সিলেট ০৫:২৪ অপরাহ্ন, রবিবার, ১৮ অক্টোবর ২০২৬
News Title :
‎গোয়াইনঘাটে অপরাধ দমনে কঠোর প্রশাসন: অপরাধী ও চাঁদাবাজদের তালিকা তৈরি বিয়ানীবাজার থেকে টমটম চালক নিখোঁজ, থানায় জিডি ‎বানিয়াচংয়ে ইয়ামাহা রাইডার্স ক্লাব (YRC) সদস্যদের গেটটুগেদার অনুষ্ঠিত। ‎গোয়াইনঘাটে ৪ লিস্টার মেশিন ধ্বংস, ডুবিয়ে দেওয়া হলো বালুভর্তি বাল্কহেড শান্তিগঞ্জে জোরপূর্বক জায়গা দখলের অভিযোগ ‎রক্তাক্ত গণমাধ্যম: সাগর-রুনি থেকে আলিফ ফকিরের বিয়োগান্তক সুর‎ নেত্রকোনায় সাংবাদিক লুৎফুজ্জামান আলিফ ফকিরকে গুলি করে হত্যা: শেরপুর প্রেসক্লাবের তীব্র নিন্দা ও প্রতিবাদ ‎জৈন্তাপুরে জমি দখলকে কেন্দ্র করে সংঘর্ষ: আহত একই পরিবারের ৩  ভাইসহ একাধিক সদস্য। ‎প্রতিবন্ধী নাতনির দায়িত্ব বৃদ্ধ দাদির কাঁধে লাখাই মুড়িয়াউক ইউনিয়ন নির্বাচনকে সামনে রেখে জমে উঠেছে প্রচার-প্রচারণা
‎জিরো টলারেন্স নীতি প্রশাসন...

‎গোয়াইনঘাটে অপরাধ দমনে কঠোর প্রশাসন: অপরাধী ও চাঁদাবাজদের তালিকা তৈরি

গোয়াইনঘাটে সম্প্রতি বিপুল পরিমাণ মাদক জব্দ করে পুলিশ।


‎সিলেটের সীমান্তবর্তী গোয়াইনঘাট উপজেলায় চোরাচালান, অবৈধ পণ্য পরিবহন ও একে কেন্দ্র করে গড়ে ওঠা চাঁদাবাজি নির্মূলে জিরো টলারেন্স নীতি গ্রহণ করেছে পুলিশ ও উপজেলা প্রশাসন। ‎১৮ অক্টোবর সভায় এসব কথা জানায় প্রশাসন

‎অপরাধ দমনে সার্বক্ষণিক নজরদারি বাড়ানোর পাশাপাশি চোরাচালান ও চাঁদাবাজির সঙ্গে প্রত্যক্ষ বা পরোক্ষভাবে জড়িতদের সুনির্দিষ্ট তালিকা তৈরির কাজ শুরু হয়েছে।

গত ৩ জুলাই থেকে ২২ সেপ্টেম্বর পর্যন্ত পরিচালিত বিশেষ অভিযানে বিভিন্ন মামলায় মোট ২৫৩ জনকে গ্রেপ্তার করেছে গোয়াইনঘাট থানা পুলিশ।

‎গ্রেপ্তারকৃতদের মধ্যে পরোয়ানাভুক্ত ও সাজাপ্রাপ্ত ১২৫ জন, নিয়মিত মামলায় ৬৪ জন, মাদক মামলায় ৩২ জন, চোরাচালানে ২৩ জন এবং ফৌজদারি কার্যবিধির ১৫১ ধারায় ৯ জন রয়েছেন।

‎একই সময়ে ১৭টি চোরাচালান মামলায় ৩ লাখ ১২ হাজার ৫০০ শলাকা ভারতীয় নাসির বিড়ি, ১ হাজার ৯০০ কেজি ভারতীয় জিরা, প্রায় ৯ হাজার ৮৭২ পিস ভারতীয় চকলেটের পাশাপাশি পরিবহনে ব্যবহৃত সিএনজি, পিকআপ, নৌকা ও মোটরসাইকেল জব্দ করা হয়।

‎এছাড়াও ২৮টি মাদক মামলায় ১৬০ লিটার চোলাই মদ, ২ হাজার ৫৭৫ বোতল ভারতীয় এসকাফ কাফ সিরাপ, ১৬৭ বোতল ও ৪২ ক্যান ভারতীয় মদ, ১ হাজার ৬৮০ পিস ইয়াবা এবং ৬১.৫ পুরিয়া গাঁজা উদ্ধার করা হয়েছে, যার আনুমানিক বাজারমূল্য ৬০ লাখ টাকারও বেশি।

‎গোয়াইনঘাট থানার ভারপ্রাপ্ত কর্মকর্তা (ওসি) ওমর ফারুক মড়ল জানিয়েছেন, চোরাচালান বন্ধ, চাঁদাবাজি ও অবৈধ পণ্য পরিবহনের বিরুদ্ধে পুলিশ নীতিগতভাবে হার্ডলাইনে রয়েছে উপজেলা প্রশাসন এবং স্বরাষ্ট্রমন্ত্রীর নির্দেশনা অনুযায়ী অপরাধীদের তালিকা তৈরি করা হচ্ছে।

‎অপরাধী যতই প্রভাবশালী হোক না কেন তাদের বিরুদ্ধে কঠোর আইনি ব্যবস্থা নেওয়া হবে।

‎অন্যদিকে গোয়াইনঘাট উপজেলা নির্বাহী কর্মকর্তা (ইউএনও) রতন কুমার অধিকারী জানান , উপজেলার আইনশৃঙ্খলা পরিস্থিতি স্বাভাবিক রাখতে এবং অপরাধ দমনে উপজেলা প্রশাসন ও পুলিশ যৌথভাবে সমন্বিত উদ্যোগ গ্রহণ করেছে।

