সিলেট ১১:৫৮ অপরাহ্ন, শনিবার, ১২ সেপ্টেম্বর ২০২৬
News Title :
আদালতের হাজত থেকে পালালেন মাদক মামলার আসামি, রাতে আবার গ্রেপ্তার ‎দেড় দশকের সাংবাদিকতা, এবার ডেইলি অবজারভারের ছাতক প্রতিনিধি সাজ্জাদ মনির ‎আজমিরীগঞ্জে দেড় মাস ধরে নেই  ইউএনও, স্বাভাবিক প্রশাসনিক কার্যক্রম ব্যাহত।।‎‎ হবিগঞ্জে জিরাবোঝাই ট্রাক আটক, চাঁদা দাবির অভিযোগে ছাত্রদল নেতাসহ ৩ জন গ্রেপ্তার হবিগঞ্জে বালুর নিচে লোকানো ভারতীয় শাড়ি-কসমেটিকসসহ কোটি টাকার পণ্য জব্দ ‎মৌলভীবাজারে তিন মাসব্যাপী ডেঙ্গু প্রতিরোধ অভিযান শুরু শ্রীমঙ্গলে ভারতীয় মদসহ ৩জন গ্রেফতার। ‎লাখাইয়ে ৯ পিস ইয়াবাসহ এক যুবক গ্রেপ্তার ‎তামাবিলে সড়কের পাশে পাথর ডাম্পিং, মামার বাজার-মোহাম্মদপুরে যত্রতত্র ট্রাক পার্কিং; যানজটে ভোগান্তি ‎সিলেটে কোতোয়ালী থানা পুলিশের অভিযানে আন্তঃজেলা ডাকাত ও সুইচ গিয়ারসহ গ্রেফতার ২
হবিগঞ্জ কোর্টে মানহানী মামলা....

প্রথম আলোর সম্পাদকসহ ৩ সাংবাদিকের বিরুদ্ধে ১০০ কোটি টাকার মানহানী মামলা!





‎দৈনিক প্রথম আলোর সম্পাদক মতিউর রহমানসহ তিন সাংবাদিকের বিরুদ্ধে হবিগঞ্জের একটি আদালতে মানহানির অভিযোগে মামলা করা হয়েছে। মামলায় ১০০ কোটি টাকার ক্ষতিপূরণ দাবি করা হয়েছে।

‎বুধবার (৬ মে) সিনিয়র জুডিসিয়াল ম্যাজিস্ট্রেট আদালতে স্থানীয় বেসরকারি সংস্থা ‘পিপলস অ্যাসিস্ট্যান্ট ফর সোশাল অ্যাডভান্সমেন্ট’ (পাশা)-এর নির্বাহী পরিচালক সৈয়দ হুমায়ুন কবির এ মামলা দায়ের করেন।


‎আদালতের বিচারক মোছা. তানজিনা তানিন মামলাটি আমলে নিয়ে জেলা গোয়েন্দা (ডিবি) পুলিশকে তদন্ত করে প্রতিবেদন দাখিলের নির্দেশ দিয়েছেন।
‎মামলার অপর আসামিরা হলেন প্রথম আলোর জ্যেষ্ঠ প্রতিবেদক রিয়াদুল করিম ও হবিগঞ্জ প্রতিনিধি হাফিজুর রহমান নিয়ন।

‎মামলার অভিযোগে বলা হয়, ত্রয়োদশ জাতীয় সংসদ নির্বাচন উপলক্ষে নির্বাচন কমিশন স্থানীয় প্রশাসন ও গোয়েন্দা সংস্থার যাচাই–বাছাই শেষে ‘পাশা’কে ১০ হাজার ৫৫৯ জন নির্বাচন পর্যবেক্ষক নিয়োগের অনুমতি দেয়। এর পর ৫ ফেব্রুয়ারি প্রথম আলোতে “এক ব্যক্তিনির্ভর ‘পাশা’ দিচ্ছে ১০ হাজার নির্বাচন পর্যবেক্ষক” শিরোনামে একটি প্রতিবেদন প্রকাশিত হয়।

‎বাদীপক্ষের দাবি, প্রতিবেদনে সংস্থাটিকে ঘিরে যে তথ্য উপস্থাপন করা হয়েছে, তা সঠিক নয় এবং এতে সংস্থার সুনাম ক্ষুণ্ন হয়েছে। এতে দেশি-বিদেশি দাতা সংস্থা, শুভানুধ্যায়ী ও সংশ্লিষ্টদের মধ্যে বিভ্রান্তি তৈরি হয়েছে বলেও অভিযোগ করা হয়।
‎পাশাপাশি নির্বাচন পর্যবেক্ষক নিয়োগ কার্যক্রম স্থগিত হওয়ায় সংস্থাটি আর্থিক ক্ষতির মুখে পড়েছে বলে মামলায় উল্লেখ করা হয়েছে।

‎এছাড়া প্রতিবেদনে সংস্থাটিকে ‘নামসর্বস্ব’ ও ‘নিজস্ব প্রকল্পবিহীন’ হিসেবে উল্লেখ করা এবং পর্যবেক্ষক কার্ড বিক্রির অভিযোগের বিষয়টিকেও ভিত্তিহীন ও উদ্দেশ্যপ্রণোদিত বলা হয়েছে। সংস্থার প্রধান কার্যালয়ের ছবি সম্পাদনা করে প্রকাশ করা হয়েছে বলেও অভিযোগ করা হয়েছে।

