সিলেট ০৮:১৬ অপরাহ্ন, বুধবার, ০৩ জুন ২০২৬
News Title :
হবিগঞ্জে ‎ফুটবল খেলাকে কেন্দ্র করে সংঘর্ষ, আহত অর্ধশতাধিক বিয়ানীবাজারে মাদ্রাসা ছাত্রকে বলাৎকারের অভিযোগে বৃদ্ধ গ্রেফতার ‎নবীগঞ্জে গৃহবধূ ধর্ষণ মামলায় ছাত্রদল নেতা গ্রেপ্তার ‎শান্তিগঞ্জে কাভার ভ্যানের চাপায় পিষ্ট হয়ে শিশু নিহত ‎দিরাই’র মিতা হত্যা মামলার নারী আসামী সিলেটে র‍্যাবের হাতে গ্রেফতার ‎মাধবপুরে সালিশ বৈঠকে ভিডিও ধারণ নিয়ে  সংঘর্ষ, আহত ৩০ বানিয়াচং মডেল প্রেসক্লাবের ঈদ পুনর্মিলনী অনুষ্ঠিত ‎কালের কণ্ঠে যোগ দিলেন সাংবাদিক আবু বকর সিদ্দিক চৌধুরী রাষ্ট্রীয় সম্মানে বীর মুক্তিযোদ্ধা আব্দুল মতিনের জানাজা ও দাফন সম্পন্ন ‎চুনারুঘাটে অবৈধ সিলিকা বালু উত্তোলনের বিরুদ্ধে অভিযান

‎এইচএসসি পরীক্ষার ফলাফল বিপর্যয়: হবিগঞ্জের এক কলেজে একজনও পাস করেনি, ৪৭ প্রতিষ্ঠানে করুণ চিত্র‎

ছবি- প্রতীকী।


‎সদ্য প্রকাশিত উচ্চ মাধ্যমিক সার্টিফিকেট (এইচএসসি) পরীক্ষার ফলাফলে হবিগঞ্জ জেলায় চরম বিপর্যয় লক্ষ্য করা গেছে।
‎জেলার একটি শিক্ষা প্রতিষ্ঠান থেকে এবার অংশ নেওয়া কোনো শিক্ষার্থীই পাস করতে পারেনি। এছাড়াও আরও ৪টি প্রতিষ্ঠানের পাশের হার অত্যন্ত হতাশাজনক, যেখানে মাত্র একজন করে শিক্ষার্থী উত্তীর্ণ হয়েছে। বৃহস্পতিবার প্রকাশিত ফলাফলের বিশ্লেষণে এই উদ্বেগজনক তথ্য উঠে এসেছে।

‎এবারের এইচএসসি পরীক্ষায় হবিগঞ্জের মাধবপুর উপজেলার সৈয়দ সঈদ উদ্দিন উচ্চ বিদ্যালয় অ্যান্ড কলেজ থেকে অংশ নেওয়া ৭ জন শিক্ষার্থীর কেউই পাস করতে পারেনি। এই প্রতিষ্ঠানটি জেলায় একমাত্র শিক্ষাপ্রতিষ্ঠান, যেখানে পাশের হার শূন্য (শতভাগ ফেল)।

‎জেলার আরও চারটি শিক্ষাপ্রতিষ্ঠানের ফলাফলও অত্যন্ত করুণ। এই প্রতিষ্ঠানগুলোতে মাত্র একজন করে শিক্ষার্থী উত্তীর্ণ হয়েছে:
‎বানিয়াচংয়ের রত্না উচ্চ বিদ্যালয় অ্যান্ড কলেজ (১১ জনের মধ্যে ১ জন পাস)
‎লাখাইয়ের মোড়াকরি হাইস্কুল অ্যান্ড কলেজ (২০ জনের মধ্যে ১ জন পাস) ভবানীপুর হাইস্কুল অ্যান্ড কলেজ (১৮ জনের মধ্যে ১ জন পাস)
‎চুনারুঘাট উপজেলার শানখলা আলীম মাদ্রাসা (১৩ জনের মধ্যে ১ জন পাস)
‎অর্ধেকের বেশি ফেল ৪৩টি প্রতিষ্ঠানে:
‎অন্যদিকে, জেলার মোট ৪৩টি শিক্ষাপ্রতিষ্ঠানে পাশের হার ৫০ শতাংশেরও কম। অর্থাৎ, এই প্রতিষ্ঠানগুলোতে অর্ধেকের বেশি শিক্ষার্থী ফেল করেছে।
‎উপজেলাভিত্তিক এই প্রতিষ্ঠানের সংখ্যা হলো:
‎ * মাধবপুর: ১০টি
‎ * সদর উপজেলা: ৯টি
‎ * চুনারুঘাট: ৭টি
‎ * বানিয়াচং: ৪টি
‎ * নবীগঞ্জ: ৪টি
‎ * লাখাই: ৩টি
‎ * বাহুবল: ৩টি
‎ * শায়েস্তাগঞ্জ: ২টি
‎ * আজমিরীগঞ্জ: ১টি
‎পর্যবেক্ষকরা বলছেন, এবারের সামগ্রিক ফল জেলার শিক্ষাব্যবস্থার দুর্বলতাকেই তুলে ধরেছে। জেলার শিক্ষা প্রতিষ্ঠানগুলোতে এমন ফল বিপর্যয়ের কারণ খতিয়ে দেখে দ্রুত প্রয়োজনীয় ব্যবস্থা গ্রহণ করা দরকার বলে মনে করছেন শিক্ষাবিদ ও অভিভাবকরা।

