সিলেট ০৮:২৫ অপরাহ্ন, শনিবার, ১৭ অক্টোবর ২০২৬
News Title :
‎গোয়াইনঘাটে ৪ লিস্টার মেশিন ধ্বংস, ডুবিয়ে দেওয়া হলো বালুভর্তি বাল্কহেড শান্তিগঞ্জে জোরপূর্বক জায়গা দখলের অভিযোগ ‎রক্তাক্ত গণমাধ্যম: সাগর-রুনি থেকে আলিফ ফকিরের বিয়োগান্তক সুর‎ নেত্রকোনায় সাংবাদিক লুৎফুজ্জামান আলিফ ফকিরকে গুলি করে হত্যা: শেরপুর প্রেসক্লাবের তীব্র নিন্দা ও প্রতিবাদ ‎জৈন্তাপুরে জমি দখলকে কেন্দ্র করে সংঘর্ষ: আহত একই পরিবারের ৩  ভাইসহ একাধিক সদস্য। ‎প্রতিবন্ধী নাতনির দায়িত্ব বৃদ্ধ দাদির কাঁধে লাখাই মুড়িয়াউক ইউনিয়ন নির্বাচনকে সামনে রেখে জমে উঠেছে প্রচার-প্রচারণা ‎সিলেটে বাস টমটম সংঘর্ষে মা-মেয়ে নিহতের ঘটনায় ঘাতক বাস চালক গ্রেপ্তার কুলাউড়ায় নতুন আঙ্গিকে গোবিন্দাস রেস্টুরেন্ট, সাশ্রয়ী মূল্যে মিলবে তিন বেলার খাবার নিউইয়র্ক পুলিশ কর্মকর্তা জুয়েল মাহবুবের সঙ্গে স্রোত সাহিত্য পর্ষদের শুভেচ্ছা বিনিময়

২ মাসেই উঠে গেল ৮৭ লাখ টাকার সড়ক, গোয়াইনঘাটে নিম্নমানের কাজের অভিযোগ


‎
‎
‎সিলেটের গোয়াইনঘাট উপজেলার হাকুর বাজার-মানিকগঞ্জ সড়কের প্রায় ৮৭ লাখ টাকার সংস্কারকাজ শেষ হওয়ার মাত্র দুই মাসের মাথায় বিভিন্ন স্থানে কার্পেটিং উঠে গিয়ে বড় বড় গর্তের সৃষ্টি হয়েছে। নিম্নমানের সামগ্রী ব্যবহার ও অনিয়মের অভিযোগ তুলে ক্ষোভ প্রকাশ করেছেন স্থানীয় বাসিন্দা, ব্যবসায়ী ও জনপ্রতিনিধিরা।
‎
‎এলজিইডি সূত্র জানায়, ‘আরিফ এন্টারপ্রাইজ’ নামের একটি ঠিকাদারি প্রতিষ্ঠান সড়কটির সংস্কারকাজ বাস্তবায়ন করে। স্থানীয়দের অভিযোগ, নিম্নমানের বিটুমিন ও অপর্যাপ্ত পাথর ব্যবহারের কারণে সড়কটি অল্প সময়েই চলাচলের অনুপযোগী হয়ে পড়েছে। অনেক স্থানে গাড়ির চাকার ঘর্ষণেই কার্পেটিং উঠে যাচ্ছে।
‎
‎স্থানীয় ব্যবসায়ী জমির উদ্দিনসহ এলাকাবাসীর দাবি, জনগণের অর্থে নির্মিত সড়কে নিম্নমানের কাজের কারণে বর্ষা মৌসুমে চরম দুর্ভোগে পড়েছেন পথচারী, রোগী ও শিক্ষার্থীরা।
‎
‎ইউপি সদস্য রুনা আক্তার বলেন, দুই মাসের মধ্যেই সড়কের পিচ ও পাথর উঠে যাওয়ায় জনগণের টাকার অপচয় হয়েছে। অনিয়মের সুষ্ঠু তদন্ত করে দায়ীদের বিরুদ্ধে আইনগত ব্যবস্থা এবং সড়কটি টেকসইভাবে পুনঃসংস্কারের দাবি জানাচ্ছি।
‎
‎সরেজমিনে দেখা গেছে, সড়কের একাধিক অংশে কার্পেটিং উঠে গিয়ে বড় বড় গর্তের সৃষ্টি হয়েছে। এতে যানবাহন চলাচল ব্যাহত হচ্ছে এবং দুর্ঘটনার ঝুঁকি বেড়েছে।
‎
‎এ বিষয়ে জানতে ঠিকাদারি প্রতিষ্ঠান আরিফ এন্টারপ্রাইজের স্বত্বাধিকারী এনাম উদ্দিন তাফাদারের মুঠোফোনে একাধিকবার যোগাযোগের চেষ্টা করা হলেও তিনি ফোন রিসিভ করেননি। ফলে তার বক্তব্য পাওয়া যায়নি।
‎
‎গোয়াইনঘাট উপজেলা প্রকৌশলী হাসিব আহমেদ বলেন, সড়কটি পরিদর্শনে গিয়ে ক্ষতিগ্রস্ত অংশগুলো শনাক্ত করা হয়েছে। ঠিকাদারকে দ্রুত পুনরায় মানসম্মতভাবে কাজ শেষ করার নির্দেশ দেওয়া হয়েছে। তিনি জানান,শতভাগ মানসম্পন্ন কাজ বুঝে না পাওয়া পর্যন্ত ঠিকাদারকে চূড়ান্ত বিল দেওয়া হবে না।

