সিলেট ০৩:০২ পূর্বাহ্ন, রবিবার, ১৮ অক্টোবর ২০২৬
News Title :
‎বানিয়াচংয়ে ইয়ামাহা রাইডার্স ক্লাব (YRC) সদস্যদের গেটটুগেদার অনুষ্ঠিত। ‎গোয়াইনঘাটে ৪ লিস্টার মেশিন ধ্বংস, ডুবিয়ে দেওয়া হলো বালুভর্তি বাল্কহেড শান্তিগঞ্জে জোরপূর্বক জায়গা দখলের অভিযোগ ‎রক্তাক্ত গণমাধ্যম: সাগর-রুনি থেকে আলিফ ফকিরের বিয়োগান্তক সুর‎ নেত্রকোনায় সাংবাদিক লুৎফুজ্জামান আলিফ ফকিরকে গুলি করে হত্যা: শেরপুর প্রেসক্লাবের তীব্র নিন্দা ও প্রতিবাদ ‎জৈন্তাপুরে জমি দখলকে কেন্দ্র করে সংঘর্ষ: আহত একই পরিবারের ৩  ভাইসহ একাধিক সদস্য। ‎প্রতিবন্ধী নাতনির দায়িত্ব বৃদ্ধ দাদির কাঁধে লাখাই মুড়িয়াউক ইউনিয়ন নির্বাচনকে সামনে রেখে জমে উঠেছে প্রচার-প্রচারণা ‎সিলেটে বাস টমটম সংঘর্ষে মা-মেয়ে নিহতের ঘটনায় ঘাতক বাস চালক গ্রেপ্তার কুলাউড়ায় নতুন আঙ্গিকে গোবিন্দাস রেস্টুরেন্ট, সাশ্রয়ী মূল্যে মিলবে তিন বেলার খাবার

