
হবিগঞ্জ জেলার চারটি সংসদীয় আসনে দাখিল করা ২৯টি মনোনয়নপত্র যাচাই-বাছাই শেষে ১৯ জন প্রার্থীর মনোনয়ন বৈধ ঘোষণা করা হয়েছে। বিভিন্ন ত্রুটি ও তথ্যগত অসঙ্গতির কারণে ১০ জন প্রার্থীর মনোনয়নপত্র বাতিল করা হয়েছে।
আজ সকাল ১০টা থেকে জেলা প্রশাসনের সম্মেলন কক্ষে পর্যায়ক্রমে চারটি আসনের মনোনয়নপত্র যাচাই-বাছাই কার্যক্রম পরিচালনা করেন জেলা রিটার্নিং অফিসার ও জেলা প্রশাসক আবু হাসনাত মোহাম্মদ আরেফীন। এ সময় অতিরিক্ত জেলা ম্যাজিস্ট্রেট আবুল হাসেম, জেলা নির্বাচন কর্মকর্তা আনোয়ার মাহমুদসহ সংশ্লিষ্ট উপজেলা নির্বাহী কর্মকর্তা ও অন্যান্য সরকারি কর্মকর্তারা উপস্থিত ছিলেন।
হবিগঞ্জ-১ (নবীগঞ্জ-বাহুবল)
এ আসনে ৬ জন প্রার্থী মনোনয়ন দাখিল করেন। যাচাই-বাছাই শেষে ৫ জনের মনোনয়ন বৈধ ঘোষণা করা হয়। স্ট্যাম্পের ওপর হলফনামা দাখিল না করা ও স্বাক্ষর না থাকায় বাংলাদেশ সমাজতান্ত্রিক দল (বাসদ) মনোনীত প্রার্থী কাজী তোফায়েল আহমদের মনোনয়ন বাতিল করা হয়।
হবিগঞ্জ-২ (বানিয়াচং-আজমিরীগঞ্জ)
এ আসনে ৬ জনের মধ্যে ৩ জনের মনোনয়ন বৈধ ঘোষণা করা হয়। ১ শতাংশ ভোটার তালিকা অসম্পূর্ণ থাকায় স্বতন্ত্র প্রার্থী আফছার আহমদ, হলফনামায় মামলার তথ্য গোপন করায় বাসদ মনোনীত প্রার্থী লুকমান আহমদ তালুকদার এবং আবেদন অসম্পূর্ণ ও দলীয় অঙ্গীকারনামার ত্রুটির কারণে বাংলাদেশ খেলাফত মজলিস মনোনীত প্রার্থী মো. নোমান আহমদ সাদীকের মনোনয়ন বাতিল করা হয়।
হবিগঞ্জ-৩ (সদর-লাখাই-শায়েস্তাগঞ্জ)
এ আসনে ৭ জন প্রার্থী মনোনয়ন দাখিল করেন। এর মধ্যে ৬ জনের মনোনয়ন বৈধ ঘোষণা করা হয়। আবেদন ত্রুটিপূর্ণ, স্বাক্ষর ও তথ্যগত গড়মিল এবং আয়কর রিটার্ন না থাকায় বাংলাদেশ সাংস্কৃতিক মুক্তিজোট মনোনীত প্রার্থী মো.শাহিনুর রহমানের মনোনয়ন বাতিল করা হয়।
হবিগঞ্জ-৪ (চুনারুঘাট-মাধবপুর)
এ আসনে ১০ জন প্রার্থী মনোনয়ন দাখিল করেন। যাচাই-বাছাই শেষে ৫ জনের মনোনয়ন বৈধ ঘোষণা করা হয়। দলীয় মনোনয়নে অসঙ্গতি ও প্রয়োজনীয় কাগজপত্রের ঘাটতির কারণে বাংলাদেশ মুসলিম লীগ, বাংলাদেশ সাংস্কৃতিক মুক্তিজোট, আমার বাংলাদেশ পার্টি (এবি) এবং দুই স্বতন্ত্র প্রার্থীর মোট ৫ জনের মনোনয়ন বাতিল করা হয়।
জেলা রিটার্নিং অফিসার জানান, যাদের মনোনয়ন বাতিল হয়েছে তারা আগামী ৯ জানুয়ারির মধ্যে আপিল করতে পারবেন।
আল আমিন খান, হবিগঞ্জ জেলা প্রতিনিধি। 



















