
হবিগঞ্জের বানিয়াচংয়ে মাদ্রাসা ছাত্র মঈনুল হাসান(১২)হত্যা কান্ডের ঘটনায় অঞ্জাত আসামি করে একটি হত্যা মামলা দায়ের করেন নিহত মঈনুল হাসান এর পিতা আতিকুর মিয়া।
এই ঘটনায় সন্দেহ ভাজন নিহত মঈনুল হাসানের চাচাতো ভাইকে সন্দেহ ভাজন হিসাবে জিজ্ঞাসাবাদের জন্য ২৪ অক্টোবর
(শুক্রবার)বিকেলে উপজেলার ৩নং দক্ষিণ পূর্ব ইউনিয়নের দোয়াখানী মহল্লার নূরানী মিয়ার পুত্র মোফাজ্জল মিয়া(২৫) নামের এক যুবককে আটক করে থানায় নিয়ে যায় পুলিশ।
উল্লেখ্য,গত ২১ অক্টোবর নিখোঁজ হওয়া মাদ্রাসা ছাত্র মঈনুল হাসান(১২)এর মরদেহ ২২ অক্টোবর এলাকার আরজতের হাওরের একটি(ডোবা)থেকে মেয়েদের পোশাক পরিহিত অবস্থায় উদ্ধার করে থানা পুলিশ।
পর ময়নাতদন্তের হবিগঞ্জ সদর আধুনিক হাসপাতালে প্রেরণ করা হয়।
এইদিন হাসপাতালে ডাক্তার না থাকায় পরদিন ২৩ অক্টোবর ময়নাতদন্তের কাজ শেষে সকাল ১১টার দিকে মঈনুলের মরদেহ বাড়িতে নিয়ে আসা হয়।
পরে নিহত মঈনুলের বাড়ি পাশে ঈদগাহ্ মাঠে জানাজা শেষে দাফন কাজ সম্পন্ন করা হয়।
এবং ২৩ অক্টোবর বিকালে নিহত মঈনুল হাসান এর হত্যাকারীদের গ্রেফতার ও বিচার দাবিতে মাদ্রাসার পক্ষ হতে এক মানববন্ধন এর আয়োজন করেন কতৃপক্ষ।
স্থানীয় গ্যানিংগঞ্জ বাজারে উক্ত মানববন্ধনে অংশ গ্রহন করেন এলাকাবাসীর লোকজন ও বানিয়াচংয়ের সর্বস্তরের আলেম উলামায়ে কেরাম সহ সিনিয়র নেতৃবৃন্দ,এছাড়াও বিভিন্ন রাজনৈতিক অঙ্গ সংগঠনের নেতৃবৃন্দ ও অন্যান্য মাদ্রাসার শিক্ষক ছাত্র এবং আপামর জনসাধারণ।
মানববন্ধনে অংশ গ্রহনকারী ও বক্তাগন মঈনুল হাসান হত্যাকারীদের ফাঁশি দাবি করে পুলিশ প্রশাসনকে ২৪ ঘন্টার আল্টিমেটাম দেন।
অন্যাথায় সমগ্র উপজেলাবাসীকে নিয়ে সামনে বড় ধরনের কর্মসূচি পালন করারও হুশিয়ারি উচ্চারণ করেন।
এদিকে মামলার তদন্তকারী কর্মকর্তা(এসআই)
মিজান মোড়ল জানান,মোফাজ্জলকে জিজ্ঞাসাবাদের জন্য আটক করা হয়েছে।
এবং হত্যাকান্ডের সাথে জড়িত কোন ধরনের ক্লু পেলে তাকে গ্রেফতার দেখিয়ে হত্যা মামলায় আদালতের মাধ্যমে কারাগারে প্রেরণ করা হবে।
এ ব্যাপারে সর্বশেষ জানতে অফিসার ইনচার্জ(ওসি) মিজানুর রহমানের এর সাথে মুঠোফোন ও থানার সরকারি মোবাইল ফোন নাম্বারের হোয়াটসঅ্যাপে যোগাযোগ করা হলে, কোন সাড়া না পাওয়ায় বক্তব্য জানা সম্ভব হয়নি।
এ আর রুমন 


















