সিলেট ০২:১৯ পূর্বাহ্ন, রবিবার, ১৮ অক্টোবর ২০২৬
News Title :
‎বানিয়াচংয়ে ইয়ামাহা রাইডার্স ক্লাব (YRC) সদস্যদের গেটটুগেদার অনুষ্ঠিত। ‎গোয়াইনঘাটে ৪ লিস্টার মেশিন ধ্বংস, ডুবিয়ে দেওয়া হলো বালুভর্তি বাল্কহেড শান্তিগঞ্জে জোরপূর্বক জায়গা দখলের অভিযোগ ‎রক্তাক্ত গণমাধ্যম: সাগর-রুনি থেকে আলিফ ফকিরের বিয়োগান্তক সুর‎ নেত্রকোনায় সাংবাদিক লুৎফুজ্জামান আলিফ ফকিরকে গুলি করে হত্যা: শেরপুর প্রেসক্লাবের তীব্র নিন্দা ও প্রতিবাদ ‎জৈন্তাপুরে জমি দখলকে কেন্দ্র করে সংঘর্ষ: আহত একই পরিবারের ৩  ভাইসহ একাধিক সদস্য। ‎প্রতিবন্ধী নাতনির দায়িত্ব বৃদ্ধ দাদির কাঁধে লাখাই মুড়িয়াউক ইউনিয়ন নির্বাচনকে সামনে রেখে জমে উঠেছে প্রচার-প্রচারণা ‎সিলেটে বাস টমটম সংঘর্ষে মা-মেয়ে নিহতের ঘটনায় ঘাতক বাস চালক গ্রেপ্তার কুলাউড়ায় নতুন আঙ্গিকে গোবিন্দাস রেস্টুরেন্ট, সাশ্রয়ী মূল্যে মিলবে তিন বেলার খাবার
যাত্রীদের মাঝে আতংক....

টাঙ্গাইল-সিলেট রুটে এপোলো বাসে যাত্রীর ব্যাগ গায়েব: উল্টো হেনস্তার শিকার ভুক্তভোগী

