সিলেট ০৯:৩৫ পূর্বাহ্ন, বৃহস্পতিবার, ১৬ এপ্রিল ২০২৬
News Title :
‎বানিয়াচংয়ে অকাল বন্যায় ডুবছে কৃষকের স্বপ্ন: ফসল রক্ষায় লড়ছেন দিশেহারা কৃষক ‎সিলেটে ও সুনামগঞ্জে র‍্যাব-বিআরটিএ’র যৌথ অভিযান: ১১ চালককে জরিমানা, ৭টি সিএনজি জব্দ‎ ‎বাডসের বৈশাখী উৎসবে ভাইস চ্যান্সেলর প্রফেসর ড. মোহাম্মদ জহিরুল হকঃ‎আলোকিত সমাজ গঠনে শুদ্ধ সংস্কৃতি চর্চা অপরিহার্য জামালপুরে গ্রিন বিজনেস মডেলে ভুট্টা চাষের ফসল চাষ প্রদর্শনী ও কৃষক মাঠ দিবস অনুষ্ঠিত প্রতিটি উপজেলায় হবে ‘মাল্টিপারপাস পরীক্ষা কেন্দ্র’: শিক্ষামন্ত্রী ‎ছাতকে বিজ্ঞান মেলা উদ্বোধন,ক্ষুদে বিজ্ঞানীদের উদ্ভাবনে মুখর মেলা প্রাঙ্গণ।‎ সিলেটে অশ্লীল ভিডিও ধারণ করে মুক্তিপণ আদায়কারী ‘হানিট্র্যাপ’ চক্রের সদস্য গ্রেফতার জুড়ীতে পহেলা বৈশাখ ও বাংলা নববর্ষ উদযাপিত ‎কানাডার রাজনীতিতে নতুন ইতিহাস: এমপি নির্বাচিত হলেন বাংলাদেশি বংশোদ্ভূত ডলি বেগম‎ জুড়ীতে প্রধানমন্ত্রী তারেক রহমানের উপহার কৃষক কার্ড পেলেন ৮২১ জন কৃষক
যাত্রীদের মাঝে আতংক....

টাঙ্গাইল-সিলেট রুটে এপোলো বাসে যাত্রীর ব্যাগ গায়েব: উল্টো হেনস্তার শিকার ভুক্তভোগী

0-2976x3968-1-0-{}-0-12#

এপোলো বাস ৩ মার্চ রাত্রি বেলার ছবি



‎টাঙ্গাইল থেকে সিলেটগামী এপোলো এন্টারপ্রাইজ বাসের ভেতর থেকে এক যাত্রীর ব্যাগ নিখোঁজ হওয়ার খবর পাওয়া গেছে। মালামাল হারিয়ে ভুক্তভোগী যাত্রী সহযোগিতা চাইলে বাসের সুপারভাইজার কর্তৃক উল্টো হেনস্তা ও অসদাচরণের শিকার হয়েছেন বলে অভিযোগ উঠেছে। এই ঘটনায় বাসের সাধারণ যাত্রীদের মধ্যে চরম আতঙ্ক ও ক্ষোভ বিরাজ করছে।

‎ভুক্তভোগী যাত্রী জানান, তিনি ২ মার্চ রাতে টাঙ্গাইল থেকে এপোলো বাসে করে সিলেট যাচ্ছিলেন। পথিমধ্যে তিনি লক্ষ্য করেন তার সাথে থাকা ব্যাগটি যথাস্থানে নেই। তাৎক্ষণিক বিষয়টি বাসের সুপারভাইজার জুয়েলকে জানালে নামমাত্র খোঁজাখুজি করে ব্যাগটি পাওয়া যায়নি বলে জানিয়ে দেওয়া হয়!

