সিলেট ১০:৪২ পূর্বাহ্ন, শনিবার, ১৭ অক্টোবর ২০২৬
News Title :
লাখাই মুড়িয়াউক ইউনিয়ন নির্বাচনকে সামনে রেখে জমে উঠেছে প্রচার-প্রচারণা ‎সিলেটে বাস টমটম সংঘর্ষে মা-মেয়ে নিহতের ঘটনায় ঘাতক বাস চালক গ্রেপ্তার কুলাউড়ায় নতুন আঙ্গিকে গোবিন্দাস রেস্টুরেন্ট, সাশ্রয়ী মূল্যে মিলবে তিন বেলার খাবার নিউইয়র্ক পুলিশ কর্মকর্তা জুয়েল মাহবুবের সঙ্গে স্রোত সাহিত্য পর্ষদের শুভেচ্ছা বিনিময় ‎হবিগঞ্জে পূজামণ্ডপের নিরাপত্তায় ১২ প্লাটুন বিজিবি মোতায়েন ‎লাখাইয়ে শান্তিপূর্ণ, নির্বিঘ্নে দুর্গাপূজাঁ‎ উদযাপনের লক্ষ্যে মতবিনিময় সভা অনুষ্ঠিত।    ঢাকা-সিলেট মহাসড়কে অলিপুরে ট্রাকের ধাক্কায় মোটরসাইকেল আরোহী মৃত্যু হবিগঞ্জ কারাগারে মাদক মামলার এক বন্দির মৃত্যু ‎লাখাইয়ে পুলিশের উদ্যোগে মাদক ও অপরাধবিরোধী উঠান বৈঠক অনুষ্ঠিত শান্তিগঞ্জে প্রধান শিক্ষক সমিতির ত্রি-বার্ষিক সম্মেলনে সভাপতি মানিক,সম্পাদক সুধা রঞ্জন

‎ওসমানী হাসপাতালে র‍্যাব-জেলা প্রশাসনের যৌথ অভিযান: ৪ দালালকে কারাদণ্ড

‎

‎সিলেটের এমএজি ওসমানী মেডিকেল কলেজ হাসপাতালে চিকিৎসা নিতে আসা সাধারণ মানুষকে হয়রানি, প্রতারণা এবং সরকারি দায়িত্ব পালনে বাধা দেওয়ার অপরাধে দালালচক্রের ৪ সদস্যকে বিভিন্ন মেয়াদে কারাদণ্ড দেওয়া হয়েছে। র‍্যাপিড এ্যাকশন ব্যাটালিয়ন (র‍্যাব)-৯ এবং সিলেট জেলা প্রশাসনের যৌথ অভিযানে পরিচালিত এক ভ্রাম্যমাণ আদালত এই দণ্ডাদেশ প্রদান করেন।

‎র‍্যাব-৯ এর মিডিয়া অফিসার অতিরিক্ত পুলিশ সুপার কে, এম, শহিদুল ইসলাম সোহাগ এক সংবাদ বিজ্ঞপ্তিতে এই তথ্য নিশ্চিত করেছেন।

সাজাপ্রাপ্ত ব্যক্তিরা হল, সিলেট নগরীর শামীমাবাদ আবাসিক এলাকার শাহজাহান আহমেদের ছেলে তানভীর আহমেদ সুমন (৩০), সুনামগঞ্জ জেলার শান্তিগঞ্জ উপজেলার পাগলা পশ্চিম পাড়া গ্রামের বাচ্চু মিয়ার ছেলে সায়েম আহমেদ (৩৪) তাদের দুজনকে ৩ মাস করে বিনাশ্রম কারাদণ্ড দেয়া হয়। ও মৌলভীবাজার সদরের হেলালপুর গ্রামের মৃত কনা মিয়া ছেলে বকুল মিয়া (৫৬) এবং সিলেট নগরীর কানিশাইল এলাকাট  মৃত বসির আহমেদের ছেলে সুমন আহমেদ (২৮)। ‎তাদের দুইজন কে ১ মাসের বিনাশ্রম কারাদণ্ড দেয়া হয়।

‎র‍্যাব জানায়, সম্প্রতি সিলেট এমএজি ওসমানী মেডিকেল কলেজ হাসপাতালে প্রতারণাকারী দালাল চক্রের দৌরাত্ম্য আশঙ্কাজনকভাবে বেড়ে যায়। এর পরিপ্রেক্ষিতে গোয়েন্দা তৎপরতা জোরদার করার পর গত ২৬ জুন আনুমানিক ১০:১০ থেকে ১০:২৫ মিনিট পর্যন্ত হাসপাতাল এলাকায় যৌথ অভিযান পরিচালনা করা হয়।

‎অভিযানকালে সাধারণ মানুষকে হয়রানি ও সরকারি কাজে বাধা দেওয়ার অপরাধ হাতেনাতে স্বীকার করায় বিজ্ঞ ম্যাজিস্ট্রেট পেনাল কোড, ১৮৬০-এর ১৮৬ ধারা অনুযায়ী আসামিদের এই দণ্ড প্রদান করেন।

