সিলেট ০৯:২৬ পূর্বাহ্ন, শনিবার, ০৩ অক্টোবর ২০২৬
News Title :
নবীগঞ্জ-বানিয়াচং সড়কে মাইক্রোর ধাক্কায় সিএনজি চূর্ণ-বিচূর্ণ: চিকিৎসাধীন অবস্থায় বানিয়াচংয়ের আব্দুল খালিকের মৃত্যু, আহত ২‎ ‎সিলেটে সিএনজি-মোটরসাইকেল সংঘর্ষে শিশু নিহত: ঘাতক চালক রুমেল গ্রেপ্তার ‎৩৭ বছরে চুনারুঘাট সাহিত্য-সংস্কৃতি পরিষদ, ‘বৈচিত্র্যের উৎসব ‎সিলেটে শব্দ ও পরিবেশ দূষণের দায়ে ১৪ ট্রাকচালককে জরিমানা ‎লাউয়াছড়ায় পাহাড়িকা এক্সপ্রেসের বগির হুক ছিঁড়ে রেল যোগাযোগ বন্ধ‎ ১৪৯ প্রাথমিক বিদ্যালয়ে বায়োমেট্রিক হাজিরা চালুর উদ্যোগ মাধবপুরে ‎গোয়াইনঘাট প্রেসক্লাবে টানা দ্বিতীয়বার সাধারণ সম্পাদক হচ্ছেন কে এম লিমন জামালপুরে ট্রেনের ধাক্কায় বয়োবৃদ্ধ জেলের মর্মান্তিক মৃত্যু জামালপুরে ৫ম উপজেলা কাব ক্যাম্পুরী উদ্বোধনে আদর্শিক চর্চা বাড়ানোর আহ্বান এমপি মামুনের কুলাউড়ায় ৮ হাজারের বেশি পানগাছ রাতে আঁধারে কেটে ফেলেছে দূর্বৃত্তরা!

‎​মৌলভীবাজারে ডাকাতির প্রস্তুতি পণ্ড: সর্দার রুবেলসহ গ্রেফতার ৩, অস্ত্র ও গুলি উদ্ধার


‎
‎মৌলভীবাজার সদর উপজেলায় ডাকাতির প্রস্তুতিকালে অভিযান চালিয়ে কুখ্যাত ডাকাত সর্দার রুবেল মিয়াসহ তিনজনকে গ্রেফতার করেছে পুলিশ। এসময় তাদের কাছ থেকে আগ্নেয়াস্ত্র ও গুলিও উদ্ধার করা হয়েছে।
‎
‎পুলিশ সূত্রে জানা যায়, গত ১৩ এপ্রিল ২০২৬ রাত আনুমানিক সাড়ে ১০টার দিকে সদর উপজেলার বাউরবাগ এলাকায় ৬-৭ জনের একটি ডাকাতদল কবরস্থানে জড়ো হয়ে ডাকাতির প্রস্তুতি নিচ্ছিল। স্থানীয়রা বিষয়টি টের পেয়ে তাদের ধাওয়া করলে ডাকাতদল একটি গুলি ছোঁড়ে। এতে তাদেরই সহযোগী সৈয়দ শামসুর রহমান আতিক (৩০) গুলিবিদ্ধ হয়ে পড়ে এবং অন্য সদস্যরা পালিয়ে যায়। পরে স্থানীয়দের সহায়তায় আহত অবস্থায় আতিককে আটক করা হয়। তার কাছ থেকে একটি পাইপগান ও ২১ রাউন্ড তাজা গুলি উদ্ধার করা হয়। ঘটনার পর সদর মডেল থানা পুলিশ তদন্ত শুরু করে। আটক আতিকের দেওয়া তথ্যের ভিত্তিতে ১৬ এপ্রিল সিলেটের সিলামসহ হবিগঞ্জ জেলার বিভিন্ন স্থানে অভিযান চালিয়ে ডাকাত সর্দার রুবেল মিয়া (৪০) ও আশরাফ হোসেন আশরাফুল ওরফে আশাই (২৯)-কে গ্রেফতার করা হয়।
‎
‎পরবর্তীতে তাদের দেওয়া তথ্য অনুযায়ী একইদিন ভোরে সদর উপজেলার কামালপুর ইউনিয়নের উত্তর বাড়ন্তি এলাকায় একটি কলা বাগান থেকে দেশীয় তৈরি একটি পাইপগান ও একটি খালি কার্তুজ উদ্ধার করা হয়। এ নিয়ে একই ঘটনায় এখন পর্যন্ত ২টি পাইপগান, ২১ রাউন্ড তাজা গুলি এবং একটি ব্যবহৃত গুলির খোসা উদ্ধার করা হয়েছে।
‎
‎পুলিশ সুপার মোহাম্মদ বিল্লাল হোসেনের নির্দেশনায় অতিরিক্ত পুলিশ সুপার (সদর সার্কেল) আবুল খয়েরের নেতৃত্বে এবং সদর মডেল থানার অফিসার ইনচার্জ মো. সাইফুল ইসলামের তত্ত্বাবধানে একটি বিশেষ টিম এ অভিযান পরিচালনা করে।
‎সদর মডেল থানার অফিসার ইনচার্জ জানান, গ্রেফতারকৃতরা একটি আন্তঃজেলা ডাকাত দলের সক্রিয় সদস্য। রুবেল মিয়ার বিরুদ্ধে সিলেট অঞ্চলে ডাকাতিসহ ১১টি এবং আতিকের বিরুদ্ধে ৫টি মামলা রয়েছে। আহত আতিক বর্তমানে সিলেট ওসমানী মেডিকেল কলেজ হাসপাতালে চিকিৎসাধীন রয়েছে।
‎পলাতক অন্যান্য সদস্যদের গ্রেফতারে পুলিশের অভিযান অব্যাহত রয়েছে।

