সিলেট ০৫:০০ অপরাহ্ন, শনিবার, ১৮ এপ্রিল ২০২৬
News Title :
‎ওসমানীনগরে পর্নোগ্রাফি মামলার প্রধান আসামি সাকিব গ্রেফতার; র‍্যাবের ঝটিকা অভিযান ‎সিলেটের গোয়াইনঘাটে ২৬ বোতল ইসকফসহ ২ মাদক ব্যবসায়ী গ্রেফতার‎ ‎মাধবপুরের শাহপুরে রাস্তা দখলকে কেন্দ্র করে সংঘর্ষে আহত ৪ ‎মাধবপুরে রাতের আঁধারে মন্দিরের প্রতিমা ভাঙচুর, এলাকায় উত্তেজনা ‎টাঙ্গাইলে নদী উদ্ধার প্রকল্প নিয়ে সাংবাদিকের বিরুদ্ধে হুমকি ও অপপ্রচার ‎বানিয়াচংয়ে ফুটবল খেলা নিয়ে বিরোধ: যুবককে কুপিয়ে হত্যা, এলাকায় উত্তেজনা। সিলেটে গোয়াইনঘাটে চাঞ্চল্যকর গণধর্ষণ মামলার প্রধান আসামি ফরিদ মিয়া র‍্যাবের হাতে গ্রেফতার দক্ষিণ সুরমায় ৫ লক্ষ টাকার ভারতীয় ফুসকাসহ গ্রেফতার ২, কাভার্ডভ্যান জব্দ ‎ধনবাড়ীতে গাঁজার গাছসহ নারী গ্রেফতার,‎ স্বামী পলাতক! ‎​মৌলভীবাজারে ডাকাতির প্রস্তুতি পণ্ড: সর্দার রুবেলসহ গ্রেফতার ৩, অস্ত্র ও গুলি উদ্ধার
জামিনে বেড়িয়ে এসে আবারও পুরোনো পেশায়...

হবিগঞ্জের বানিয়াচংয়ে শীর্ষ মাদক ব্যবসায়ী সাইদুল হক গ্রেফতার

সেনাবাহিনীর অভিযানে আটক মাদক কারবারি সাইদুল হক।



‎হবিগঞ্জের বানিয়াচংয়ে সেনাবাহিনীর অভিযানে শীর্ষ মাদক সম্রাট সাইদুল হক (৪০) বিপুল পরিমাণ মাদকদ্রব্যসহ গ্রেফতার হয়েছেন।
‎শনিবার (৯ আগস্ট) রাত ১০টায় বানিয়াচং উপজেলা সদরের উত্তর পূর্ব ইউনিয়নের দত্তপাড়া গ্রামে তার নিজ বাড়িতে অভিযান চালিয়ে তাকে গ্রেফতার করা হয়।
‎গ্রেফতারের সময় সাইদুল হকের কাছ থেকে ৮৪ পিস ইয়াবা, আড়াইশ গ্রাম গাঁজা, ১ লিটার বিদেশি মদ এবং ইয়াবা বিক্রির কাজে ব্যবহৃত অন্যান্য সামগ্রী উদ্ধার করা হয়েছে। এর মধ্যে রয়েছে ৮ পিস ইয়াবা কন্ট্রোলার, ৪টি ফুয়েল পেপার, ৪টি মোবাইল ফোন, ২টি দেশি কাঁচি এবং মাদক বিক্রির একটি নোট খাতা।
‎গ্রেফতারকৃত সাইদুল হক ওই গ্রামের আব্দুল হক মিয়ার ছেলে। অভিযান শেষে তাকে বানিয়াচং থানায় হস্তান্তর করা হয়েছে।
‎দীর্ঘদিনের মাদক ব্যবসার সাম্রাজ্য
‎সাইদুল হকের বিরুদ্ধে দীর্ঘদিন ধরে মাদক ব্যবসার সঙ্গে জড়িত থাকার অভিযোগ রয়েছে। জানা যায়, তিনি বানিয়াচং এবং পার্শ্ববর্তী আজমিরীগঞ্জ উপজেলায় ইয়াবাসহ সকল ধরনের মাদকের পাইকারি ও খুচরা ব্যবসা পরিচালনা করে আসছিলেন। এই মাদক ব্যবসা করে তিনি কোটি কোটি টাকার মালিক হয়েছেন এবং নিজের বাড়িতে একটি বিলাসবহুল দ্বিতল ভবন তৈরি করেছেন, যা ২০ ফুট উঁচু প্রাচীর দিয়ে ঘেরা।
‎পুলিশের তথ্য অনুযায়ী, সাইদুল হকের বিরুদ্ধে বানিয়াচং থানাসহ বিভিন্ন থানায় মাদক, চুরি ও ছিনতাইয়ের অভিযোগে ১৭ থেকে ১৮টি মামলা রয়েছে। এর আগেও তিনি একাধিকবার আইন-শৃঙ্খলা বাহিনীর হাতে গ্রেফতার হয়েছেন। গত বছরের ৫ আগস্টও বানিয়াচং থানা পুলিশ তাকে বিপুল পরিমাণ ইয়াবাসহ গ্রেফতার করেছিল। জামিনে বেরিয়ে আসার মাত্র দুই মাসের মধ্যেই তিনি আবারও পুরোদমে মাদক ব্যবসা শুরু করেন।
‎স্থানীয়দের অভিযোগ, সাইদুল হক বানিয়াচং উপজেলার প্রায় সকল মাদক ব্যবসায়ীকে পাইকারি মাদক সরবরাহ করতেন এবং আজমিরীগঞ্জ উপজেলাতেও তার মাদক সরবরাহ নেটওয়ার্ক ছিল। র‍্যাবের কাছে ১০০০ পিস ইয়াবা বিক্রির সময়ও তিনি একবার গ্রেফতার হয়েছিলেন। এছাড়াও ডিবি পুলিশসহ বিভিন্ন থানা পুলিশের হাতেও তিনি একাধিকবার গ্রেফতার হয় সে। প্রতিবার ই জামিনে বেড়িয়ে এসে আবারও পুরোনো ব্যবসায় জড়িয়ে পড়ে।

