সিলেট ১২:৫৭ পূর্বাহ্ন, বৃহস্পতিবার, ১১ জুন ২০২৬
News Title :
‎সখিপুর পৌরসভায় ৩নং ওয়ার্ডে টানা বিদ্যুৎ বিপর্যয়: চরম ভোগান্তিতে হাজারো মানুষ জামালপুর সদর উপজেলা নির্বাহী অফিসারের মাঠ পর্যায়ের কৃষি উন্নয়নমূলক ও মানবিক কার্যক্রম পরিদর্শন বানিয়াচংয়ে ইসলামি সংগ্রাম পরিষদের পূর্ণাঙ্গ কমিটি গঠন, সভাপতিঃ মাওঃ আব্দাল খান, সেক্রেটারিঃ মাওঃ মশিউর রহমান ‎ছাতকের কৈতক হাসপাতালের জায়গা রক্ষায় মানববন্ধন, মামলা প্রত্যাহারের দাবি জামালপুরের ‎কেন্দুয়ায় ইউনিয়ন উন্নয়ন সমন্বয় কমিটির ষান্মাসিক সভা অনুষ্ঠিত ‎আজমিরীগঞ্জের বহুল আলোচিত ‘মানু মিয়া’ হত্যা মামলার প্রধান আসামিসহ গ্রেফতার ৩ ১৭ জুন মৌলভীবাজার সফরে আসছেন,চলছে ব্যাপক প্রস্তুতি ‎সামাজিক সচেতনতা বৃদ্ধির বার্তা নিয়ে ছাতকে গ্রন্থ বিতরণ ও মতবিনিময় সভা জামালপুরে প্রতিবন্ধী ব্যক্তিদের মূল্যায়নের ফলাফল বিনিময় এবং  প্রতিবন্ধী ব্যক্তিদের সংগঠন (OPD) প্লাটফর্ম গঠন কর্মশালা ‎হবিগঞ্জের মাধবপুরে ঢাকা-সিলেট মহাসড়কে সড়ক দুর্ঘটনায় নারীসহ ২ জনের মৃত্যু‎

‎আজমিরীগঞ্জের বহুল আলোচিত ‘মানু মিয়া’ হত্যা মামলার প্রধান আসামিসহ গ্রেফতার ৩



‎হবিগঞ্জের আজমেরীগঞ্জে পাওনা টাকা নিয়ে বিরোধের জেরে সংঘটিত চাঞ্চল্যকর ‘মানু মিয়া’ হত্যা মামলার প্রধান আসামিসহ ৩ জনকে সিলেট থেকে গ্রেফতার করেছে র‍্যাপিড এ্যাকশন ব্যাটালিয়ন-৯ (র‍্যাব)।

‎বুধবার (১০ জুন ২০২৬) পৃথক দুটি যৌথ অভিযানে সিলেট মহানগরীর শাহপরাণ (রঃ) থানা এলাকা থেকে তাদের গ্রেফতার করা হয়।
‎গ্রেফতারকৃত আসামিরা হলেন, মালেক মিয়া (৩৯) মামলার প্রধান আসামি,আলেক মিয়া (৩৭) মামলার এজাহারনামীয় ২নং আসামি।
‎(উভয়ই আজমেরীগঞ্জ থানার শিবপাশা এলাকার মৃত নূর মিয়ার ছেলে) এবং
‎সুমন আহমেদ জয় (২৯) তদন্তে প্রাপ্ত আসামি।
‎(তিনি হবিগঞ্জ সদর থানার সুলতানসি এলাকার হুমায়ুন কবির শাহিনের ছেলে)।

‎র‍্যাব সূত্রে জানা যায়, গত ১০ মে ২০২৬ তারিখ দুপুর আনুমানিক সাড়ে ১২ টার সময় আজমিরীগঞ্জের শিবপাশা এলাকায় বিবাদী মালেক মিয়া এবং সাক্ষী তাজুল মিয়ার মধ্যে পাওনা টাকা নিয়ে কথা কাটাকাটি হয়। উপস্থিত লোকজন তাৎক্ষণিকভাবে বিষয়টি মীমাংসা করে দিলেও এর কিছুক্ষণ পর মালেক মিয়ার নেতৃত্বে আসামিরা দেশীয় অস্ত্রশস্ত্রে সজ্জিত হয়ে ভিকটিম মান উল্লাহ মানু মিয়ার বাড়িতে গিয়ে তাজুল ইসলামের ওপর আক্রমণ করে।

