সিলেট ১২:৪৮ পূর্বাহ্ন, বুধবার, ১৯ অগাস্ট ২০২৬
News Title :
‎মৌসুমী শব্দ বিলুপ্ত ও রাজস্ব খাতে স্থায়ী করার দাবিতে ভূমিমন্ত্রীকে স্মারকলিপি প্রদান পরিবেশগত বিপর্যয়ের ঝুঁকিতে থাকা দেশের অন্যতম অঞ্চল হচ্ছে সিলেটঃ ভিসি প্রফেসর ড. মোহাম্মদ জহিরুল হক গ্রামবাসীর উদ্যোগে ঐতিহাসিক মাকালকান্দি গণহত্যা দিবস পালন, ছিলনা এমপি ও স্থানীয় প্রশাসনের কর্মসূচি ‎গোয়াইনঘাটে মেছোবিড়াল পিটিয়ে হত্যা, ভিডিও ছড়ানোর অভিযোগ হবিগঞ্জে বিক্ষোভের প্রস্তুতিকালে আটক, ২১ ঘণ্টা পর মুচলেকায় মুক্ত মাহদীসহ তিনজন ‎নবীগঞ্জে বীর মুক্তিযোদ্ধা আব্দুর রশিদের মৃত্যু, রাষ্ট্রীয় মর্যাদায় দাফন কুলাউড়ায় অগ্রণী উচ্চ বিদ্যালয়ে শিক্ষার্থীদের দেয়াল পত্রিকা প্রকাশ নবাগত ইউএনও’র সঙ্গে শান্তিগঞ্জ প্রেসক্লাবের মতবিনিময় ‎ছাতকে মোবাইল কোর্ট: চার প্রতিষ্ঠানকে ৪৫ হাজার টাকা জরিমানা, পচা মাংস জব্দ জুড়ীতে হাকালুকি হাওরের মৎস্য সম্পদ সংরক্ষণ ও টেকসই উৎপাদন বিষয়ক মতবিনিময় সভা অনুষ্ঠিত‎

‎​মৌলভীবাজারে ডাকাতির প্রস্তুতি পণ্ড: সর্দার রুবেলসহ গ্রেফতার ৩, অস্ত্র ও গুলি উদ্ধার



‎মৌলভীবাজার সদর উপজেলায় ডাকাতির প্রস্তুতিকালে অভিযান চালিয়ে কুখ্যাত ডাকাত সর্দার রুবেল মিয়াসহ তিনজনকে গ্রেফতার করেছে পুলিশ। এসময় তাদের কাছ থেকে আগ্নেয়াস্ত্র ও গুলিও উদ্ধার করা হয়েছে।

‎পুলিশ সূত্রে জানা যায়, গত ১৩ এপ্রিল ২০২৬ রাত আনুমানিক সাড়ে ১০টার দিকে সদর উপজেলার বাউরবাগ এলাকায় ৬-৭ জনের একটি ডাকাতদল কবরস্থানে জড়ো হয়ে ডাকাতির প্রস্তুতি নিচ্ছিল। স্থানীয়রা বিষয়টি টের পেয়ে তাদের ধাওয়া করলে ডাকাতদল একটি গুলি ছোঁড়ে। এতে তাদেরই সহযোগী সৈয়দ শামসুর রহমান আতিক (৩০) গুলিবিদ্ধ হয়ে পড়ে এবং অন্য সদস্যরা পালিয়ে যায়। পরে স্থানীয়দের সহায়তায় আহত অবস্থায় আতিককে আটক করা হয়। তার কাছ থেকে একটি পাইপগান ও ২১ রাউন্ড তাজা গুলি উদ্ধার করা হয়। ঘটনার পর সদর মডেল থানা পুলিশ তদন্ত শুরু করে। আটক আতিকের দেওয়া তথ্যের ভিত্তিতে ১৬ এপ্রিল সিলেটের সিলামসহ হবিগঞ্জ জেলার বিভিন্ন স্থানে অভিযান চালিয়ে ডাকাত সর্দার রুবেল মিয়া (৪০) ও আশরাফ হোসেন আশরাফুল ওরফে আশাই (২৯)-কে গ্রেফতার করা হয়।

‎পরবর্তীতে তাদের দেওয়া তথ্য অনুযায়ী একইদিন ভোরে সদর উপজেলার কামালপুর ইউনিয়নের উত্তর বাড়ন্তি এলাকায় একটি কলা বাগান থেকে দেশীয় তৈরি একটি পাইপগান ও একটি খালি কার্তুজ উদ্ধার করা হয়। এ নিয়ে একই ঘটনায় এখন পর্যন্ত ২টি পাইপগান, ২১ রাউন্ড তাজা গুলি এবং একটি ব্যবহৃত গুলির খোসা উদ্ধার করা হয়েছে।

