সিলেট ০৫:৪৫ পূর্বাহ্ন, শনিবার, ১৮ জুলাই ২০২৬
News Title :
‎আফগানিস্তানে জাতিসংঘের বিশেষ প্রতিনিধি হলেন মাধবপুরের রাবাব ফাতিমা ‎হবিগঞ্জে বন্যাদুর্গত চার শতাধিক মানুষের পাশে জেলা পুলিশ মেডিকেল ক্যাম্পে বিনামূল্যে চিকিৎসাসেবা‎ রুস্তম হত্যাকারীদের গ্রেফতারের দাবিতে মানববন্ধন ও বিক্ষোভ মিছিল, ১২ ঘণ্টার আল্টিমেটাম ‎লাখাইয়ে কৃষক স্মার্ট কার্ড বিতরণ শুরু ‎টাকার অভাবে থমকে গেছে উস্তার মিয়ার চিকিৎসা, পরিবার নিয়ে মানবতর জীবন যাপন হবিগঞ্জে ঘাস কাটতে গিয়ে সাপের কামড়ে যুবকের মৃত্যু সাবেক প্রয়াত মন্ত্রী সিরাজুল হোসেন খান শততম বর্ষে পদার্পণ আজ‎‎। জামালপুর অর্থনৈতিক অঞ্চলে বন্দি ‘পশ্চিমপাড়া গ্রাম’: পুনর্বাসনের জোর দাবি সচেতন মহলের ‎শান্তিগঞ্জে উচ্চ ফলনশীল আগাম জাতের আমন ধান চাষে কৃষকদের মৌলিক প্রশিক্ষণ সমাপ্ত শান্তিগঞ্জে জুলাই শহিদ দিবস উপলক্ষ্যে আলোচনা সভা

লাখাইয়ে নির্মাণাধীন ভবনে কাজ করতে গিয়ে যুবকের মৃত্যু, রহস্য ঘনীভূত

হবিগঞ্জের লাখাই উপজেলায় এক নির্মাণাধীন ভবনের ছাদ থেকে পড়ে আবিদুর রহমান (২০) নামের এক যুবকের মৃত্যু হয়েছে। এই ঘটনাটি ঘটেছে মঙ্গলবার (১৭ জুন) বিকেল ৩টার দিকে। আবিদুর আজমিরীগঞ্জ উপজেলার জলশুকা ইউনিয়নের গাজী মিয়ার ছেলে। তার এই আকস্মিক মৃত্যু স্থানীয়দের মধ্যে নানা প্রশ্নের জন্ম দিয়েছে।
সিংহ গ্রামে মৃত আমীর আলীর ছেলে জাহির উদ্দিন মাওলানার নির্মাণাধীন বাড়িতে কাজ করার সময় আবিদুরের এই মর্মান্তিক পরিণতি হয়। ঘটনার সময় বাড়ির মালিক জহির উদ্দিন মাওলানা সেখানে উপস্থিত ছিলেন না বলে জানা গেছে।
স্থানীয় বাসিন্দা ইনছাদ আলী জানান, বিকেলে বাজারে যাওয়ার পথে তিনি আবিদুরকে নির্মাণাধীন বাড়ির পাশে পড়ে থাকতে দেখেন। দ্রুত তাকে স্থানীয়দের সহায়তায় উদ্ধার করে হবিগঞ্জ সদর হাসপাতালে নেওয়া হয়। আবিদুরের সাথে কাজ করা রাজমিস্ত্রিরা তখন জানান, আবিদুর হয়তো ওপর থেকে পড়ে গেছেন। হাসপাতালে নেওয়ার পর কর্তব্যরত চিকিৎসক তাকে মৃত ঘোষণা করেন।
কয়েকজন প্রত্যক্ষদর্শী জানিয়েছেন, আবিদুর প্রায় ৭ ফুট উঁচু একটি দেয়ালের ওপর কাজ করছিলেন। সে সময় তার হাতে একটি কাঁচা বাঁশ ছিল এবং পাশেই বিদ্যুতের তার ছিল। তাদের ধারণা, বাঁশ থেকে বিদ্যুতের শর্ট সার্কিট হয়ে আবিদুরের মৃত্যু হয়েছে। তবে, অনেকেই আবার মনে করছেন তিনি স্ট্রোক করে মারা গেছেন।
স্থানীয় আরেক ব্যক্তি লিটন মোল্লা জানান, “আমরা হঠাৎ করে দেখি জহির উদ্দিন মাওলানার নির্মাণাধীন ঘরের নিচে আবিদুর রহমান পড়ে আছেন। অন্য মিস্ত্রিদের জিজ্ঞেস করলে তারা জানান, আবিদুর রহমান তাদের সঙ্গেই কাজ করছিলেন। কখন ওপর থেকে নিচে পড়লেন, তা তারা জানেন না। আমরা তাকে উদ্ধার করে হাসপাতালে নিয়ে গেলে কর্তব্যরত চিকিৎসক মৃত ঘোষণা করেন। আমার ধারণা, অসাবধানতাবশত কাজ করার ফলেই সে পড়ে গিয়ে মারা গেছে।”
আবিদুরের মৃত্যুর সঠিক কারণ এখনো নিশ্চিত হওয়া যায়নি। লাখাই থানার ভারপ্রাপ্ত কর্মকর্তা (ওসি) বন্দে আলীকে বিষয়টি জানানো হয়েছে। এই ঘটনার পেছনের রহস্য উন্মোচনে পুলিশ তদন্ত শুরু করেছে।

