সিলেট ০২:২৮ পূর্বাহ্ন, শুক্রবার, ৩০ অক্টোবর ২০২৬
News Title :
আমরা দুর্নীতিমুক্ত বাংলাদেশ গড়তে চাই, একটি মানবিক বাংলাদেশ গড়তে চাই: ডেপুটি স্পিকার মৌলভীবাজারে যুবদলের প্রতিষ্ঠাবার্ষিকী পালিত, বিএনপিকে ঐক্যের বার্তা মুন্নার শ্রীমঙ্গলে শাবানা হত্যা মামলায় ৪ জনের মৃত্যুদণ্ড, ২ জনের কারাদণ্ড দেশ সেরা বিদ্যাপীঠে বিশ্ব হাত ধোয়া দিবস উদযাপন  লাখাইর বুল্লা ইউনিয়ন নির্বাচনে বিএনপি’র মনোনয়ন প্রত্যাশী চেয়ারম্যান প্রার্থী আব্দুল কাদির। ‎সিলেটে নিষিদ্ধ ঘোষিত ছাত্রলীগের দুই কর্মী  গ্রেফতার, ব্যানার জব্দ বিএনপি নেতা ও তরুণ ব্যবসায়ী রাহুল ইসলামের জন্মদিনে শুভেচ্ছা‎ শান্তিগঞ্জে স্বাস্থ্য ও পুষ্টি পরিস্থিতির উন্নয়নে অংশীজনদের কর্মশালা ‎মৌলভীবাজারে জাতীয় নিরাপদ সড়ক দিবস উদযাপন, আহতদের মাঝে অনুদান বিতরণ বিশ্ব হাত ধোয়া দিবস উপলক্ষে দেওয়ানগঞ্জে র‍্যালি, আলোচনা সভা ও চিত্রাঙ্কন প্রতিযোগিতা

‎চা বাগানে পর্যটক তরুণী অপহরণ ও ধর্ষণ। গ্রেফতার ১

পুলিশের অভিযানে গ্রেফতারকৃত জসিম মিয়া

‎


‎

‎হবিগঞ্জের মাধবপুর উপজেলার সুরমা চা বাগানে ঘুরতে গিয়ে এক পর্যটক তরুণীকে অপহরণ করে ধর্ষণ করা হয়েছে। নির্যাতনের  এ ঘটনায় পুলিশ অভিযান চালিয়ে উপজেলার পরমানন্দপুর গ্রামের লেদু মিয়ার ছেলে মোঃ জসিম মিয়া (৩৪)-কে গ্রেফতার করেছে। মঙ্গলবার দুপুরে তাকে নারী নির্যাতন ও ধর্ষণ মামলায় আদালতের নির্দেশে আসামি জসিম মিয়াকে  হবিগঞ্জ জেলা কারাগারে পাঠানো হয়েছে। ঘটনাটি এলাকায় ব্যাপক চাঞ্চল্যের সৃষ্টি করেছে।

‎

‎পুলিশ ও মামলা সূত্রে জানা যায়, গত ২৩ মার্চ সোমবার বিকাল সাড়ে ৪টার দিকে ওই তরুণী তার পরিচিত এক আত্বীয়কে সঙ্গে নিয়ে মাধবপুর বাজার থেকে সিএনজিযোগে সাতছড়ি ও সুরমা চা বাগানে ঘুরতে যান। সন্ধ্যা ৬টার দিকে তারা সুরমা চা বাগানের সামনে সিএনজি রেখে হেঁটে বাগানের ভেতরে প্রবেশ করেন। কিছুক্ষণ পর সন্ধ্যা সাড়ে ৬টার দিকে গ্রেফতারকৃত জসিম মিয়া ও পলাতক শাহীন মিয়া ‘ডাকাত’ বলে ধাওয়া দিলে তরুণীর সঙ্গে থাকা যুবক পালিয়ে যান। এ সুযোগে আসামিরা তরুণীকে জোরপূর্বক অপহরণ করে বাগানের গভীর নির্জন স্থানে নিয়ে যায়। সেখানে তাকে ভয়ভীতি প্রদর্শন করে তারা তাকে ধর্ষণ করে এবং মারধর করা হয়। এ সময় তার কানে থাকা স্বর্ণের এক জোড়া দুল জোরপূর্বক ছিনিয়ে নেয় আসামিরা।

‎

‎একপর্যায়ে ভুক্তভোগী কান্নাকাটি শুরু করলে আসামিরা তাকে প্রাণনাশের হুমকি দিয়ে ঘটনাস্থল ত্যাগ করতে বাধ্য করার চেষ্টা করে। এদিকে তরুণীর সঙ্গে থাকা যুবক বিষয়টি পুলিশকে জানালে মাধবপুর থানা পুলিশ দ্রুত ঘটনাস্থলে অভিযান চালায়। পুলিশ ভুক্তভোগীকে উদ্ধার করে এবং ঘটনাস্থল থেকেই জসিম মিয়াকে গ্রেফতার করতে সক্ষম হয়। গ্রেফতারের সময় তার দেহ তল্লাশিতে ভুক্তভোগীর স্বর্ণের দুল উদ্ধার করা হয়।