‎এ সময় মানু মিয়া ও তার স্ত্রী রিনা বেগম সাক্ষী তাজুলকে বাঁচাতে এগিয়ে আসলে, প্রধান আসামি মালেক মিয়া তার হাতে থাকা কাঠের রুল দিয়ে হত্যার উদ্দেশ্যে মানু মিয়াকে এলোপাতাড়ি আঘাত করে মারাত্মক রক্তাক্ত জখম করেন। পরবর্তীতে তাকে উদ্ধার করে হবিগঞ্জ সদর আধুনিক হাসপাতালে নিয়ে গেলে কর্তব্যরত চিকিৎসক মানু মিয়াকে মৃত ঘোষণা করেন।

‎এই নৃশংস হত্যাকাণ্ডের পর ভিকটিমের ভাতিজা বাদী হয়ে আজমিরীগঞ্জ থানায় একটি হত্যা মামলা দায়ের করেন। মামলা নং-০৪/৩৯, তারিখ- ১২/০৫/২০২৬ খ্রি., ধারা: ১৪৩/৪৪৭/৩৩২
‎/৩০৭/৩০২/৫০৬/৩৪ পেনাল কোড ১৮৬০।  ঘটনার পর থেকেই আসামিরা পলাতক ছিল এবং র‍্যাব-৯ ঘটনার ছায়া তদন্ত শুরু করে গোয়েন্দা তৎপরতা জোরদার করে।



‎র‍্যাব-৯ এর মিডিয়া অফিসার অতিরিক্ত পুলিশ সুপার কে, এম, শহিদুল ইসলাম সোহাগ জানান, গোপন সংবাদের ভিত্তিতে আজ ১০ জুন ২০২৬ তারিখ রাত আনুমানিক ১:৫০ মিনিটের সময় র‍্যাব-৯, সিপিসি-৩ (শায়েস্তাগঞ্জ ক্যাম্প) এবং সিপিএসপি (সিলেট) এর একটি যৌথ দল সিলেটের শাহপরাণ থানার ২২নং ওয়ার্ডের বরদুল এলাকায় অভিযান চালায়। সেখান থেকে মামলার ১ ও ২ নং এজাহারনামীয় পলাতক আসামি মালেক মিয়া ও আলেক মিয়াকে গ্রেফতার করা হয়।
‎এর আগে, একই রাতের আনুমানিক ১:৩০ মিনিটে শাহপরাণ থানাধীন উপ-শহরের ‘এ ব্লক’ এলাকায় আজমল এন্ড আফতাব হাউজের সামনে থেকে মামলার তদন্তে প্রাপ্ত অপর পলাতক আসামি সুমন আহমেদ জয়কে গ্রেফতার করে র‍্যাবের আরেকটি আভিযানিক দল।

‎গ্রেফতারকৃত আসামিদের বিরুদ্ধে পরবর্তী আইনি ব্যবস্থা গ্রহণের লক্ষ্যে তাদেরকে হবিগঞ্জ জেলার আজমিরীগঞ্জ থানায় হস্তান্তর করা হয়েছে। দেশের আইন-শৃঙ্খলা পরিস্থিতি স্বাভাবিক রাখতে র‍্যাবের এই চলমান অভিযান ও গোয়েন্দা তৎপরতা অব্যাহত থাকবে বলে প্রেস বিজ্ঞপ্তিতে জানানো হয়েছে।

ট্যাগস :
আপলোডকারীর তথ্য

জনপ্রিয় সংবাদ

‎সখিপুর পৌরসভায় ৩নং ওয়ার্ডে টানা বিদ্যুৎ বিপর্যয়: চরম ভোগান্তিতে হাজারো মানুষ

‎আজমিরীগঞ্জের বহুল আলোচিত ‘মানু মিয়া’ হত্যা মামলার প্রধান আসামিসহ গ্রেফতার ৩

সময় ০৮:১৪:৪৪ অপরাহ্ন, বুধবার, ১০ জুন ২০২৬



‎হবিগঞ্জের আজমেরীগঞ্জে পাওনা টাকা নিয়ে বিরোধের জেরে সংঘটিত চাঞ্চল্যকর ‘মানু মিয়া’ হত্যা মামলার প্রধান আসামিসহ ৩ জনকে সিলেট থেকে গ্রেফতার করেছে র‍্যাপিড এ্যাকশন ব্যাটালিয়ন-৯ (র‍্যাব)।

‎বুধবার (১০ জুন ২০২৬) পৃথক দুটি যৌথ অভিযানে সিলেট মহানগরীর শাহপরাণ (রঃ) থানা এলাকা থেকে তাদের গ্রেফতার করা হয়।
‎গ্রেফতারকৃত আসামিরা হলেন, মালেক মিয়া (৩৯) মামলার প্রধান আসামি,আলেক মিয়া (৩৭) মামলার এজাহারনামীয় ২নং আসামি।
‎(উভয়ই আজমেরীগঞ্জ থানার শিবপাশা এলাকার মৃত নূর মিয়ার ছেলে) এবং
‎সুমন আহমেদ জয় (২৯) তদন্তে প্রাপ্ত আসামি।
‎(তিনি হবিগঞ্জ সদর থানার সুলতানসি এলাকার হুমায়ুন কবির শাহিনের ছেলে)।