ট্যাগস :
আপলোডকারীর তথ্য

জনপ্রিয় সংবাদ

হবিগঞ্জে ‎ফুটবল খেলাকে কেন্দ্র করে সংঘর্ষ, আহত অর্ধশতাধিক

‎এইচএসসি পরীক্ষার ফলাফল বিপর্যয়: হবিগঞ্জের এক কলেজে একজনও পাস করেনি, ৪৭ প্রতিষ্ঠানে করুণ চিত্র‎

সময় ১১:০১:১১ পূর্বাহ্ন, শনিবার, ১৮ অক্টোবর ২০২৫

ছবি- প্রতীকী।


‎সদ্য প্রকাশিত উচ্চ মাধ্যমিক সার্টিফিকেট (এইচএসসি) পরীক্ষার ফলাফলে হবিগঞ্জ জেলায় চরম বিপর্যয় লক্ষ্য করা গেছে।
‎জেলার একটি শিক্ষা প্রতিষ্ঠান থেকে এবার অংশ নেওয়া কোনো শিক্ষার্থীই পাস করতে পারেনি। এছাড়াও আরও ৪টি প্রতিষ্ঠানের পাশের হার অত্যন্ত হতাশাজনক, যেখানে মাত্র একজন করে শিক্ষার্থী উত্তীর্ণ হয়েছে। বৃহস্পতিবার প্রকাশিত ফলাফলের বিশ্লেষণে এই উদ্বেগজনক তথ্য উঠে এসেছে।

‎এবারের এইচএসসি পরীক্ষায় হবিগঞ্জের মাধবপুর উপজেলার সৈয়দ সঈদ উদ্দিন উচ্চ বিদ্যালয় অ্যান্ড কলেজ থেকে অংশ নেওয়া ৭ জন শিক্ষার্থীর কেউই পাস করতে পারেনি। এই প্রতিষ্ঠানটি জেলায় একমাত্র শিক্ষাপ্রতিষ্ঠান, যেখানে পাশের হার শূন্য (শতভাগ ফেল)।

‎জেলার আরও চারটি শিক্ষাপ্রতিষ্ঠানের ফলাফলও অত্যন্ত করুণ। এই প্রতিষ্ঠানগুলোতে মাত্র একজন করে শিক্ষার্থী উত্তীর্ণ হয়েছে:
‎বানিয়াচংয়ের রত্না উচ্চ বিদ্যালয় অ্যান্ড কলেজ (১১ জনের মধ্যে ১ জন পাস)
‎লাখাইয়ের মোড়াকরি হাইস্কুল অ্যান্ড কলেজ (২০ জনের মধ্যে ১ জন পাস) ভবানীপুর হাইস্কুল অ্যান্ড কলেজ (১৮ জনের মধ্যে ১ জন পাস)
‎চুনারুঘাট উপজেলার শানখলা আলীম মাদ্রাসা (১৩ জনের মধ্যে ১ জন পাস)
‎অর্ধেকের বেশি ফেল ৪৩টি প্রতিষ্ঠানে:
‎অন্যদিকে, জেলার মোট ৪৩টি শিক্ষাপ্রতিষ্ঠানে পাশের হার ৫০ শতাংশেরও কম। অর্থাৎ, এই প্রতিষ্ঠানগুলোতে অর্ধেকের বেশি শিক্ষার্থী ফেল করেছে।
‎উপজেলাভিত্তিক এই প্রতিষ্ঠানের সংখ্যা হলো:
‎ * মাধবপুর: ১০টি
‎ * সদর উপজেলা: ৯টি
‎ * চুনারুঘাট: ৭টি
‎ * বানিয়াচং: ৪টি
‎ * নবীগঞ্জ: ৪টি
‎ * লাখাই: ৩টি
‎ * বাহুবল: ৩টি
‎ * শায়েস্তাগঞ্জ: ২টি
‎ * আজমিরীগঞ্জ: ১টি
‎পর্যবেক্ষকরা বলছেন, এবারের সামগ্রিক ফল জেলার শিক্ষাব্যবস্থার দুর্বলতাকেই তুলে ধরেছে। জেলার শিক্ষা প্রতিষ্ঠানগুলোতে এমন ফল বিপর্যয়ের কারণ খতিয়ে দেখে দ্রুত প্রয়োজনীয় ব্যবস্থা গ্রহণ করা দরকার বলে মনে করছেন শিক্ষাবিদ ও অভিভাবকরা।