সিলেট ১১:২৯ অপরাহ্ন, মঙ্গলবার, ১৮ অগাস্ট ২০২৬
News Title :
‎মৌসুমী শব্দ বিলুপ্ত ও রাজস্ব খাতে স্থায়ী করার দাবিতে ভূমিমন্ত্রীকে স্মারকলিপি প্রদান পরিবেশগত বিপর্যয়ের ঝুঁকিতে থাকা দেশের অন্যতম অঞ্চল হচ্ছে সিলেটঃ ভিসি প্রফেসর ড. মোহাম্মদ জহিরুল হক গ্রামবাসীর উদ্যোগে ঐতিহাসিক মাকালকান্দি গণহত্যা দিবস পালন, ছিলনা এমপি ও স্থানীয় প্রশাসনের কর্মসূচি ‎গোয়াইনঘাটে মেছোবিড়াল পিটিয়ে হত্যা, ভিডিও ছড়ানোর অভিযোগ হবিগঞ্জে বিক্ষোভের প্রস্তুতিকালে আটক, ২১ ঘণ্টা পর মুচলেকায় মুক্ত মাহদীসহ তিনজন ‎নবীগঞ্জে বীর মুক্তিযোদ্ধা আব্দুর রশিদের মৃত্যু, রাষ্ট্রীয় মর্যাদায় দাফন কুলাউড়ায় অগ্রণী উচ্চ বিদ্যালয়ে শিক্ষার্থীদের দেয়াল পত্রিকা প্রকাশ নবাগত ইউএনও’র সঙ্গে শান্তিগঞ্জ প্রেসক্লাবের মতবিনিময় ‎ছাতকে মোবাইল কোর্ট: চার প্রতিষ্ঠানকে ৪৫ হাজার টাকা জরিমানা, পচা মাংস জব্দ জুড়ীতে হাকালুকি হাওরের মৎস্য সম্পদ সংরক্ষণ ও টেকসই উৎপাদন বিষয়ক মতবিনিময় সভা অনুষ্ঠিত‎

‎সিলেটে চাকরির প্রলোভনে ভারতে পাচারের চেষ্টা: দালাল চক্রের ২ সদস্য গ্রেফতার


‎সিলেটে ভালো বেতনের চাকরির প্রলোভন দেখিয়ে ভারতে মানবপাচারের চেষ্টাকারী একটি সংঘবদ্ধ দালাল চক্রের দুই সদস্যকে গ্রেফতার করেছে র‍্যাব-৯। গ্রেফতারকৃতরা হলেন— গোয়াইনঘাট থানার আমস্বপ্ন গ্রামের ইসমাইল আলীর ছেলে শাকিল (২২) এবং একই গ্রামের ফয়সাল (২২)।

‎র‍্যাব জানায়, নড়াইল সদর থানার শ্রীফলতলা এলাকার বাসিন্দা ভিকটিম জোছনা খানম (৫৩) তার অসুস্থ স্বামীর চিকিৎসার খরচ ও পারিবারিক আর্থিক অনটনের কারণে অনেকদিন ধরে কাজের সন্ধানে ছিলেন। এ সময় জনৈক এক ব্যক্তির মাধ্যমে জুয়েল মিয়া নামে এক দালালের সাথে তার পরিচয় হয়। জুয়েল নিজেকে বড় মাপের দালাল দাবি করে জানান যে, তিনি ইতোপূর্বে ২৫০-৩০০ জন ব্যক্তিকে ভারতে পাঠিয়ে ভালো বেতনের চাকরির ব্যবস্থা করে দিয়েছেন।

‎পাসপোর্ট বা ভিসা না থাকায় ভিকটিম জোছনা খানম ও তার সাথে থাকা নাহিদা খাতুন নামের অন্য এক নারী ভারতে যেতে অস্বীকৃতি জানান এবং বাংলাদেশের সীমানার ভেতরে কোনো কাজের ব্যবস্থা করে দিতে বলেন। গত ১৬ এপ্রিল দালালেরা তাদের জাফলং এলাকায় কাজের কথা বলে নিয়ে যায়। সেখানে নিয়ে তাদের একটি বাড়িতে আটকে রেখে ভয়ভীতি দেখানো হয় এবং জোরপূর্বক গোয়াইনঘাট থানার নলজুরী সীমান্তবর্তী এলাকা দিয়ে ভারতে পাঠানোর চেষ্টা করা হয়।

‎সীমান্ত পার হওয়ার সময় স্থানীয় লোকজন তাদের সন্দেহ করলে ভিকটিমরা বিষয়টি খুলে বলেন। তখন এলাকাবাসী প্রধান অভিযুক্ত জুয়েল মিয়াকে ধরে পুলিশের হাতে তুলে দেয়। ১৭ এপ্রিল  এ ঘটনায় জোছনা খানম বাদী হয়ে গোয়াইনঘাট থানায় একটি মানবপাচার মামলা দায়ের করেন। ‎মামলা নম্বর: ২০, মানব পাচার প্রতিরোধ ও দমন আইন ২০১২ এর 8(2)/9/15। ধারায় মামলাটি রুজু করে পুলিশ।

‎মামলার প্রেক্ষিতে ছায়া তদন্ত শুরু করে র‍্যাব-৯। গোপন সংবাদের ভিত্তিতে মঙ্গলবার (২১ এপ্রিল) দুপুর পৌনে ২টার দিকে সিলেটের কোতোয়ালী থানার পূর্ব কাজির বাজার এলাকায় অভিযান চালিয়ে মামলার এজাহারনামীয় পলাতক আসামি শাকিল ও ফয়সালকে গ্রেফতার করা হয়।

