সিলেট ০৪:৩৮ পূর্বাহ্ন, শনিবার, ১৮ জুলাই ২০২৬
News Title :
‎আফগানিস্তানে জাতিসংঘের বিশেষ প্রতিনিধি হলেন মাধবপুরের রাবাব ফাতিমা ‎হবিগঞ্জে বন্যাদুর্গত চার শতাধিক মানুষের পাশে জেলা পুলিশ মেডিকেল ক্যাম্পে বিনামূল্যে চিকিৎসাসেবা‎ রুস্তম হত্যাকারীদের গ্রেফতারের দাবিতে মানববন্ধন ও বিক্ষোভ মিছিল, ১২ ঘণ্টার আল্টিমেটাম ‎লাখাইয়ে কৃষক স্মার্ট কার্ড বিতরণ শুরু ‎টাকার অভাবে থমকে গেছে উস্তার মিয়ার চিকিৎসা, পরিবার নিয়ে মানবতর জীবন যাপন হবিগঞ্জে ঘাস কাটতে গিয়ে সাপের কামড়ে যুবকের মৃত্যু সাবেক প্রয়াত মন্ত্রী সিরাজুল হোসেন খান শততম বর্ষে পদার্পণ আজ‎‎। জামালপুর অর্থনৈতিক অঞ্চলে বন্দি ‘পশ্চিমপাড়া গ্রাম’: পুনর্বাসনের জোর দাবি সচেতন মহলের ‎শান্তিগঞ্জে উচ্চ ফলনশীল আগাম জাতের আমন ধান চাষে কৃষকদের মৌলিক প্রশিক্ষণ সমাপ্ত শান্তিগঞ্জে জুলাই শহিদ দিবস উপলক্ষ্যে আলোচনা সভা

২ মাসেই উঠে গেল ৮৭ লাখ টাকার সড়ক, গোয়াইনঘাটে নিম্নমানের কাজের অভিযোগ




‎সিলেটের গোয়াইনঘাট উপজেলার হাকুর বাজার-মানিকগঞ্জ সড়কের প্রায় ৮৭ লাখ টাকার সংস্কারকাজ শেষ হওয়ার মাত্র দুই মাসের মাথায় বিভিন্ন স্থানে কার্পেটিং উঠে গিয়ে বড় বড় গর্তের সৃষ্টি হয়েছে। নিম্নমানের সামগ্রী ব্যবহার ও অনিয়মের অভিযোগ তুলে ক্ষোভ প্রকাশ করেছেন স্থানীয় বাসিন্দা, ব্যবসায়ী ও জনপ্রতিনিধিরা।

‎এলজিইডি সূত্র জানায়, ‘আরিফ এন্টারপ্রাইজ’ নামের একটি ঠিকাদারি প্রতিষ্ঠান সড়কটির সংস্কারকাজ বাস্তবায়ন করে। স্থানীয়দের অভিযোগ, নিম্নমানের বিটুমিন ও অপর্যাপ্ত পাথর ব্যবহারের কারণে সড়কটি অল্প সময়েই চলাচলের অনুপযোগী হয়ে পড়েছে। অনেক স্থানে গাড়ির চাকার ঘর্ষণেই কার্পেটিং উঠে যাচ্ছে।

‎স্থানীয় ব্যবসায়ী জমির উদ্দিনসহ এলাকাবাসীর দাবি, জনগণের অর্থে নির্মিত সড়কে নিম্নমানের কাজের কারণে বর্ষা মৌসুমে চরম দুর্ভোগে পড়েছেন পথচারী, রোগী ও শিক্ষার্থীরা।

‎ইউপি সদস্য রুনা আক্তার বলেন, দুই মাসের মধ্যেই সড়কের পিচ ও পাথর উঠে যাওয়ায় জনগণের টাকার অপচয় হয়েছে। অনিয়মের সুষ্ঠু তদন্ত করে দায়ীদের বিরুদ্ধে আইনগত ব্যবস্থা এবং সড়কটি টেকসইভাবে পুনঃসংস্কারের দাবি জানাচ্ছি।

‎সরেজমিনে দেখা গেছে, সড়কের একাধিক অংশে কার্পেটিং উঠে গিয়ে বড় বড় গর্তের সৃষ্টি হয়েছে। এতে যানবাহন চলাচল ব্যাহত হচ্ছে এবং দুর্ঘটনার ঝুঁকি বেড়েছে।

‎এ বিষয়ে জানতে ঠিকাদারি প্রতিষ্ঠান আরিফ এন্টারপ্রাইজের স্বত্বাধিকারী এনাম উদ্দিন তাফাদারের মুঠোফোনে একাধিকবার যোগাযোগের চেষ্টা করা হলেও তিনি ফোন রিসিভ করেননি। ফলে তার বক্তব্য পাওয়া যায়নি।

