
সিলেটের জৈন্তাপুর উপজেলার ৪ নম্বর দরবস্ত ইউনিয়নে বসতভিটার জায়গা দখলকে কেন্দ্র করে দুই পক্ষের মধ্যে রক্তক্ষয়ী সংঘর্ষের অভিযোগ উঠেছে। এতে কয়েছ আহমদ ও তাঁর দুই ভাইসহ পরিবারের বেশ কয়েকজন সদস্য গুরুতর আহত হয়েছেন। আহতদের দ্রুত উদ্ধার করে জৈন্তাপুর উপজেলা স্বাস্থ্য কমপ্লেক্সে চিকিৎসা দেওয়া হয়েছে।
বৃহস্পতিবার (১৫ অক্টোবর) সকাল আনুমানিক ১০টার দিকে ৪ নম্বর দরবস্ত ইউনিয়নের দরবস্ত এলাকায় কয়েছ আহমদের বসতবাড়িতে এই হামলা ও সংঘর্ষের ঘটনা ঘটে।
লিখিত এজাহার সূত্রে জানা যায়, বসতভিটার জায়গা-জমি নিয়ে দীর্ঘদিন ধরে কয়েছ আহমদের পরিবারের সঙ্গে একই এলাকার একটি পক্ষের বিরোধ চলছিল। বিষয়টি নিষ্পত্তির জন্য স্থানীয় মুরুব্বিদের মাধ্যমে একাধিকবার চেষ্টা চালানো হলেও তা সমাধান হয়নি। অভিযোগ অনুযায়ী, ঘটনার দিন সকালে প্রতিপক্ষের লোকজন জোরপূর্বক কয়েছ আহমদের বসতবাড়ির রেকর্ডভুক্ত জায়গায় পাকা পিলার স্থাপন করতে যান। এতে বাধা দিলে দুই পক্ষের মধ্যে তীব্র বাকবিতণ্ডা শুরু হয়।
একপর্যায়ে প্রতিপক্ষের লোকজন রামদা,দা-বটি, লাঠিসোঁটাসহ দেশীয় অস্ত্রশস্ত্র নিয়ে তাঁদের ওপর অতর্কিত হামলা চালায় বলে এজাহারে দাবি করা হয়। এতে কয়েছ আহমদের ডান হাতের তালুতে গভীর ক্ষত সৃষ্টি হয়। তাঁর চিৎকারে বড় দুই ভাই বিল্লাল আহমদ ও আলমাস উদ্দিন এবং ছোট ভাই জসিম উদ্দিন এগিয়ে এলে তাঁরাও দেশীয় অস্ত্রের আঘাতে গুরুতর আহত হন। পরবর্তীতে স্থানীয় বাসিন্দারা এগিয়ে এসে আহতদের উদ্ধার করে জৈন্তাপুর উপজেলা স্বাস্থ্য কমপ্লেক্সে নিয়ে যান।
এ ঘটনায় কয়েছ আহমদ বাদী হয়ে প্রতিপক্ষের বেশ কয়েকজন চিহ্নিত ব্যক্তির নাম উল্লেখ করে এবং অজ্ঞাতনামা আরও ৫-৬ জনকে আসামি করে জৈন্তাপুর থানায় একটি লিখিত এজাহার দায়ের করেছেন। ঘটনায় জড়িতদের দ্রুত গ্রেপ্তার ও দৃষ্টান্তমূলক আইনি শাস্তির দাবি জানিয়েছেন ভুক্তভোগী পরিবারটি।
জৈন্তাপুর প্রতিনিধি। 


