‎ব্যাগ না পেয়ে যাত্রী তাৎক্ষণিক এপোলোর টাঙ্গাইল কাউন্টার ম্যানেজার সফিকুর রহমান ও সিলেট ম্যানেজার মোজাহিদ মিয়াকে বিষয়টি অবগত করেন। পরবর্তীতে বাসের মালিকের কাছে মুঠোফোনে সহযোগিতা চাইলে তিনি আইনি ব্যবস্থার পরামর্শ দিয়ে নিজের দায় এড়িয়ে যান। মালিক পক্ষ থেকে জানানো হয়, মালামাল নিজ দায়িত্বে রাখতে হবে।
‎তবে ভুক্তভোগী যাত্রীর দাবি, বাসের ভেতরে মালামাল সাবধানে রাখার ব্যাপারে সুপারভাইজার বা চালকের পক্ষ থেকে কোনো আগাম সতর্কতা দেওয়া হয়নি এবং বাসের কোথাও কোনো সতর্কতামূলক বার্তাও লেখা ছিল না।

‎অভিযোগ উঠেছে, বাসের সুপারভাইজার জুয়েল ভুক্তভোগী যাত্রীর সাথে চরম অসদাচরণ করেছেন। যাত্রী যখন ব্যাগ হারানোর কথা জানান, তখন জুয়েল তাকে সান্ত্বনা দেওয়ার পরিবর্তে উল্টো প্রশ্ন করেন— আপনি যে ব্যাগ এনেছেন তার প্রমাণ কী?
‎সুপারভাইজারের এমন অস্বাভাবিক আচরণে যাত্রীদের ধারণা, এই চুরির ঘটনার সাথে বাসের স্টাফদের যোগসূত্র থাকতে পারে।
‎এমনকি মালিক পক্ষ ব্যবস্থা নেওয়ার কথা বললে সুপারভাইজার কোনো সদুত্তর না দিয়ে উল্টো চাকরি ছেড়ে দেওয়ার হুমকি প্রদান করেন।

‎দীর্ঘদিন এই রুটে যাতায়াতকারী এক নিয়মিত যাত্রী বলেন, আজকের এই ঘটনায় আমরা আতঙ্কিত। বাসের ভেতর থেকে ব্যাগ গায়েব হয়ে যাচ্ছে অথচ কর্তৃপক্ষ কোনো দায় নিচ্ছে না, উল্টো যাত্রীকে প্রমাণ দিতে বলছে! এমন নিরাপত্তাহীনতায় এপোলো বাসে যাতায়াত করা এখন ঝুঁকির বিষয় হয়ে দাঁড়িয়েছে।

‎বর্তমানে এপোলো বাসের নিরাপত্তা ব্যবস্থা এবং স্টাফদের অপেশাদার আচরণ নিয়ে সামাজিক যোগাযোগ মাধ্যম ও নিয়মিত যাত্রীদের মধ্যে তীব্র সমালোচনা চলছে। ভুক্তভোগী যাত্রী এই বিষয়ে প্রশাসনের হস্তক্ষেপ ও হারানো ব্যাগ উদ্ধারে যথাযথ ব্যবস্থা গ্রহণের দাবি জানিয়েছেন।

ট্যাগস :
আপলোডকারীর তথ্য

জনপ্রিয় সংবাদ

‎বানিয়াচংয়ে অকাল বন্যায় ডুবছে কৃষকের স্বপ্ন: ফসল রক্ষায় লড়ছেন দিশেহারা কৃষক

যাত্রীদের মাঝে আতংক....

টাঙ্গাইল-সিলেট রুটে এপোলো বাসে যাত্রীর ব্যাগ গায়েব: উল্টো হেনস্তার শিকার ভুক্তভোগী

সময় ০৬:৪৫:৫৮ অপরাহ্ন, বুধবার, ৪ মার্চ ২০২৬
এপোলো বাস ৩ মার্চ রাত্রি বেলার ছবি



‎টাঙ্গাইল থেকে সিলেটগামী এপোলো এন্টারপ্রাইজ বাসের ভেতর থেকে এক যাত্রীর ব্যাগ নিখোঁজ হওয়ার খবর পাওয়া গেছে। মালামাল হারিয়ে ভুক্তভোগী যাত্রী সহযোগিতা চাইলে বাসের সুপারভাইজার কর্তৃক উল্টো হেনস্তা ও অসদাচরণের শিকার হয়েছেন বলে অভিযোগ উঠেছে। এই ঘটনায় বাসের সাধারণ যাত্রীদের মধ্যে চরম আতঙ্ক ও ক্ষোভ বিরাজ করছে।