‎গোয়াইনঘাট উপজেলা প্রকৌশলী হাসিব আহমেদ বলেন, সড়কটি পরিদর্শনে গিয়ে ক্ষতিগ্রস্ত অংশগুলো শনাক্ত করা হয়েছে। ঠিকাদারকে দ্রুত পুনরায় মানসম্মতভাবে কাজ শেষ করার নির্দেশ দেওয়া হয়েছে। তিনি জানান,শতভাগ মানসম্পন্ন কাজ বুঝে না পাওয়া পর্যন্ত ঠিকাদারকে চূড়ান্ত বিল দেওয়া হবে না।

ট্যাগস :
আপলোডকারীর তথ্য

জনপ্রিয় সংবাদ

‎আফগানিস্তানে জাতিসংঘের বিশেষ প্রতিনিধি হলেন মাধবপুরের রাবাব ফাতিমা

২ মাসেই উঠে গেল ৮৭ লাখ টাকার সড়ক, গোয়াইনঘাটে নিম্নমানের কাজের অভিযোগ

সময় ০২:৩৬:৫৭ অপরাহ্ন, বৃহস্পতিবার, ১৬ জুলাই ২০২৬




‎সিলেটের গোয়াইনঘাট উপজেলার হাকুর বাজার-মানিকগঞ্জ সড়কের প্রায় ৮৭ লাখ টাকার সংস্কারকাজ শেষ হওয়ার মাত্র দুই মাসের মাথায় বিভিন্ন স্থানে কার্পেটিং উঠে গিয়ে বড় বড় গর্তের সৃষ্টি হয়েছে। নিম্নমানের সামগ্রী ব্যবহার ও অনিয়মের অভিযোগ তুলে ক্ষোভ প্রকাশ করেছেন স্থানীয় বাসিন্দা, ব্যবসায়ী ও জনপ্রতিনিধিরা।

‎এলজিইডি সূত্র জানায়, ‘আরিফ এন্টারপ্রাইজ’ নামের একটি ঠিকাদারি প্রতিষ্ঠান সড়কটির সংস্কারকাজ বাস্তবায়ন করে। স্থানীয়দের অভিযোগ, নিম্নমানের বিটুমিন ও অপর্যাপ্ত পাথর ব্যবহারের কারণে সড়কটি অল্প সময়েই চলাচলের অনুপযোগী হয়ে পড়েছে। অনেক স্থানে গাড়ির চাকার ঘর্ষণেই কার্পেটিং উঠে যাচ্ছে।

‎স্থানীয় ব্যবসায়ী জমির উদ্দিনসহ এলাকাবাসীর দাবি, জনগণের অর্থে নির্মিত সড়কে নিম্নমানের কাজের কারণে বর্ষা মৌসুমে চরম দুর্ভোগে পড়েছেন পথচারী, রোগী ও শিক্ষার্থীরা।

‎ইউপি সদস্য রুনা আক্তার বলেন, দুই মাসের মধ্যেই সড়কের পিচ ও পাথর উঠে যাওয়ায় জনগণের টাকার অপচয় হয়েছে। অনিয়মের সুষ্ঠু তদন্ত করে দায়ীদের বিরুদ্ধে আইনগত ব্যবস্থা এবং সড়কটি টেকসইভাবে পুনঃসংস্কারের দাবি জানাচ্ছি।

‎সরেজমিনে দেখা গেছে, সড়কের একাধিক অংশে কার্পেটিং উঠে গিয়ে বড় বড় গর্তের সৃষ্টি হয়েছে। এতে যানবাহন চলাচল ব্যাহত হচ্ছে এবং দুর্ঘটনার ঝুঁকি বেড়েছে।

‎এ বিষয়ে জানতে ঠিকাদারি প্রতিষ্ঠান আরিফ এন্টারপ্রাইজের স্বত্বাধিকারী এনাম উদ্দিন তাফাদারের মুঠোফোনে একাধিকবার যোগাযোগের চেষ্টা করা হলেও তিনি ফোন রিসিভ করেননি। ফলে তার বক্তব্য পাওয়া যায়নি।

‎গোয়াইনঘাট উপজেলা প্রকৌশলী হাসিব আহমেদ বলেন, সড়কটি পরিদর্শনে গিয়ে ক্ষতিগ্রস্ত অংশগুলো শনাক্ত করা হয়েছে। ঠিকাদারকে দ্রুত পুনরায় মানসম্মতভাবে কাজ শেষ করার নির্দেশ দেওয়া হয়েছে। তিনি জানান,শতভাগ মানসম্পন্ন কাজ বুঝে না পাওয়া পর্যন্ত ঠিকাদারকে চূড়ান্ত বিল দেওয়া হবে না।