সিলেট ০৫:১০ পূর্বাহ্ন, বুধবার, ২৪ জুন ২০২৬
News Title :
বকশীগঞ্জ খাদ্য গুদামে জলাবদ্ধতা: জলাবদ্ধতায় নাকাল শ্রমিক ও কর্মকর্তা ‎সিলেটে অসামাজিক কার্যকলাপের দায়ে ২ হোটেল সিলগালা, নারীসহ আটক ৬‎ ‎জামালপুরে বিশ্ব পরিবেশ দিবস ২০২৬ উদযাপন উপলক্ষে বর্ণাঢ্য আয়োজন শ্রীমঙ্গলে পর্দা নামলো তিন দিনব্যাপী হারমোনি ফেস্টিভ্যালের জমকালো আয়োজন পুলিশ-গণমাধ্যমের সমন্বিত উদ্যোগে অপরাধ দমনের প্রত্যয় মধুপুরে মোবাইল কোর্টের অভিযানে ৩  মাদকসেবীকে কারাদণ্ড ও জরিমানা নারী নির্যাতন, যৌতুক ও বাল্যবিবাহ প্রতিরোধে মৌলভীবাজারে উঠান বৈঠক ‎শান্তিগঞ্জে জাতীয়তাবাদী যুবদলের উদ্যোগে প্রেসক্লাবের নবনির্বাচিত নেতৃবৃন্দকে সংবর্ধনা প্রদান ‎শান্তিগঞ্জ উপজেলা যুবদলের প্রতিবাদ মিছিল ও সমাবেশ অনুষ্ঠিত ‎জামালপুরে জেসমিন (GESMIN) প্রকল্পের মিড-টার্ম রেজাল্ট শেয়ারিং এবং মোড়ক উন্মোচন কর্মশালা অনুষ্ঠিত

বকশীগঞ্জ খাদ্য গুদামে জলাবদ্ধতা: জলাবদ্ধতায় নাকাল শ্রমিক ও কর্মকর্তা

বকশীগঞ্জ উপজেলা খাদ্য গুদাম প্রাঙ্গণে জলাবদ্ধতা, সেচ পাম্পের মাধ্যমে পানি সরানো হচ্ছে।




‎​জামালপুরের বকশীগঞ্জ উপজেলা খাদ্য গুদাম প্রাঙ্গণে স্থায়ী জলাবদ্ধতার কারণে চরম দুর্ভোগে পড়েছেন কর্মকর্তা-কর্মচারী ও শ্রমিকরা। সামান্য বৃষ্টিতেই গুদামের গুরুত্বপূর্ণ মাঠটি হাঁটু সমান পানিতে তলিয়ে যাওয়ায় ব্যাহত হচ্ছে খাদ্যশস্য মজুত ও সরবরাহ কার্যক্রম।

‎​জানা যায়, বকশীগঞ্জ পৌরসভার জনবহুল এলাকায় অবস্থিত এই খাদ্য গুদামটি থেকে উপজেলার সাতটি ইউনিয়ন ও একটি পৌরসভার সাধারণ মানুষসহ হতদরিদ্রদের জন্য বরাদ্দকৃত চাল, গম ও আটা সরবরাহ করা হয়। এছাড়া বোরো ও আমন মৌসুমে সরকার নির্ধারিত মূল্যে প্রান্তিক কৃষকের কাছ থেকে ধান-গম ক্রয়ের প্রধান কেন্দ্র এটি। প্রতিদিন এখানে খাদ্য পণ্য আনা-নেওয়া করতে অন্তত ৫০ জন শ্রমিক কাজ করেন। কিন্তু পানি নিষ্কাশনের সুব্যবস্থা না থাকায় বর্ষা মৌসুম এলেই এই মাঠটি ব্যবহারের অনুপযোগী হয়ে পড়ে।

‎​মঙ্গলবার (২৩ জুন) সরেজমিনে দেখা যায়, গুদাম চত্বরে প্রায় তিন ফুট পানি জমে আছে। মাঠটি এখন যেন একটি ছোটখাটো পুকুরে রূপ নিয়েছে। পানি নিষ্কাশনের পথ না থাকায় ডিজেল চালিত সেলো মেশিন দিয়ে পানি সরানোর প্রাণান্তকর চেষ্টা করছেন গুদাম কর্তৃপক্ষ।

‎​এ বিষয়ে বকশীগঞ্জ খাদ্য গুদামের ভারপ্রাপ্ত কর্মকর্তা আফিয়া সুলতানা বলেন, ‘গত তিন দিনের বৃষ্টিতে অফিসের ভেতর পর্যন্ত পানি ঢুকে পড়েছে। সেলো মেশিন দিয়ে পানি সেচলেও তা ফেলার মতো কোনো নির্দিষ্ট জায়গা নেই। এতে চরম জলাবদ্ধতার মধ্যে আমাদের অফিস পরিচালনা করতে হচ্ছে। অফিস কক্ষে সাপ, বিচ্ছুসহ বিভিন্ন জলজ প্রাণী উঠে আসছে, সেই সাথে মশার উপদ্রব ভয়াবহ আকার ধারণ করেছে। পণ্যবাহী ট্রাকগুলো নির্দিষ্ট স্থানে রাখা সম্ভব হচ্ছে না, ফলে শ্রমিকরা কাজ করতে পারছেন না।