‎র‍্যাব-৯ এর মিডিয়া অফিসার অতিঃ পুলিশ সুপার কে, এম, শহিদুল ইসলাম সোহাগ জানান, গ্রেফতারকৃত আসামিদের পরবর্তী আইনি ব্যবস্থা গ্রহণের জন্য সংশ্লিষ্ট থানায় হস্তান্তর করা হয়েছে। অপরাধ দমনে র‍্যাবের গোয়েন্দা তৎপরতা ও অভিযান অব্যাহত থাকবে বলে তিনি উল্লেখ করেন।

ট্যাগস :
আপলোডকারীর তথ্য

জনপ্রিয় সংবাদ

‎মৌসুমী শব্দ বিলুপ্ত ও রাজস্ব খাতে স্থায়ী করার দাবিতে ভূমিমন্ত্রীকে স্মারকলিপি প্রদান

‎সিলেটে চাকরির প্রলোভনে ভারতে পাচারের চেষ্টা: দালাল চক্রের ২ সদস্য গ্রেফতার

সময় ১২:১৫:০৪ পূর্বাহ্ন, বুধবার, ২২ এপ্রিল ২০২৬


‎সিলেটে ভালো বেতনের চাকরির প্রলোভন দেখিয়ে ভারতে মানবপাচারের চেষ্টাকারী একটি সংঘবদ্ধ দালাল চক্রের দুই সদস্যকে গ্রেফতার করেছে র‍্যাব-৯। গ্রেফতারকৃতরা হলেন— গোয়াইনঘাট থানার আমস্বপ্ন গ্রামের ইসমাইল আলীর ছেলে শাকিল (২২) এবং একই গ্রামের ফয়সাল (২২)।

‎র‍্যাব জানায়, নড়াইল সদর থানার শ্রীফলতলা এলাকার বাসিন্দা ভিকটিম জোছনা খানম (৫৩) তার অসুস্থ স্বামীর চিকিৎসার খরচ ও পারিবারিক আর্থিক অনটনের কারণে অনেকদিন ধরে কাজের সন্ধানে ছিলেন। এ সময় জনৈক এক ব্যক্তির মাধ্যমে জুয়েল মিয়া নামে এক দালালের সাথে তার পরিচয় হয়। জুয়েল নিজেকে বড় মাপের দালাল দাবি করে জানান যে, তিনি ইতোপূর্বে ২৫০-৩০০ জন ব্যক্তিকে ভারতে পাঠিয়ে ভালো বেতনের চাকরির ব্যবস্থা করে দিয়েছেন।

‎পাসপোর্ট বা ভিসা না থাকায় ভিকটিম জোছনা খানম ও তার সাথে থাকা নাহিদা খাতুন নামের অন্য এক নারী ভারতে যেতে অস্বীকৃতি জানান এবং বাংলাদেশের সীমানার ভেতরে কোনো কাজের ব্যবস্থা করে দিতে বলেন। গত ১৬ এপ্রিল দালালেরা তাদের জাফলং এলাকায় কাজের কথা বলে নিয়ে যায়। সেখানে নিয়ে তাদের একটি বাড়িতে আটকে রেখে ভয়ভীতি দেখানো হয় এবং জোরপূর্বক গোয়াইনঘাট থানার নলজুরী সীমান্তবর্তী এলাকা দিয়ে ভারতে পাঠানোর চেষ্টা করা হয়।

‎সীমান্ত পার হওয়ার সময় স্থানীয় লোকজন তাদের সন্দেহ করলে ভিকটিমরা বিষয়টি খুলে বলেন। তখন এলাকাবাসী প্রধান অভিযুক্ত জুয়েল মিয়াকে ধরে পুলিশের হাতে তুলে দেয়। ১৭ এপ্রিল  এ ঘটনায় জোছনা খানম বাদী হয়ে গোয়াইনঘাট থানায় একটি মানবপাচার মামলা দায়ের করেন। ‎মামলা নম্বর: ২০, মানব পাচার প্রতিরোধ ও দমন আইন ২০১২ এর 8(2)/9/15। ধারায় মামলাটি রুজু করে পুলিশ।

‎মামলার প্রেক্ষিতে ছায়া তদন্ত শুরু করে র‍্যাব-৯। গোপন সংবাদের ভিত্তিতে মঙ্গলবার (২১ এপ্রিল) দুপুর পৌনে ২টার দিকে সিলেটের কোতোয়ালী থানার পূর্ব কাজির বাজার এলাকায় অভিযান চালিয়ে মামলার এজাহারনামীয় পলাতক আসামি শাকিল ও ফয়সালকে গ্রেফতার করা হয়।

‎র‍্যাব-৯ এর মিডিয়া অফিসার অতিঃ পুলিশ সুপার কে, এম, শহিদুল ইসলাম সোহাগ জানান, গ্রেফতারকৃত আসামিদের পরবর্তী আইনি ব্যবস্থা গ্রহণের জন্য সংশ্লিষ্ট থানায় হস্তান্তর করা হয়েছে। অপরাধ দমনে র‍্যাবের গোয়েন্দা তৎপরতা ও অভিযান অব্যাহত থাকবে বলে তিনি উল্লেখ করেন।