শেওলা স্থলবন্দরে ভারতীয় রুপিতে জ্বালানি কেনার চেষ্টা: জব্দ ভারতীয় ট্রাক‎



‎
‎সিলেটের বিয়ানীবাজার উপজেলার শেওলা স্থলবন্দরে ভারতীয় মুদ্রা রুপি দিয়ে জ্বালানি তেল কেনার চেষ্টার অভিযোগে একটি ভারতীয় পাথরবাহী ট্রাক জব্দ করেছে বর্ডার গার্ড বাংলাদেশ (বিজিবি)।
‎ঘটনাটি সীমান্ত এলাকায় জ্বালানি তেল পাচার ও অবৈধ মুদ্রা লেনদেনের সম্ভাব্য নেটওয়ার্ক নিয়ে নতুন করে প্রশ্নের জন্ম দিয়েছে।
‎
‎বিজিবি সূত্রে জানা যায়, আটক ট্রাকচালকের নাম নিখিল দাস (৪৫)। তিনি ভারতের আসাম রাজ্যের করিমগঞ্জ জেলার কালাইন থানার লক্ষ্মীপুর গ্রামের বাসিন্দা। তার পিতার নাম মৃত জলধার দাস।
‎
‎বিয়ানীবাজার ব্যাটালিয়ন ৫২ বিজিবির অধীনস্থ শেওলা ইমিগ্রেশন চেকপোস্ট (আইসিপি) দিয়ে নিখিল দাসের পাথরবাহী ট্রাকটি ভারত থেকে বাংলাদেশে পাথর নিয়ে আসে। পরে পাথর আনলোড করার পর গত ৭ মার্চ সন্ধ্যায় ট্রাকটি ভারতে ফেরার পথে জ্বালানি সংকটে পড়ে।
‎এ সময় চালক নিখিল দাস স্থানীয় একটি দোকান (নাদিয়া স্টোর)’ থেকে ভারতীয় মুদ্রা রুপি দিয়ে ডিজেল কেনার চেষ্টা করেন বলে অভিযোগ ওঠে। বিষয়টি বিজিবির নজরে এলে অভিযান চালিয়ে ট্রাকটি জব্দ করা হয়। পরে চালককে প্রাথমিক জিজ্ঞাসাবাদ শেষে মুচলেকা নিয়ে ছেড়ে দেওয়া হলেও ট্রাকটি এখনো বিজিবির জিম্মায় রয়েছে।
‎
‎তবে স্থানীয় সূত্র বলছে, সীমান্তবর্তী এলাকায় দীর্ঘদিন ধরেই ভারতীয় ট্রাকচালকদের মাধ্যমে বাংলাদেশি জ্বালানি তেল পাচারের অভিযোগ রয়েছে। তুলনামূলক কম দামে জ্বালানি সংগ্রহ করে তা ভারতে নিয়ে যাওয়ার একটি অনিয়ন্ত্রিত প্রবণতা মাঝে মধ্যে সামনে আসে।
‎
‎বিজিবি বলছে, এই ধরনের অবৈধ লেনদেন ঠেকাতে সীমান্ত এলাকায় গোয়েন্দা নজরদারি জোরদার করা হয়েছে। সরাইল রিজিয়নের অধীনস্থ শ্রীমঙ্গল সেক্টরের প্রত্যক্ষ নির্দেশনায় সীমান্ত এলাকায় তেল পাচার প্রতিরোধে কঠোর নজরদারি চালানো হচ্ছে।
‎
‎৫২ বিজিবির অধিনায়ক লেফটেন্যান্ট কর্নেল আতাউর রহমান বলেন, সীমান্ত এলাকায় জ্বালানি তেলসহ যেকোনো ধরনের অবৈধ লেনদেন ও চোরাচালান প্রতিরোধে বিজিবি সতর্ক অবস্থানে রয়েছে। একই সঙ্গে সীমান্তে আইনশৃঙ্খলা রক্ষা এবং দুই দেশের প্রচলিত নিয়মনীতি অনুসরণ নিশ্চিত করতে নিয়মিত অভিযান ও নজরদারি অব্যাহত রয়েছে।
‎
‎তবে সীমান্ত এলাকার সচেতন মহলের প্রশ্ন—শেওলা স্থলবন্দর ঘিরে মাঝে মধ্যেই জ্বালানি ও মুদ্রা লেনদেনের অভিযোগ উঠলেও এসব ঘটনার নেপথ্যে থাকা সম্ভাব্য দালালচক্র বা মধ্যস্বত্বভোগীদের বিরুদ্ধে কতটা কার্যকর ব্যবস্থা নেওয়া হচ্ছে, তা নিয়েও খতিয়ে দেখা প্রয়োজন বলে মনে করছেন তারা।