0-2976x3968-1-0-{}-0-12#

এপোলো বাস ৩ মার্চ রাত্রি বেলার ছবি


‎
‎টাঙ্গাইল থেকে সিলেটগামী এপোলো এন্টারপ্রাইজ বাসের ভেতর থেকে এক যাত্রীর ব্যাগ নিখোঁজ হওয়ার খবর পাওয়া গেছে। মালামাল হারিয়ে ভুক্তভোগী যাত্রী সহযোগিতা চাইলে বাসের সুপারভাইজার কর্তৃক উল্টো হেনস্তা ও অসদাচরণের শিকার হয়েছেন বলে অভিযোগ উঠেছে। এই ঘটনায় বাসের সাধারণ যাত্রীদের মধ্যে চরম আতঙ্ক ও ক্ষোভ বিরাজ করছে।
‎
‎ভুক্তভোগী যাত্রী জানান, তিনি ২ মার্চ রাতে টাঙ্গাইল থেকে এপোলো বাসে করে সিলেট যাচ্ছিলেন। পথিমধ্যে তিনি লক্ষ্য করেন তার সাথে থাকা ব্যাগটি যথাস্থানে নেই। তাৎক্ষণিক বিষয়টি বাসের সুপারভাইজার জুয়েলকে জানালে নামমাত্র খোঁজাখুজি করে ব্যাগটি পাওয়া যায়নি বলে জানিয়ে দেওয়া হয়!
‎
‎ব্যাগ না পেয়ে যাত্রী তাৎক্ষণিক এপোলোর টাঙ্গাইল কাউন্টার ম্যানেজার সফিকুর রহমান ও সিলেট ম্যানেজার মোজাহিদ মিয়াকে বিষয়টি অবগত করেন। পরবর্তীতে বাসের মালিকের কাছে মুঠোফোনে সহযোগিতা চাইলে তিনি আইনি ব্যবস্থার পরামর্শ দিয়ে নিজের দায় এড়িয়ে যান। মালিক পক্ষ থেকে জানানো হয়, মালামাল নিজ দায়িত্বে রাখতে হবে।
‎তবে ভুক্তভোগী যাত্রীর দাবি, বাসের ভেতরে মালামাল সাবধানে রাখার ব্যাপারে সুপারভাইজার বা চালকের পক্ষ থেকে কোনো আগাম সতর্কতা দেওয়া হয়নি এবং বাসের কোথাও কোনো সতর্কতামূলক বার্তাও লেখা ছিল না।
‎
‎অভিযোগ উঠেছে, বাসের সুপারভাইজার জুয়েল ভুক্তভোগী যাত্রীর সাথে চরম অসদাচরণ করেছেন। যাত্রী যখন ব্যাগ হারানোর কথা জানান, তখন জুয়েল তাকে সান্ত্বনা দেওয়ার পরিবর্তে উল্টো প্রশ্ন করেন— আপনি যে ব্যাগ এনেছেন তার প্রমাণ কী?
‎সুপারভাইজারের এমন অস্বাভাবিক আচরণে যাত্রীদের ধারণা, এই চুরির ঘটনার সাথে বাসের স্টাফদের যোগসূত্র থাকতে পারে।
‎এমনকি মালিক পক্ষ ব্যবস্থা নেওয়ার কথা বললে সুপারভাইজার কোনো সদুত্তর না দিয়ে উল্টো চাকরি ছেড়ে দেওয়ার হুমকি প্রদান করেন।
‎
‎দীর্ঘদিন এই রুটে যাতায়াতকারী এক নিয়মিত যাত্রী বলেন, আজকের এই ঘটনায় আমরা আতঙ্কিত। বাসের ভেতর থেকে ব্যাগ গায়েব হয়ে যাচ্ছে অথচ কর্তৃপক্ষ কোনো দায় নিচ্ছে না, উল্টো যাত্রীকে প্রমাণ দিতে বলছে! এমন নিরাপত্তাহীনতায় এপোলো বাসে যাতায়াত করা এখন ঝুঁকির বিষয় হয়ে দাঁড়িয়েছে।
‎
‎বর্তমানে এপোলো বাসের নিরাপত্তা ব্যবস্থা এবং স্টাফদের অপেশাদার আচরণ নিয়ে সামাজিক যোগাযোগ মাধ্যম ও নিয়মিত যাত্রীদের মধ্যে তীব্র সমালোচনা চলছে। ভুক্তভোগী যাত্রী এই বিষয়ে প্রশাসনের হস্তক্ষেপ ও হারানো ব্যাগ উদ্ধারে যথাযথ ব্যবস্থা গ্রহণের দাবি জানিয়েছেন।

ট্যাগস :
আপলোডকারীর তথ্য

জনপ্রিয় সংবাদ

‎বানিয়াচংয়ে ইয়ামাহা রাইডার্স ক্লাব (YRC) সদস্যদের গেটটুগেদার অনুষ্ঠিত।

যাত্রীদের মাঝে আতংক....

টাঙ্গাইল-সিলেট রুটে এপোলো বাসে যাত্রীর ব্যাগ গায়েব: উল্টো হেনস্তার শিকার ভুক্তভোগী