‎ভুক্তভোগী যাত্রী জানান, তিনি ২ মার্চ রাতে টাঙ্গাইল থেকে এপোলো বাসে করে সিলেট যাচ্ছিলেন। পথিমধ্যে তিনি লক্ষ্য করেন তার সাথে থাকা ব্যাগটি যথাস্থানে নেই। তাৎক্ষণিক বিষয়টি বাসের সুপারভাইজার জুয়েলকে জানালে নামমাত্র খোঁজাখুজি করে ব্যাগটি পাওয়া যায়নি বলে জানিয়ে দেওয়া হয়!

‎ব্যাগ না পেয়ে যাত্রী তাৎক্ষণিক এপোলোর টাঙ্গাইল কাউন্টার ম্যানেজার সফিকুর রহমান ও সিলেট ম্যানেজার মোজাহিদ মিয়াকে বিষয়টি অবগত করেন। পরবর্তীতে বাসের মালিকের কাছে মুঠোফোনে সহযোগিতা চাইলে তিনি আইনি ব্যবস্থার পরামর্শ দিয়ে নিজের দায় এড়িয়ে যান। মালিক পক্ষ থেকে জানানো হয়, মালামাল নিজ দায়িত্বে রাখতে হবে।
‎তবে ভুক্তভোগী যাত্রীর দাবি, বাসের ভেতরে মালামাল সাবধানে রাখার ব্যাপারে সুপারভাইজার বা চালকের পক্ষ থেকে কোনো আগাম সতর্কতা দেওয়া হয়নি এবং বাসের কোথাও কোনো সতর্কতামূলক বার্তাও লেখা ছিল না।

‎অভিযোগ উঠেছে, বাসের সুপারভাইজার জুয়েল ভুক্তভোগী যাত্রীর সাথে চরম অসদাচরণ করেছেন। যাত্রী যখন ব্যাগ হারানোর কথা জানান, তখন জুয়েল তাকে সান্ত্বনা দেওয়ার পরিবর্তে উল্টো প্রশ্ন করেন— আপনি যে ব্যাগ এনেছেন তার প্রমাণ কী?
‎সুপারভাইজারের এমন অস্বাভাবিক আচরণে যাত্রীদের ধারণা, এই চুরির ঘটনার সাথে বাসের স্টাফদের যোগসূত্র থাকতে পারে।
‎এমনকি মালিক পক্ষ ব্যবস্থা নেওয়ার কথা বললে সুপারভাইজার কোনো সদুত্তর না দিয়ে উল্টো চাকরি ছেড়ে দেওয়ার হুমকি প্রদান করেন।

‎দীর্ঘদিন এই রুটে যাতায়াতকারী এক নিয়মিত যাত্রী বলেন, আজকের এই ঘটনায় আমরা আতঙ্কিত। বাসের ভেতর থেকে ব্যাগ গায়েব হয়ে যাচ্ছে অথচ কর্তৃপক্ষ কোনো দায় নিচ্ছে না, উল্টো যাত্রীকে প্রমাণ দিতে বলছে! এমন নিরাপত্তাহীনতায় এপোলো বাসে যাতায়াত করা এখন ঝুঁকির বিষয় হয়ে দাঁড়িয়েছে।

‎বর্তমানে এপোলো বাসের নিরাপত্তা ব্যবস্থা এবং স্টাফদের অপেশাদার আচরণ নিয়ে সামাজিক যোগাযোগ মাধ্যম ও নিয়মিত যাত্রীদের মধ্যে তীব্র সমালোচনা চলছে। ভুক্তভোগী যাত্রী এই বিষয়ে প্রশাসনের হস্তক্ষেপ ও হারানো ব্যাগ উদ্ধারে যথাযথ ব্যবস্থা গ্রহণের দাবি জানিয়েছেন।