সিলেট ১০:৫২ অপরাহ্ন, শনিবার, ১৭ অক্টোবর ২০২৬
News Title :
‎বানিয়াচংয়ে ইয়ামাহা রাইডার্স ক্লাব (YRC) সদস্যদের গেটটুগেদার অনুষ্ঠিত। ‎গোয়াইনঘাটে ৪ লিস্টার মেশিন ধ্বংস, ডুবিয়ে দেওয়া হলো বালুভর্তি বাল্কহেড শান্তিগঞ্জে জোরপূর্বক জায়গা দখলের অভিযোগ ‎রক্তাক্ত গণমাধ্যম: সাগর-রুনি থেকে আলিফ ফকিরের বিয়োগান্তক সুর‎ নেত্রকোনায় সাংবাদিক লুৎফুজ্জামান আলিফ ফকিরকে গুলি করে হত্যা: শেরপুর প্রেসক্লাবের তীব্র নিন্দা ও প্রতিবাদ ‎জৈন্তাপুরে জমি দখলকে কেন্দ্র করে সংঘর্ষ: আহত একই পরিবারের ৩  ভাইসহ একাধিক সদস্য। ‎প্রতিবন্ধী নাতনির দায়িত্ব বৃদ্ধ দাদির কাঁধে লাখাই মুড়িয়াউক ইউনিয়ন নির্বাচনকে সামনে রেখে জমে উঠেছে প্রচার-প্রচারণা ‎সিলেটে বাস টমটম সংঘর্ষে মা-মেয়ে নিহতের ঘটনায় ঘাতক বাস চালক গ্রেপ্তার কুলাউড়ায় নতুন আঙ্গিকে গোবিন্দাস রেস্টুরেন্ট, সাশ্রয়ী মূল্যে মিলবে তিন বেলার খাবার

‎টানা বর্ষণ ও উজানের পাহাড়ি ঢলে হবিগঞ্জে খোয়াই নদ-নদীর পানি বৃদ্ধি, বন্যার শঙ্কা‎



‎
‎টানা দুই দিনের ভারি বর্ষণ এবং উজানের পাহাড়ি ঢলে হবিগঞ্জ জেলার নদ-নদীর পানি দ্রুত বৃদ্ধি পাচ্ছে। এর মধ্যে ভারতের ত্রিপুরা রাজ্যের খোয়াই নদীর চাকমা গেট খুলে দেওয়ায় জেলার খোয়াই নদীতে পানির প্রবাহ আরও বেড়েছে। এতে নদী তীরবর্তী এলাকায় বন্যার শঙ্কা দেখা দিয়েছে।
‎
‎হবিগঞ্জ পানি উন্নয়ন বোর্ড (পাউবো) সূত্রে জানা গেছে, বৃহস্পতিবার সকাল ৯টায় খোয়াই নদীর পানি বাল্লা পয়েন্টে বিপৎসীমার ২২০ সেন্টিমিটার, শায়েস্তাগঞ্জ পয়েন্টে ৯৯ সেন্টিমিটার এবং মাছুলিয়া পয়েন্টে ১১৫ সেন্টিমিটার ওপর দিয়ে প্রবাহিত হচ্ছিল।
‎
‎পাউবোর তথ্য অনুযায়ী, জেলার প্রায় সব নদ-নদীর পানিই বৃদ্ধি পাচ্ছে। সবচেয়ে উদ্বেগজনক পরিস্থিতি বিরাজ করছে খোয়াই নদীর বাল্লা সীমান্ত পয়েন্টে। পাশাপাশি ধলেশ্বরী, সুতাং, সোনাই, করাঙ্গী, জানিখাল ও জিয়ারখলাসহ বিভিন্ন নদী, খাল ও ছড়ার পানিও বেড়েছে।


‎হবিগঞ্জ পানি উন্নয়ন বোর্ডের নির্বাহী প্রকৌশলী সায়েদুর রহমান সংবাদ মাধ্যমে বলেন, গত দুই দিন ধরে ভারতের ত্রিপুরা রাজ্য ও দেশের বিভিন্ন এলাকায় ভারি বৃষ্টিপাত হচ্ছে। এ অবস্থায় ভারতের খোয়াই নদীর চাকমা গেট খুলে দেওয়ায় নদীটির পানির প্রবাহ উল্লেখযোগ্যভাবে বেড়েছে। একই সঙ্গে কালনী-কুশিয়ারা নদীর পানিও বিপৎসীমা অতিক্রম করেছে। মঙ্গলবার রাত থেকে জেলার প্রায় সব নদ-নদীর পানি দ্রুত বাড়ছে। মৌসুমি বায়ু সক্রিয় থাকায় আগামী কয়েক দিন ভারি থেকে অতিভারি বৃষ্টিপাত হতে পারে।


