সিলেট ০৮:২৭ পূর্বাহ্ন, শনিবার, ১৮ জুলাই ২০২৬
News Title :
‎আফগানিস্তানে জাতিসংঘের বিশেষ প্রতিনিধি হলেন মাধবপুরের রাবাব ফাতিমা ‎হবিগঞ্জে বন্যাদুর্গত চার শতাধিক মানুষের পাশে জেলা পুলিশ মেডিকেল ক্যাম্পে বিনামূল্যে চিকিৎসাসেবা‎ রুস্তম হত্যাকারীদের গ্রেফতারের দাবিতে মানববন্ধন ও বিক্ষোভ মিছিল, ১২ ঘণ্টার আল্টিমেটাম ‎লাখাইয়ে কৃষক স্মার্ট কার্ড বিতরণ শুরু ‎টাকার অভাবে থমকে গেছে উস্তার মিয়ার চিকিৎসা, পরিবার নিয়ে মানবতর জীবন যাপন হবিগঞ্জে ঘাস কাটতে গিয়ে সাপের কামড়ে যুবকের মৃত্যু সাবেক প্রয়াত মন্ত্রী সিরাজুল হোসেন খান শততম বর্ষে পদার্পণ আজ‎‎। জামালপুর অর্থনৈতিক অঞ্চলে বন্দি ‘পশ্চিমপাড়া গ্রাম’: পুনর্বাসনের জোর দাবি সচেতন মহলের ‎শান্তিগঞ্জে উচ্চ ফলনশীল আগাম জাতের আমন ধান চাষে কৃষকদের মৌলিক প্রশিক্ষণ সমাপ্ত শান্তিগঞ্জে জুলাই শহিদ দিবস উপলক্ষ্যে আলোচনা সভা

জামালপুরে সাবেক এমপি ইঞ্জিনিয়ার মোজাফফর হোসেনের বিরুদ্ধে গ্রেফতারি পরোয়ানা

সাবেক এমপি ইঞ্জিনিয়ার মোজাফফর হোসেন, (ফাইল ছবি)



‎​জামালপুর-৫ (সদর) আসনের সাবেক সংসদ সদস্য ও জেলা আওয়ামী লীগের সাবেক নেতা ইঞ্জিনিয়ার মোজাফফর হোসেনের বিরুদ্ধে চেক ডিজঅনারের চারটি মামলায় গ্রেফতারি পরোয়ানা জারি করেছেন আদালত। নির্ধারিত সময়ে আদালতে হাজির না হওয়ায় জামালপুরের অতিরিক্ত চিফ জুডিশিয়াল ম্যাজিস্ট্রেট আদালতের বিচারক সাইফুর রহমান এই আদেশ দেন।

‎​আদালত ও মামলার নথিসূত্রে জানা গেছে, আর্থিক লেনদেন সংক্রান্ত বিরোধের জেরে সদর উপজেলার বাসিন্দা মাহফুজুর রহমান বাদী হয়ে সাবেক এমপির বিরুদ্ধে চেক ডিজঅনারের এই চারটি মামলা দায়ের করেন।

‎​মামলার বিবরণে জানা যায়, ইঞ্জিনিয়ার মোজাফফর হোসেন বিভিন্ন সময়ে মামলার বাদী মাহফুজুর রহমানের কাছ থেকে মোট ১ কোটি ৬৭ লক্ষ টাকা ধার নেন। সংসদ সদস্য থাকাকালীন সময় থেকেই বাদী পাওনা টাকা ফেরত চাইলে তিনি বারবার সময়ক্ষেপণ করেন। এক পর্যায়ে পাওনা টাকা পরিশোধের জন্য বাদীকে সোনালী ব্যাংকের চারটি চেক প্রদান করেন।

‎​বাদী পক্ষের আইনজীবী আব্দুল আল মাসুম জানান, ২০২৪ সালে দ্বাদশ জাতীয় সংসদ নির্বাচনে দলীয় মনোনয়ন বঞ্চিত হওয়ার পর থেকেই ইঞ্জিনিয়ার মোজাফফর হোসেন এলাকায় আসা বন্ধ করে দেন। পরবর্তীতে ২০২৪ সালের ৫ আগস্ট আওয়ামী লীগ সরকারের পতনের পর তিনি আত্মগোপনে চলে যান। চেকগুলো ব্যাংকে জমা দিলে তা ডিজঅনার হয়। এ অবস্থায় নিরুপায় হয়ে বাদী আদালতে মামলা দায়ের করেন।