‎উল্লেখ্য, ১৮৬০ সনের দণ্ডবিধির ১৮৬ ধারা অনুযায়ী কোনো সরকারি কর্মচারীকে তাঁর সরকারি দায়িত্ব পালনে ইচ্ছাকৃতভাবে বাধা প্রদান করা একটি দণ্ডনীয় অপরাধ।

‎র‍্যাব-৯ এর পক্ষ থেকে জানানো হয়েছে, দেশের আইন-শৃঙ্খলা পরিস্থিতি স্বাভাবিক রাখার লক্ষ্যে এবং জনস্বার্থে এই ধরনের অপরাধবিরোধী অভিযান ও গোয়েন্দা তৎপরতা ভবিষ্যতেও অব্যাহত থাকবে।

‎

ট্যাগস :
আপলোডকারীর তথ্য

জনপ্রিয় সংবাদ

লাখাই মুড়িয়াউক ইউনিয়ন নির্বাচনকে সামনে রেখে জমে উঠেছে প্রচার-প্রচারণা

‎ওসমানী হাসপাতালে র‍্যাব-জেলা প্রশাসনের যৌথ অভিযান: ৪ দালালকে কারাদণ্ড

সময় ০৭:৪৩:২৯ অপরাহ্ন, বুধবার, ১৭ জুন ২০২৬

‎

‎সিলেটের এমএজি ওসমানী মেডিকেল কলেজ হাসপাতালে চিকিৎসা নিতে আসা সাধারণ মানুষকে হয়রানি, প্রতারণা এবং সরকারি দায়িত্ব পালনে বাধা দেওয়ার অপরাধে দালালচক্রের ৪ সদস্যকে বিভিন্ন মেয়াদে কারাদণ্ড দেওয়া হয়েছে। র‍্যাপিড এ্যাকশন ব্যাটালিয়ন (র‍্যাব)-৯ এবং সিলেট জেলা প্রশাসনের যৌথ অভিযানে পরিচালিত এক ভ্রাম্যমাণ আদালত এই দণ্ডাদেশ প্রদান করেন।

‎র‍্যাব-৯ এর মিডিয়া অফিসার অতিরিক্ত পুলিশ সুপার কে, এম, শহিদুল ইসলাম সোহাগ এক সংবাদ বিজ্ঞপ্তিতে এই তথ্য নিশ্চিত করেছেন।

সাজাপ্রাপ্ত ব্যক্তিরা হল, সিলেট নগরীর শামীমাবাদ আবাসিক এলাকার শাহজাহান আহমেদের ছেলে তানভীর আহমেদ সুমন (৩০), সুনামগঞ্জ জেলার শান্তিগঞ্জ উপজেলার পাগলা পশ্চিম পাড়া গ্রামের বাচ্চু মিয়ার ছেলে সায়েম আহমেদ (৩৪) তাদের দুজনকে ৩ মাস করে বিনাশ্রম কারাদণ্ড দেয়া হয়। ও মৌলভীবাজার সদরের হেলালপুর গ্রামের মৃত কনা মিয়া ছেলে বকুল মিয়া (৫৬) এবং সিলেট নগরীর কানিশাইল এলাকাট  মৃত বসির আহমেদের ছেলে সুমন আহমেদ (২৮)। ‎তাদের দুইজন কে ১ মাসের বিনাশ্রম কারাদণ্ড দেয়া হয়।

‎র‍্যাব জানায়, সম্প্রতি সিলেট এমএজি ওসমানী মেডিকেল কলেজ হাসপাতালে প্রতারণাকারী দালাল চক্রের দৌরাত্ম্য আশঙ্কাজনকভাবে বেড়ে যায়। এর পরিপ্রেক্ষিতে গোয়েন্দা তৎপরতা জোরদার করার পর গত ২৬ জুন আনুমানিক ১০:১০ থেকে ১০:২৫ মিনিট পর্যন্ত হাসপাতাল এলাকায় যৌথ অভিযান পরিচালনা করা হয়।

‎অভিযানকালে সাধারণ মানুষকে হয়রানি ও সরকারি কাজে বাধা দেওয়ার অপরাধ হাতেনাতে স্বীকার করায় বিজ্ঞ ম্যাজিস্ট্রেট পেনাল কোড, ১৮৬০-এর ১৮৬ ধারা অনুযায়ী আসামিদের এই দণ্ড প্রদান করেন।

‎উল্লেখ্য, ১৮৬০ সনের দণ্ডবিধির ১৮৬ ধারা অনুযায়ী কোনো সরকারি কর্মচারীকে তাঁর সরকারি দায়িত্ব পালনে ইচ্ছাকৃতভাবে বাধা প্রদান করা একটি দণ্ডনীয় অপরাধ।

‎র‍্যাব-৯ এর পক্ষ থেকে জানানো হয়েছে, দেশের আইন-শৃঙ্খলা পরিস্থিতি স্বাভাবিক রাখার লক্ষ্যে এবং জনস্বার্থে এই ধরনের অপরাধবিরোধী অভিযান ও গোয়েন্দা তৎপরতা ভবিষ্যতেও অব্যাহত থাকবে।

‎