাজ বেগম জানান, উপজেলা চেয়ারম্যান তাদের এখানে ব্যবসা করার অনুমতি দিয়েছিলেন এবং উপজেলা প্রশাসনের পক্ষ থেকেও চা বিক্রির জন্য কিছু সরঞ্জাম দেওয়া হয়েছিল। তিনি বলেন, “আমি আমার পরিবার, স্বামী-সংসার নিয়ে কোনোমতে এখানে বসে ব্যবসা করে জীবিকা নির্বাহ করছি।”
‎উপজেলা নির্বাহী কর্মকর্তা অনুপ কুমার দাস অনুপের সাথে যোগাযোগ করা হলে তিনি বলেন, “আমি সরেজমিনে গিয়ে দেখে ব্যবস্থা নেব। সরকারি জায়গা যদি হয়ে থাকে, তাহলে ভেঙে ফেলা হবে।”
‎

ট্যাগস :
আপলোডকারীর তথ্য

জনপ্রিয় সংবাদ

লাখাই মুড়িয়াউক ইউনিয়ন নির্বাচনকে সামনে রেখে জমে উঠেছে প্রচার-প্রচারণা

‎লাখাইর ভাদিকারা সড়কে সরকারি জমি দখল করে অবৈধ স্থাপনা নির্মাণের অভিযোগ, প্রশাসনের নীরব ভূমিকা!

সময় ০১:১২:২৮ অপরাহ্ন, শনিবার, ২৬ জুলাই ২০২৫

সরকারী জায়গায় স্থাপনা তৈরির অভিযোগ।

হবিগঞ্জের লাখাই উপজেলার ভাদিকারা সড়কের কালাউক বাজার থেকে ভাদিকারা যাওয়ার রাস্তার মুখে সরকারি জমি দখল করে নতুন টিনশেড ঘর নির্মাণের অভিযোগ উঠেছে। সরেজমিনে গিয়ে দেখা যায়, ভাদিকারা গ্রামের বাচ্চু মিয়া ও তার স্ত্রী সমরাজ বেগম এই ঘরটি নির্মাণ করছেন।
‎জানা গেছে, শুধু এই একটি ঘরই নয়, এর আশেপাশে আরও বেশ কিছু সরকারি জায়গা দখল করে টিনশেড ঘর নির্মাণ করে অনেকে ব্যবসা চালিয়ে যাচ্ছেন। স্থানীয়দের অভিযোগ, প্রশাসনের নাকের ডগায় এমন অবৈধ দখল চললেও কোনো নজরদারি নেই। অদৃশ্য কারণে এসব স্থাপনা দেখেও না দেখার ভান করা হচ্ছে।
‎হবিগঞ্জ-লাখাই সড়কের বেকিটেকা ব্রিজ থেকে বামৈ তিনপুল পর্যন্ত রোডস অ্যান্ড হাইওয়ের অনেক জায়গা প্রভাবশালী মহল ও ভূমি খেকোরা অবৈধভাবে দখল করে বিভিন্ন পাকা ও টিনশেড স্থাপনা তৈরি করেছে। ওয়ান-ইলেভেনের সময় এসব স্থাপনা ভেঙে ফেলা হলেও, সেগুলো আবারও গড়ে উঠেছে।
‎জনদুর্ভোগ ও পরিবেশের ক্ষতি
‎ভাদিকারা যাওয়ার রাস্তার পাশে এই অবৈধ স্থাপনাগুলোর কারণে রিকশা, অটোরিকশা, টমটমসহ বিভিন্ন যানবাহনের জট লেগে থাকে, যা নিত্যদিনের যানজটের কারণ। স্কুল-কলেজের শিক্ষার্থীসহ সাধারণ মানুষ এর ফলে চরম ভোগান্তির শিকার হচ্ছেন।
‎এছাড়াও, এই স্থাপনাগুলো খালের উপরে নির্মাণ করার ফলে বৃষ্টি-বাদলের সময় পয়ঃনিষ্কাশনে চরম অসুবিধা হয়, যার ফলে উজানের দিকে জলাবদ্ধতা সৃষ্টি হয়।
‎এ বিষয়ে সমরাজ বেগম জানান, উপজেলা চেয়ারম্যান তাদের এখানে ব্যবসা করার অনুমতি দিয়েছিলেন এবং উপজেলা প্রশাসনের পক্ষ থেকেও চা বিক্রির জন্য কিছু সরঞ্জাম দেওয়া হয়েছিল। তিনি বলেন, “আমি আমার পরিবার, স্বামী-সংসার নিয়ে কোনোমতে এখানে বসে ব্যবসা করে জীবিকা নির্বাহ করছি।”
‎উপজেলা নির্বাহী কর্মকর্তা অনুপ কুমার দাস অনুপের সাথে যোগাযোগ করা হলে তিনি বলেন, “আমি সরেজমিনে গিয়ে দেখে ব্যবস্থা নেব। সরকারি জায়গা যদি হয়ে থাকে, তাহলে ভেঙে ফেলা হবে।”
‎