সিলেট ০৮:০৭ পূর্বাহ্ন, শনিবার, ১৭ অক্টোবর ২০২৬
News Title :
লাখাই মুড়িয়াউক ইউনিয়ন নির্বাচনকে সামনে রেখে জমে উঠেছে প্রচার-প্রচারণা ‎সিলেটে বাস টমটম সংঘর্ষে মা-মেয়ে নিহতের ঘটনায় ঘাতক বাস চালক গ্রেপ্তার কুলাউড়ায় নতুন আঙ্গিকে গোবিন্দাস রেস্টুরেন্ট, সাশ্রয়ী মূল্যে মিলবে তিন বেলার খাবার নিউইয়র্ক পুলিশ কর্মকর্তা জুয়েল মাহবুবের সঙ্গে স্রোত সাহিত্য পর্ষদের শুভেচ্ছা বিনিময় ‎হবিগঞ্জে পূজামণ্ডপের নিরাপত্তায় ১২ প্লাটুন বিজিবি মোতায়েন ‎লাখাইয়ে শান্তিপূর্ণ, নির্বিঘ্নে দুর্গাপূজাঁ‎ উদযাপনের লক্ষ্যে মতবিনিময় সভা অনুষ্ঠিত।    ঢাকা-সিলেট মহাসড়কে অলিপুরে ট্রাকের ধাক্কায় মোটরসাইকেল আরোহী মৃত্যু হবিগঞ্জ কারাগারে মাদক মামলার এক বন্দির মৃত্যু ‎লাখাইয়ে পুলিশের উদ্যোগে মাদক ও অপরাধবিরোধী উঠান বৈঠক অনুষ্ঠিত শান্তিগঞ্জে প্রধান শিক্ষক সমিতির ত্রি-বার্ষিক সম্মেলনে সভাপতি মানিক,সম্পাদক সুধা রঞ্জন

‎টাঙ্গাইলের কালিহাতীতে পিতার হত্যার বিচার চেয়ে কন্যার সংবাদ সম্মেলন

বাবার হত্যার সুষ্ঠু বিচার চেয়ে মেয়েদের সংবাদ সম্মেলন।

‎

‎

‎টাঙ্গাইলের কালিহাতী উপজেলার নারান্দিয়া মাইস্তা নয়াপাড়া গ্রামের আবদুল আজিজ (৬২) হত্যাকাণ্ডের বিচারের দাবিতে আজ ১৮ নভেম্বর, টাঙ্গাইল প্রেসক্লাবে সংবাদ সম্মেলন করেছেন তার ৪ কন্যা। নিহত বাবার বিচার চেয়ে লিখিত বক্তব্য উপস্থাপন করেন তার মেয়ে আনিকা।

‎তিনি লিখিত বক্তব্যে তার বাবা কে নির্মমভাবে খুন করেছে চাচা ও চাচাতো ভাইরা মিলে বলে তিনি অভিযোগ করেন।

‎

‎লিখিত অভিযোগে আনিকা আরও জানান, গত ১২ জানুয়ারি, ২০২৫ রাত আনুমানিক ১১টার সময় তার বাবা আবাদী জমির সেচ প্রকল্পের পাশে গেলে তার চাচা ও চাচাতো ভাইরা তাকে মারপিট করে গুরুতরভাবে আহত করে। তখন আবদুল আজিজ কে তারা তাকে মৃত ভেবে ঘটনাস্থল ত্যাগ করে।

‎

‎পরদিন সকাল ৮টার দিকে অভিযুক্ত আসাদুল, রাজু, দুলাল, আসলাম, আজাদ, উজ্জ্বল, রুবেল এবং আব্দুল জলিল তারা সবাই মিলে আবারও তার বাবাকে মারপিট করে। আনিকা ও তার অন্য বোনেরা শোরগোল শুনে ঘটনাস্থলে উপস্থিত হলে আসাদুল ও রাজুসহ ৬/৭ জন সেখান থেকে পালিয়ে যায়।

‎

‎সংবাদ সম্মেলনে আনিকা বলেন, গুরুতর আহত  আবদুল আজিজ মৃত্যুর আগে তার মেয়েদের কাছে আসাদুল ও রাজুর নাম বলে যান। তারা তাদের আহত বাবাকে স্থানীয় চিকিৎসকের কাছে নেওয়া হলে তিনি অবস্থা আশঙ্কাজনক দেখে টাঙ্গাইল জেনারেল হাসপাতালে ভর্তির পরামর্শ দেন। টাঙ্গাইল জেনারেল হাসপাতালের আবদুল আজিজ কে নিয়ে আসলে কর্তব্যরত চিকিৎসক রোগীর অবস্থার অবনতি হওয়ায় উন্নত চিকিৎসার জন্য ঢাকা মেডিকেল কলেজ (ঢামেক) হাসপাতালে স্থানান্তরের পরামর্শ দেন।

‎

‎আনিকা অভিযোগ করেন, তার চাচাতো ভাই রুবেল ও তার বন্ধু চতুরতার সাথে বাবাকে ঢামেক-এ না নিয়ে ন্যাশনাল ইনস্টিটিউট অব নিউরোসায়েন্সেস ও হাসপাতালে (নিটোর) ভর্তি করেন। সেখানেই চিকিৎসাধীন অবস্থায় আবদুল আজিজ মারা যান।

‎

‎লিখিত বক্তব্যে আনিকা বলেন, পরে তার চাচাতো ভাই রুবেল ডাক্তার ও পুলিশকে দিয়ে ইচ্ছেমাফিক লাশের সুরতহাল ও ময়নাতদন্ত করান বলে তিনি সংবাদ সম্মেলনে অভিযোগ করেন।