‎​আইনজীবী আরও জানান, আদালতের পক্ষ থেকে আসামিকে যথাযথভাবে সমন জারি করা হলেও তিনি নির্ধারিত তারিখে আদালতে হাজির হননি। আসামির অনুপস্থিতির কারণে বিচারক সাইফুর রহমান আইন অনুযায়ী তার বিরুদ্ধে গ্রেফতারি পরোয়ানা জারির নির্দেশ দিয়েছেন।

‎​উল্লেখ্য, সাবেক এই এমপির বিরুদ্ধে অভিযোগ রয়েছে যে, তিনি পাওনা টাকা দেওয়ার কথা বলে দীর্ঘদিন ধরে বাদীকে ঘোরাচ্ছিলেন এবং বর্তমানে তার কোনো সন্ধান না পাওয়ায় বাদী আইনি লড়াইয়ে নামতে বাধ্য হয়েছেন।

ট্যাগস :
আপলোডকারীর তথ্য

জনপ্রিয় সংবাদ

‎আফগানিস্তানে জাতিসংঘের বিশেষ প্রতিনিধি হলেন মাধবপুরের রাবাব ফাতিমা

জামালপুরে সাবেক এমপি ইঞ্জিনিয়ার মোজাফফর হোসেনের বিরুদ্ধে গ্রেফতারি পরোয়ানা

সময় ০৯:৫৩:২৭ পূর্বাহ্ন, সোমবার, ২৫ মে ২০২৬
সাবেক এমপি ইঞ্জিনিয়ার মোজাফফর হোসেন, (ফাইল ছবি)



‎​জামালপুর-৫ (সদর) আসনের সাবেক সংসদ সদস্য ও জেলা আওয়ামী লীগের সাবেক নেতা ইঞ্জিনিয়ার মোজাফফর হোসেনের বিরুদ্ধে চেক ডিজঅনারের চারটি মামলায় গ্রেফতারি পরোয়ানা জারি করেছেন আদালত। নির্ধারিত সময়ে আদালতে হাজির না হওয়ায় জামালপুরের অতিরিক্ত চিফ জুডিশিয়াল ম্যাজিস্ট্রেট আদালতের বিচারক সাইফুর রহমান এই আদেশ দেন।

‎​আদালত ও মামলার নথিসূত্রে জানা গেছে, আর্থিক লেনদেন সংক্রান্ত বিরোধের জেরে সদর উপজেলার বাসিন্দা মাহফুজুর রহমান বাদী হয়ে সাবেক এমপির বিরুদ্ধে চেক ডিজঅনারের এই চারটি মামলা দায়ের করেন।

‎​মামলার বিবরণে জানা যায়, ইঞ্জিনিয়ার মোজাফফর হোসেন বিভিন্ন সময়ে মামলার বাদী মাহফুজুর রহমানের কাছ থেকে মোট ১ কোটি ৬৭ লক্ষ টাকা ধার নেন। সংসদ সদস্য থাকাকালীন সময় থেকেই বাদী পাওনা টাকা ফেরত চাইলে তিনি বারবার সময়ক্ষেপণ করেন। এক পর্যায়ে পাওনা টাকা পরিশোধের জন্য বাদীকে সোনালী ব্যাংকের চারটি চেক প্রদান করেন।

‎​বাদী পক্ষের আইনজীবী আব্দুল আল মাসুম জানান, ২০২৪ সালে দ্বাদশ জাতীয় সংসদ নির্বাচনে দলীয় মনোনয়ন বঞ্চিত হওয়ার পর থেকেই ইঞ্জিনিয়ার মোজাফফর হোসেন এলাকায় আসা বন্ধ করে দেন। পরবর্তীতে ২০২৪ সালের ৫ আগস্ট আওয়ামী লীগ সরকারের পতনের পর তিনি আত্মগোপনে চলে যান। চেকগুলো ব্যাংকে জমা দিলে তা ডিজঅনার হয়। এ অবস্থায় নিরুপায় হয়ে বাদী আদালতে মামলা দায়ের করেন।

‎​আইনজীবী আরও জানান, আদালতের পক্ষ থেকে আসামিকে যথাযথভাবে সমন জারি করা হলেও তিনি নির্ধারিত তারিখে আদালতে হাজির হননি। আসামির অনুপস্থিতির কারণে বিচারক সাইফুর রহমান আইন অনুযায়ী তার বিরুদ্ধে গ্রেফতারি পরোয়ানা জারির নির্দেশ দিয়েছেন।

‎​উল্লেখ্য, সাবেক এই এমপির বিরুদ্ধে অভিযোগ রয়েছে যে, তিনি পাওনা টাকা দেওয়ার কথা বলে দীর্ঘদিন ধরে বাদীকে ঘোরাচ্ছিলেন এবং বর্তমানে তার কোনো সন্ধান না পাওয়ায় বাদী আইনি লড়াইয়ে নামতে বাধ্য হয়েছেন।