ট্যাগস :
আপলোডকারীর তথ্য

জনপ্রিয় সংবাদ

নবীগঞ্জ-বানিয়াচং সড়কে মাইক্রোর ধাক্কায় সিএনজি চূর্ণ-বিচূর্ণ: চিকিৎসাধীন অবস্থায় বানিয়াচংয়ের আব্দুল খালিকের মৃত্যু, আহত ২‎

‎​মৌলভীবাজারে ডাকাতির প্রস্তুতি পণ্ড: সর্দার রুবেলসহ গ্রেফতার ৩, অস্ত্র ও গুলি উদ্ধার

সময় ০৮:১৭:৪৫ অপরাহ্ন, শুক্রবার, ১৭ এপ্রিল ২০২৬


‎
‎মৌলভীবাজার সদর উপজেলায় ডাকাতির প্রস্তুতিকালে অভিযান চালিয়ে কুখ্যাত ডাকাত সর্দার রুবেল মিয়াসহ তিনজনকে গ্রেফতার করেছে পুলিশ। এসময় তাদের কাছ থেকে আগ্নেয়াস্ত্র ও গুলিও উদ্ধার করা হয়েছে।
‎
‎পুলিশ সূত্রে জানা যায়, গত ১৩ এপ্রিল ২০২৬ রাত আনুমানিক সাড়ে ১০টার দিকে সদর উপজেলার বাউরবাগ এলাকায় ৬-৭ জনের একটি ডাকাতদল কবরস্থানে জড়ো হয়ে ডাকাতির প্রস্তুতি নিচ্ছিল। স্থানীয়রা বিষয়টি টের পেয়ে তাদের ধাওয়া করলে ডাকাতদল একটি গুলি ছোঁড়ে। এতে তাদেরই সহযোগী সৈয়দ শামসুর রহমান আতিক (৩০) গুলিবিদ্ধ হয়ে পড়ে এবং অন্য সদস্যরা পালিয়ে যায়। পরে স্থানীয়দের সহায়তায় আহত অবস্থায় আতিককে আটক করা হয়। তার কাছ থেকে একটি পাইপগান ও ২১ রাউন্ড তাজা গুলি উদ্ধার করা হয়। ঘটনার পর সদর মডেল থানা পুলিশ তদন্ত শুরু করে। আটক আতিকের দেওয়া তথ্যের ভিত্তিতে ১৬ এপ্রিল সিলেটের সিলামসহ হবিগঞ্জ জেলার বিভিন্ন স্থানে অভিযান চালিয়ে ডাকাত সর্দার রুবেল মিয়া (৪০) ও আশরাফ হোসেন আশরাফুল ওরফে আশাই (২৯)-কে গ্রেফতার করা হয়।
‎
‎পরবর্তীতে তাদের দেওয়া তথ্য অনুযায়ী একইদিন ভোরে সদর উপজেলার কামালপুর ইউনিয়নের উত্তর বাড়ন্তি এলাকায় একটি কলা বাগান থেকে দেশীয় তৈরি একটি পাইপগান ও একটি খালি কার্তুজ উদ্ধার করা হয়। এ নিয়ে একই ঘটনায় এখন পর্যন্ত ২টি পাইপগান, ২১ রাউন্ড তাজা গুলি এবং একটি ব্যবহৃত গুলির খোসা উদ্ধার করা হয়েছে।
‎
‎পুলিশ সুপার মোহাম্মদ বিল্লাল হোসেনের নির্দেশনায় অতিরিক্ত পুলিশ সুপার (সদর সার্কেল) আবুল খয়েরের নেতৃত্বে এবং সদর মডেল থানার অফিসার ইনচার্জ মো. সাইফুল ইসলামের তত্ত্বাবধানে একটি বিশেষ টিম এ অভিযান পরিচালনা করে।
‎সদর মডেল থানার অফিসার ইনচার্জ জানান, গ্রেফতারকৃতরা একটি আন্তঃজেলা ডাকাত দলের সক্রিয় সদস্য। রুবেল মিয়ার বিরুদ্ধে সিলেট অঞ্চলে ডাকাতিসহ ১১টি এবং আতিকের বিরুদ্ধে ৫টি মামলা রয়েছে। আহত আতিক বর্তমানে সিলেট ওসমানী মেডিকেল কলেজ হাসপাতালে চিকিৎসাধীন রয়েছে।
‎পলাতক অন্যান্য সদস্যদের গ্রেফতারে পুলিশের অভিযান অব্যাহত রয়েছে।