সিলেট ০১:০৩ পূর্বাহ্ন, বুধবার, ০২ সেপ্টেম্বর ২০২৬
News Title :
গোলাপগঞ্জে ২১০০ পিস ইয়াবাসহ গ্রেপ্তার ২, নগদ টাকা উদ্ধার ‎জৈন্তাপুর সীমান্তে ওয়াচ টাওয়ারে বিজিবি সদস্যের ঝুলন্ত মরদেহ উদ্ধার ‎জামালপুরে বর্ণাঢ্য র‍্যালি ও আলোচনা সভার মাধ্যমে বিএনপির ৪৮ তম প্রতিষ্ঠাবার্ষিকী পালিত লাখাইয়ে নতুন ইউএনও তারেক হাসান, এর যোগদান ‎বিএনপির ৪৮তম প্রতিষ্ঠাবার্ষিকী উপলক্ষে বানিয়াচংয়ে বর্ণাঢ্য র‌্যালী। ইয়াবা সেবনের দায়ে বাহুবলে এক ব্যক্তির ৬ মাসের কারাদণ্ড ‎স্পেনে বাইসাইকেল গ্যারেজে ভয়াবহ অগ্নিকাণ্ডে এক বাংলাদেশীর তরুণে মৃত্যু বানিয়াচং জনাব আলী সরকারি কলেজের সহকারী অধ্যাপক অনুপ রায় এর অবসরজনিত বিদায় সংবর্ধনা ‎মাধ্যমিক শিক্ষক সমিতি আনুষ্ঠানিক কার্যক্রম শুরু: বানিয়াচংয়ের বিদায়ী ইউএনও কে সংবর্ধনা প্রদান। ‎গোয়াইনঘাটে নজরুল বিষয়ক জাতীয় সাংস্কৃতিক প্রতিযোগিতার উদ্বোধন

‎টাঙ্গাইলের কালিহাতীতে পিতার হত্যার বিচার চেয়ে কন্যার সংবাদ সম্মেলন

বাবার হত্যার সুষ্ঠু বিচার চেয়ে মেয়েদের সংবাদ সম্মেলন।



‎টাঙ্গাইলের কালিহাতী উপজেলার নারান্দিয়া মাইস্তা নয়াপাড়া গ্রামের আবদুল আজিজ (৬২) হত্যাকাণ্ডের বিচারের দাবিতে আজ ১৮ নভেম্বর, টাঙ্গাইল প্রেসক্লাবে সংবাদ সম্মেলন করেছেন তার ৪ কন্যা। নিহত বাবার বিচার চেয়ে লিখিত বক্তব্য উপস্থাপন করেন তার মেয়ে আনিকা।

‎তিনি লিখিত বক্তব্যে তার বাবা কে নির্মমভাবে খুন করেছে চাচা ও চাচাতো ভাইরা মিলে বলে তিনি অভিযোগ করেন।


‎লিখিত অভিযোগে আনিকা আরও জানান, গত ১২ জানুয়ারি, ২০২৫ রাত আনুমানিক ১১টার সময় তার বাবা আবাদী জমির সেচ প্রকল্পের পাশে গেলে তার চাচা ও চাচাতো ভাইরা তাকে মারপিট করে গুরুতরভাবে আহত করে। তখন আবদুল আজিজ কে তারা তাকে মৃত ভেবে ঘটনাস্থল ত্যাগ করে।


‎পরদিন সকাল ৮টার দিকে অভিযুক্ত আসাদুল, রাজু, দুলাল, আসলাম, আজাদ, উজ্জ্বল, রুবেল এবং আব্দুল জলিল তারা সবাই মিলে আবারও তার বাবাকে মারপিট করে। আনিকা ও তার অন্য বোনেরা শোরগোল শুনে ঘটনাস্থলে উপস্থিত হলে আসাদুল ও রাজুসহ ৬/৭ জন সেখান থেকে পালিয়ে যায়।


‎সংবাদ সম্মেলনে আনিকা বলেন, গুরুতর আহত  আবদুল আজিজ মৃত্যুর আগে তার মেয়েদের কাছে আসাদুল ও রাজুর নাম বলে যান। তারা তাদের আহত বাবাকে স্থানীয় চিকিৎসকের কাছে নেওয়া হলে তিনি অবস্থা আশঙ্কাজনক দেখে টাঙ্গাইল জেনারেল হাসপাতালে ভর্তির পরামর্শ দেন। টাঙ্গাইল জেনারেল হাসপাতালের আবদুল আজিজ কে নিয়ে আসলে কর্তব্যরত চিকিৎসক রোগীর অবস্থার অবনতি হওয়ায় উন্নত চিকিৎসার জন্য ঢাকা মেডিকেল কলেজ (ঢামেক) হাসপাতালে স্থানান্তরের পরামর্শ দেন।


‎আনিকা অভিযোগ করেন, তার চাচাতো ভাই রুবেল ও তার বন্ধু চতুরতার সাথে বাবাকে ঢামেক-এ না নিয়ে ন্যাশনাল ইনস্টিটিউট অব নিউরোসায়েন্সেস ও হাসপাতালে (নিটোর) ভর্তি করেন। সেখানেই চিকিৎসাধীন অবস্থায় আবদুল আজিজ মারা যান।


‎লিখিত বক্তব্যে আনিকা বলেন, পরে তার চাচাতো ভাই রুবেল ডাক্তার ও পুলিশকে দিয়ে ইচ্ছেমাফিক লাশের সুরতহাল ও ময়নাতদন্ত করান বলে তিনি সংবাদ সম্মেলনে অভিযোগ করেন।

