সিলেট ০৫:৪০ অপরাহ্ন, শনিবার, ১৭ অক্টোবর ২০২৬
News Title :
শান্তিগঞ্জে জোরপূর্বক জায়গা দখলের অভিযোগ ‎রক্তাক্ত গণমাধ্যম: সাগর-রুনি থেকে আলিফ ফকিরের বিয়োগান্তক সুর‎ নেত্রকোনায় সাংবাদিক লুৎফুজ্জামান আলিফ ফকিরকে গুলি করে হত্যা: শেরপুর প্রেসক্লাবের তীব্র নিন্দা ও প্রতিবাদ ‎জৈন্তাপুরে জমি দখলকে কেন্দ্র করে সংঘর্ষ: আহত একই পরিবারের ৩  ভাইসহ একাধিক সদস্য। ‎প্রতিবন্ধী নাতনির দায়িত্ব বৃদ্ধ দাদির কাঁধে লাখাই মুড়িয়াউক ইউনিয়ন নির্বাচনকে সামনে রেখে জমে উঠেছে প্রচার-প্রচারণা ‎সিলেটে বাস টমটম সংঘর্ষে মা-মেয়ে নিহতের ঘটনায় ঘাতক বাস চালক গ্রেপ্তার কুলাউড়ায় নতুন আঙ্গিকে গোবিন্দাস রেস্টুরেন্ট, সাশ্রয়ী মূল্যে মিলবে তিন বেলার খাবার নিউইয়র্ক পুলিশ কর্মকর্তা জুয়েল মাহবুবের সঙ্গে স্রোত সাহিত্য পর্ষদের শুভেচ্ছা বিনিময় ‎হবিগঞ্জে পূজামণ্ডপের নিরাপত্তায় ১২ প্লাটুন বিজিবি মোতায়েন