‎পুলিশ সুপার মোহাম্মদ বিল্লাল হোসেনের নির্দেশনায় অতিরিক্ত পুলিশ সুপার (সদর সার্কেল) আবুল খয়েরের নেতৃত্বে এবং সদর মডেল থানার অফিসার ইনচার্জ মো. সাইফুল ইসলামের তত্ত্বাবধানে একটি বিশেষ টিম এ অভিযান পরিচালনা করে।
‎সদর মডেল থানার অফিসার ইনচার্জ জানান, গ্রেফতারকৃতরা একটি আন্তঃজেলা ডাকাত দলের সক্রিয় সদস্য। রুবেল মিয়ার বিরুদ্ধে সিলেট অঞ্চলে ডাকাতিসহ ১১টি এবং আতিকের বিরুদ্ধে ৫টি মামলা রয়েছে। আহত আতিক বর্তমানে সিলেট ওসমানী মেডিকেল কলেজ হাসপাতালে চিকিৎসাধীন রয়েছে।
‎পলাতক অন্যান্য সদস্যদের গ্রেফতারে পুলিশের অভিযান অব্যাহত রয়েছে।

ট্যাগস :
আপলোডকারীর তথ্য

জনপ্রিয় সংবাদ

‎মৌসুমী শব্দ বিলুপ্ত ও রাজস্ব খাতে স্থায়ী করার দাবিতে ভূমিমন্ত্রীকে স্মারকলিপি প্রদান

‎​মৌলভীবাজারে ডাকাতির প্রস্তুতি পণ্ড: সর্দার রুবেলসহ গ্রেফতার ৩, অস্ত্র ও গুলি উদ্ধার

সময় ০৮:১৭:৪৫ অপরাহ্ন, শুক্রবার, ১৭ এপ্রিল ২০২৬



‎মৌলভীবাজার সদর উপজেলায় ডাকাতির প্রস্তুতিকালে অভিযান চালিয়ে কুখ্যাত ডাকাত সর্দার রুবেল মিয়াসহ তিনজনকে গ্রেফতার করেছে পুলিশ। এসময় তাদের কাছ থেকে আগ্নেয়াস্ত্র ও গুলিও উদ্ধার করা হয়েছে।

‎পুলিশ সূত্রে জানা যায়, গত ১৩ এপ্রিল ২০২৬ রাত আনুমানিক সাড়ে ১০টার দিকে সদর উপজেলার বাউরবাগ এলাকায় ৬-৭ জনের একটি ডাকাতদল কবরস্থানে জড়ো হয়ে ডাকাতির প্রস্তুতি নিচ্ছিল। স্থানীয়রা বিষয়টি টের পেয়ে তাদের ধাওয়া করলে ডাকাতদল একটি গুলি ছোঁড়ে। এতে তাদেরই সহযোগী সৈয়দ শামসুর রহমান আতিক (৩০) গুলিবিদ্ধ হয়ে পড়ে এবং অন্য সদস্যরা পালিয়ে যায়। পরে স্থানীয়দের সহায়তায় আহত অবস্থায় আতিককে আটক করা হয়। তার কাছ থেকে একটি পাইপগান ও ২১ রাউন্ড তাজা গুলি উদ্ধার করা হয়। ঘটনার পর সদর মডেল থানা পুলিশ তদন্ত শুরু করে। আটক আতিকের দেওয়া তথ্যের ভিত্তিতে ১৬ এপ্রিল সিলেটের সিলামসহ হবিগঞ্জ জেলার বিভিন্ন স্থানে অভিযান চালিয়ে ডাকাত সর্দার রুবেল মিয়া (৪০) ও আশরাফ হোসেন আশরাফুল ওরফে আশাই (২৯)-কে গ্রেফতার করা হয়।

‎পরবর্তীতে তাদের দেওয়া তথ্য অনুযায়ী একইদিন ভোরে সদর উপজেলার কামালপুর ইউনিয়নের উত্তর বাড়ন্তি এলাকায় একটি কলা বাগান থেকে দেশীয় তৈরি একটি পাইপগান ও একটি খালি কার্তুজ উদ্ধার করা হয়। এ নিয়ে একই ঘটনায় এখন পর্যন্ত ২টি পাইপগান, ২১ রাউন্ড তাজা গুলি এবং একটি ব্যবহৃত গুলির খোসা উদ্ধার করা হয়েছে।

‎পুলিশ সুপার মোহাম্মদ বিল্লাল হোসেনের নির্দেশনায় অতিরিক্ত পুলিশ সুপার (সদর সার্কেল) আবুল খয়েরের নেতৃত্বে এবং সদর মডেল থানার অফিসার ইনচার্জ মো. সাইফুল ইসলামের তত্ত্বাবধানে একটি বিশেষ টিম এ অভিযান পরিচালনা করে।
‎সদর মডেল থানার অফিসার ইনচার্জ জানান, গ্রেফতারকৃতরা একটি আন্তঃজেলা ডাকাত দলের সক্রিয় সদস্য। রুবেল মিয়ার বিরুদ্ধে সিলেট অঞ্চলে ডাকাতিসহ ১১টি এবং আতিকের বিরুদ্ধে ৫টি মামলা রয়েছে। আহত আতিক বর্তমানে সিলেট ওসমানী মেডিকেল কলেজ হাসপাতালে চিকিৎসাধীন রয়েছে।
‎পলাতক অন্যান্য সদস্যদের গ্রেফতারে পুলিশের অভিযান অব্যাহত রয়েছে।