‎সংবাদ সম্মেলনে আনিকা, তার তিন বোন এবং পরিবারের সদস্যরা অবিলম্বে অভিযুক্ত সকল আসামিকে দ্রুত গ্রেফতার করে দৃষ্টান্তমূলক শাস্তির দাবি জানান।

‎সংবাদ সম্মেলনে নিহত আব্দুল আজিজের মেয়েরা, সাংবাদিকদের কাছে অনুরোধ করে যাতে লিখনীর মাধ্যমে সত্য ঘটনা প্রকাশের পায়।

‎তারা যেন তাদের বাবার হত্যার সুষ্ঠু বিচার নিশ্চিত করার জন্য প্রশাসনের উচ্চমহলের হস্তক্ষেপ ও কামনা করেন।

‎

ট্যাগস :
আপলোডকারীর তথ্য

জনপ্রিয় সংবাদ

লাখাই মুড়িয়াউক ইউনিয়ন নির্বাচনকে সামনে রেখে জমে উঠেছে প্রচার-প্রচারণা

‎টাঙ্গাইলের কালিহাতীতে পিতার হত্যার বিচার চেয়ে কন্যার সংবাদ সম্মেলন

সময় ১১:২১:৩৩ অপরাহ্ন, মঙ্গলবার, ১৮ নভেম্বর ২০২৫

বাবার হত্যার সুষ্ঠু বিচার চেয়ে মেয়েদের সংবাদ সম্মেলন।

‎

‎

‎টাঙ্গাইলের কালিহাতী উপজেলার নারান্দিয়া মাইস্তা নয়াপাড়া গ্রামের আবদুল আজিজ (৬২) হত্যাকাণ্ডের বিচারের দাবিতে আজ ১৮ নভেম্বর, টাঙ্গাইল প্রেসক্লাবে সংবাদ সম্মেলন করেছেন তার ৪ কন্যা। নিহত বাবার বিচার চেয়ে লিখিত বক্তব্য উপস্থাপন করেন তার মেয়ে আনিকা।

‎তিনি লিখিত বক্তব্যে তার বাবা কে নির্মমভাবে খুন করেছে চাচা ও চাচাতো ভাইরা মিলে বলে তিনি অভিযোগ করেন।

‎

‎লিখিত অভিযোগে আনিকা আরও জানান, গত ১২ জানুয়ারি, ২০২৫ রাত আনুমানিক ১১টার সময় তার বাবা আবাদী জমির সেচ প্রকল্পের পাশে গেলে তার চাচা ও চাচাতো ভাইরা তাকে মারপিট করে গুরুতরভাবে আহত করে। তখন আবদুল আজিজ কে তারা তাকে মৃত ভেবে ঘটনাস্থল ত্যাগ করে।

‎

‎পরদিন সকাল ৮টার দিকে অভিযুক্ত আসাদুল, রাজু, দুলাল, আসলাম, আজাদ, উজ্জ্বল, রুবেল এবং আব্দুল জলিল তারা সবাই মিলে আবারও তার বাবাকে মারপিট করে। আনিকা ও তার অন্য বোনেরা শোরগোল শুনে ঘটনাস্থলে উপস্থিত হলে আসাদুল ও রাজুসহ ৬/৭ জন সেখান থেকে পালিয়ে যায়।

‎

‎সংবাদ সম্মেলনে আনিকা বলেন, গুরুতর আহত  আবদুল আজিজ মৃত্যুর আগে তার মেয়েদের কাছে আসাদুল ও রাজুর নাম বলে যান। তারা তাদের আহত বাবাকে স্থানীয় চিকিৎসকের কাছে নেওয়া হলে তিনি অবস্থা আশঙ্কাজনক দেখে টাঙ্গাইল জেনারেল হাসপাতালে ভর্তির পরামর্শ দেন। টাঙ্গাইল জেনারেল হাসপাতালের আবদুল আজিজ কে নিয়ে আসলে কর্তব্যরত চিকিৎসক রোগীর অবস্থার অবনতি হওয়ায় উন্নত চিকিৎসার জন্য ঢাকা মেডিকেল কলেজ (ঢামেক) হাসপাতালে স্থানান্তরের পরামর্শ দেন।

‎

‎আনিকা অভিযোগ করেন, তার চাচাতো ভাই রুবেল ও তার বন্ধু চতুরতার সাথে বাবাকে ঢামেক-এ না নিয়ে ন্যাশনাল ইনস্টিটিউট অব নিউরোসায়েন্সেস ও হাসপাতালে (নিটোর) ভর্তি করেন। সেখানেই চিকিৎসাধীন অবস্থায় আবদুল আজিজ মারা যান।

‎

‎লিখিত বক্তব্যে আনিকা বলেন, পরে তার চাচাতো ভাই রুবেল ডাক্তার ও পুলিশকে দিয়ে ইচ্ছেমাফিক লাশের সুরতহাল ও ময়নাতদন্ত করান বলে তিনি সংবাদ সম্মেলনে অভিযোগ করেন।

‎সংবাদ সম্মেলনে আনিকা, তার তিন বোন এবং পরিবারের সদস্যরা অবিলম্বে অভিযুক্ত সকল আসামিকে দ্রুত গ্রেফতার করে দৃষ্টান্তমূলক শাস্তির দাবি জানান।

‎সংবাদ সম্মেলনে নিহত আব্দুল আজিজের মেয়েরা, সাংবাদিকদের কাছে অনুরোধ করে যাতে লিখনীর মাধ্যমে সত্য ঘটনা প্রকাশের পায়।

‎তারা যেন তাদের বাবার হত্যার সুষ্ঠু বিচার নিশ্চিত করার জন্য প্রশাসনের উচ্চমহলের হস্তক্ষেপ ও কামনা করেন।

‎