ট্যাগস :
আপলোডকারীর তথ্য

জনপ্রিয় সংবাদ

‎ওসমানীনগরে পর্নোগ্রাফি মামলার প্রধান আসামি সাকিব গ্রেফতার; র‍্যাবের ঝটিকা অভিযান

জামিনে বেড়িয়ে এসে আবারও পুরোনো পেশায়...

হবিগঞ্জের বানিয়াচংয়ে শীর্ষ মাদক ব্যবসায়ী সাইদুল হক গ্রেফতার

সময় ০২:৫২:৪২ পূর্বাহ্ন, রবিবার, ১০ অগাস্ট ২০২৫
সেনাবাহিনীর অভিযানে আটক মাদক কারবারি সাইদুল হক।



‎হবিগঞ্জের বানিয়াচংয়ে সেনাবাহিনীর অভিযানে শীর্ষ মাদক সম্রাট সাইদুল হক (৪০) বিপুল পরিমাণ মাদকদ্রব্যসহ গ্রেফতার হয়েছেন।
‎শনিবার (৯ আগস্ট) রাত ১০টায় বানিয়াচং উপজেলা সদরের উত্তর পূর্ব ইউনিয়নের দত্তপাড়া গ্রামে তার নিজ বাড়িতে অভিযান চালিয়ে তাকে গ্রেফতার করা হয়।
‎গ্রেফতারের সময় সাইদুল হকের কাছ থেকে ৮৪ পিস ইয়াবা, আড়াইশ গ্রাম গাঁজা, ১ লিটার বিদেশি মদ এবং ইয়াবা বিক্রির কাজে ব্যবহৃত অন্যান্য সামগ্রী উদ্ধার করা হয়েছে। এর মধ্যে রয়েছে ৮ পিস ইয়াবা কন্ট্রোলার, ৪টি ফুয়েল পেপার, ৪টি মোবাইল ফোন, ২টি দেশি কাঁচি এবং মাদক বিক্রির একটি নোট খাতা।
‎গ্রেফতারকৃত সাইদুল হক ওই গ্রামের আব্দুল হক মিয়ার ছেলে। অভিযান শেষে তাকে বানিয়াচং থানায় হস্তান্তর করা হয়েছে।
‎দীর্ঘদিনের মাদক ব্যবসার সাম্রাজ্য
‎সাইদুল হকের বিরুদ্ধে দীর্ঘদিন ধরে মাদক ব্যবসার সঙ্গে জড়িত থাকার অভিযোগ রয়েছে। জানা যায়, তিনি বানিয়াচং এবং পার্শ্ববর্তী আজমিরীগঞ্জ উপজেলায় ইয়াবাসহ সকল ধরনের মাদকের পাইকারি ও খুচরা ব্যবসা পরিচালনা করে আসছিলেন। এই মাদক ব্যবসা করে তিনি কোটি কোটি টাকার মালিক হয়েছেন এবং নিজের বাড়িতে একটি বিলাসবহুল দ্বিতল ভবন তৈরি করেছেন, যা ২০ ফুট উঁচু প্রাচীর দিয়ে ঘেরা।
‎পুলিশের তথ্য অনুযায়ী, সাইদুল হকের বিরুদ্ধে বানিয়াচং থানাসহ বিভিন্ন থানায় মাদক, চুরি ও ছিনতাইয়ের অভিযোগে ১৭ থেকে ১৮টি মামলা রয়েছে। এর আগেও তিনি একাধিকবার আইন-শৃঙ্খলা বাহিনীর হাতে গ্রেফতার হয়েছেন। গত বছরের ৫ আগস্টও বানিয়াচং থানা পুলিশ তাকে বিপুল পরিমাণ ইয়াবাসহ গ্রেফতার করেছিল। জামিনে বেরিয়ে আসার মাত্র দুই মাসের মধ্যেই তিনি আবারও পুরোদমে মাদক ব্যবসা শুরু করেন।
‎স্থানীয়দের অভিযোগ, সাইদুল হক বানিয়াচং উপজেলার প্রায় সকল মাদক ব্যবসায়ীকে পাইকারি মাদক সরবরাহ করতেন এবং আজমিরীগঞ্জ উপজেলাতেও তার মাদক সরবরাহ নেটওয়ার্ক ছিল। র‍্যাবের কাছে ১০০০ পিস ইয়াবা বিক্রির সময়ও তিনি একবার গ্রেফতার হয়েছিলেন। এছাড়াও ডিবি পুলিশসহ বিভিন্ন থানা পুলিশের হাতেও তিনি একাধিকবার গ্রেফতার হয় সে। প্রতিবার ই জামিনে বেড়িয়ে এসে আবারও পুরোনো ব্যবসায় জড়িয়ে পড়ে।