‎
‎তিনি বলেন, খোয়াই নদীর পানি এভাবে বাড়তে থাকলে হবিগঞ্জ শহররক্ষা বাঁধের কয়েকটি দুর্বল অংশ ঝুঁকির মুখে পড়তে পারে। কোথাও ভাঙন দেখা দিলে আশপাশের এলাকা প্লাবিত হওয়ার আশঙ্কা রয়েছে। তাই পরিস্থিতি সার্বক্ষণিক পর্যবেক্ষণ করা হচ্ছে।
‎এদিকে টানা বর্ষণ ও উজানের ঢলে নদ-নদীর পানি বৃদ্ধি পাওয়ায় জেলার নিম্নাঞ্চল ও নদী তীরবর্তী এলাকার বাসিন্দাদের মধ্যে বন্যার শঙ্কা বেড়েছে।
‎
‎ স্থানীয় প্রশাসন ও পানি উন্নয়ন বোর্ড পরিস্থিতি পর্যবেক্ষণ করছে এবং প্রয়োজনীয় প্রস্তুতি নেওয়ার কথা জানিয়েছে।

ট্যাগস :
আপলোডকারীর তথ্য

জনপ্রিয় সংবাদ

‎বানিয়াচংয়ে ইয়ামাহা রাইডার্স ক্লাব (YRC) সদস্যদের গেটটুগেদার অনুষ্ঠিত।

‎টানা বর্ষণ ও উজানের পাহাড়ি ঢলে হবিগঞ্জে খোয়াই নদ-নদীর পানি বৃদ্ধি, বন্যার শঙ্কা‎

সময় ০৮:৪৫:৩৮ অপরাহ্ন, বৃহস্পতিবার, ৯ জুলাই ২০২৬



‎
‎টানা দুই দিনের ভারি বর্ষণ এবং উজানের পাহাড়ি ঢলে হবিগঞ্জ জেলার নদ-নদীর পানি দ্রুত বৃদ্ধি পাচ্ছে। এর মধ্যে ভারতের ত্রিপুরা রাজ্যের খোয়াই নদীর চাকমা গেট খুলে দেওয়ায় জেলার খোয়াই নদীতে পানির প্রবাহ আরও বেড়েছে। এতে নদী তীরবর্তী এলাকায় বন্যার শঙ্কা দেখা দিয়েছে।
‎
‎হবিগঞ্জ পানি উন্নয়ন বোর্ড (পাউবো) সূত্রে জানা গেছে, বৃহস্পতিবার সকাল ৯টায় খোয়াই নদীর পানি বাল্লা পয়েন্টে বিপৎসীমার ২২০ সেন্টিমিটার, শায়েস্তাগঞ্জ পয়েন্টে ৯৯ সেন্টিমিটার এবং মাছুলিয়া পয়েন্টে ১১৫ সেন্টিমিটার ওপর দিয়ে প্রবাহিত হচ্ছিল।
‎
‎পাউবোর তথ্য অনুযায়ী, জেলার প্রায় সব নদ-নদীর পানিই বৃদ্ধি পাচ্ছে। সবচেয়ে উদ্বেগজনক পরিস্থিতি বিরাজ করছে খোয়াই নদীর বাল্লা সীমান্ত পয়েন্টে। পাশাপাশি ধলেশ্বরী, সুতাং, সোনাই, করাঙ্গী, জানিখাল ও জিয়ারখলাসহ বিভিন্ন নদী, খাল ও ছড়ার পানিও বেড়েছে।


‎হবিগঞ্জ পানি উন্নয়ন বোর্ডের নির্বাহী প্রকৌশলী সায়েদুর রহমান সংবাদ মাধ্যমে বলেন, গত দুই দিন ধরে ভারতের ত্রিপুরা রাজ্য ও দেশের বিভিন্ন এলাকায় ভারি বৃষ্টিপাত হচ্ছে। এ অবস্থায় ভারতের খোয়াই নদীর চাকমা গেট খুলে দেওয়ায় নদীটির পানির প্রবাহ উল্লেখযোগ্যভাবে বেড়েছে। একই সঙ্গে কালনী-কুশিয়ারা নদীর পানিও বিপৎসীমা অতিক্রম করেছে। মঙ্গলবার রাত থেকে জেলার প্রায় সব নদ-নদীর পানি দ্রুত বাড়ছে। মৌসুমি বায়ু সক্রিয় থাকায় আগামী কয়েক দিন ভারি থেকে অতিভারি বৃষ্টিপাত হতে পারে।


‎
‎তিনি বলেন, খোয়াই নদীর পানি এভাবে বাড়তে থাকলে হবিগঞ্জ শহররক্ষা বাঁধের কয়েকটি দুর্বল অংশ ঝুঁকির মুখে পড়তে পারে। কোথাও ভাঙন দেখা দিলে আশপাশের এলাকা প্লাবিত হওয়ার আশঙ্কা রয়েছে। তাই পরিস্থিতি সার্বক্ষণিক পর্যবেক্ষণ করা হচ্ছে।
‎এদিকে টানা বর্ষণ ও উজানের ঢলে নদ-নদীর পানি বৃদ্ধি পাওয়ায় জেলার নিম্নাঞ্চল ও নদী তীরবর্তী এলাকার বাসিন্দাদের মধ্যে বন্যার শঙ্কা বেড়েছে।
‎
‎ স্থানীয় প্রশাসন ও পানি উন্নয়ন বোর্ড পরিস্থিতি পর্যবেক্ষণ করছে এবং প্রয়োজনীয় প্রস্তুতি নেওয়ার কথা জানিয়েছে।