সিলেট ০৬:৫৬ অপরাহ্ন, বৃহস্পতিবার, ১৬ এপ্রিল ২০২৬
News Title :
‎মৌলভীবাজারে দুর্যোগ ঝুঁকি হ্রাস বিষয়ক অভিজ্ঞতা বিনিময় কর্মশালা অনুষ্ঠিত ঝড়ের তাণ্ডবে নবীগঞ্জে জনদুর্ভোগ, গাছ পড়ে সড়ক বন্ধ, বিদ্যুৎ নেই ঘণ্টার পর ঘণ্টা ‎সিলেট ওসমানী মেডিকেলে বানিয়াচংয়ের কুখ্যাত দালাল চক্রের মুলহোতা আটক। ‎বানিয়াচংয়ে জমি নিয়ে বিরোধ: ভাইদের আহত প্রবাসীর মৃত্যু, ভাই ও ভাবি গ্রেপ্তার‎ ‎বানিয়াচংয়ে অকাল বন্যায় ডুবছে কৃষকের স্বপ্ন: ফসল রক্ষায় লড়ছেন দিশেহারা কৃষক ‎সিলেটে ও সুনামগঞ্জে র‍্যাব-বিআরটিএ’র যৌথ অভিযান: ১১ চালককে জরিমানা, ৭টি সিএনজি জব্দ‎ ‎বাডসের বৈশাখী উৎসবে ভাইস চ্যান্সেলর প্রফেসর ড. মোহাম্মদ জহিরুল হকঃ‎আলোকিত সমাজ গঠনে শুদ্ধ সংস্কৃতি চর্চা অপরিহার্য জামালপুরে গ্রিন বিজনেস মডেলে ভুট্টা চাষের ফসল চাষ প্রদর্শনী ও কৃষক মাঠ দিবস অনুষ্ঠিত প্রতিটি উপজেলায় হবে ‘মাল্টিপারপাস পরীক্ষা কেন্দ্র’: শিক্ষামন্ত্রী ‎ছাতকে বিজ্ঞান মেলা উদ্বোধন,ক্ষুদে বিজ্ঞানীদের উদ্ভাবনে মুখর মেলা প্রাঙ্গণ।‎

‎এইচএসসি পরীক্ষার ফলাফল বিপর্যয়: হবিগঞ্জের এক কলেজে একজনও পাস করেনি, ৪৭ প্রতিষ্ঠানে করুণ চিত্র‎

ছবি- প্রতীকী।


‎সদ্য প্রকাশিত উচ্চ মাধ্যমিক সার্টিফিকেট (এইচএসসি) পরীক্ষার ফলাফলে হবিগঞ্জ জেলায় চরম বিপর্যয় লক্ষ্য করা গেছে।
‎জেলার একটি শিক্ষা প্রতিষ্ঠান থেকে এবার অংশ নেওয়া কোনো শিক্ষার্থীই পাস করতে পারেনি। এছাড়াও আরও ৪টি প্রতিষ্ঠানের পাশের হার অত্যন্ত হতাশাজনক, যেখানে মাত্র একজন করে শিক্ষার্থী উত্তীর্ণ হয়েছে। বৃহস্পতিবার প্রকাশিত ফলাফলের বিশ্লেষণে এই উদ্বেগজনক তথ্য উঠে এসেছে।

‎এবারের এইচএসসি পরীক্ষায় হবিগঞ্জের মাধবপুর উপজেলার সৈয়দ সঈদ উদ্দিন উচ্চ বিদ্যালয় অ্যান্ড কলেজ থেকে অংশ নেওয়া ৭ জন শিক্ষার্থীর কেউই পাস করতে পারেনি। এই প্রতিষ্ঠানটি জেলায় একমাত্র শিক্ষাপ্রতিষ্ঠান, যেখানে পাশের হার শূন্য (শতভাগ ফেল)।

‎জেলার আরও চারটি শিক্ষাপ্রতিষ্ঠানের ফলাফলও অত্যন্ত করুণ। এই প্রতিষ্ঠানগুলোতে মাত্র একজন করে শিক্ষার্থী উত্তীর্ণ হয়েছে:
‎বানিয়াচংয়ের রত্না উচ্চ বিদ্যালয় অ্যান্ড কলেজ (১১ জনের মধ্যে ১ জন পাস)
‎লাখাইয়ের মোড়াকরি হাইস্কুল অ্যান্ড কলেজ (২০ জনের মধ্যে ১ জন পাস) ভবানীপুর হাইস্কুল অ্যান্ড কলেজ (১৮ জনের মধ্যে ১ জন পাস)
‎চুনারুঘাট উপজেলার শানখলা আলীম মাদ্রাসা (১৩ জনের মধ্যে ১ জন পাস)
‎অর্ধেকের বেশি ফেল ৪৩টি প্রতিষ্ঠানে:
‎অন্যদিকে, জেলার মোট ৪৩টি শিক্ষাপ্রতিষ্ঠানে পাশের হার ৫০ শতাংশেরও কম। অর্থাৎ, এই প্রতিষ্ঠানগুলোতে অর্ধেকের বেশি শিক্ষার্থী ফেল করেছে।
‎উপজেলাভিত্তিক এই প্রতিষ্ঠানের সংখ্যা হলো:
‎ * মাধবপুর: ১০টি
‎ * সদর উপজেলা: ৯টি
‎ * চুনারুঘাট: ৭টি
‎ * বানিয়াচং: ৪টি
‎ * নবীগঞ্জ: ৪টি
‎ * লাখাই: ৩টি
‎ * বাহুবল: ৩টি
‎ * শায়েস্তাগঞ্জ: ২টি
‎ * আজমিরীগঞ্জ: ১টি
‎পর্যবেক্ষকরা বলছেন, এবারের সামগ্রিক ফল জেলার শিক্ষাব্যবস্থার দুর্বলতাকেই তুলে ধরেছে। জেলার শিক্ষা প্রতিষ্ঠানগুলোতে এমন ফল বিপর্যয়ের কারণ খতিয়ে দেখে দ্রুত প্রয়োজনীয় ব্যবস্থা গ্রহণ করা দরকার বলে মনে করছেন শিক্ষাবিদ ও অভিভাবকরা।