ট্যাগস :
আপলোডকারীর তথ্য

জনপ্রিয় সংবাদ

‎আফগানিস্তানে জাতিসংঘের বিশেষ প্রতিনিধি হলেন মাধবপুরের রাবাব ফাতিমা

লাখাইয়ে নির্মাণাধীন ভবনে কাজ করতে গিয়ে যুবকের মৃত্যু, রহস্য ঘনীভূত

সময় ০৬:০৯:৫৪ অপরাহ্ন, মঙ্গলবার, ১৭ জুন ২০২৫

হবিগঞ্জের লাখাই উপজেলায় এক নির্মাণাধীন ভবনের ছাদ থেকে পড়ে আবিদুর রহমান (২০) নামের এক যুবকের মৃত্যু হয়েছে। এই ঘটনাটি ঘটেছে মঙ্গলবার (১৭ জুন) বিকেল ৩টার দিকে। আবিদুর আজমিরীগঞ্জ উপজেলার জলশুকা ইউনিয়নের গাজী মিয়ার ছেলে। তার এই আকস্মিক মৃত্যু স্থানীয়দের মধ্যে নানা প্রশ্নের জন্ম দিয়েছে।
সিংহ গ্রামে মৃত আমীর আলীর ছেলে জাহির উদ্দিন মাওলানার নির্মাণাধীন বাড়িতে কাজ করার সময় আবিদুরের এই মর্মান্তিক পরিণতি হয়। ঘটনার সময় বাড়ির মালিক জহির উদ্দিন মাওলানা সেখানে উপস্থিত ছিলেন না বলে জানা গেছে।
স্থানীয় বাসিন্দা ইনছাদ আলী জানান, বিকেলে বাজারে যাওয়ার পথে তিনি আবিদুরকে নির্মাণাধীন বাড়ির পাশে পড়ে থাকতে দেখেন। দ্রুত তাকে স্থানীয়দের সহায়তায় উদ্ধার করে হবিগঞ্জ সদর হাসপাতালে নেওয়া হয়। আবিদুরের সাথে কাজ করা রাজমিস্ত্রিরা তখন জানান, আবিদুর হয়তো ওপর থেকে পড়ে গেছেন। হাসপাতালে নেওয়ার পর কর্তব্যরত চিকিৎসক তাকে মৃত ঘোষণা করেন।
কয়েকজন প্রত্যক্ষদর্শী জানিয়েছেন, আবিদুর প্রায় ৭ ফুট উঁচু একটি দেয়ালের ওপর কাজ করছিলেন। সে সময় তার হাতে একটি কাঁচা বাঁশ ছিল এবং পাশেই বিদ্যুতের তার ছিল। তাদের ধারণা, বাঁশ থেকে বিদ্যুতের শর্ট সার্কিট হয়ে আবিদুরের মৃত্যু হয়েছে। তবে, অনেকেই আবার মনে করছেন তিনি স্ট্রোক করে মারা গেছেন।
স্থানীয় আরেক ব্যক্তি লিটন মোল্লা জানান, “আমরা হঠাৎ করে দেখি জহির উদ্দিন মাওলানার নির্মাণাধীন ঘরের নিচে আবিদুর রহমান পড়ে আছেন। অন্য মিস্ত্রিদের জিজ্ঞেস করলে তারা জানান, আবিদুর রহমান তাদের সঙ্গেই কাজ করছিলেন। কখন ওপর থেকে নিচে পড়লেন, তা তারা জানেন না। আমরা তাকে উদ্ধার করে হাসপাতালে নিয়ে গেলে কর্তব্যরত চিকিৎসক মৃত ঘোষণা করেন। আমার ধারণা, অসাবধানতাবশত কাজ করার ফলেই সে পড়ে গিয়ে মারা গেছে।”
আবিদুরের মৃত্যুর সঠিক কারণ এখনো নিশ্চিত হওয়া যায়নি। লাখাই থানার ভারপ্রাপ্ত কর্মকর্তা (ওসি) বন্দে আলীকে বিষয়টি জানানো হয়েছে। এই ঘটনার পেছনের রহস্য উন্মোচনে পুলিশ তদন্ত শুরু করেছে।