ট্যাগস :
আপলোডকারীর তথ্য

জনপ্রিয় সংবাদ

‎গোয়াইনঘাটে ৪ লিস্টার মেশিন ধ্বংস, ডুবিয়ে দেওয়া হলো বালুভর্তি বাল্কহেড

২ মাসেই উঠে গেল ৮৭ লাখ টাকার সড়ক, গোয়াইনঘাটে নিম্নমানের কাজের অভিযোগ

সময় ০২:৩৬:৫৭ অপরাহ্ন, বৃহস্পতিবার, ১৬ জুলাই ২০২৬


‎
‎
‎সিলেটের গোয়াইনঘাট উপজেলার হাকুর বাজার-মানিকগঞ্জ সড়কের প্রায় ৮৭ লাখ টাকার সংস্কারকাজ শেষ হওয়ার মাত্র দুই মাসের মাথায় বিভিন্ন স্থানে কার্পেটিং উঠে গিয়ে বড় বড় গর্তের সৃষ্টি হয়েছে। নিম্নমানের সামগ্রী ব্যবহার ও অনিয়মের অভিযোগ তুলে ক্ষোভ প্রকাশ করেছেন স্থানীয় বাসিন্দা, ব্যবসায়ী ও জনপ্রতিনিধিরা।
‎
‎এলজিইডি সূত্র জানায়, ‘আরিফ এন্টারপ্রাইজ’ নামের একটি ঠিকাদারি প্রতিষ্ঠান সড়কটির সংস্কারকাজ বাস্তবায়ন করে। স্থানীয়দের অভিযোগ, নিম্নমানের বিটুমিন ও অপর্যাপ্ত পাথর ব্যবহারের কারণে সড়কটি অল্প সময়েই চলাচলের অনুপযোগী হয়ে পড়েছে। অনেক স্থানে গাড়ির চাকার ঘর্ষণেই কার্পেটিং উঠে যাচ্ছে।
‎
‎স্থানীয় ব্যবসায়ী জমির উদ্দিনসহ এলাকাবাসীর দাবি, জনগণের অর্থে নির্মিত সড়কে নিম্নমানের কাজের কারণে বর্ষা মৌসুমে চরম দুর্ভোগে পড়েছেন পথচারী, রোগী ও শিক্ষার্থীরা।
‎
‎ইউপি সদস্য রুনা আক্তার বলেন, দুই মাসের মধ্যেই সড়কের পিচ ও পাথর উঠে যাওয়ায় জনগণের টাকার অপচয় হয়েছে। অনিয়মের সুষ্ঠু তদন্ত করে দায়ীদের বিরুদ্ধে আইনগত ব্যবস্থা এবং সড়কটি টেকসইভাবে পুনঃসংস্কারের দাবি জানাচ্ছি।
‎
‎সরেজমিনে দেখা গেছে, সড়কের একাধিক অংশে কার্পেটিং উঠে গিয়ে বড় বড় গর্তের সৃষ্টি হয়েছে। এতে যানবাহন চলাচল ব্যাহত হচ্ছে এবং দুর্ঘটনার ঝুঁকি বেড়েছে।
‎
‎এ বিষয়ে জানতে ঠিকাদারি প্রতিষ্ঠান আরিফ এন্টারপ্রাইজের স্বত্বাধিকারী এনাম উদ্দিন তাফাদারের মুঠোফোনে একাধিকবার যোগাযোগের চেষ্টা করা হলেও তিনি ফোন রিসিভ করেননি। ফলে তার বক্তব্য পাওয়া যায়নি।
‎
‎গোয়াইনঘাট উপজেলা প্রকৌশলী হাসিব আহমেদ বলেন, সড়কটি পরিদর্শনে গিয়ে ক্ষতিগ্রস্ত অংশগুলো শনাক্ত করা হয়েছে। ঠিকাদারকে দ্রুত পুনরায় মানসম্মতভাবে কাজ শেষ করার নির্দেশ দেওয়া হয়েছে। তিনি জানান,শতভাগ মানসম্পন্ন কাজ বুঝে না পাওয়া পর্যন্ত ঠিকাদারকে চূড়ান্ত বিল দেওয়া হবে না।