
টাঙ্গাইলের গোপালপুর উপজেলার নবাগত উপজেলা নির্বাহী কর্মকর্তা (ইউএনও) লাইলাতুল হোসেন দায়িত্ব গ্রহণের প্রথম দিনেই বদলীর আদেশ পেয়েছেন। এ ঘটনায় উপজেলাজুড়ে আলোচনা-সমালোচনার সৃষ্টি হয়েছে।
স্থানীয়দের অভিযোগ প্রশাসনিক কর্মকর্তাদের ঘন ঘন বদলীর কারণে উপজেলার উন্নয়ন কার্যক্রম ব্যাহত হওয়ার পাশাপাশি জনসেবাও মারাত্মক ভাবে ক্ষতিগ্রস্ত হচ্ছে।
প্রশাসন সূত্রে জানা গেছে,সম্প্রতি গোপালপুর উপজেলা নির্বাহী কর্মকর্তা হিসেবে যোগদান করেন লাইলাতুল হোসেন। তবে দায়িত্ব গ্রহণের দিনই তাঁর বদলীর আদেশ জারি হওয়ায় প্রশাসনিক কার্যক্রম নিয়ে অনিশ্চয়তা দেখা দিয়েছে। বিষয়টি স্থানীয় জনপ্রতিনিধি সুশীল সমাজ ও সাধারণ মানুষের মধ্যেও হতাশা তৈরি করেছে।
স্থানীয়দের ভাষ্য একজন কর্মকর্তা নতুন কর্মস্থলে যোগদানের পর এলাকার সমস্যা, সম্ভাবনা ও প্রশাসনিক বাস্তবতা বুঝে কাজ শুরু করতে না করতেই বদলীর আদেশ চলে আসে। এতে চলমান উন্নয়ন প্রকল্পগুলোর ধারাবাহিকতা নষ্ট হয় এবং বিভিন্ন দাপ্তরিক কার্যক্রমে ধীরগতি দেখা দেয়।বিশেষ করে ভূমি সামাজিক নিরাপত্তা কর্মসূচি অবকাঠামো উন্নয়ন ও স্থানীয় প্রশাসনিক সেবার ক্ষেত্রে জনগণকে ভোগান্তির শিকার হতে হচ্ছে বলে অভিযোগ করেন ভুক্তভোগীরা।
তাদের মতে ঘন ঘন কর্মকর্তার পরিবর্তনের ফলে সাধারণ মানুষ কাঙ্ক্ষিত সেবা সময়মতো পাচ্ছেন না। সচেতন মহল বলছে, প্রশাসনে স্থিতিশীলতা নিশ্চিত না হলে দীর্ঘমেয়াদি উন্নয়ন পরিকল্পনা বাস্তবায়ন বাধাগ্রস্ত হবে। একই সঙ্গে স্থানীয় পর্যায়ে প্রশাসনের প্রতি জনআস্থাও কমে যেতে পারে। এ বিষয়ে সংশ্লিষ্ট কর্তৃপক্ষের সুদৃষ্টি কামনা করেছেন গোপালপুরবাসী।
মোঃ সাজিদ পিয়াল টাঙ্গাইল থেকে 

