‎

‎মাধবপুর থানার অফিসার ইনচার্জ (ওসি) সোহেল রানা জানান, প্রাথমিক জিজ্ঞাসাবাদে গ্রেফতারকৃত আসামী ঘটনার সাথে সম্পৃক্তার কথা  স্বীকার করেছে এবং পলাতক শাহীন মিয়ার নাম প্রকাশ করেছে। এ ঘটনায় নারী ও শিশু নির্যাতন দমন আইন ২০০০ (সংশোধনী ২০০৩) এবং দণ্ডবিধির সংশ্লিষ্ট ধারায় মামলা দায়ের করা হয়েছে। ভুক্তভোগীকে তাৎক্ষণিকভাবে হবিগঞ্জের ২৫০ শয্যা বিশিষ্ট আধুনিক সদর হাসপাতালে চিকিৎসা ও ডাক্তারি পরীক্ষার জন্য পাঠানো হয়েছে।

ট্যাগস :
আপলোডকারীর তথ্য

জনপ্রিয় সংবাদ

আমরা দুর্নীতিমুক্ত বাংলাদেশ গড়তে চাই, একটি মানবিক বাংলাদেশ গড়তে চাই: ডেপুটি স্পিকার

‎চা বাগানে পর্যটক তরুণী অপহরণ ও ধর্ষণ। গ্রেফতার ১

সময় ০৪:০৬:৫১ অপরাহ্ন, মঙ্গলবার, ২৪ মার্চ ২০২৬
পুলিশের অভিযানে গ্রেফতারকৃত জসিম মিয়া

‎


‎

‎হবিগঞ্জের মাধবপুর উপজেলার সুরমা চা বাগানে ঘুরতে গিয়ে এক পর্যটক তরুণীকে অপহরণ করে ধর্ষণ করা হয়েছে। নির্যাতনের  এ ঘটনায় পুলিশ অভিযান চালিয়ে উপজেলার পরমানন্দপুর গ্রামের লেদু মিয়ার ছেলে মোঃ জসিম মিয়া (৩৪)-কে গ্রেফতার করেছে। মঙ্গলবার দুপুরে তাকে নারী নির্যাতন ও ধর্ষণ মামলায় আদালতের নির্দেশে আসামি জসিম মিয়াকে  হবিগঞ্জ জেলা কারাগারে পাঠানো হয়েছে। ঘটনাটি এলাকায় ব্যাপক চাঞ্চল্যের সৃষ্টি করেছে।

‎

‎পুলিশ ও মামলা সূত্রে জানা যায়, গত ২৩ মার্চ সোমবার বিকাল সাড়ে ৪টার দিকে ওই তরুণী তার পরিচিত এক আত্বীয়কে সঙ্গে নিয়ে মাধবপুর বাজার থেকে সিএনজিযোগে সাতছড়ি ও সুরমা চা বাগানে ঘুরতে যান। সন্ধ্যা ৬টার দিকে তারা সুরমা চা বাগানের সামনে সিএনজি রেখে হেঁটে বাগানের ভেতরে প্রবেশ করেন। কিছুক্ষণ পর সন্ধ্যা সাড়ে ৬টার দিকে গ্রেফতারকৃত জসিম মিয়া ও পলাতক শাহীন মিয়া ‘ডাকাত’ বলে ধাওয়া দিলে তরুণীর সঙ্গে থাকা যুবক পালিয়ে যান। এ সুযোগে আসামিরা তরুণীকে জোরপূর্বক অপহরণ করে বাগানের গভীর নির্জন স্থানে নিয়ে যায়। সেখানে তাকে ভয়ভীতি প্রদর্শন করে তারা তাকে ধর্ষণ করে এবং মারধর করা হয়। এ সময় তার কানে থাকা স্বর্ণের এক জোড়া দুল জোরপূর্বক ছিনিয়ে নেয় আসামিরা।

‎

‎একপর্যায়ে ভুক্তভোগী কান্নাকাটি শুরু করলে আসামিরা তাকে প্রাণনাশের হুমকি দিয়ে ঘটনাস্থল ত্যাগ করতে বাধ্য করার চেষ্টা করে। এদিকে তরুণীর সঙ্গে থাকা যুবক বিষয়টি পুলিশকে জানালে মাধবপুর থানা পুলিশ দ্রুত ঘটনাস্থলে অভিযান চালায়। পুলিশ ভুক্তভোগীকে উদ্ধার করে এবং ঘটনাস্থল থেকেই জসিম মিয়াকে গ্রেফতার করতে সক্ষম হয়। গ্রেফতারের সময় তার দেহ তল্লাশিতে ভুক্তভোগীর স্বর্ণের দুল উদ্ধার করা হয়।

‎

‎মাধবপুর থানার অফিসার ইনচার্জ (ওসি) সোহেল রানা জানান, প্রাথমিক জিজ্ঞাসাবাদে গ্রেফতারকৃত আসামী ঘটনার সাথে সম্পৃক্তার কথা  স্বীকার করেছে এবং পলাতক শাহীন মিয়ার নাম প্রকাশ করেছে। এ ঘটনায় নারী ও শিশু নির্যাতন দমন আইন ২০০০ (সংশোধনী ২০০৩) এবং দণ্ডবিধির সংশ্লিষ্ট ধারায় মামলা দায়ের করা হয়েছে। ভুক্তভোগীকে তাৎক্ষণিকভাবে হবিগঞ্জের ২৫০ শয্যা বিশিষ্ট আধুনিক সদর হাসপাতালে চিকিৎসা ও ডাক্তারি পরীক্ষার জন্য পাঠানো হয়েছে।