‎বিষয়টি উপজেলা নির্বাহী অফিসারকে (ইউএনও) জানানো হয়েছে। তিনি সরেজমিনে পরিদর্শন করেছেন, আশা করছি দ্রুতই এর স্থায়ী সমাধান পাওয়া যাবে।’
‎​স্থানীয় সচেতন মহল মনে করেন, জনগুরুত্বপূর্ণ এই খাদ্য গুদামটি সচল রাখতে দ্রুত পানি নিষ্কাশনের জন্য ড্রেনেজ ব্যবস্থা নির্মাণ করা জরুরি। অন্যথায় সরকারি খাদ্যশস্যের নিরাপত্তা ও স্বাভাবিক কার্যক্রম ব্যাহত হওয়ার আশঙ্কা রয়েছে।

ট্যাগস :
আপলোডকারীর তথ্য

জনপ্রিয় সংবাদ

বকশীগঞ্জ খাদ্য গুদামে জলাবদ্ধতা: জলাবদ্ধতায় নাকাল শ্রমিক ও কর্মকর্তা

বকশীগঞ্জ খাদ্য গুদামে জলাবদ্ধতা: জলাবদ্ধতায় নাকাল শ্রমিক ও কর্মকর্তা

সময় ১১:৫৮:৫৭ অপরাহ্ন, মঙ্গলবার, ২৩ জুন ২০২৬
বকশীগঞ্জ উপজেলা খাদ্য গুদাম প্রাঙ্গণে জলাবদ্ধতা, সেচ পাম্পের মাধ্যমে পানি সরানো হচ্ছে।




‎​জামালপুরের বকশীগঞ্জ উপজেলা খাদ্য গুদাম প্রাঙ্গণে স্থায়ী জলাবদ্ধতার কারণে চরম দুর্ভোগে পড়েছেন কর্মকর্তা-কর্মচারী ও শ্রমিকরা। সামান্য বৃষ্টিতেই গুদামের গুরুত্বপূর্ণ মাঠটি হাঁটু সমান পানিতে তলিয়ে যাওয়ায় ব্যাহত হচ্ছে খাদ্যশস্য মজুত ও সরবরাহ কার্যক্রম।

‎​জানা যায়, বকশীগঞ্জ পৌরসভার জনবহুল এলাকায় অবস্থিত এই খাদ্য গুদামটি থেকে উপজেলার সাতটি ইউনিয়ন ও একটি পৌরসভার সাধারণ মানুষসহ হতদরিদ্রদের জন্য বরাদ্দকৃত চাল, গম ও আটা সরবরাহ করা হয়। এছাড়া বোরো ও আমন মৌসুমে সরকার নির্ধারিত মূল্যে প্রান্তিক কৃষকের কাছ থেকে ধান-গম ক্রয়ের প্রধান কেন্দ্র এটি। প্রতিদিন এখানে খাদ্য পণ্য আনা-নেওয়া করতে অন্তত ৫০ জন শ্রমিক কাজ করেন। কিন্তু পানি নিষ্কাশনের সুব্যবস্থা না থাকায় বর্ষা মৌসুম এলেই এই মাঠটি ব্যবহারের অনুপযোগী হয়ে পড়ে।

‎​মঙ্গলবার (২৩ জুন) সরেজমিনে দেখা যায়, গুদাম চত্বরে প্রায় তিন ফুট পানি জমে আছে। মাঠটি এখন যেন একটি ছোটখাটো পুকুরে রূপ নিয়েছে। পানি নিষ্কাশনের পথ না থাকায় ডিজেল চালিত সেলো মেশিন দিয়ে পানি সরানোর প্রাণান্তকর চেষ্টা করছেন গুদাম কর্তৃপক্ষ।

‎​এ বিষয়ে বকশীগঞ্জ খাদ্য গুদামের ভারপ্রাপ্ত কর্মকর্তা আফিয়া সুলতানা বলেন, ‘গত তিন দিনের বৃষ্টিতে অফিসের ভেতর পর্যন্ত পানি ঢুকে পড়েছে। সেলো মেশিন দিয়ে পানি সেচলেও তা ফেলার মতো কোনো নির্দিষ্ট জায়গা নেই। এতে চরম জলাবদ্ধতার মধ্যে আমাদের অফিস পরিচালনা করতে হচ্ছে। অফিস কক্ষে সাপ, বিচ্ছুসহ বিভিন্ন জলজ প্রাণী উঠে আসছে, সেই সাথে মশার উপদ্রব ভয়াবহ আকার ধারণ করেছে। পণ্যবাহী ট্রাকগুলো নির্দিষ্ট স্থানে রাখা সম্ভব হচ্ছে না, ফলে শ্রমিকরা কাজ করতে পারছেন না।

‎বিষয়টি উপজেলা নির্বাহী অফিসারকে (ইউএনও) জানানো হয়েছে। তিনি সরেজমিনে পরিদর্শন করেছেন, আশা করছি দ্রুতই এর স্থায়ী সমাধান পাওয়া যাবে।’
‎​স্থানীয় সচেতন মহল মনে করেন, জনগুরুত্বপূর্ণ এই খাদ্য গুদামটি সচল রাখতে দ্রুত পানি নিষ্কাশনের জন্য ড্রেনেজ ব্যবস্থা নির্মাণ করা জরুরি। অন্যথায় সরকারি খাদ্যশস্যের নিরাপত্তা ও স্বাভাবিক কার্যক্রম ব্যাহত হওয়ার আশঙ্কা রয়েছে।