সময় ০৬:৪৫:৫৮ অপরাহ্ন, বুধবার, ৪ মার্চ ২০২৬
এপোলো বাস ৩ মার্চ রাত্রি বেলার ছবি


‎
‎টাঙ্গাইল থেকে সিলেটগামী এপোলো এন্টারপ্রাইজ বাসের ভেতর থেকে এক যাত্রীর ব্যাগ নিখোঁজ হওয়ার খবর পাওয়া গেছে। মালামাল হারিয়ে ভুক্তভোগী যাত্রী সহযোগিতা চাইলে বাসের সুপারভাইজার কর্তৃক উল্টো হেনস্তা ও অসদাচরণের শিকার হয়েছেন বলে অভিযোগ উঠেছে। এই ঘটনায় বাসের সাধারণ যাত্রীদের মধ্যে চরম আতঙ্ক ও ক্ষোভ বিরাজ করছে।
‎
‎ভুক্তভোগী যাত্রী জানান, তিনি ২ মার্চ রাতে টাঙ্গাইল থেকে এপোলো বাসে করে সিলেট যাচ্ছিলেন। পথিমধ্যে তিনি লক্ষ্য করেন তার সাথে থাকা ব্যাগটি যথাস্থানে নেই। তাৎক্ষণিক বিষয়টি বাসের সুপারভাইজার জুয়েলকে জানালে নামমাত্র খোঁজাখুজি করে ব্যাগটি পাওয়া যায়নি বলে জানিয়ে দেওয়া হয়!
‎
‎ব্যাগ না পেয়ে যাত্রী তাৎক্ষণিক এপোলোর টাঙ্গাইল কাউন্টার ম্যানেজার সফিকুর রহমান ও সিলেট ম্যানেজার মোজাহিদ মিয়াকে বিষয়টি অবগত করেন। পরবর্তীতে বাসের মালিকের কাছে মুঠোফোনে সহযোগিতা চাইলে তিনি আইনি ব্যবস্থার পরামর্শ দিয়ে নিজের দায় এড়িয়ে যান। মালিক পক্ষ থেকে জানানো হয়, মালামাল নিজ দায়িত্বে রাখতে হবে।
‎তবে ভুক্তভোগী যাত্রীর দাবি, বাসের ভেতরে মালামাল সাবধানে রাখার ব্যাপারে সুপারভাইজার বা চালকের পক্ষ থেকে কোনো আগাম সতর্কতা দেওয়া হয়নি এবং বাসের কোথাও কোনো সতর্কতামূলক বার্তাও লেখা ছিল না।
‎
‎অভিযোগ উঠেছে, বাসের সুপারভাইজার জুয়েল ভুক্তভোগী যাত্রীর সাথে চরম অসদাচরণ করেছেন। যাত্রী যখন ব্যাগ হারানোর কথা জানান, তখন জুয়েল তাকে সান্ত্বনা দেওয়ার পরিবর্তে উল্টো প্রশ্ন করেন— আপনি যে ব্যাগ এনেছেন তার প্রমাণ কী?
‎সুপারভাইজারের এমন অস্বাভাবিক আচরণে যাত্রীদের ধারণা, এই চুরির ঘটনার সাথে বাসের স্টাফদের যোগসূত্র থাকতে পারে।
‎এমনকি মালিক পক্ষ ব্যবস্থা নেওয়ার কথা বললে সুপারভাইজার কোনো সদুত্তর না দিয়ে উল্টো চাকরি ছেড়ে দেওয়ার হুমকি প্রদান করেন।
‎
‎দীর্ঘদিন এই রুটে যাতায়াতকারী এক নিয়মিত যাত্রী বলেন, আজকের এই ঘটনায় আমরা আতঙ্কিত। বাসের ভেতর থেকে ব্যাগ গায়েব হয়ে যাচ্ছে অথচ কর্তৃপক্ষ কোনো দায় নিচ্ছে না, উল্টো যাত্রীকে প্রমাণ দিতে বলছে! এমন নিরাপত্তাহীনতায় এপোলো বাসে যাতায়াত করা এখন ঝুঁকির বিষয় হয়ে দাঁড়িয়েছে।
‎
‎বর্তমানে এপোলো বাসের নিরাপত্তা ব্যবস্থা এবং স্টাফদের অপেশাদার আচরণ নিয়ে সামাজিক যোগাযোগ মাধ্যম ও নিয়মিত যাত্রীদের মধ্যে তীব্র সমালোচনা চলছে। ভুক্তভোগী যাত্রী এই বিষয়ে প্রশাসনের হস্তক্ষেপ ও হারানো ব্যাগ উদ্ধারে যথাযথ ব্যবস্থা গ্রহণের দাবি জানিয়েছেন।