
ব্রাহ্মণবাড়িয়ার বিজয়নগরে জমির ফসল খাওয়ানো ও নষ্ট করাকে কেন্দ্র করে হামদু মিয়াকে নৃশংসভাবে পিটিয়ে ও কুপিয়ে হত্যার ঘটনার প্রধান আসামিকে গ্রেপ্তার করেছে র্যাপিড অ্যাকশন ব্যাটালিয়ন (র্যাব-৯)।
গতকাল ৯ আগস্ট সন্ধ্যা আনুমানিক ৭ টা ৫ মিনিটে গোপন সংবাদের ভিত্তিতে, কোতোয়ালী থানা এলাকার একটি আইসক্রিম ফ্যাক্টরি থেকে অভিযান চালিয়ে তাকে গ্রেপ্তার করা হয়। গ্রেপ্তারকৃত আসামি বি-বাড়িয়া জেলার, বিজয়নগর উপজেলার বাগদিয়া বন্দরের বাড়ির, মৃত আবদুল মান্নাফ ছেলে, আবুল খায়ের (৫৫)। মামলার দায়ের পর থেকে আসামি পলাতক ছিল।
র্যাব-৯ (সিপিসি-১, ব্রাহ্মণবাড়িয়া ও সিপিএসসি, সিলেট)-এর একটি যৌথ দল অভিযান চালিয়ে এ মামলার ১ নম্বর আসামিকে গ্রেপ্তার করে।
ভিকটিমের স্ত্রী বাদী হয়ে, বিজয়নগর থানায় ৩ আগস্ট একটি হত্যা মামলা দায়ের করেন। মামলা নং৩। দণ্ডবিধি (Penal Code 1860) ধারা: ১৪৩ / ৪৪৭ / ৪৪৮ / ৩২৩ / ৩২৪ / ৩২৫ / ৩২৬ / ৩০৭ / ৩০২ / ৪২৭ / ১১৪ / ৫০৬ / ৩৪ / ৩৮০।
ঘটনা সূত্রপাত গত ১ আগস্ট ২০২৬ খ্রি. সকাল আনুমানিক ৭ টা ৩০ মিনিটে। আসামিপক্ষ নিজেদের গরু দিয়ে বিজয়নগরের বাগদিয়া বন্দরের বাড়ি এলাকার হামদু মিয়ার জমির ফসল খাওয়ায় এবং নষ্ট করে। এতে হামদু মিয়া বাধা দিলে দু’পক্ষের মধ্যে কথা-কাটাকাটি হয়।
এরই জেরে সকাল আনুমানিক ৯ টার সময় ১ নম্বর আসামি আবুল খায়েরের হুকুম ও নেতৃত্বে আসামিরা বেআইনিভাবে দলবদ্ধ হয়ে দেশীয় অস্ত্রশস্ত্রে সজ্জিত হয়ে হামীদু মিয়ার বাড়িতে অনধিকারে প্রবেশ করে এলোপাতাড়ি আঘাত করে গুরুতর রক্তাক্ত জখম করে। স্বজনরা উদ্ধার করতে এলে তাদের ওপরও হামলা চালানো হয়। বলে বাদী অভিযোগ করেন। এতে ঘটনাস্থলেই হামদু মিয়ার মৃত্যু হয় এবং আহতরা হাসপাতালে চিকিৎসা নেন।
র্যাব-৯-এর গণমাধ্যম কর্মকর্তা অতিরিক্ত পুলিশ সুপার কে. এম. শহিদুল ইসলাম সোহাগ জানান, গ্রেপ্তারকৃত আসামিকে আইনগত ব্যবস্থার উদ্দেশ্যে বিজয়নগর থানায় হস্তান্তর করা হয়েছে। মামলার অন্যান্য পলাতক আসামিদের গ্রেপ্তারে র্যাব-৯-এর গোয়েন্দা তৎপরতা ও অভিযান অব্যাহত রয়েছে বলে বিজ্ঞপ্তিতে জানানো হয়েছে।
স্টাফ রিপোর্টার 



