ট্যাগস :
আপলোডকারীর তথ্য

জনপ্রিয় সংবাদ

‎মৌলভীবাজারে দুর্যোগ ঝুঁকি হ্রাস বিষয়ক অভিজ্ঞতা বিনিময় কর্মশালা অনুষ্ঠিত

‎এইচএসসি পরীক্ষার ফলাফল বিপর্যয়: হবিগঞ্জের এক কলেজে একজনও পাস করেনি, ৪৭ প্রতিষ্ঠানে করুণ চিত্র‎

সময় ১১:০১:১১ পূর্বাহ্ন, শনিবার, ১৮ অক্টোবর ২০২৫

ছবি- প্রতীকী।


‎সদ্য প্রকাশিত উচ্চ মাধ্যমিক সার্টিফিকেট (এইচএসসি) পরীক্ষার ফলাফলে হবিগঞ্জ জেলায় চরম বিপর্যয় লক্ষ্য করা গেছে।
‎জেলার একটি শিক্ষা প্রতিষ্ঠান থেকে এবার অংশ নেওয়া কোনো শিক্ষার্থীই পাস করতে পারেনি। এছাড়াও আরও ৪টি প্রতিষ্ঠানের পাশের হার অত্যন্ত হতাশাজনক, যেখানে মাত্র একজন করে শিক্ষার্থী উত্তীর্ণ হয়েছে। বৃহস্পতিবার প্রকাশিত ফলাফলের বিশ্লেষণে এই উদ্বেগজনক তথ্য উঠে এসেছে।

‎এবারের এইচএসসি পরীক্ষায় হবিগঞ্জের মাধবপুর উপজেলার সৈয়দ সঈদ উদ্দিন উচ্চ বিদ্যালয় অ্যান্ড কলেজ থেকে অংশ নেওয়া ৭ জন শিক্ষার্থীর কেউই পাস করতে পারেনি। এই প্রতিষ্ঠানটি জেলায় একমাত্র শিক্ষাপ্রতিষ্ঠান, যেখানে পাশের হার শূন্য (শতভাগ ফেল)।

‎জেলার আরও চারটি শিক্ষাপ্রতিষ্ঠানের ফলাফলও অত্যন্ত করুণ। এই প্রতিষ্ঠানগুলোতে মাত্র একজন করে শিক্ষার্থী উত্তীর্ণ হয়েছে:
‎বানিয়াচংয়ের রত্না উচ্চ বিদ্যালয় অ্যান্ড কলেজ (১১ জনের মধ্যে ১ জন পাস)
‎লাখাইয়ের মোড়াকরি হাইস্কুল অ্যান্ড কলেজ (২০ জনের মধ্যে ১ জন পাস) ভবানীপুর হাইস্কুল অ্যান্ড কলেজ (১৮ জনের মধ্যে ১ জন পাস)
‎চুনারুঘাট উপজেলার শানখলা আলীম মাদ্রাসা (১৩ জনের মধ্যে ১ জন পাস)
‎অর্ধেকের বেশি ফেল ৪৩টি প্রতিষ্ঠানে:
‎অন্যদিকে, জেলার মোট ৪৩টি শিক্ষাপ্রতিষ্ঠানে পাশের হার ৫০ শতাংশেরও কম। অর্থাৎ, এই প্রতিষ্ঠানগুলোতে অর্ধেকের বেশি শিক্ষার্থী ফেল করেছে।
‎উপজেলাভিত্তিক এই প্রতিষ্ঠানের সংখ্যা হলো:
‎ * মাধবপুর: ১০টি
‎ * সদর উপজেলা: ৯টি
‎ * চুনারুঘাট: ৭টি
‎ * বানিয়াচং: ৪টি
‎ * নবীগঞ্জ: ৪টি
‎ * লাখাই: ৩টি
‎ * বাহুবল: ৩টি
‎ * শায়েস্তাগঞ্জ: ২টি
‎ * আজমিরীগঞ্জ: ১টি
‎পর্যবেক্ষকরা বলছেন, এবারের সামগ্রিক ফল জেলার শিক্ষাব্যবস্থার দুর্বলতাকেই তুলে ধরেছে। জেলার শিক্ষা প্রতিষ্ঠানগুলোতে এমন ফল বিপর্যয়ের কারণ খতিয়ে দেখে দ্রুত প্রয়োজনীয় ব্যবস্থা গ্রহণ করা দরকার বলে মনে করছেন শিক্ষাবিদ ও অভিভাবকরা।