‎র‍্যাব সূত্রে জানা যায়, গত ১০ মে ২০২৬ তারিখ দুপুর আনুমানিক সাড়ে ১২ টার সময় আজমিরীগঞ্জের শিবপাশা এলাকায় বিবাদী মালেক মিয়া এবং সাক্ষী তাজুল মিয়ার মধ্যে পাওনা টাকা নিয়ে কথা কাটাকাটি হয়। উপস্থিত লোকজন তাৎক্ষণিকভাবে বিষয়টি মীমাংসা করে দিলেও এর কিছুক্ষণ পর মালেক মিয়ার নেতৃত্বে আসামিরা দেশীয় অস্ত্রশস্ত্রে সজ্জিত হয়ে ভিকটিম মান উল্লাহ মানু মিয়ার বাড়িতে গিয়ে তাজুল ইসলামের ওপর আক্রমণ করে।

‎এ সময় মানু মিয়া ও তার স্ত্রী রিনা বেগম সাক্ষী তাজুলকে বাঁচাতে এগিয়ে আসলে, প্রধান আসামি মালেক মিয়া তার হাতে থাকা কাঠের রুল দিয়ে হত্যার উদ্দেশ্যে মানু মিয়াকে এলোপাতাড়ি আঘাত করে মারাত্মক রক্তাক্ত জখম করেন। পরবর্তীতে তাকে উদ্ধার করে হবিগঞ্জ সদর আধুনিক হাসপাতালে নিয়ে গেলে কর্তব্যরত চিকিৎসক মানু মিয়াকে মৃত ঘোষণা করেন।

‎এই নৃশংস হত্যাকাণ্ডের পর ভিকটিমের ভাতিজা বাদী হয়ে আজমিরীগঞ্জ থানায় একটি হত্যা মামলা দায়ের করেন। মামলা নং-০৪/৩৯, তারিখ- ১২/০৫/২০২৬ খ্রি., ধারা: ১৪৩/৪৪৭/৩৩২
‎/৩০৭/৩০২/৫০৬/৩৪ পেনাল কোড ১৮৬০।  ঘটনার পর থেকেই আসামিরা পলাতক ছিল এবং র‍্যাব-৯ ঘটনার ছায়া তদন্ত শুরু করে গোয়েন্দা তৎপরতা জোরদার করে।



‎র‍্যাব-৯ এর মিডিয়া অফিসার অতিরিক্ত পুলিশ সুপার কে, এম, শহিদুল ইসলাম সোহাগ জানান, গোপন সংবাদের ভিত্তিতে আজ ১০ জুন ২০২৬ তারিখ রাত আনুমানিক ১:৫০ মিনিটের সময় র‍্যাব-৯, সিপিসি-৩ (শায়েস্তাগঞ্জ ক্যাম্প) এবং সিপিএসপি (সিলেট) এর একটি যৌথ দল সিলেটের শাহপরাণ থানার ২২নং ওয়ার্ডের বরদুল এলাকায় অভিযান চালায়। সেখান থেকে মামলার ১ ও ২ নং এজাহারনামীয় পলাতক আসামি মালেক মিয়া ও আলেক মিয়াকে গ্রেফতার করা হয়।
‎এর আগে, একই রাতের আনুমানিক ১:৩০ মিনিটে শাহপরাণ থানাধীন উপ-শহরের ‘এ ব্লক’ এলাকায় আজমল এন্ড আফতাব হাউজের সামনে থেকে মামলার তদন্তে প্রাপ্ত অপর পলাতক আসামি সুমন আহমেদ জয়কে গ্রেফতার করে র‍্যাবের আরেকটি আভিযানিক দল।

‎গ্রেফতারকৃত আসামিদের বিরুদ্ধে পরবর্তী আইনি ব্যবস্থা গ্রহণের লক্ষ্যে তাদেরকে হবিগঞ্জ জেলার আজমিরীগঞ্জ থানায় হস্তান্তর করা হয়েছে। দেশের আইন-শৃঙ্খলা পরিস্থিতি স্বাভাবিক রাখতে র‍্যাবের এই চলমান অভিযান ও গোয়েন্দা তৎপরতা অব্যাহত থাকবে বলে প্রেস বিজ্ঞপ্তিতে জানানো হয়েছে।