শান্তিগঞ্জে জোরপূর্বক জায়গা দখলের অভিযোগ


সুনামগঞ্জের শান্তিগঞ্জে পৈতৃক জমি জবরদখল করে স্থানীয় পাকা বসত ঘর নির্মাণের চেষ্টার অভিযোগে এবাদুল হক (৪০) নামের এক ব্যক্তি গত শুক্রবার (১৬ অক্টোবর) শান্তিগঞ্জ থানায় লিখিত অভিযোগ দায়ের করেছেন। অন্যদিকে অভিযুক্ত পক্ষের দাবি, তাঁরা জমিটি কিনে মালিক হয়েছেন। থানায় লিখিত অভিযোগের ঘটনাস্থলে গিয়ে ঘর নির্মাণ না করতে বিবাদী পক্ষকে বারণ করেছেন থানা পুলিশ।
‎
‎ঘটনাটি ঘটেছে গত বৃহস্পতিবার (১৫ অক্টোবর) সকাল ১০টার দিকে উপজেলার পাথারিয়া ইউনিয়নের সৈদাবাদ মৌজায় বাবনিয়া গ্রামে। উক্ত বিরোধপূর্ণ জমিতে ঘর নির্মাণের কাজ শুরু হলে এ নিয়ে বিরোধ দেখা দেয় বলে অভিযোগকারী তাঁর অভিযোগে উল্লেখ করেন।
‎
‎অভিযোগকারী এবাদুল হকের দাবি, বিরোধপূর্ণ জমিটি তাঁর বাবা ও ফুফুর মালিকানাধীন পৈতৃক সম্পত্তি। কিন্তু জুনাব আলীসহ কয়েকজন দীর্ঘদিন ধরে জমিটি জোরপূর্বক দখল করে ভোগ করছেন। সম্প্রতি ওই জমিতে স্থানীয় পাকা বসত ঘর নির্মাণের চেষ্টা করলে তিনি বাঁধা দেন। এ সময় তাঁকে প্রাণনাশের হুমকি ও হামলার আশঙ্কার মুখে পড়তে হয়েছে বলে অভিযোগ করেন তিনি।
‎
‎এবাদুল হক বলেন,আমাদের বৈধ জায়গা তাঁরা লাঠির জোরে জবরদখল করে রেখেছেন। আমরা ওই জায়গায় গেলে তাঁরা আমাদের ওপর ক্ষিপ্ত হয়ে আক্রমণ করেন। তাঁদের ভয়ে গ্রাম ছেড়ে পাশের গ্রামে বসতি গড়েছি। অথচ নিজের জায়গায় যেতে পারছি না। এখন সেখানে ঘরবাড়ি নির্মাণের চেষ্টা করছেন তাঁরা। এ কারণে থানায় অভিযোগ করেছি।
‎
‎তবে অভিযুক্ত সাইদুল হক ও তাঁর মা রাফিকুল নেছা অভিযোগ অস্বীকার করে বলেন, তার স্বামী জমিটি কিনে মালিক হয়েছেন। নিজেদের কেনা জমিতে ঘর বাড়ি নির্মাণ করছেন। কিন্তু এবাদুল হক তাঁদের কাজে বাঁধা দিচ্ছেন। জমি ক্রয়ের দলিল আছে কি না জানতে চাইলে তাঁরা বলেন, জমিসংক্রান্ত সব কাগজপত্র আদালতে রয়েছে।
‎এদিকে বাবনিয়া গ্রামের বাসিন্দা আজিল মিয়া বলেন, জমিটির প্রকৃত মালিক এবাদুল হকের বাবা ও তাঁর ফুফু। জুনাব আলী গং জোরপূর্বক জমিটি দখল করে ভোগ করছেন। তাঁদের কোনো বৈধ কাগজপত্র নেই বলে দাবি করেন তিনি।
‎
‎শান্তিগঞ্জ থানার উপ পুলিশ পরিদর্শক (এসআই) টিপু সুলতান বলেন, থানায় লিখিত অভিযোগ আমলে নিয়ে শুক্রবার (১৬ অক্টোবর) সন্ধ্যায় সরেজমিনে ঘটনাস্থল পরিদর্শন করেছি। অভিযোগকারী ও অভিযুক্তদেরকে বিরোধ না করতে বারণ করেছে এবং তাহাদের বৈধকাগজপত্র নিয়ে থানায় আসতে বলেছি। কাগজপত্র পর্যালোচনা করে প্রয়োজনীয় ব্যবস্থা গ্রহণ করা হবে।
‎
‎শান্তিগঞ্জ থানার ভারপ্রাপ্ত কর্মকর্তা (ওসি) মো. অলিউল্লাহ অভিযোগের বিষয়ে সত্যতা নিশ্চিত করেন।