‎মামলায় বলা হয়, এসব কারণে সংস্থাটির প্রায় ১০০ কোটি টাকার ক্ষতি হয়েছে। এ বিষয়ে আগে সংশ্লিষ্টদের কাছে লিগ্যাল নোটিশ পাঠানো হলেও সন্তোষজনক জবাব পাওয়া যায়নি। পরে আদালতে মামলা করা হয়।

‎বাদীপক্ষের আইনজীবী অ্যাডভোকেট শহীদুল ইসলাম বলেন, আদালত অভিযোগটি আমলে নিয়ে ডিবি পুলিশকে তদন্তের দায়িত্ব দিয়েছেন।

ট্যাগস :
আপলোডকারীর তথ্য

জনপ্রিয় সংবাদ

আদালতের হাজত থেকে পালালেন মাদক মামলার আসামি, রাতে আবার গ্রেপ্তার

হবিগঞ্জ কোর্টে মানহানী মামলা....

প্রথম আলোর সম্পাদকসহ ৩ সাংবাদিকের বিরুদ্ধে ১০০ কোটি টাকার মানহানী মামলা!

সময় ০৮:৪২:৫৪ অপরাহ্ন, শুক্রবার, ৮ মে ২০২৬





‎দৈনিক প্রথম আলোর সম্পাদক মতিউর রহমানসহ তিন সাংবাদিকের বিরুদ্ধে হবিগঞ্জের একটি আদালতে মানহানির অভিযোগে মামলা করা হয়েছে। মামলায় ১০০ কোটি টাকার ক্ষতিপূরণ দাবি করা হয়েছে।

‎বুধবার (৬ মে) সিনিয়র জুডিসিয়াল ম্যাজিস্ট্রেট আদালতে স্থানীয় বেসরকারি সংস্থা ‘পিপলস অ্যাসিস্ট্যান্ট ফর সোশাল অ্যাডভান্সমেন্ট’ (পাশা)-এর নির্বাহী পরিচালক সৈয়দ হুমায়ুন কবির এ মামলা দায়ের করেন।


‎আদালতের বিচারক মোছা. তানজিনা তানিন মামলাটি আমলে নিয়ে জেলা গোয়েন্দা (ডিবি) পুলিশকে তদন্ত করে প্রতিবেদন দাখিলের নির্দেশ দিয়েছেন।
‎মামলার অপর আসামিরা হলেন প্রথম আলোর জ্যেষ্ঠ প্রতিবেদক রিয়াদুল করিম ও হবিগঞ্জ প্রতিনিধি হাফিজুর রহমান নিয়ন।

‎মামলার অভিযোগে বলা হয়, ত্রয়োদশ জাতীয় সংসদ নির্বাচন উপলক্ষে নির্বাচন কমিশন স্থানীয় প্রশাসন ও গোয়েন্দা সংস্থার যাচাই–বাছাই শেষে ‘পাশা’কে ১০ হাজার ৫৫৯ জন নির্বাচন পর্যবেক্ষক নিয়োগের অনুমতি দেয়। এর পর ৫ ফেব্রুয়ারি প্রথম আলোতে “এক ব্যক্তিনির্ভর ‘পাশা’ দিচ্ছে ১০ হাজার নির্বাচন পর্যবেক্ষক” শিরোনামে একটি প্রতিবেদন প্রকাশিত হয়।

‎বাদীপক্ষের দাবি, প্রতিবেদনে সংস্থাটিকে ঘিরে যে তথ্য উপস্থাপন করা হয়েছে, তা সঠিক নয় এবং এতে সংস্থার সুনাম ক্ষুণ্ন হয়েছে। এতে দেশি-বিদেশি দাতা সংস্থা, শুভানুধ্যায়ী ও সংশ্লিষ্টদের মধ্যে বিভ্রান্তি তৈরি হয়েছে বলেও অভিযোগ করা হয়।
‎পাশাপাশি নির্বাচন পর্যবেক্ষক নিয়োগ কার্যক্রম স্থগিত হওয়ায় সংস্থাটি আর্থিক ক্ষতির মুখে পড়েছে বলে মামলায় উল্লেখ করা হয়েছে।

‎এছাড়া প্রতিবেদনে সংস্থাটিকে ‘নামসর্বস্ব’ ও ‘নিজস্ব প্রকল্পবিহীন’ হিসেবে উল্লেখ করা এবং পর্যবেক্ষক কার্ড বিক্রির অভিযোগের বিষয়টিকেও ভিত্তিহীন ও উদ্দেশ্যপ্রণোদিত বলা হয়েছে। সংস্থার প্রধান কার্যালয়ের ছবি সম্পাদনা করে প্রকাশ করা হয়েছে বলেও অভিযোগ করা হয়েছে।

‎মামলায় বলা হয়, এসব কারণে সংস্থাটির প্রায় ১০০ কোটি টাকার ক্ষতি হয়েছে। এ বিষয়ে আগে সংশ্লিষ্টদের কাছে লিগ্যাল নোটিশ পাঠানো হলেও সন্তোষজনক জবাব পাওয়া যায়নি। পরে আদালতে মামলা করা হয়।

‎বাদীপক্ষের আইনজীবী অ্যাডভোকেট শহীদুল ইসলাম বলেন, আদালত অভিযোগটি আমলে নিয়ে ডিবি পুলিশকে তদন্তের দায়িত্ব দিয়েছেন।