‎সংবাদ সম্মেলনে আনিকা, তার তিন বোন এবং পরিবারের সদস্যরা অবিলম্বে অভিযুক্ত সকল আসামিকে দ্রুত গ্রেফতার করে দৃষ্টান্তমূলক শাস্তির দাবি জানান।

‎সংবাদ সম্মেলনে নিহত আব্দুল আজিজের মেয়েরা, সাংবাদিকদের কাছে অনুরোধ করে যাতে লিখনীর মাধ্যমে সত্য ঘটনা প্রকাশের পায়।

‎তারা যেন তাদের বাবার হত্যার সুষ্ঠু বিচার নিশ্চিত করার জন্য প্রশাসনের উচ্চমহলের হস্তক্ষেপ ও কামনা করেন।

ট্যাগস :
আপলোডকারীর তথ্য

গোলাপগঞ্জে ২১০০ পিস ইয়াবাসহ গ্রেপ্তার ২, নগদ টাকা উদ্ধার

‎টাঙ্গাইলের কালিহাতীতে পিতার হত্যার বিচার চেয়ে কন্যার সংবাদ সম্মেলন

সময় ১১:২১:৩৩ অপরাহ্ন, মঙ্গলবার, ১৮ নভেম্বর ২০২৫

বাবার হত্যার সুষ্ঠু বিচার চেয়ে মেয়েদের সংবাদ সম্মেলন।



‎টাঙ্গাইলের কালিহাতী উপজেলার নারান্দিয়া মাইস্তা নয়াপাড়া গ্রামের আবদুল আজিজ (৬২) হত্যাকাণ্ডের বিচারের দাবিতে আজ ১৮ নভেম্বর, টাঙ্গাইল প্রেসক্লাবে সংবাদ সম্মেলন করেছেন তার ৪ কন্যা। নিহত বাবার বিচার চেয়ে লিখিত বক্তব্য উপস্থাপন করেন তার মেয়ে আনিকা।

‎তিনি লিখিত বক্তব্যে তার বাবা কে নির্মমভাবে খুন করেছে চাচা ও চাচাতো ভাইরা মিলে বলে তিনি অভিযোগ করেন।


‎লিখিত অভিযোগে আনিকা আরও জানান, গত ১২ জানুয়ারি, ২০২৫ রাত আনুমানিক ১১টার সময় তার বাবা আবাদী জমির সেচ প্রকল্পের পাশে গেলে তার চাচা ও চাচাতো ভাইরা তাকে মারপিট করে গুরুতরভাবে আহত করে। তখন আবদুল আজিজ কে তারা তাকে মৃত ভেবে ঘটনাস্থল ত্যাগ করে।


‎পরদিন সকাল ৮টার দিকে অভিযুক্ত আসাদুল, রাজু, দুলাল, আসলাম, আজাদ, উজ্জ্বল, রুবেল এবং আব্দুল জলিল তারা সবাই মিলে আবারও তার বাবাকে মারপিট করে। আনিকা ও তার অন্য বোনেরা শোরগোল শুনে ঘটনাস্থলে উপস্থিত হলে আসাদুল ও রাজুসহ ৬/৭ জন সেখান থেকে পালিয়ে যায়।


‎সংবাদ সম্মেলনে আনিকা বলেন, গুরুতর আহত  আবদুল আজিজ মৃত্যুর আগে তার মেয়েদের কাছে আসাদুল ও রাজুর নাম বলে যান। তারা তাদের আহত বাবাকে স্থানীয় চিকিৎসকের কাছে নেওয়া হলে তিনি অবস্থা আশঙ্কাজনক দেখে টাঙ্গাইল জেনারেল হাসপাতালে ভর্তির পরামর্শ দেন। টাঙ্গাইল জেনারেল হাসপাতালের আবদুল আজিজ কে নিয়ে আসলে কর্তব্যরত চিকিৎসক রোগীর অবস্থার অবনতি হওয়ায় উন্নত চিকিৎসার জন্য ঢাকা মেডিকেল কলেজ (ঢামেক) হাসপাতালে স্থানান্তরের পরামর্শ দেন।


‎আনিকা অভিযোগ করেন, তার চাচাতো ভাই রুবেল ও তার বন্ধু চতুরতার সাথে বাবাকে ঢামেক-এ না নিয়ে ন্যাশনাল ইনস্টিটিউট অব নিউরোসায়েন্সেস ও হাসপাতালে (নিটোর) ভর্তি করেন। সেখানেই চিকিৎসাধীন অবস্থায় আবদুল আজিজ মারা যান।


‎লিখিত বক্তব্যে আনিকা বলেন, পরে তার চাচাতো ভাই রুবেল ডাক্তার ও পুলিশকে দিয়ে ইচ্ছেমাফিক লাশের সুরতহাল ও ময়নাতদন্ত করান বলে তিনি সংবাদ সম্মেলনে অভিযোগ করেন।

‎সংবাদ সম্মেলনে আনিকা, তার তিন বোন এবং পরিবারের সদস্যরা অবিলম্বে অভিযুক্ত সকল আসামিকে দ্রুত গ্রেফতার করে দৃষ্টান্তমূলক শাস্তির দাবি জানান।

‎সংবাদ সম্মেলনে নিহত আব্দুল আজিজের মেয়েরা, সাংবাদিকদের কাছে অনুরোধ করে যাতে লিখনীর মাধ্যমে সত্য ঘটনা প্রকাশের পায়।

‎তারা যেন তাদের বাবার হত্যার সুষ্ঠু বিচার নিশ্চিত করার জন্য প্রশাসনের উচ্চমহলের হস্তক্ষেপ ও কামনা করেন।