ট্যাগস :
আপলোডকারীর তথ্য

জনপ্রিয় সংবাদ

‎বানিয়াচংয়ে ইয়ামাহা রাইডার্স ক্লাব (YRC) সদস্যদের গেটটুগেদার অনুষ্ঠিত।

শেওলা স্থলবন্দরে ভারতীয় রুপিতে জ্বালানি কেনার চেষ্টা: জব্দ ভারতীয় ট্রাক‎

সময় ০৯:১৬:২০ অপরাহ্ন, রবিবার, ৮ মার্চ ২০২৬



‎
‎সিলেটের বিয়ানীবাজার উপজেলার শেওলা স্থলবন্দরে ভারতীয় মুদ্রা রুপি দিয়ে জ্বালানি তেল কেনার চেষ্টার অভিযোগে একটি ভারতীয় পাথরবাহী ট্রাক জব্দ করেছে বর্ডার গার্ড বাংলাদেশ (বিজিবি)।
‎ঘটনাটি সীমান্ত এলাকায় জ্বালানি তেল পাচার ও অবৈধ মুদ্রা লেনদেনের সম্ভাব্য নেটওয়ার্ক নিয়ে নতুন করে প্রশ্নের জন্ম দিয়েছে।
‎
‎বিজিবি সূত্রে জানা যায়, আটক ট্রাকচালকের নাম নিখিল দাস (৪৫)। তিনি ভারতের আসাম রাজ্যের করিমগঞ্জ জেলার কালাইন থানার লক্ষ্মীপুর গ্রামের বাসিন্দা। তার পিতার নাম মৃত জলধার দাস।
‎
‎বিয়ানীবাজার ব্যাটালিয়ন ৫২ বিজিবির অধীনস্থ শেওলা ইমিগ্রেশন চেকপোস্ট (আইসিপি) দিয়ে নিখিল দাসের পাথরবাহী ট্রাকটি ভারত থেকে বাংলাদেশে পাথর নিয়ে আসে। পরে পাথর আনলোড করার পর গত ৭ মার্চ সন্ধ্যায় ট্রাকটি ভারতে ফেরার পথে জ্বালানি সংকটে পড়ে।
‎এ সময় চালক নিখিল দাস স্থানীয় একটি দোকান (নাদিয়া স্টোর)’ থেকে ভারতীয় মুদ্রা রুপি দিয়ে ডিজেল কেনার চেষ্টা করেন বলে অভিযোগ ওঠে। বিষয়টি বিজিবির নজরে এলে অভিযান চালিয়ে ট্রাকটি জব্দ করা হয়। পরে চালককে প্রাথমিক জিজ্ঞাসাবাদ শেষে মুচলেকা নিয়ে ছেড়ে দেওয়া হলেও ট্রাকটি এখনো বিজিবির জিম্মায় রয়েছে।
‎
‎তবে স্থানীয় সূত্র বলছে, সীমান্তবর্তী এলাকায় দীর্ঘদিন ধরেই ভারতীয় ট্রাকচালকদের মাধ্যমে বাংলাদেশি জ্বালানি তেল পাচারের অভিযোগ রয়েছে। তুলনামূলক কম দামে জ্বালানি সংগ্রহ করে তা ভারতে নিয়ে যাওয়ার একটি অনিয়ন্ত্রিত প্রবণতা মাঝে মধ্যে সামনে আসে।
‎
‎বিজিবি বলছে, এই ধরনের অবৈধ লেনদেন ঠেকাতে সীমান্ত এলাকায় গোয়েন্দা নজরদারি জোরদার করা হয়েছে। সরাইল রিজিয়নের অধীনস্থ শ্রীমঙ্গল সেক্টরের প্রত্যক্ষ নির্দেশনায় সীমান্ত এলাকায় তেল পাচার প্রতিরোধে কঠোর নজরদারি চালানো হচ্ছে।
‎
‎৫২ বিজিবির অধিনায়ক লেফটেন্যান্ট কর্নেল আতাউর রহমান বলেন, সীমান্ত এলাকায় জ্বালানি তেলসহ যেকোনো ধরনের অবৈধ লেনদেন ও চোরাচালান প্রতিরোধে বিজিবি সতর্ক অবস্থানে রয়েছে। একই সঙ্গে সীমান্তে আইনশৃঙ্খলা রক্ষা এবং দুই দেশের প্রচলিত নিয়মনীতি অনুসরণ নিশ্চিত করতে নিয়মিত অভিযান ও নজরদারি অব্যাহত রয়েছে।
‎
‎তবে সীমান্ত এলাকার সচেতন মহলের প্রশ্ন—শেওলা স্থলবন্দর ঘিরে মাঝে মধ্যেই জ্বালানি ও মুদ্রা লেনদেনের অভিযোগ উঠলেও এসব ঘটনার নেপথ্যে থাকা সম্ভাব্য দালালচক্র বা মধ্যস্বত্বভোগীদের বিরুদ্ধে কতটা কার্যকর ব্যবস্থা নেওয়া হচ্ছে, তা নিয়েও খতিয়ে দেখা প্রয়োজন বলে মনে করছেন তারা।