
বিশ্ব পরিবেশ দিবস ২০২৬ উদযাপন উপলক্ষে মঙ্গলবার ২৩ জুন পরিবেশ সংরক্ষণ ও সচেতনতা বৃদ্ধির লক্ষ্যে ওয়ার্ল্ড ভিশন বাংলাদেশের জেন্ডার ইনক্লুসিভ মার্কেট সিস্টেমস ফর ইমপ্রুভড নিউট্রিশন (GESMIN) প্রজেক্টের উদ্যোগে এবং সুইড বাংলাদেশের সহযোগিতায় জামালপুর সুইড বাংলাদেশ ভবনের হলরুমে দিনব্যাপী এক বর্ণাঢ্য কর্মসূচির আয়োজন করা হয়।
অনুষ্ঠানে প্রতিবন্ধী শিশুদের অংশগ্রহণে চিত্রাঙ্কন প্রতিযোগিতা, বর্ণাঢ্য র্যালি, আলোচনা সভা, পুরস্কার বিতরণ এবং বিভিন্ন প্রজাতির বৃক্ষের চারা বিতরণ কর্মসূচি অনুষ্ঠিত হয়।
আলোচনা সভায় প্রধান অতিথি হিসেবে উপস্থিত ছিলেন,পরিবেশ অধিদপ্তরের সহকারী পরিচালক এ কে এম ছামিউল আলম কুরসি। তিনি তাঁর বক্তব্যে বলেন, পরিবেশ রক্ষা শুধু সরকারের দায়িত্ব নয়, এটি আমাদের সকলের নৈতিক দায়িত্ব। জলবায়ু পরিবর্তনের বিরূপ প্রভাব মোকাবিলায় এখনই কার্যকর উদ্যোগ নিতে হবে এবং নতুন প্রজন্মকে পরিবেশবান্ধব আচরণে উদ্বুদ্ধ করতে হবে।
তিনি আরও বলেন, প্রতিবন্ধী শিশুদের সম্পৃক্ত করে এমন উদ্যোগ সত্যিই প্রশংসনীয়। এতে তাদের অংশগ্রহণ নিশ্চিত হওয়ার পাশাপাশি পরিবেশ বিষয়ে সচেতনতা বৃদ্ধি পায়।
অনুষ্ঠানে উপস্থিত ছিলেন প্রতিবন্ধী বিদ্যালয়ের শিক্ষিকা সীমা রানী ও রিনা বেগম। এছাড়াও চিকিৎসক, উদ্যোক্তা দলের সদস্য, কমিউনিটি ফ্যাসিলিটেটর এবং GESMIN প্রজেক্টের কর্মকর্তাবৃন্দ উপস্থিত ছিলেন।

বক্তারা তাঁদের বক্তব্যে বলেন, পরিবেশ সংরক্ষণে সমাজের সকল শ্রেণি-পেশার মানুষের সক্রিয় অংশগ্রহণ নিশ্চিত করতে হবে। বিশেষ করে শিশু ও প্রতিবন্ধী ব্যক্তিদের পরিবেশবান্ধব কার্যক্রমে সম্পৃক্ত করার মাধ্যমে একটি টেকসই ও বাসযোগ্য পৃথিবী গড়ে তোলা সম্ভব।
বিশ্ব পরিবেশ দিবস ২০২৬-এর প্রতিপাদ্যের গুরুত্ব তুলে ধরে অনুষ্ঠানে পরিবেশ রক্ষা, জলবায়ু পরিবর্তনের প্রভাব মোকাবিলা এবং ভবিষ্যৎ প্রজন্মের জন্য একটি নিরাপদ ও বাসযোগ্য পৃথিবী গড়ে তোলার বিষয়ে বিস্তারিত আলোচনা করা হয়।
অনুষ্ঠানের শেষে চিত্রাঙ্কন প্রতিযোগিতায় অংশগ্রহণকারী শিশুদের মাঝে পুরস্কার বিতরণ করা হয় এবং উপস্থিতদের মধ্যে বিভিন্ন প্রজাতির গাছের চারা বিতরণ করা হয়।
অনুষ্ঠানটি সঞ্চালনায় ছিলেন GESMIN প্রজেক্টের বিজনেস ডেভেলপমেন্ট অফিসার গৌরাঙ্গ চন্দ্র সাহা এবং Gender DRR & CC Officer মোছা:ছাদেকা বেগম।
আয়োজকরা জানান, এ ধরনের উদ্যোগ পরিবেশ সুরক্ষায় জনসচেতনতা বৃদ্ধি এবং প্রতিবন্ধী শিশুদের অংশগ্রহণমূলক উন্নয়নে গুরুত্বপূর্ণ ভূমিকা রাখবে। GESMIN প্রজেক্ট ভবিষ্যতেও পরিবেশ ও সামাজিক উন্নয়নমূলক কার্যক্রম অব্যাহত রাখবে।
উল্লেখ থাকে যে, অস্ট্রেলিয়ান এনজিও কোঅপারেশন প্রোগ্রামের (ANCP) মাধ্যমে অস্ট্রেলিয়ান সরকারের আর্থিক সহায়তায় জেসমিন প্রকল্পটি পরিচালিত হচ্ছে।
মোঃ খোরশেদ আলম, নিজস্ব প্রতিবেদক জামালপুর। 


