ট্যাগস :
আপলোডকারীর তথ্য

জনপ্রিয় সংবাদ

শান্তিগঞ্জে জোরপূর্বক জায়গা দখলের অভিযোগ

শান্তিগঞ্জে জোরপূর্বক জায়গা দখলের অভিযোগ

সময় ০৪:৫২:৪৯ অপরাহ্ন, শনিবার, ১৭ অক্টোবর ২০২৬


সুনামগঞ্জের শান্তিগঞ্জে পৈতৃক জমি জবরদখল করে স্থানীয় পাকা বসত ঘর নির্মাণের চেষ্টার অভিযোগে এবাদুল হক (৪০) নামের এক ব্যক্তি গত শুক্রবার (১৬ অক্টোবর) শান্তিগঞ্জ থানায় লিখিত অভিযোগ দায়ের করেছেন। অন্যদিকে অভিযুক্ত পক্ষের দাবি, তাঁরা জমিটি কিনে মালিক হয়েছেন। থানায় লিখিত অভিযোগের ঘটনাস্থলে গিয়ে ঘর নির্মাণ না করতে বিবাদী পক্ষকে বারণ করেছেন থানা পুলিশ।
‎
‎ঘটনাটি ঘটেছে গত বৃহস্পতিবার (১৫ অক্টোবর) সকাল ১০টার দিকে উপজেলার পাথারিয়া ইউনিয়নের সৈদাবাদ মৌজায় বাবনিয়া গ্রামে। উক্ত বিরোধপূর্ণ জমিতে ঘর নির্মাণের কাজ শুরু হলে এ নিয়ে বিরোধ দেখা দেয় বলে অভিযোগকারী তাঁর অভিযোগে উল্লেখ করেন।
‎
‎অভিযোগকারী এবাদুল হকের দাবি, বিরোধপূর্ণ জমিটি তাঁর বাবা ও ফুফুর মালিকানাধীন পৈতৃক সম্পত্তি। কিন্তু জুনাব আলীসহ কয়েকজন দীর্ঘদিন ধরে জমিটি জোরপূর্বক দখল করে ভোগ করছেন। সম্প্রতি ওই জমিতে স্থানীয় পাকা বসত ঘর নির্মাণের চেষ্টা করলে তিনি বাঁধা দেন। এ সময় তাঁকে প্রাণনাশের হুমকি ও হামলার আশঙ্কার মুখে পড়তে হয়েছে বলে অভিযোগ করেন তিনি।
‎
‎এবাদুল হক বলেন,আমাদের বৈধ জায়গা তাঁরা লাঠির জোরে জবরদখল করে রেখেছেন। আমরা ওই জায়গায় গেলে তাঁরা আমাদের ওপর ক্ষিপ্ত হয়ে আক্রমণ করেন। তাঁদের ভয়ে গ্রাম ছেড়ে পাশের গ্রামে বসতি গড়েছি। অথচ নিজের জায়গায় যেতে পারছি না। এখন সেখানে ঘরবাড়ি নির্মাণের চেষ্টা করছেন তাঁরা। এ কারণে থানায় অভিযোগ করেছি।
‎
‎তবে অভিযুক্ত সাইদুল হক ও তাঁর মা রাফিকুল নেছা অভিযোগ অস্বীকার করে বলেন, তার স্বামী জমিটি কিনে মালিক হয়েছেন। নিজেদের কেনা জমিতে ঘর বাড়ি নির্মাণ করছেন। কিন্তু এবাদুল হক তাঁদের কাজে বাঁধা দিচ্ছেন। জমি ক্রয়ের দলিল আছে কি না জানতে চাইলে তাঁরা বলেন, জমিসংক্রান্ত সব কাগজপত্র আদালতে রয়েছে।
‎এদিকে বাবনিয়া গ্রামের বাসিন্দা আজিল মিয়া বলেন, জমিটির প্রকৃত মালিক এবাদুল হকের বাবা ও তাঁর ফুফু। জুনাব আলী গং জোরপূর্বক জমিটি দখল করে ভোগ করছেন। তাঁদের কোনো বৈধ কাগজপত্র নেই বলে দাবি করেন তিনি।
‎
‎শান্তিগঞ্জ থানার উপ পুলিশ পরিদর্শক (এসআই) টিপু সুলতান বলেন, থানায় লিখিত অভিযোগ আমলে নিয়ে শুক্রবার (১৬ অক্টোবর) সন্ধ্যায় সরেজমিনে ঘটনাস্থল পরিদর্শন করেছি। অভিযোগকারী ও অভিযুক্তদেরকে বিরোধ না করতে বারণ করেছে এবং তাহাদের বৈধকাগজপত্র নিয়ে থানায় আসতে বলেছি। কাগজপত্র পর্যালোচনা করে প্রয়োজনীয় ব্যবস্থা গ্রহণ করা হবে।
‎
‎শান্তিগঞ্জ থানার ভারপ্রাপ্ত কর্মকর্তা (ওসি) মো. অলিউল্লাহ অভিযোগের বিষয়ে সত্যতা নিশ্চিত করেন।