‎সীমান্তবর্তী এই এলাকায় চোরাচালান ও চাঁদাবাজি রোধে প্রশাসন ও পুলিশের এই ধারাবাহিক অভিযান অব্যাহত থাকলে অপরাধ নিয়ন্ত্রণে দ্রুত কার্যকরী ভূমিকা রাখবে বলে মনে করেন স্থানীয় সচেতন মহল।


‎

ট্যাগস :
আপলোডকারীর তথ্য

জনপ্রিয় সংবাদ

‎গোয়াইনঘাটে অপরাধ দমনে কঠোর প্রশাসন: অপরাধী ও চাঁদাবাজদের তালিকা তৈরি

‎জিরো টলারেন্স নীতি প্রশাসন...

‎গোয়াইনঘাটে অপরাধ দমনে কঠোর প্রশাসন: অপরাধী ও চাঁদাবাজদের তালিকা তৈরি

সময় ০৩:৫৬:২৭ অপরাহ্ন, রবিবার, ১৮ অক্টোবর ২০২৬
গোয়াইনঘাটে সম্প্রতি বিপুল পরিমাণ মাদক জব্দ করে পুলিশ।


‎সিলেটের সীমান্তবর্তী গোয়াইনঘাট উপজেলায় চোরাচালান, অবৈধ পণ্য পরিবহন ও একে কেন্দ্র করে গড়ে ওঠা চাঁদাবাজি নির্মূলে জিরো টলারেন্স নীতি গ্রহণ করেছে পুলিশ ও উপজেলা প্রশাসন। ‎১৮ অক্টোবর সভায় এসব কথা জানায় প্রশাসন

‎অপরাধ দমনে সার্বক্ষণিক নজরদারি বাড়ানোর পাশাপাশি চোরাচালান ও চাঁদাবাজির সঙ্গে প্রত্যক্ষ বা পরোক্ষভাবে জড়িতদের সুনির্দিষ্ট তালিকা তৈরির কাজ শুরু হয়েছে।

গত ৩ জুলাই থেকে ২২ সেপ্টেম্বর পর্যন্ত পরিচালিত বিশেষ অভিযানে বিভিন্ন মামলায় মোট ২৫৩ জনকে গ্রেপ্তার করেছে গোয়াইনঘাট থানা পুলিশ।

‎গ্রেপ্তারকৃতদের মধ্যে পরোয়ানাভুক্ত ও সাজাপ্রাপ্ত ১২৫ জন, নিয়মিত মামলায় ৬৪ জন, মাদক মামলায় ৩২ জন, চোরাচালানে ২৩ জন এবং ফৌজদারি কার্যবিধির ১৫১ ধারায় ৯ জন রয়েছেন।

‎একই সময়ে ১৭টি চোরাচালান মামলায় ৩ লাখ ১২ হাজার ৫০০ শলাকা ভারতীয় নাসির বিড়ি, ১ হাজার ৯০০ কেজি ভারতীয় জিরা, প্রায় ৯ হাজার ৮৭২ পিস ভারতীয় চকলেটের পাশাপাশি পরিবহনে ব্যবহৃত সিএনজি, পিকআপ, নৌকা ও মোটরসাইকেল জব্দ করা হয়।

‎এছাড়াও ২৮টি মাদক মামলায় ১৬০ লিটার চোলাই মদ, ২ হাজার ৫৭৫ বোতল ভারতীয় এসকাফ কাফ সিরাপ, ১৬৭ বোতল ও ৪২ ক্যান ভারতীয় মদ, ১ হাজার ৬৮০ পিস ইয়াবা এবং ৬১.৫ পুরিয়া গাঁজা উদ্ধার করা হয়েছে, যার আনুমানিক বাজারমূল্য ৬০ লাখ টাকারও বেশি।

‎গোয়াইনঘাট থানার ভারপ্রাপ্ত কর্মকর্তা (ওসি) ওমর ফারুক মড়ল জানিয়েছেন, চোরাচালান বন্ধ, চাঁদাবাজি ও অবৈধ পণ্য পরিবহনের বিরুদ্ধে পুলিশ নীতিগতভাবে হার্ডলাইনে রয়েছে উপজেলা প্রশাসন এবং স্বরাষ্ট্রমন্ত্রীর নির্দেশনা অনুযায়ী অপরাধীদের তালিকা তৈরি করা হচ্ছে।

‎অপরাধী যতই প্রভাবশালী হোক না কেন তাদের বিরুদ্ধে কঠোর আইনি ব্যবস্থা নেওয়া হবে।

‎অন্যদিকে গোয়াইনঘাট উপজেলা নির্বাহী কর্মকর্তা (ইউএনও) রতন কুমার অধিকারী জানান , উপজেলার আইনশৃঙ্খলা পরিস্থিতি স্বাভাবিক রাখতে এবং অপরাধ দমনে উপজেলা প্রশাসন ও পুলিশ যৌথভাবে সমন্বিত উদ্যোগ গ্রহণ করেছে।

‎সীমান্তবর্তী এই এলাকায় চোরাচালান ও চাঁদাবাজি রোধে প্রশাসন ও পুলিশের এই ধারাবাহিক অভিযান অব্যাহত থাকলে অপরাধ নিয়ন্ত্রণে দ্রুত কার্যকরী ভূমিকা রাখবে বলে মনে করেন স্থানীয় সচেতন মহল।


‎